আসুন YouTube এর কিছু লুকনো ম্যাজিক দেখি



ম্যাজিক নং ১)প্রথমে এই লিঙ্ক এ চলে যান বা ইউটুব.কম খোলেন,
এবার সার্চ বার এ Doge meme লিখে সার্চ দিন আর দেখুন ম্যাজিক, আপনার ইউটিউব এর ফ্রন্ট স্টাইল আর কালার পরিবর্তন হয়েগেছে নীচের ছবির মতো।
Doge meme
ম্যাজিক নং ২)
এবার সার্চ বার এ Beam me up Scotty লিখে সার্চ দিন বা এন্টার এ চাপ দিন, দেখবেন আপনার ইউটিউব স্ক্রিন এ বৃষ্টির মতো এফেক্ট উপর থেকে নীচের দিকে পরছে।
স্ক্রীন সট টি দেখুন,
Beam me up Scotty

ম্যাজিক নং ৩)
এই ম্যাজিকটা খুব মজাদার Use the Force Luke লিখে সার্চ দিন বা এন্টার চাপুন, আপনার ইউটিউব অ্যানিমেটেড হয়ে যাবে ভিডিও এর সঙ্গে টেক্সট গুলো স্ক্রীন এ ভাসতে থাকবে।
স্ক্রীন সট টি দেখুন,
Use the Force Luke
ম্যাজিক নং ৪)
এবার আসি সবথেকে মজাদার ম্যাজিক এ এটা আমার খুব ভালো লেগেছে আশা করি আপনাদেরও খুব ভালো লাগবে, এই ম্যাজিক এ ইউটিউব গানের তালে তালে নাচতে থাকবে।
ম্যাজিকটি দেখার জন্য আপনাকে সার্চ বারে Do the Harlem Shake লিখে সার্চ দিতে হবে কিছুক্ষণের মধ্যে একটা গান বাজবে আর ইউটিউব নাচবে।
do the harlem shake
[Read More...]


Passport process for Bangladesh: পাসপোর্ট করার সহজ নিয়মাবলী।



Passport
পাসপোর্ট (Passport) ছাড়া আপনি কি নিজকে বাংলাদেশী নাগরিক ভাবতে পারেন। নিজের পাসপোর্ট (Passport) থাকা জরুরী। পত্রিকা পড়ে অনেকের পাসপোর্টকরা নিয়ে ভিতি ভাব আছে । অফিসিয়াল ব্যাপারগুলো আত্মবিশ্বাসের সাথে করলে একটা না একটা উপায় সহজভাবেই বের হয়ে আসে। বর্তমানে অনলাইনে পাসপোট (Passport) ফরম জমা দিলে লম্বা লাইনে দাঁড়াতে হয় না । পরে নিধারিত সময়ে দালালের খপ্পড় বা পাসপোর্ট (Passport) অফিসের কারো কোন সমস্যার ছাড়াই একদম সরাসরি যেয়ে ছবি তুলে ও ফিঙ্গারিং করা যায়। এতে অনাহুত খরচের বালাই নেই।
যারা অনলাইনে মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট করতে যাচ্ছেন, তাদের জন্য ব্যাপারটাকে আরো সহজ করে তোলার জন্য এই পোস্ট। আপনিও খুব সহজেই পারবেন। কারণ অনলাইনে পাসপোর্ট (Passport) পাওয়া অনেক অনেক সহজ একটা কাজ যদি একটু জানা থাকে । পাসপোর্ট (Passport) হাতে পাওয়াসহ সব মিলিয়ে আপনাকে মাত্র তিনদিন যেতে হবে ।আর সাথে টুকিটাকি যদি জানা থাকে তাহলে আর কথাই নেই ।
আসেন, একদম শুরু থেকে শুরু করি অনলাইনে পাসপোর্ট (Passport) ফর্ম পূরণ করা এবং পরের ধাপের কাজগুলো নিয়ে।

প্রথম ধাপ : ব্যাংকে টাকা জমা দেয়া।

  • সোনালী ব্যাংকের কলেজ গেইট শাখায় পাসপোর্ট (Passport) আবেদনের ফি হিসাবে টাকা জমা দিতে হবে। রেগুলার ফি ৩০০০/- টাকা ( ১ মাসের মধ্যে পাসপোর্ট (Passport) পেতে হলে) আর ইমারজেন্সি ফি ৬০০০/- টাকা ( ১৫ দিনের মধ্যে পাসপোর্ট (Passport) পেতে হলে) ।
প্রথমেই টাকা জমা দেয়া প্রয়োজন এই কারণে যে , অনলাইনে ফর্ম পূরণ করার সময় টাকা জমা দেয়ার তারিখ এবং জমাদানের রিসিটের নাম্বারউল্লেখ করার প্রয়োজন হবে। তাই টাকা আগে জমা দেয়া থাকলে একবারেই ফর্ম পূরণ করা হয়ে যাবে।

টিপস

-ভুলেও আবার আগারগাঁও সোনালী ব্যাংকের শাখায় গেলে – – – – – । সোনানী ব্যাংকের কলেজ গেইট শাখায় বেশ দ্রুত টাকা জমাদেয়া যায় , কারণ এইখানে ভিড়টা কম । আপনার সুবিধামত সোনালী ব্যাংকের শাখায় / ব্রাঞ্চে টাকা জমা দিয়ে রিসিট বুঝে নিন ।
লাইনে দাঁড়ালে ব্যাংকের কাজ শুরুর আগেই ব্যাংকের লোকজন রিসিট দিয়ে যাবে। বা নিজেই টাকা দেয়ার রিসিট সংগ্রহ করে নিন । রিসিট পেলেইংরেজি ব্লক লেটার স্পষ্টভাবে পূরণ করুন। সাথে অবশ্যই কলম রাখুন।
(আমি যখন টাকা জমা দিয়েছিলাম , তখন আগারগাঁও ব্রাঞ্চ এ টাকা জমা নিত , এখন খোঁজ নিয়ে দেখলাম সেখানে টাকা জমা নেয়া বন্ধ ! এছাড়াঅনলাইনে যেসব ব্রাঞ্চের লিস্টগুলো আছে , তার অনেকগুলোতেই টাকা জমা নেয় না । তাই ঢাকায় থাকলে কলেজ গেইট ব্রাঞ্চেই যাওয়া বেটার)

দ্বিতীয় ধাপ – অনলাইনে ফর্ম পূরণ

  • অনলাইনে ফরম পূরণের জন্য প্রথমেই যান পাসপোর্ট (Passport) অফিসের এই সাইটে – http://www.passport.gov.bd/http://www.passport.gov.bd/ । নির্দেশনা ভালোভাবে দেখুন , সতর্কতার সাথে একাউন্ট করুন ।আপনার নাম ও ব্যক্তিগত তথ্যাদি ( যেমন নামের বানান, প্যারেন্টস এর নাম ) যেন শিক্ষাগত সার্টিফিকেটের মতই হয় সেদিকে খেয়াল রাখুন। টাকা জমা দেয়ার তারিখ এবং রিসিট নাম্বার উল্লেখ করুন।
সবশেষে আপনি যেদিন ছবি তোলা ও হাতের ছাপ দেয়ার জন্য বায়োমেট্রিক টেস্ট দিতে যেতে চান, সুবিধামত সেইদিনটা নির্বাচন করে সাবমিটকরুন। অর্থ্যাৎ আপনি নিজের পছন্দসই সময়েই যেতে পারছেন ! ব্যাপারটা খু্বই মজার না !
পুনরায় চেক করার পর সবশেষে সাবমিট করুন । সফলভাবে সাবমিশন শেষ হলে পূরণকৃত ফর্মের একটি পিডিএফ কপি আপনার মেইলে চলেআসবে । এইধাপ এইখানেই শেষ।

 টিপস  1

–  অনলাইনে একাউন্ট খোলার পরপরই আপনাকে ইউজার আইডি এবং পাসওয়ার্ড জানিয়ে দেবে । সেটা সংরক্ষণ করুন। আর ছবিতোলার জন্য যেদিন সময় দেবেন সেদিনটা ফ্রি রাখবেন। সময় লাগতেও পারে এই দিনে যদি মানুষ বেশী হয় ।

তৃতীয় ধাপ

– জমা দেয়ার আগে ফর্মের প্রিন্ট এবং সত্যায়ন আপনার পূরণকৃত ফর্মের যেই পিডিএফ কপিটা পেয়েছেন, সেটার ২ কপি কালার প্রিন্টকরে ফেলুন। যেসব জায়গা হাতে পূরণ করতে হবে সেগুলো করে ফেলুন । আপনার সাইন দিন। এবার নিজের চারকপি ছবি , জাতীয় পরিচয়পত্রেরফটোকপি এবং পাসপোর্ট ফর্ম নিয়ে পরিচিত কোন প্রথম শ্রেণীর কর্মকর্তার কাছ থেকে সত্যায়িত করে নিন। পরিচিত কাউকে দিয়ে সসত্যায়নকরানো দরকার এই কারণে যে, ঐ কর্মকর্তার নাম , যোগাযোগ ও ফোন নাম্বার ফর্মে লিখতে হয়। সত্যায়ন শেষে পুরো ফর্মটি রিচেক করুন।
সত্যায়িত ছবি এবং ব্যাংকের রিসিট আঠা দিয়ে ফর্মের সাথে যুক্ত করুন। সাথে জাতীয় পরিচয়পত্রের সত্যায়িত কপিটি নিন। আপনার ফর্ম জমাএখন দেয়ার জন্য প্রস্তুত।

টিপস  2

– ফর্মের প্রিন্ট করার সময় এক কপি এক্সট্রা করুন। ব্যাকআপ থাকা ভালো । আমার প্রথম পেজ নষ্ট হয়ে গিয়েছিল। শেষ সময়ে ব্যাকআপকপির প্রথম পেইজ দিয়ে দিয়েছি।
ছবি দুই কপি লাগলেও এক্সট্রা দুই কপি করিয়ে রাখা ভালো , পাসপোর্ট অফিসে চেয়ে বসে মাঝে মাঝে। একই কথা জাতীয় পরিচয়পত্রেরব্যাপারেও।

চতুর্থ ধাপ

– ছবি তোলা এবং অন্যান্য আপনার নির্বাচন করা তারিখে সকাল সকাল পাসপোর্ট অফিসে চলে যান । অবশ্যই সাদা পোষাক পরবেন না, ফর্মাল পোষাক পরার চেষ্টা করুন।
সকাল ৯ টার দিকে গেলেই হবে। কোন লাইনে দাঁড়াতে হবে না আপনাকে । সরাসরি মেইন গেইট দিয়ে মূল অফিসে যান। সেখানে দায়িত্বরত সেনাসদস্যকে জিজ্ঞেস করুন কোন রুমে যাবেন ।
প্রথমে আপনাকে আটতলায় যেয়ে ফর্ম দেখিয়ে আনতে হবে। খুবই অল্প সময়ের কাজ । ৮০৩ নাম্বার রুম । সিরিয়াল নেবেন। এবার ৮ তলারথেকে আসতে বলবে ৩ তলায় । সেখানে এসেই আসল কাজ । প্রথমে আপনার ফর্মটি চেক করবে এবং সাইন করে দেবে। সাইন শেষে আপনাকেজানিয়ে দেয়া হবে ছবি তোলার জন্য কোন রুমে যাবে। ঐ রুমগুলো ঠিক পাশেই। সিরিয়াল আসলে ছবি তুলুন, ফিঙ্গারপ্রিন্ট দিন। ব্যস , কাজ শেষ !
এবার আপনাকে পাসপোর্ট (Passport) রিসিভের একটা রিসিট দেবে। সেটা যত্ন করে রাখুন । পুলিশ ভেরিফিকেশান সাপেক্ষে, রিসিট পাওয়ার একমাস বা ১৫দিনের মধ্যেই আপনি পাসপোর্ট পাবেন ।

আমার টিপস

– আবারো বলছি, সাদা পোষাক পরবেন না , ফর্মাল পোষাক পরার চেষ্টা করুন।
আর সাথে জাতীয় পরিচয়পত্রের মূল কপিসহ সত্যায়িত কপিগুলো নিয়ে যান। তিনতলায় যেয়ে সেখানকার সেনাসদস্যের কাছ থেকে দেখিয়ে নিশ্চিতহয়ে নিন , সব সংযুক্তি ঠিক আছে কিনা। সাথে অবশ্যই কলম রাখুন। আঠা, স্ট্যাপলার, এক্সট্রা ছবিও সাথে রাখুন।
আর যারা সরকারী কর্মকর্তা বা শিশুসহ যাচ্ছেন , তাদের কিছু আলাদা কাগজ লাগবে । সেটার জন্য নির্দেশনা দেখুন । কিংবা ৮০৩ এ যোগাযোগকরুন।

পঞ্চম ধাপ

– পুলিশ ভেরিফিকেশান ও পাসপোর্ট (Passport) রিসিভ ডেট ( টিপস সহ)
পুলিশ ভেরিফিকেশানই আমার কাছে ঝামেলার মনে হয়েছে। যদি আপনার স্থায়ী আর বর্তমান ঠিকানা আলাদা হয় , তবে দুই জায়গাতেই আপনারভেরিফিকেশান হয়ে থাকে। পুলিশের এস বি ( স্পেশাল ব্রাঞ্চ) এই কাজটা করে থাকে।
এবং এইটা করতে যেয়ে পুলিশ বখশিশ হিসাবে টাকা চেয়ে বসে। খুবই ইরিটেটিং একটা ব্যাপার । সেটা ৫০০-১০০০ পর্যন্ত হতে পারে !!!!!
তবে স্ট্রিক্ট থাকলে এটা এড়ানো সম্ভব। আপনি কীভাবে তাদের ফেইস করছেন সেটার উপর নির্ভর করে। সরাসরি বলে দিতে পারেন যে, এইটাআপনার দায়িত্ব, তো টাকা দেয়ার প্রশ্ন কেন। কিংবা বলতে পারেন যে, আপনি ছাত্র , টাকা দেয়া সম্ভব না । ইত্যাদি ইত্যাদি ইত্যাদি !
যাই হোক, ভেরিফিকেশান শেষ হলে আপনার মোবাইলে এস এম এস আসবে। যেদিন এস এম এস আসবে তারপরেই আপনি পাসপোর্ট সংগ্রহকরতে পারবেন।
ব্যস, এইবার পাসপোর্ট হাতে নেয়ার পালা।

ষষ্ঠ ধাপ –পাসপোর্ট সংগ্রহ

এইখানে কাজ সহজ । পাসপোর্ট (Passport) অফিসে চলে যান। লাইনে দাঁড়ান।
সাথে রিসিট আর কলম রাখুন । ৯ টার দিকে গেইট খুলবে। লাইন ধরে প্রবেশ করুন। রিসিট জমা দিন। অপেক্ষা করুন।
এবার আপনার নাম ডাকবে । সাইন করুন , বুঝে নিন আপনার পাসপোর্ট ।

টিপস  3

– হাতে পেয়েই সবার আগে চেক করুন আপনার ইনফোগুলো ঠিক এসেছে কিনা। নিজের এবং পিতামাতার নাম, ঠিকানা এবংঅন্যান্যসব তথ্যগুলো মিলিয়ে নিন।
এই হচ্ছে একটি ঝামেলাবিহীন পাসপোর্টের (Passport) আত্মকাহিনী বা আমি যেভাবে খুব সহজেই পাসপোর্ট পেলাম এর আদ্যোপান্ত । আশা করি কাজেলাগবে।
সবার জন্য শুভকামনা। হ্যাপি পাসপোর্টিং (Passport) !

সংযুক্তি -

০১) আপনার বর্তমান ঠিকানা যদি ঢাকা হয় , তাহলে এখান থেকেই পাসপোর্ট (Passport) করতে পারেন । আলাদা করে দেশের বাড়ির জেলা অফিসে যাওয়ারপ্রয়োজন হবে না।
০২) ব্যাংকে টাকা জমা দেয়ার জন্য যে স্লিপ লাগে , সেখানে আলাদা একাউন্ট নম্বরের প্রয়োজন নেই ।নতুন পাসপোর্ট করা বা রিনিউ এর জন্যআলাদা স্লিপই থাকে ।
০৩) GO: Government order
NOC: NO Objection Certificate
PDS: Proof of retired Date
সরকারী, আধাসরকারী, স্বায়ত্তশাসিত ও রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থার স্থায়ী কর্মকর্তা/কর্মচারী, অবসরপ্রাপ্ত সরকারী চাকুরীজীবীরা এই ঘর পুরণ করবেন। আরকমেন্ট থেকে জানা গেল যে সরকারী কর্মকর্তাদের পাসপোর্ট নীল রঙের । পুলিশ ভেরিফিকেশান এর ঝামেলা নাই ।
[Read More...]


অ্যান্ড্রয়েড সম্পর্কে কিছু আশ্চর্য তথ্য



অ্যান্ড্রয়েড চেনে না এমন মানুষ এখন কমই আছে। আর ব্যাবহারকারিও বাড়ছে দিন দিন। iOS কিংবা অন্যান্য অপারেটিং সিস্টেমের তুলনায় গুগলের অ্যান্ড্রয়েড খুবই দ্রুতগতিতে এগিয়ে যাচ্ছে। এমন এক সময় হয়ত আসবে যখন অ্যান্ড্রয়েড সব জায়গায় বিরাজ করবে।
Sundar Pichai গুগলের একজন ইন্ডিয়ান কর্মকর্তা যিনি বর্তমানে গুগলের Senior Vice President হিসেবে নিয়োজিত আছেন। তার দায়িত্বের অধিনে রয়েছে গুগল ক্রোম, অ্যান্ড্রয়েড এবং গুগল অ্যাপস।
1 billion android user pichai
Sundar Pichai ঘোষণা করেছেন যে বর্তমানে অ্যান্ড্রয়েডের অ্যাক্টিভ ইউজার সংখ্যা ১ বিলিয়ন। ৩০ দিনের এক নজরদারিতায় জানা গেছে এই তথ্য। ২০১৩ সালে ৯০০ মিলিয়ন নতুন অ্যান্ড্রয়েড ইউজার যোগ হয়েছে যা ২০১২ সালে ছিল মাত্র ৪০০ মিলিয়ন। ২০১৪ সালেতো আরো অনেক ইউজার যোগ হয়েছে, তাই বলা যায় যে অ্যান্ড্রয়েড বর্তমানে মোবাইল অপারেটিং সিস্টেমের চ্যাম্পিয়ন।

কিছু আশ্চর্য তথ্যঃ

আসুন অ্যান্ড্রয়েড সম্পর্কে কিছু তথ্য জানি যা আপনি হয়ত আগে জানতেন না। আগেই বলে রাখি সবাই সবকিছু জানে না আবার অনেকের অনেক কিছুই জানা। তাই আপনি যেটা জানেন সেটা অন্যদের জানার জন্য ছেড়ে দিন আর যা না জানেন তা জেনে নিন। সব গুলো তথ্যই পুরনো কিন্তু সবার দৃষ্টিগোচর হয়নি বলেই লিখছি।
অ্যান্ড্রয়েডের ইতিহাস
অনেকেই হয়ত জানেন অ্যান্ড্রয়েডের নির্মাতা গুগল নয়। Android Inc. ২০০৩ সালে অ্যান্ড্রয়েড ডেভেলপ করেন এবং ডেভেলপারের নামানুযায়ি অ্যান্ড্রয়েডের নামকরন করা হয়। অ্যান্ড্রয়েড হচ্ছে ফাউন্ডারের নিকনেইম, রোবটের সাথে বেশি জড়িয়ে থাকার ফলে সবাই তাকে অ্যান্ড্রয়েড বলে ডাকতো।
android history baundole
২০০৫ সালে Android Inc. কে গুগল কিনে নেয়। গত ডিসেম্বার পর্যন্ত ১৭৪ টা কম্পানিকে কিনে নেয় গুগল। অ্যান্ড্রয়েড কে কিনেছে 50,000,000 ডলার দিয়ে। আমার মনে হয় এটায় ছিল গুগলের সেরা সিদ্ধান্ত।
প্রথম অ্যান্ড্রয়েডের ব্যাবহার
অনেকেই হয়ত জানেন না যে অ্যান্ড্রয়েড ডেভেলপ করা হয়েছিলো ডিজিটাল ক্যামেরা জন্য। কিন্তু গুগল যখন কিনে নেয় তখন তারা বুঝতে পারে যে ডিজিটাল ক্যামেরার চাইতে মোবাইলের চাহিদা বেশি তাই তারা মোবাইলের জন্য অ্যান্ড্রয়েড শুরু করে।
OLYMPUS DIGITAL CAMERA
HTC Dream হচ্ছে সেই মোবাইল যেটায় প্রথম পাবলিক ভাবে অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম ব্যাবহার করা হয়েছে। ২২ অক্টোবর ২০০৮ সালে প্রথম এই মোবাইলটি বাণিজ্যিক ভাবে রিলিজ করা হয়। তার মানে আমাদের মত জনসাধারনের হাতের নাগালে অ্যান্ড্রয়েড এসেছে ২০০৮ সালের শেষের দিকে।
অ্যান্ড্রয়েড ইউজাররা প্রতিদিন যা যা করেন
৩০ দিনের পর্যালোচনায় দেখা গেছে যে অ্যান্ড্রয়েড ইউজাররা দিনে ২০ বিলিয়ন মেসেজ পাঠায়, ৯৩ মিলিয়ন সেলফি তুলে এবং ২৪ ঘণ্টায় প্রায় ১০০ বিলিয়ন বার তাদের মোবাইল চেক করে। সবাইকে ট্র্যাক করা সম্ভব না হয়ত গুগল অনেকে ইউজারদের কথা জানেই না, তাদের বাদ দিয়ে হিসেব করলেও যা দেখা যায় তাতে বুঝাই যাচ্ছে অ্যান্ড্রয়েডের বর্তমান অবস্থানটা কোথায়!
অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমের নাম এবং ভার্সন
অ্যান্ড্রয়েডের বেশীরভাগ ভার্সনের নাম করন করা হয়েছে মিষ্টি খাবারের নামের সাথে মিলিয়ে। আমি বেশীরভাগ বলেছি বলে আপনারা মনে করতে পারেন যে সব গুলোইতো খাবারের নাম! আসলে অ্যান্ড্রয়েডের প্রথম ২ টা ভার্সনের নাম কোন খাবারের নামে ছিল না। আসুন দেখি অ্যান্ড্রয়েড ভার্সনের হিস্টরি।
Android 1.0 এর নাম ছিল Android Alpha তারপরে Android 1.1 এর নাম দেওয়া হয় Android Beta এগুলোর আলাদা কোন লোগো ছিল না। কিন্তু অদ্ভুত ভাবে নাম গুলো ইংরেজি বর্ণমালার প্রথম থেকে শুরু হয়েছে। প্রথমে A=Alpha পরে B=Beta তারপর থেকে সকল ভার্সন সিরিয়াল অনুসারেই এসেছে। A, B, C, D, E, F, G, H, I, J, K, L  !!!!!
android os update chain
উপরের ছবিতে C-K পর্যন্ত দেওয়া আছে। প্রথমে AB এবং শেষে L=Lollypop যোগ হবে।
iOS এর সাথে অ্যান্ড্রয়েডের তুলনা
অ্যান্ড্রয়েডের পরে বর্তমানে সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয় অপারেটিং সিস্টেম হল iOS । অ্যাপল তাদের অপারেটিং শুধু নিজেদের মোবাইলে ব্যবহার করার ফলে হয়তো অ্যান্ড্রয়েডের ধাঁরে কাছেও আসতে পারবে না। এর আরেকটি বিশেষ কারন হল iPhone এর আকাশ ছোঁয়া দাম যা আমাদের মত গরীবরা স্বপ্নেও কিনতে চাই না! :P
android vs iphone
অ্যান্ড্রয়েড এবং iOS এর গোল্লাছুট খেলায় এগিয়ে আছে অ্যান্ড্রয়েডই। ২০১৩ সালের এক পরিসংখ্যায় দেখা গেছে যে স্মার্টফোন বাজারে অ্যান্ড্রয়েড পরায় ৭৯ ভাগ জায়গা দখল করে রেখেছে যেখানে iOS দখল করেছে মাত্র সাড়ে ১৫ ভাগ। ট্যাবলেট কম্পিউটারের বেলায়ও অ্যান্ড্রয়েড এগিয়ে, ২০১২ সালে অ্যান্ড্রয়েড ট্যাবলেটের পরিমান ছিল ৩৯%, ২০১৩ সালে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৬% এবং বর্তমানে সেটা ৬২% -এ এসে ঠেকেছে। আর অ্যাপলের iOS ট্যাবলেট ৩৬% মার্কেট দখলে রেখেছে।
android the best os in market
অবশেষে দেখা গেলো যে অ্যান্ড্রয়েডই হচ্ছে রাজা। উপরের বেশিরভাগ তথ্য এক বছর পুরনো নতুন করে পরিসংখ্যান হয়নি। হলেও অ্যান্ড্রয়েডই উপরে থাকবে কারন অ্যান্ড্রয়েডের জনপ্রিয়তা কমে নি বরং বেড়েছে।
[Read More...]


বাংলাদেশের শীর্ষ দশ জন ধনী ব্যক্তিত্ব



যদিও বাংলাদেশ একটি ছোট্ট দেশ তারপরও এই দেশের রয়েছে অনেক ক্ষমতাধর এবং বিপুল ধনী ব্যাক্তিবর্গ। যারা নিজ নিজ কর্ম ক্ষেত্রের দ্বারা এই দেশকে অনেক বড় স্থানে নিয়ে যেতে পেরেছেন। চলুন কয়েকজন শীর্ষ ধনী ব্যাক্তির সাথে পরিচিত হওয়া যাক।
নম্বর-১> মূসা বিন সামসেরঃ তিনি প্রিন্স মূসা নামে পরিচিত। তাকে বাংলাদেশের জনশক্তি রপ্তানি বাণিজ্যের অগ্রদূত বলা হয়। তিনি ড্যাটকো গ্রুপের এর মালিক। তিনি প্রায় ৯৫০ মিলিয়ন ডলারের মালিক ।
Musa
নম্বর-২>সালমান এফ রহমানঃ বেক্সিমকো গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা মালিক। তিনি প্রায় ৬০০ মিলিয়ন ডলারের মালিক ।
salman-f-rahman
নম্বর-৩>আহমেদ আকবর সোবহানঃ তিনি হচ্ছেন বসুন্ধরা গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা মালিক। তিনি প্রায় ৬০০ মিলিয়ন ডলারের মালিক ।
Akbar Sobhan
নম্বর-৪>এম এ হাশেমঃ তিনি পারটেক্স গ্রুপ ও ইউসিবিএল ব্যাংকের চেয়ারম্যান । তিনি প্রায় ৫০০ মিলিয়ন ডলারের মালিক ।
M.A.-Hashem
নম্বর-৫> আজম জে চৌধুরীঃ তিনি ইস্ট-কোস্ট গ্রুপের মালিক, প্রাইম ব্যাংকের চেয়ারম্যান এবং মবিল যমুনা লুব্রিক্যান্টের সোল এজেন্ট । তিনি প্রায় ৪১০ মিলিয়ন ডলারের মালিক ।
Ajam
নম্বর-৬>গিয়াস উদ্দিন আল মামুনঃ তিনি তারেক জিয়ার বন্ধু। তিনি রিয়েল স্টেট, হোটেল ও মিডিয়া ব্যবসায়ী।
Gias
নম্বর-৭>রাগিব আলীঃ তিনি চা উৎপাদন ব্যাবসায় সফল একজন ব্যাবসায়ী।তিনি সাউথ ইস্ট ব্যাংকের চেয়ারম্যান। তিনি প্রায় ৩০০ মিলিয়ন ডলারের মালিক ।
Ragib Ali
নম্বর-৮>শামসুদ্দিন খানঃ তিনি একে খান এন্ড কোম্পানি লিঃ-এর চেয়ারম্যান এবং ডিরেক্টর । তিনিও প্রায় ৩০০ মিলিয়ন ডলারের মালিক ।
Shamsuddin Khan
নম্বর-৯>ঈকবাল আহমেদঃ তিনি সিলেটের একজন ব্যাবসায়ী। সামুদ্রিক খাবার ব্যবসায় তিনি সফল। তিনি সীমার্ক গ্রুপ লিবকো ব্রাদার লিঃ-এর চেয়ারম্যান এবং ডিরেক্টর । তিনি প্রায় ২৫০-২৯০ মিলিয়ন ডলারের মালিক ।
Iqbal
নম্বর-১0> সাইফুল ইসলাম কামালঃ তিনি নাভানা লিঃ ও নাভানা সিএনজি লিঃ-এর চেয়ারম্যান এবং ডিরেক্টর । তিনিও প্রায় ২৯০ মিলিয়ন ডলারের মালিক ।
Saiful Islam Kamal
[Read More...]


Searching JOB



[Read More...]


LinkedIn নিয়ে সহজ কিছু কথা।



LinkedIn এই সময়ের সবচেয়ে জনপ্রিয় পেশাদারী ব্যবসায়িক নেটওয়ার্ক। এর সদস্য সংখ্যা ২০০ মিলিয়ন এর উপর। Alexa world র‍্যাঙ্ক ১৩ এবং বাংলাদেশে র‍্যাঙ্ক ১৭। সুতরাং বুঝতেই পারছেন এর গুরুত্ব। তবে আপনি LinkedIn থেকে যদি  সম্পূর্ণ সুবিধা নিতে চান তাহলে আপনাকে সকল ফিচার ব্যবহার করতে হবে।
LinkedIn টা ফেসবুকের মত না। ফেসবুক সামাজিক নেটওয়ার্ক আর LinkedIn পেশাদারী ব্যবসায়িক নেটওয়ার্ক। এখানে আপনার উপস্থাপনটা হবে পরিপাটি। আপনার উপস্থাপনটা হবে সুন্দর, সাবলীল।
১. আপনার প্রোফাইলটা একটু ঘসামাজা করুনঃ
linkedin-01LinkedIn এ খুব গুরুত্বপূর্ণ এবং অবহেলিত অংশ আপনার পেশাদারী ‘প্রোফাইল’। কারণ এই খানে আপনাকে দেখাবে আপনার কাজের অভিজ্ঞতা, দক্ষতা, শিক্ষা। সবচেয়ে বড়, আপনার ব্যক্তিত্ব ফুটে উঠবে। LinkedIn প্রোফাইলটা আপনার সাধারণ সিভি থেকেও শক্তিশালী হবে যদি আপনি একে ভালো করে সাজান, উপস্থাপন করেন। একটি সিভি সাধারণত দুই পাতার হয়, এই দুই পাতায় অনেকেই তার সম্পূর্ণ তথ্য দিতে পারে না। তাদের জন্য LinkedIn যেখানে আপনি আপনার প্রজেক্ট, পাবলিকেশন সব বিস্তারিত রাখতে পারেন।
LinkedIn এ একটা সুবিধা আপনি যাই করেন আপনার নাম দিয়ে সব সার্চ হবে। LinkedIn এর অনেকগুলো  widgets আছে, যেগুলো আপনি যোগ করেলে আপনার প্রোফাইল আরও ভালো হবে যেমন, আপনি একটি পুরস্কার পেলেন, একট কোর্স করলেন, আপনি কতগুলো ভাষা জানেন, আপনি সার্টিফিকেট পেলেন এই সব। এই widgets যোগ করতে চাইলে Profile > Edit Profile তারপর ডান পাশের widgets থেকে একটা একটা করে যোগ করুন।
আপনি আপনার পেশা হিসাবে একটি পেশাদারী ছবি যোগ করবেন। অনেকেই দেখবেন ছবি যোগ করে না। এইটা শুরু না হতেই শেষ এর মত অবস্থা হয়। কারণ যিনি আপনাকে চাকুরী দিবেন বা আপনার সাথে ব্যবসা করতে আসলো প্রথমেই দেখলো আপনার ছবি নাই, ওই সময়টায় নিজেকে বসান তাহলে বুঝবেন কেমন লাগে?
LinkedIn অনেক অংশ নিজে থেকে পূরণ করে। যেমন আপনার প্রোফাইল হেডলাইন। এইটা আপনার বর্তমান কাজে অংশটা আপনার হেডলাইন করে নিবে। ইচ্ছা করলে আপনি এইটা পরিবর্তন করতে পারেন। Profile > Edit Profile এ গিয়ে pencil symbol এ ক্লিক করুন। এইবার আপনার নিজের মত করে কিছু লিখুন।
আপনি যখন Edit Profile mode এ থাকবেন তখন, Skills & Expertise এ আপনার স্কিল গুলো যোগ করবেন। আপনি যা জানেন তাই যোগ করবেন। linkedin-02
LinkedIn এর প্রোফাইলের সব অংশ যখন পূরণ করবেন তখন এইটা একটা অনলাইন সিভি। তাই আপনার অনলাইন সিভিকে প্রতি মাসে আপডেট করবেন। আপনার যদি মনে না থাকে তাহলে আপনি যে কোন অনলাইন রিমান্ডার ব্যবহার করতে পারেন।
২. সবার সাথে যুক্ত হোন এবং যুক্ত থাকুনঃ
linkedin-03LinkedIn এ খুব গুরুত্বপূর্ণ অপশন অন্যান্য পেশাদারীদের সাথে যুক্ত থাকা এবং যুক্ত হওয়া। এই অপশন থেকে আপনি তাদের সাথে যুক্ত হবেন বা যুক্ত থাকবেন যাদের সাথে আপনি কাজ করছেন, করেছেন, যাদের সাথে ব্যবসা করেছেন, পড়াশুনা করেছেন, আপনার পেশায় নিয়োজিত অন্যান্য ব্যক্তি। LinkedIn এ আপনার ব্যক্তিগত ই-মেইলকে অনেক গুরুত্ব দিয়ে থাকে। আপনি আপনার ই-মেইলের এ্যাড্রেস বুকে থেকে আপনার বন্ধু নির্বাচন করুন। Contacts > Add Connections থেকে আপনি আপনার ই-মেইলে লগ-ইন করুন। তবে নির্বাচনের সময় আপনি সর্তকতা রক্ষা করবেন কারণ যারা আপনার কাজে আসবে তাদের নির্বাচন করুন। আপনি আপনার পরিচয় দিন এবং তারপর তাকে আপনার নের্টওয়ার্কে আমন্ত্রণ জানান।
Skills & Expertise সেকশনে আপনি অন্য তার স্কিল অনুযায়ী (endorsements) মতামত / সমর্থন দিতে পারেন। তবে endorsement দেবার আগে দেখবেন তিনি এই টার যোগ্য কিনা। linkedin-04
৩. জব খোঁজা এবং কর্মী খোঁজার জন্য LinkedIn এর সার্চ অপশন অনেক শক্তিশালী। এর এ্যান্ডভান্স সার্চ অপশনে গেলে বিস্তারিত দেখতে পারবেন।linkedin-05
৪. গ্রুপে যোগদানঃ
LinkedIn এ বিভিন্ন পেশাজীবির বিভিন্ন গ্রুপ আছে। আপনি যে পেশার, সেই গ্রুপে যোগ দেন। এর ফলে দুইটা কাজ হবে আপনি আরো জানতে পারবেন। আবার আপনার কাজে দক্ষতা দেখে অন্য প্রতিষ্টান আপনাকে নতুন জবের অফার করতে পারে। জানার জন্য আপনি বিভিন্ন প্রশ্ন করতে পারেন, বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দিতে পারেন। আপনি আপনার কাজ সবার কাছে উপস্থাপন করতে পারেন। linkedin-06
৫. এ্যাকাউন্ট আপগ্রেড করাঃ
আমরা সাধারণত ফ্রি একাউন্ট ব্যবহার করি। কিন্ত কিছু কিছু অপশন আছে তা ব্যবহারের জন্য আপনি মাসে $ 25 – $ 100 খরচ করতে পারেন। তবে আমরা যদি  ফ্রি অপশন গুলো ভালো করে ব্যবহার করি তাহলেও অনেক কাজে আসবে।
[Read More...]


পাসপোর্ট নবায়ন/সংযোজন/সংশোধন সংক্রান্ত কিছু সাধারণ প্রশ্ন উত্তর



সালাম সবাইকে। কিছু জিনিশ আছে যেগুলো প্রযুক্তি সম্পর্কিত না হলেও আমাদের নিত্য দিনের খুব প্রয়োজনীয় এবং জেনে রাখা প্রয়োজন। যেমন একটি বিষয় হতে পারে পাসপোর্ট। এটি নিয়ে অনেকের মনে অনেক ধরনের প্রশ্ন থাকে কিন্তু আমরা সঠিক উত্তর খুজে পাইনা। তাই আজকে পাসপোর্ট নিয়ে চমৎকার কিছু তথ্য সংগ্রহ করেছি যেখনাএ আপনি জেনে নিতে পারবেন কিভাবে পাসপোর্ট নবায়ন/সংযোজন/সংশোধন করতে পারবেন।
bangladesh-passport
২) ডাকযোগে পাসপোর্ট নবায়ন/সংযোজন/সংশোধন এর কোনো ব্যবস্থা কি আছে?
উঃ ডাকযোগে পাসপোর্ট নবায়ন ও সংশোধন এর সুবিধা আছে কিন্তু সংযোজন এর ক্ষেত্রে পাসপোর্ট-ধারীকে অবশ্যই বেইজিং এ অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসে উপস্থিত থাকতে হবে।
৩) পাসপোর্ট নবায়ন/সংযোজন/সংশোধন এর জন্য কি কি নিয়মাবলী অনুসরণ করতে হবে?
উঃ নবায়ন- পাসপোর্ট নবায়ন এর জন্য পাসপোর্ট-ধারী বাংলাদেশ দূতাবাসে উপস্থিত হয়ে অথবা ডাকযোগে আবেদনপত্র দূতাবাসের ঠিকানায় পাঠিয়ে নবায়ন এর কাজ সম্পন্ন করতে পারবেন।
সংযোজন-সংযোজন এর জন্য পাসপোর্ট-ধারীকে অবশ্যই বেইজিং এ অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসে উপস্থিত হয়ে আবেদন করতে হবে।
সংশোধন- পাসপোর্টে কোন ভুল থাকলে সেটা পরিবর্তনের জন্য পাসপোর্ট-ধারীকে বাংলাদেশ দূতাবাসের প্রথম সচিব (ফার্স্ট সেক্রেটারি) বরাবর একটি দরখাস্ত লিখতে হবে এবং সংশোধনের জন্য নির্দিষ্ট ফর্ম পূরণ করে আবেদন করতে হবে।
৪) সর্বোচ্চ কত বছর এবং সর্বনিম্ন কত বছরের জন্যে পাসপোর্ট নবায়ন করা যাবে?
উঃ সর্বোচ্চ ৫ বছর এবং সর্বনিম্ন ১ বছরের জন্যে পাসপোর্ট নবায়ন করা যাবে তবে পাসপোর্ট ইস্যুর তারিখ হতে পাসপোর্টের মেয়াদ সর্বমোট ১০ বছর অতিবাহিত হলে পাসপোর্ট-ধারীকে অবশ্যই নতুন পাসপোর্ট সংগ্রহ করতে হবে।
৫) আমার পরিচিত কেউ কি আমার প্রতিনিধি হয়ে আমার পাসপোর্ট  নবায়ন/সংযোজন/সংশোধন করতে পারবে?
উঃ হ্যাঁ,  অন্য কেউ প্রতিনিধি হয়ে আপনার পাসপোর্ট  নবায়ন ও সংশোধন করতে পারবে কিন্তু সংযোজন এর ক্ষেত্রে পাসপোর্ট-ধারীকে অবশ্যই বেইজিং এ অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসে উপস্থিত থাকতে হবে।
৬) চীনে অবস্থানরত অবস্থায় পাসপোর্ট এর পাতা শেষ হয়ে গেলে নতুন পাসপোর্ট এর জন্যে কি কি তথ্যাদি/ডকুমেন্ট এবং কয় কপি ছবি দিতে হবে?
উঃ এক্ষেত্রে ৬ কপি ছবি এবং পাতা শেষ হয়ে যাওয়া পাসপোর্ট এর ফটোকপি বাংলাদেশ দূতাবাসে জমা দিয়ে নতুন পাসপোর্টের জন্য আবেদন করতে হবে। ডাকযোগেও আবেদন করা যাবে।
৭) চীনে এসে পাসপোর্ট হারিয়ে গেলে প্রয়োজনীয় কি কি পদক্ষেপ নিতে হবে এবং নতুন পাসপোর্ট এর জন্যে কি কি কাগজপত্র/ডকুমেন্ট লাগবে?
উঃ পাসপোর্ট হারিয়ে গেলে সর্বপ্রথমে নিকটস্থ পুলিশকে অবহিত করতে হবে এবং সেখান থেকে একটি পুলিশ রিপোর্ট সংগ্রহ করতে হবে। এরপর পুলিশ রিপোর্ট, হারিয়ে যাওয়া পাসপোর্টের ফটোকপি ও ৬ কপি ছবি বাংলাদেশ দূতাবাসে জমা দিতে হবে।
৮) সপ্তাহে কয়দিন কয়টা থেকে কয়টা পর্যন্ত পাসপোর্ট নবায়ন/সংযোজন/পরিবর্তন এর জন্যে আবেদন করা যাবে?
উঃ সপ্তাহে ৫ দিন সোম থেকে শুক্র সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত পাসপোর্ট নবায়ন/সংযোজন/পরিবর্তন এর জন্যে আবেদন করা যাবে।
৯) Machine Readable Passport পাসপোর্ট এর জন্যে কিভাবে আবেদন করতে হবে?
উঃ Machine Readable Passport এর জন্য আবেদনের ক্ষেত্রে, আবেদনকারীকে আবেদনপত্রের সাথে ১ কপি ছবি, জাতীয় পরিচয়পত্র অথবা জন্ম-নিবন্ধন পত্রের ফটোকপি সহ বেইজিং এ অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসে উপস্থিত হয়ে আবেদন করতে হবে। এর জন্য সময় লাগবে ২১-২৮ দিন। উল্লেখ্য যে, মেশিন রিডেবল পাসপোর্টের পাতায় যে ছবি থাকবে সেটি দূতাবাসে আবেদনের সময় তোলা হবে। পূর্বে তোলা কোন ছবি গ্রহণযোগ্য হবেনা।
২০১৪ সাল থেকে হস্তলিখিত পাসপোর্ট আর গ্রহণযোগ্য হবে না। তাই ২০১৪ সালের মধ্যে সকলের  Machine Readable Passport সংগ্রহ করা বাধ্যতামূলক।
১০) পাসপোর্ট নবায়ন/সংযোজন/সংশোধন এর জন্য নির্ধারিত ফি সমূহ:
 নবায়ন:  ৫ বছরের জন্য- 
সাধারণ ফি- ৮৮০ ইউয়ান   সময়- ৭ দিন
জরুরী ফি- ১৩২০ ইউয়ান   সময়- ১ দিন (হস্তলিখিত পাসপোর্টের ক্ষেত্রে)
সংযোজন:
সাধারণ ফি- ৮৮০ ইউয়ান  সময়-  ৭ দিন
জরুরী ফি-  ১৩২০ ইউয়ান  সময়- ১ দিন (হস্তলিখিত পাসপোর্টের ক্ষেত্রে)
সাধারণ ফি- ৮৮০ ইউয়ান  সময়- ২১-২৮ দিন (Machine Readable Passport এর ক্ষেত্রে)
সংশোধন/পরিবর্তন:
সাধারণ ফি- ১০০ ইউয়ান  সময়- ২১-২৮ দিন (Machine Readable Passport এর ক্ষেত্রে)
[Read More...]


পাসপোর্ট এর জন্য আবেদন করুন অনলাইন এ



এই পাসপোর্টের এর জন্য আবেদন করতে আমাদের দিনের পর দিন লাইন ধরে দাড়িয়ে থাকতে হয়। তারপর আছে দালালের খপ্পর। কত না ভোগান্তি পোহাতে হয় আমাদের এই পাসপোর্ট আবেদন এর জন্য। তাই এখন খুব সহজেই অনলাইন এ পাসপোর্ট এর আবেদন পদ্ধতি চালু হয়েছে। তাই বন্ধুরা এত কথা না বারিয়ে কিভাবে অনলাইন এ আবেদন করতে হয় তার পদ্ধতি গুলু আপনাদের কে বলে দিচ্ছি।
১। প্রথমে আপনাকে http://www.passport.gov.bd সাইট এ প্রবেশ করতে হবে।
তারপর দেখবেন যে হোমপেইজ এ অনেক প্রয়োজনীয় শর্তাবলি দেওয়া আছে। আপনারা এই শর্তাবলি গুলু ভাল করে পরে নিবেন।তারপর দেখবেন যে নিচের দিকে I have read the above information and the relevant guidance notes –এর বামপাশের ঘরে টিক চিহ্ন দিয়ে continue to online enrolment এ ক্লিক করতে হবে।
২। নতুন একটি পেইজ এ প্রয়োজনীয় বিভিন্ন তথ্য চাইবে। প্রথমে applying in – এর পাশের ঘরে আপনি কোন দেশ থেকে পাসপোর্টের জন্য আবেদন করছেন সেটি নিরবাচন করে দিতে হবে। এরপর পাসপোর্টের এর ধরন যেমন অরডিনারি,ডিপ্লোম্যাটিক বা অফিসিয়াল এবং delivery type – এর ঘরে পাসপোর্টটি রেগুলার নাকি এক্সপ্রেস সেটি নির্বাচন করে দিতে হবে।
৩।Personal Information সেকশন এ আবেদনকারীর কিছু তথ্য দিতে হবে। Citizenship information সেকশনে জাতীয়তা, জাতীয়তার ধরন ও এক বা একাদিক নাগরিকত্ব রয়েছে কিনা সেটি উল্লেখ করতে হবে।একেবারে নিচের দিকে পোষ্ট অফিস,থানা ও জেলা সহকারে বর্তমান ঠিকানা ও স্থায়ী ঠিকানা প্রবেশ করাতে হবে। তথ্য গুলু ভালোভাবে দেখে পরবর্তী পেইজ এ যাওয়ার আগে save & next বাটন এ ক্লিক করতে হবে।
৪। পরবর্তী পেইজ এ application id or application form number দেওয়া হবে। এটি সংরক্ষন করতে হবে। এছাড়া নিচের দিকে applicant Contact information সেকশনে অফিস, বাসা বা আবেদনকারীর নিজের ফোন নাম্বার দিতে হবে।এর নিচে emergency contact person’s details সেকশন এ পরিচিত একজনের নাম ঠিকানাসহ প্রয়োজনীয় তথ্য দিতে হবে।
৫। নিচের দিকে passport information সেকশন এ আবেদনকারীর আগে কোন পাসপোর্ট থাকলে তার তথ্য প্রদান করতে হবে। payment information সেকশনে পাসপোর্ট আবেদন চার্জ প্রদান এর প্রয়োজনীয় তথ্য চাইবে। এখানে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক এ জমা দেওয়া টাকার পরিমান ও রশিদ নাম্বার দিতে হবে।Foreign Mission –এর ঘরে আবেদনকারী কি জন্য বিদেশ ভ্রমন করবেন তার উদ্দেশ্য বর্ণনা করতে হবে।সব শেষে save & next বাটন এ ক্লিক করতে হবে।
৬। পরবর্তী পেইজ এ আবেদনকারীর পূর্ণাঙ্গ আবেদনপত্রটি প্রদর্শিত হবে। শেষবারের মত সব ঠিক আছে কিনা তা দেখে নিতে হবে। সঠিক থাকলে নিচের দিকে save বাটন এ ক্লিক করতে হবে। চূড়ান্ত আবেদনপত্রটি প্রিন্ট করে নিতে হবে।এ ছাড়া ই-মেইল দেওয়া আবেদনপত্রের নাম্বার ও পাসওয়ার্ড দিয়ে পরে আবেদনপত্রটি প্রিন্ট করা যাবে। প্রিন্ট করা আবেদনপত্রটি সংশ্লিষ্ট পাসপোর্ট অফিস এ আবেদন ডেস্কে আবেদন চার্জ সহ জমা দিতে হবে।একই সঙ্গে আঙ্গুলের ছাপটি দিয়ে আসতে হবে।
পরামর্শঃ
পাসপোর্ট এর ফরম টি এবং ন্যাশনাল আইডি কার্ড ও পূর্ববর্তী পাসপোর্ট এর ফটোকপি(যদি থাকে) সত্যায়িত করে সরাসরি আগারগাও পাসপোর্ট অফিস এর ৮ তলাই ৮০৪ নাম্বার রুমে চলে যাবেন।সেখান থেকে ফরম টি ভেরিফাই করে নিন এবং স্বাক্ষর সহ আপনাকে একটি সিরিয়াল নাম্বার দিবে।
এবার যেতে হবে পাশের অফিস এর তিন তলাই ৩১০ নাম্বার রুমে।যতই বির থাকুক না কেন আপনি সরাসরি উপ-কমিশনার এর রুমে চলে যাবেন।কারন অনলাইন আবেদন এর জন্য লাইন দরতে হয় না।এখানে ভেরিফিকেসন করার পরে আপনাকে যেতে হবে পাশের অফিস এ ছবি তুলার জন্য।
ছবি তুলার জন্য যেতে হবে ১৯ নং কাউন্টার এ।মনে রাখবেন এখানে শুধু অনলাইন এর সার্ভিস দেওয়া হয়।এখানে ফরম টি জমা দিলে এখানের অফিসার আপনার ছবি তুলে আপনার আঙ্গুলের ছাপ নিয়ে আপনার ফরম টা রেখে দিবে এবং আপনাকে একটা রশিদ ধরিয়ে দিবে।এই রশিদ টা ভাল করে দেখে নিবেন।
আপনার অনলাইন আবেদন এখানেই শেষ হল।
মনে রাখুনঃ
যতই লাইন থাকুক না কেন অনলাইন আবেদন এর জন্য কোন লাইন এর দরকার নাই।
অবশ্যয়ই বাসা থেকে সব কাগজ এবং সত্যায়িত ছবি সংগে করে নিয়ে আসবেন।
সাদা কাপর পরে ছবি তুলা যাবেনা।
[Read More...]


মেগা পোস্ট বাংলা অনুবাদ বই Download করুন



আসসালামুয়ালাইকুম। আশা করি আপনারা সবাই ভাল আছেন। আজকে আপনাদের জন্য নিয়ে আসলাম বিখ্যাত সব বিদেশি লেখকের বইয়ের বাংলা অনুবাদ বই। এখানে প্রায় ১৫০+ বাংলা বই আছে, আপনাদের প্রিয় বইটি তাড়াতাড়ি ডাউনলোড করে নিন। যেসব বিদেশি লেখকের বই এখানে পাবেন তাদের সংক্ষিপ্ত একটি তালিকা দিলাম- Alexander Duma, Alexander Belayev, Dale Carnegie, Erich Maria Remarque, Mark Twain, Henry Rider Haggard, Isaac Asimov, Jules Verne, Mopasa, J. K. Rowling, Robert Louis Stevenson, Maxim Gorky, Shakespeare, Sir Arthur Conan Doyle আরও অনেক। আশা করি আপনাদের পোস্টটি ভালো লাগবে, ভাল বা খারাপ যাই লাগুক কমেন্ট করে জানালে খুশি হব।
এখানে এত গুলো বই এর লিঙ্ক দেওয়া সম্ভব না... তাই আমি এখানে ৭০-৮০ টার মত লিঙ্ক দিলাম

A Tale of 2 Cities by Charles Dickens
**Link: https://www.box.com/s/c41b8ee86be7c48e9c73
3 Dead Men by Eden Phillpotts
**Link: https://www.box.com/s/d691cae3416970e675a1
3 Musketeers by Alexander Duma
**Link: https://www.box.com/s/948f9e4c45675a2fa81e
Twenty Years After by Alexander Duma
**Link: https://www.box.com/s/026670d4da44be285075
Count of Montecristo by Alexander Duma
**Link: https://www.box.com/s/ee72d862f24c08f08131
Black Tulip by Alexander Duma
**Link: https://www.box.com/s/b2168c06606efedc91ea
Man In The Iron Mask by Alexander Duma
**Link: https://www.box.com/s/7fa64b0b43132306f427
Catriona by Alexander Duma
**Link: https://www.box.com/s/2deb3bdf5d2a7fe1285f
Robinson Crusoe by Danial Difo
**Link: https://www.box.com/s/faa67b5b160bd884e152
The Amphibian Man by Alexander Belyaev
**Link:  http://www.mediafire.com/?c572fac1e54oq44
Ubhochor Manush by Alexander Belayev
**Link: https://www.box.com/s/53fe3b8e9b6c2653bf16
Comrade Death by Gerald Kersh
**Link: http://www.mediafire.com/?kopg7fd8930ejd6
The Black Obelisk by Erich Maria Remarque
**Link: http://www.mediafire.com/?670w7jzs2tqcjaq
All Quite In The Western Front Erich Maria Remarque
**Link: https://www.box.com/s/304967f048032cee0df0
Sopno Mrittu Valobasa Erich Maria Remarque
**Link: https://www.box.com/s/7e697d1f1a890c3811d8
Boner Raja by Edgar Rice Burroughs
**Link: http://www.mediafire.com/?b3c8udrch4f9mbr
Bermuda Triangle By Shamsuddin Nowab
**Link: http://www.mediafire.com/?wa7dcwtv5ysn72k
A Connecticut Yankee in King Arthur’s Court by Mark Twain
**Link: http://www.mediafire.com/?9nk5h6wvhcbjdp9
Mark Twain Timur
**Link: http://www.box.com/s/cf0619a8f7eeeed1b081
Adventure of Huckle Berry Finn Mark Twain
**Link: https://www.box.com/s/4df0cd3177fd3f239bb7
Allan Quatermain by Henry Rider Haggard
**Link: http://www.mediafire.com/?c91bb7i2xwrfvo1
Jess by Henry Rider Haggard
**Link: http://www.mediafire.com/?acnh2cqbt7lynxd
Eric Brighteyes by Henry Rider Haggard
**Link: http://www.mediafire.com/?xuzwlvxpgukki0k
Maiwar Protishodh Henry Rider Haggard
**Link: https://www.box.com/s/c35c57bf978a957504c0
Solomoner Guptodhon Henry Rider Haggard
**Link: https://www.box.com/s/7e1c58ff5896dea901c0
Queen Sheba's Ring Henry Rider Haggard
**Link: https://www.box.com/s/c18f4082a861faf57bc0
Eric Brighteyes Henry Rider Haggard
**Link: http://www.mediafire.com/?guapralqr62qwde
Return Of She Henry Rider Haggard
**Link: https://www.box.com/s/32930f69ad271af26490
Mr Missions Will Henry Rider Haggard
**Link: https://www.box.com/s/5f7688b9eacdbab7ab17
Montejummar Meye Henry Rider Haggard
**Link: https://www.box.com/s/3fa1831b311ed19d3506
She Henry Rider Haggard
**Link: https://www.box.com/s/b56ea0bd2d6dc9675878
Benita Henry Rider Haggard
**Link: https://www.box.com/s/819d3833c5d4e6e067e5
Moon of Izreal Henry Rider Haggard
**Link: https://www.box.com/s/6212c31f2d47c6072e13
The Bretheren Henry Rider Haggard
**Link: https://www.box.com/s/fcd89896d3c9abfea6e6
Nesha Henry Rider Haggard
**Link: https://www.box.com/s/7bd24803fb6f2a871105
The Virgin Of The Sun Henry Rider Haggard
**Link: https://www.box.com/s/c77f34490d3f4bf25456
Kim by Rudyard Kipling
**Link: http://www.mediafire.com/?ax8kumx74gbmpco
Asimov Golpo Somogro 1 by Isaac Asimov (Science Fiction)
**Link: https://www.box.com/s/4d993642455ac881ff89
Asimov Golpo Somogro 7 by Isaac Asimov (Science Fiction)
**Link: https://www.box.com/s/01f94a8a23f45d72aeb0
Foundation & Earth by Isaac Asimov
**Link: https://www.box.com/s/4d21e11a4f03336f8009
Shudhu Jiboner Jonnyo (The Bicentineal Man) by Isaac Asimov
**Link: https://www.box.com/s/3e1c11c78e982dc8aeba
Foundation by Isaac Asimov
**Link: https://www.box.com/s/33cb837b4680b17c1452
Around The World In 80 Days By Jules Verne
**Link: https://www.box.com/s/c2d050ee35c3dd6ec141
Carpethian Durgo By Jules Verne
**Link: https://www.box.com/s/bc2b33ffcecda5feb0c9
Michael Strog of By Jules Verne
**Link: https://www.box.com/s/ead4291c112967a4f31b
Temple Tiger Jim Corbet and Keneth Anderson and Others
**Link: https://www.box.com/s/31724e6ae34df1c94992
Jungle by Keneth Anderson
**Link: https://www.box.com/s/934e1116880c29853742
Jim Corbet Omnibus 1 Jim Corbet
**Link: https://www.box.com/s/4a997bc7488cdf82c559
Jim Corbet Omnibus 2 Jim Corbet
**Link: https://www.box.com/s/b4aab924d7199783da4d
Krishna Gahobar, Sishu Bishwa (Black Holes and Baby Universes) Stephen Hawking
**Link: http://www.box.com/s/5edebb007847abed9505
Kaler Sankhipta Itihas (A Brief History of Time) Stephen Hawking
**Link: http://www.box.com/s/212350ad4976f7c79d1a
এত কষ্ট করে আমার পোস্টটি পড়ার জন্য আপনাদের সবাইকে ধন্যবাদ। আবার কোন সময় আরেকটি পোস্ট নিয়ে হাজির হব। collected..
[Read More...]


ট্রেন এর টিকেট কীভাবে মোবাইল দিয়ে কাটবেন ?



সবাই কে আসসালামুআলাইকুম। কেমন আছেন সবাই। আমরা স্টেশনে গিয়ে ট্রেইন এর টিকেট  কাটতে অনেক সময় অনেক জামেলায় পরতে হয়। তাই  আমি আজ আপনাদেরকে মোবাইল দিয়ে বাসা, অফিস  ইত্যাদি জায়গা থেকে বসে কীভাবে সহজে ট্রেনের টিকেট কাটা যায় তা বলচি। আর সময় নিবনা চলুন…………………………………………………...........................।।।




প্রথম
১। প্রথমে আপনাকে আপনার মোবাই এর মেসেজ অপশন এ গিয়ে TKET টাইপ করে 1200 নম্বর এ পাঠিয়ে দিন।
২। আপনার মোবাইলে একটা SMS আসবে পিন নম্বর সহ।
৩। পিন নম্বর পরিবতন করুন । *777# yes আবার yes type 3 yes,তার পর আবার yes type 2 yes, enter old password(আপনার মোবাইলে এসএমএস আসা পিন নম্বরটি)yes type পিন yes, enter new password(যে কোন চারটি ডিজিট) yes type পিন yes, enter re-new password yes type পিন yes।
৪। যাদের রেজিস্ট্রেশন করা আছে তাদের পুনরায় রেজিস্ট্রেশন করার প্রয়োজন নেই।
আপনি দুই ভাবে মোবাইল দিয়ে টিকেট কাটতে পারেন। এক বুকিং দিয়ে অন্যটি হচ্ছে সরাসরি বা বুকিং ছাড়া।
ব্দিতীয়
টিকেট বুকিং এর জন্য যা যা করতে হবে।
১। আপনার মোবাই থেকে *131*1# ডায়াল করুন।
২।তার পর ভ্রমন তারিখ type করে (যেমন ০২ হলে 02, ০৫ হলে 05, ১৩ হলে 13, ২২ হলে 22 ইত্যাদি)yes বাটন চাপুন।
৩।তার পর আপনাকে যাত্রা শুরুর স্টেশন সিলেক্ট করতে প্রতিটা স্টেশন নাম (যেমন 1.dhaka, 2.sylhet, 3.khulna etc) এর বাম পাশের ডিজিটটি লিখতে yes তার পর সেই ডিজিট type করে yes করুন।
৪।তার পর আপনাকে yes করে গন্তব্যস্থল এর বাম পাশের ডিজিট বা 6 type করে yes বাটন চাপুন । তার পর আপনি যে স্টেশন এ যেতে চান সেই স্টেশন এর প্রথম তিনটি ইংরেজি আক্ষর type করে yes তার পর সঠিক স্থান এর বাম পাশের ডিজিট yes তার পর type ডিজিট তার পর yes।
৫। তার পর আপনি যে ট্রেইনে যেতে চান সেই ট্রেইন নাম এর বাম পাসের ডিজিটটি, yes তার পর type ডিজিট yes।
৬।তার পর টিকেট class সিলেক্ট করতে প্রতিটি ক্লাস এর বাম পাশের ডিজিট (যে ক্লাস আপনার পছন্দ) type করে yes।
৭।তার পর আপনার টিকেট কত গুলো লাগবে ।মেনু থেকে আপনার যে টি পছন্দ সেটির বাম পাশের ডিজিটটি type করে yes করুন।
৮।তার পর yes করে confirm করার জন্য 1 type করে yes করুন। অথবা confirm না করার জন্য 2 type করে yes করুন।
৯। ফিরতি এসএমএস এ আপনাকে একটি বুকিং কোড ও প্রয়োজনীয় টাকার পরিমান জানিয়ে দেয়া হবে।
টিকেট বুকিং দেয়ার পর যা যা করতে হবে।
১০। বুকিং কোড পাওয়ার ৩০ মিনিট এর মধ্যে আপনাকে এটি কনফাম করতে হবে ।কনফাম না করলে টিকেট বাতিল হয়ে যাবে। কনফাম করতে যা যা করতে হবে । আপনাকে জিপি কাস্টমার কেয়ার এ গিয়ে সঠিক পরিমান টাকা আপনার মোবাইল নম্বরে ‘মোবিক্যাশ’ করতে হবে।
১১। তার পর আপনার মোবাইল থেকে *131*2# type করে yes করুন।
১২। তার পর আপনাকে yes করে বুকিং কোডটি type করে yes করুন।
১৩। তার পর আপনাকে yes করে আপনার পিন নম্বরটি type করে yes করুন।
১৪। তার পর yes করে 0 type করে confirm করুন।
১৫। তার পর আপনার কাছে একটি এসএমএস আসবে সেই এসএমএস টি দেখিয়ে জিপি কাস্টমার কেয়ার থেকে কাগজের টিকেট সংগ্রহ করবেন। তবে একটি কথা না বললে নয় আপনাকে ট্রেইনে ভ্রমন শুরু করার মিনিমাম এক ঘন্টা আগে টিকেট সংগ্রহ করতে হবে।
তৃতীয়
সরাসরি বা বুকিং ছাড়া টিকেট কিনতে যা যা লাগবে। তবে এইটার জন্য আপনাকে প্রথমে মোবাইলে সঠিক পরিমান টাকা ‘মোবিক্যাস’ করে নিতে হবে।
১। আপনার মোবাইল থেকে *131*3# টাইপ করে yes করুন।
২। তার পর yes করে পিন নম্বরটি টাইপ করে yes করুন।
৩। তার পর ভ্রমন তারিখ type করে (যেমন ০২ হলে 02, ০৫ হলে 05, ১৩ হলে 13, ২২ হলে 22 ইত্যাদি)yes বাটন ।
৪। তার পর আপনাকে যাত্রা শুরুর স্টেশন সিলেক্ট করতে প্রতিটা স্টেশন নাম (যেমন 1.dhaka, 2.sylhet, 3.khulna etc) এর বাম পাশের ডিজিটটি লিখতে yes তার পর সেই ডিজিট type করে yes করুন।
৫। তার পর আপনাকে yes করে গন্তব্যস্থল এর বাম পাশের ডিজিট বা 6 type করে yes বাটন চাপুন । তার পর আপনি যে স্টেশন এ যেতে চান সেই স্টেশন এর প্রথম তিনটি ইংরেজি আক্ষর yes তার পর সঠিক স্থান এর বাম পাশের ডিজিট type তার পর yes।
৬। তার পর আপনি যে ট্রেইনে যেতে চান সেই ট্রেইন নাম এর বাম পাসের ডিজিটটি yes তার পর type ডিজিট yes।
৭। তার পর টিকেট class সিলেক্ট করতে প্রতিটি ক্লাস এর বাম পাশের ডিজিট (যে ক্লাস আপনার পছন্দ) type করে yes।
৮। তার পর আপনার টিকেট কত গুলো লাগবে ।মেনু থেকে আপনার যে টি পছন্দ সেটির বাম পাশের ডিজিটটি type করে yes করুন।
৯। তার পর yes করে confirm করার জন্য 1 type করে yes করুন। অথবা confirm না করার জন্য 2 type করে yes করুন।
১০। তার পর আপনার কাছে একটি এসএমএস আসবে সেই এসএমএস টি দেখিয়ে জিপি কাস্টমার কেয়ার থেকে কাগজের টিকেট সংগ্রহ করবেন।






চতুথ
আপনাকে এই পব্ধিতিতে টিকেট কাটতে বা করতে কিছু শত, সুবিদা ও অসুবিদা আছে তা জেনে নিন।
১। আপনি ঢাকা (ধানমন্ডী,ফারমগেট,মতিঝিল,গুলশান,মিরপুর), আগ্রাবাদ চট্টোগ্রাম, নাটর রোড রাজশাহী, এয়ারপোট রোড আম্বরখানা সিলেট এই জিপি কাস্টমার সেন্টার ছাড়া তেমন কোন জায়গায় মোবিক্যাশ ও টিকেট প্রিন্ট করা যায় না।  তবে অন্য কোন জায়গায় গেলে জামেলার মধ্যে পরতে পারেন।
২। আপনি এই পদ্দিতি শুধু জিপি এর জন্য ।তবে অন্য অপারেটর প্রায় একই রকম।
৩। আপনি এক মাস এ একটি সিম দিয়ে সবোচ্ছ চারটি টিকেট কাটতে পারবেন ।
৪। আপনি যদি আপনার সিম এ বেসি মোবিক্যাশ বা যে মোবিক্যাশ করেছেন তা দিয়ে টিকেট না কাটতে পারলে । কোন চিন্তা করবেন না সেই টাকা আপনার আজীবন থাকবে বা আপনি সেই টাকা আপনার সেই সিম এ FlexiLoad করতে পারেন।
৫। আপনাকে প্রতিটি টিকেট এর জন্য এক্সট্রা বিশ টাকা সাভিস চাজ দিতে হবে।
৬। আপনি যাত্রার সবোচ্ছ দশ দিন আগে অগ্রীম টিকেট কাটতে পারবেন।
৭। আপনি টিকেট কাটার সময় এইটা অবশ্যই লক্ষ রাখবেন যে আপনার যাত্রার শুরুর স্থানটি বা স্টেশনটি যেন ট্রেনটির যাত্রার প্রথম ও শেষগন্তব্য স্থান বা স্টেশনটি হতে হবে।এবং আপনি আপনার যাত্রা শুরু জন্য ঐ স্থান বা স্টেশনটি ঠিক করার পর গন্তব্য স্থান বা স্টেশন যে কোনটি হতে পারে বা দিতে পারেন।
৮। আপনি ট্রেনটির যাত্রার প্রথম ও শেষগন্তব্য স্থান বা স্টেশনটি ছাড়া অন্য কোন স্টেশন থেকে যাত্রা শুরু করতে পারবেন না। তবে যে কোন স্থান বা স্টেশনে যাত্রা শেষ করতে পারবেন।
৯। আপনাকে টিকেট বুকিং দিতে হলে ট্রেইন যাত্রার সময় এর সবোনিন্ম বার ঘন্টা এবং সরাসরি টিকেট কিনতে চাইলে ছয় ঘন্টা পূবে টিকেট কাটতে হবে।
১০। এই পব্ধিতি ব্যবহার করে শুধু মাত্র আন্তনগর ট্রেন এর টিকেট কাটা যাবে।
অকে সবাই ভাল থাকুন, সুস্থ থাকুন।
১১। আপনি টিকেট কাটার সময় প্রতিটি ষ্টেপ এর জন্য ত্রিশ সেকেন্ড করে সময় পাবেন।
১২। আপনি এই বিষয় কোন প্রবলে্মে পরলে যে কোন জিপি নম্বর থেকে 1200 তে কল করুন।


বিঃ দ্রঃ কিছু বানান ভুল হয়েছে এবং কতগুলো অক্ষর এর উপর রেফ দিতে পারি নাই কষ্ট করে বুঝে নিবেন এবং ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।
[Read More...]


অনলাইনে বিনা মূল্যে প্রোগ্রামিং শেখার কার্যকরী ৪টি সাইটের কথা।




প্রযুক্তির এই সময়ে সকলেই ঝুঁকে পড়ছেন প্রযুক্তিনির্ভর কাজের দিকে। বিশেষ করে আউটসোর্সিংয়ে বাংলাদেশের অবস্থান শক্তিশালী হয়ে ওঠায় কম্পিউটার বা তথ্যপ্রযুক্তিসংশ্লিষ্ট বিষয়ে কাজের দক্ষতা তৈরি করে অনেকেই আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে অর্থ আয়ের দিকে ঝুঁকে পড়ছেন। আউটসোর্সিংয়ের ক্ষেত্রে প্রচুর চাহিদা রয়েছে কম্পিউটার প্রোগ্রামিংয়ের। কম্পিউটার বিজ্ঞান বা সংশ্লিষ্ট বিষয়ে পড়ালেখা না করেও প্রোগ্রামিং শিখতে চাইলে দ্বারস্থ হতে পারেন অনলাইনের। জেনে নিন অনলাইনে বিনা মূল্যে প্রোগ্রামিং শেখার কার্যকরী ৪টি সাইটের কথা।


কম্পিউটার প্রোগ্রামিংয়ে আগ্রহী মানুষের সংখ্যা কম নয়। তথ্যপ্রযুক্তির প্রসারের সাথে সাথে বেড়ে চলেছে কম্পিউটারের ব্যবহার। পাশাপাশি কম্পিউটার নির্ভর কাজে দক্ষ মানুষের চাহিদাও বেড়েই চলেছে। প্রাতিষ্ঠানিকভাবে তাই প্রোগ্রামিং শেখার জন্য বিভিন্ন পর্যায়ে রয়েছে নানা ধরনের প্রতিষ্ঠান, রয়েছে নানা ধরনের কোর্স। তবে শেখার আগ্রহ এবং ধৈর্য থাকলে নিজে নিজেও কোডিং শেখার কাজটি করা যায়। তার জন্য রয়েছে নানা ধরনের বইপত্র। তবে বইপত্র পড়ে নিজে নিজে শেখাটা কষ্টের বটে। এ সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে ইন্টারনেট এবং টেক জায়ান্টরা।

বর্তমানে অনলাইনে শিক্ষা বেশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে সব দেশেই। একটি কম্পিউটার আর ইন্টারনেট সংযোগ থাকলেই পুরো বিশ্ব এখন হাতের মুঠোয়। আর অনলাইনে বিনা মূল্যে যারা পড়ালেখা করতে চায়, তাদের দিকে হাত বাড়িয়ে দিয়েছে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো। প্রোগ্রামিং শেখার জন্যও তেমনি রয়েছে নানা ধরনের অনলাইন কোর্স। ঘরে বসেই প্রাতিষ্ঠানিক গাইডলাইন অনুযায়ী পরিপূর্ণ একটি কোর্সের মাধ্যমে এসব প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইট থেকে শেখা যায় প্রোগ্রামিং। আর তাতে করে যারা আউটসোর্সিংয়ের কাজ করতে চান, তাদের জন্য এটি হতে পারে আদর্শ একটি প্লাটফর্ম। এই লেখায় অনলাইন সাইটগুলোর মধ্য থেকে ৪টি ওয়েবসাইটের কথা জানানো হবে, যাদের বলা যায় কোডিং শেখার জন্য সবচেয়ে সমৃদ্ধ এবং আদর্শ প্লাটফর্ম।

এমআইটি ওপেন কোর্সওয়্যার

প্রযুক্তিবিষয়ক শিক্ষায় বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠানের নাম ম্যাসাচুসট ইন্সটিটিউট অব টেকনোলজি বা এমআইটি। বিশ্বব্যাপী বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর র‌্যাংকিংয়ে বরাবরই শীর্ষস্থানে থাকা এই বিশ্ববিদ্যালয়ে রয়েছে সকলের জন্য উন্মুক্ত ওপেন কোর্সওয়্যার। ২০০১ সালে তারা চালু করে এই সেবা।

কম্পিউটার প্রোগ্রামিং ও কোডিং বিষয়ক কোর্সগুলো পরিচালিত হয় এমআইটির ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড কম্পিউটার সায়েন্স বিভাগ থেকে। এখানকার গ্রাজুয়েট এবং আন্ডারগ্রাজুয়েট কোর্সের আওতায়  কোডিং ও প্রোগ্রামিং বিষয়ক অনেকগুলো কোর্স রয়েছে। এসব কোর্সের মধ্যে রয়েছে ইন্ট্রোডাকশন টু কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড প্রোগ্রাম, কম্পিউটেশন স্ট্রাকচার, ইলেমেন্টেস অব সফটওয়্যার কনস্ট্রাকশন, ইন্ট্রোডাকশন টু অ্যালগরিদম, কম্পিউটার ল্যাঙ্গুয়েজ ইঞ্জিনিয়ারিং, প্র্যাকটিক্যাল প্রোগ্রামিং ইনসি, ইন্ট্রোডাকশন টু প্রোগ্রামিং ইন জাভাসহ অন্যান্য প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজের ওপর বিভিন্ন কোর্স। এসব কোর্সের ওপর রয়েছে লেকচার ভিত্তিক টেক্সট, অডিও-ভিডিও ফাইল, বিভিন্ন প্রজেক্ট, সমস্যা এবং সেগুলোর সমাধান।

বিশ্বের যেকোনো প্রান্তের যে কেউ এই কোর্সগুলো অনলাইনে সম্পন্ন করতে পারবে বিনা মূল্যে। এর যেসব  কোর্স ম্যাটেরিয়াল রয়েছে সেগুলো বিনা মূল্যেই ডাউনলোড করা যাবে। এমআইটির ওপেন কোর্স ওয়্যারের ঠিকানা : http://ocw.mit.edu/index.htm

ইউসি বার্কলে ওয়েবকাস্ট

বার্কলেতে অবস্থিত ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে স্বনামধন্য। এই প্রতিষ্ঠানের রয়েছে অনলাইন শিক্ষার সুযোগ। তারা নিয়মিতভাবেই অনেকগুলো কোর্সই পরিচালনা করে আসছে অনলাইনে। অনলাইনে এসব কোর্সের স্টাডি ম্যাটেরিয়াল, লেকচার নোট, লেকচার ভিডিও প্রভৃতি পাওয়া যায়। এসব কোর্সের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে প্রোগ্রামিং। এ সংশ্লিষ্ট কোর্সগুলোতে ২০০৩ সাল থেকে এখন পর্যন্ত অনুষ্ঠিত কম্পিউটার বিজ্ঞানের সব ক্লাসের অডিও এবং ভিডিও লেকচারের সংগ্রহ রয়েছে এখানে। আর এসব কনটেন্ট পাওয়া যাবে একদম বিনা মূল্যে। লেকচার ওয়েবকাস্টের জন্য এই বিশ্ববিদ্যালয়ের রয়েছে এডুকেশনাল টেকনোলজি সার্ভিস। তারাই ইন্টারনেট দেখার উপযোগী করে অডিও এবং ভিডিওগুলো ধারণ করে। আর ইনফরমেশন সিস্টেম অ্যান্ড টেকনোলজি বিভাগটি ওয়েব আর্কাইভ ব্যবস্থাপনা এবং সমপ্রচারের যাবতীয় টেকনিক্যাল বিষয়গুলো দেখাশোনা করে। এখানে রয়েছে নেটে সমপ্রচারের সুবিধার্থে অডিও-ভিডিও ধারণের জন্য বিশেষভাবে উপযোগী করে তৈরি করা ক্লাসরুম। এখানে প্রতিটি লেকচারের ২ থেকে ৬ ঘণ্টার মধ্যে সেগুলো আপলোড হয়ে যায় ইন্টারনেটে। আর এসব নিজস্ব সাইট ছাড়া আইটিউনস এবং ইউটিউবেও পাওয়া যায় লেকচারগুলো।

প্রোগ্রামিং সংক্রান্ত কোর্সগুলোর মধ্যে এখানে রয়েছে কম্পিউটার সায়েন্স: দ্য বিউটি অ্যান্ড জয় অব কম্পিউটিং, প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ অ্যান্ড কমপাইলাস এবং স্ট্রাকচার অ্যান্ড ইন্টারপ্রিটেশন অব কম্পিউটার প্রোগ্রামিং। এসব কোর্সে প্রোগ্রামিংয়ের ইতিহাস থেকে শুরু করে লজিক প্রোগ্রামিং, ডাটাবেজসহ সব ধরনের প্রোগ্রামিং পাওয়া যাবে। এই সাইটের ঠিকানা : http://webcast.berkeley.edu



গুগল কোড ইউনিভার্সিটি

টেক জায়ান্ট গুগল সকলের জন্য উন্মুক্ত অনলাইন শিক্ষায় চালু করেছে গুগল কোড ইউনিভার্সিটি। এই প্লাটফর্মে রয়েছে সব ধরনের প্রোগ্রামিং এবং অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপমেন্ট বিষয়ক কোর্স। কোর্সের মূল শ্রেণীগুলোর মধ্যে রয়েছে প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ, ওয়েব প্রোগ্রামিং, ওয়েব সিকিউরিটি, অ্যালগরিদম, অ্যানড্রয়েড, ডিস্ট্রিবিউটেড সিস্টেম, টুলস ২০০১ এবং গুগল এপিআই অ্যান্ড টুলস। সি++ থেকে শুরু করে রয়েছে জাভা, পাইথন, সিএসএস, এইচটিএমএল, জাভা স্ক্রিপ্ট, অ্যাজাক্স, এইচটিএমএল৫সহ সব ধরনের প্রোগ্রামিং এবং ওয়েব প্রোগ্রাম রয়েছে এর মধ্যে। এছাড়া সিকিউরিটি অ্যানড্রয়েডের মধ্যেও রয়েছে প্রয়োজনীয় সব প্রোগ্রামিং। আর টুলস ১০১-এর মধ্যে রয়েছে ডাটাবেজ, সফটওয়্যার কনফিগারেশন ম্যানেজমেন্ট এবং লিনাক্সের নানা কোর্স।

গুগল কোড ইউনিভার্সিটির বিভিন্ন কোর্সের সব ধরনের কোর্স ম্যাটেরিয়াল সম্পূর্ণ বিনা মূল্যে ব্যবহার করতে পারবে যে কেউ। এখানে সম্পূর্ণ নতুন শিক্ষার্থীদের জন্য তো বটেই, এই বিষয়ে অভিজ্ঞদের জন্যও রয়েছে নানান কোর্স। কোর্স ম্যাটেরিয়ালের মধ্যে অডিও-ভিডিও এবং লেকচারও রয়েছে। এখানকার সব ধরনের ডকুমেন্ট যে কেউ বিনা মূল্যে ডাউনলোড করতে পারবেন। আর কোডিং বিষয়ে বিশেষজ্ঞরা চাইলে এখানে নতুন কোর্সও যোগ করতে পারবেন। গুগল কোড ইউনিভার্সিটির ওয়েব ঠিকানা : http://code.google.com



স্কুল অব ওয়েবক্রাফট

ওপেন সোর্স সফটওয়্যার নির্মাতা প্রতিষ্ঠান মজিলা ফাউন্ডেশন এবং পি২পিইউ যৌথভাবে তৈরি করেছে এই ওয়েবসাইট। ওয়েব ডেভেলপমেন্টের জন্য নানান কাজের দক্ষতা তৈরিতে অনলাইনে বিনা মূল্যে বিভিন্ন কোর্স পরিচালনা করে আসছে এটি। বিশ্বব্যাপী সকলেই যেন খুব সহজে এবং বিনা মূল্যে ওপেন সোর্সভিত্তিক বিভিন্ন কাজে দক্ষতা অর্জন করতে পারে, সেই উদ্দেশ্যকে সামনে রেখেই তৈরি করা হয়েছে এই ওয়েবসাইট।

এখানে রয়েছে এইচটিএমএল, সিএসএস, জাভা স্ক্রিপ্ট-এর মতো প্রাথমিক ধাপের ল্যাঙ্গুয়েজ থেকে শুরু করে পিএইচপি, পাইথন/ডিজাংগো, রুবি অন রেইলস-এর মতো প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ শেখার সুযোগ। প্রোগ্রামিংয়ে দক্ষ বিভিন্ন স্তরের মানুষদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় গড়ে উঠেছে এখানকার সংগ্রহশালা। আর এসব বিষয়ে দক্ষ যে  কেউ এখানে নতুন কোর্স যোগও করতে পারবেন।
এখানে বিভিন্ন কোর্সের মাধ্যমে প্রোগ্রামিং শেখার পর সফলভাবে কোর্স সম্পন্নকারীদের জন্য ‘ওপেন ব্যাজেস’ নামক বিশেষ অনলাইন সনদ প্রদান করা হবে, যার গ্রহণযোগ্যতা থাকবে সর্বত্র। এই সাইটের ঠিকানা : http://www.p2pu.org/en/webcraf
[Read More...]


বাংলাদেশের ৬৪টি জেলার সমস্ত খবর জানতে ৬৪জেলার ৬৪টি ওয়েবসাইট




আমরা বিভিন্য জায়গা থেকে ইন্টারনেট ভিসিট করে থাকি। এবং প্রতিজনের রয়েছে নিজের জেলার প্রতি অন্যরকম একটি ভালবাসা। আর নিজের জেলার প্রতি ভালবাসার টানে আপনি নিশ্চয়ই চাইবেন নিজের জেলার সমস্ত খবর একটু দেখে নিতে? তাই আমি নিয়ে এসেছি বাংলাদেশের ৬৪টি জেলার ৬৪টি ওয়েবসাইটের ঠিকানা।
domains URL website address
JESSORE
BARGUNA
www.dcjessore.gov.bd
www.dcbarguna.gov.bd
BARISALwww.dcbarisal.gov.bd
BHOLAwww.dcbhola.gov.bd
JHALOKATIwww.dcjhalakathi.gov.bd
PATUAKHALIwww.dcpatuakhali.gov.bd
PIROJPURwww.dcpirojpur.gov.bd
BANDARBANwww.dcbandarban.gov.bd
BRAHMANBARIAwww.dcbrahmanbaria.gov.bd
CHANDPURwww.dcchandpur.gov.bd
CHITTAGONGwww.dcchittagong.gov.bd
COMILLAwww.dccomilla.gov.bd
COX’S BAZARwww.dccoxsbazar.gov.bd
FENIwww.dcfeni.gov.bd
KHAGRACHHARIwww.dckhagrachhari.gov.bd
LAKSHMIPURwww.dclakshmipur.gov.bd
NOAKHALIwww.dcnoakhali.gov.bd
RANGAMATIwww.dcrangamati.gov.bd
DHAKAwww.dcdhaka.gov.bd
FARIDPURwww.dcfaridpur.gov.bd
GAZIPURwww.dcgazipur.gov.bd
GOPALGANJwww.dcgopalganj.gov.bd
JAMALPURwww.dcjamalpur.gov.bd
KISHOREGONJwww.dckishoreganj.gov.bd
MADARIPURwww.dcmadaripur.gov.bd
MANIKGANJwww.dcmanikganj.gov.bd
MUNSHIGANJwww.dcmunshiganj.gov.bd
MYMENSINGHwww.dcmymensingh.gov.bd
NARAYANGANJwww.dcnarayanganj.gov.bd
NARSINGDIwww.dcnarsingdi.gov.bd
NETRAKONAwww.dcnetrokona.gov.bd
RAJBARIwww.dcrajbari.gov.bd
SHARIATPURwww.dcshariatpur.gov.bd
SHERPURwww.dcsherpur.gov.bd
TANGAILwww.dctangail.gov.bd
BAGERHATwww.dcbagerhat.gov.bd
CHUADANGAwww.dcchuadanga.gov.bd


JHENAIDAHwww.dcjhenaidah.gov.bd
KHULNAwww.dckhulna.gov.bd
KUSHTIAwww.dckushtia.gov.bd
MAGURAwww.dcmagura.gov.bd
MEHERPURwww.dcmeherpur.gov.bd
NARAILwww.dcnarail.gov.bd
SATKHIRAwww.dcsatkhira.gov.bd
BOGRAwww.dcbogra.gov.bd
CHAPAINABABGANJwww.dcchapainawabganj.gov.bd
DINAJPURwww.dcdinajpur.gov.bd
GAIBANDHAwww.dcgaibandha.gov.bd
JOYPURHATwww.dcjoypurhat.gov.bd
KURIGRAMwww.dckurigram.gov.bd
LALMONIRHATwww.dclalmonirhat.gov.bd
PABNAwww.dcpabna.gov.bd
PANCHAGARHwww.dcpanchagarh.gov.bd
NAOGAONwww.dcnaogaon.gov.bd
NATOREwww.dcnatore.gov.bd
NILPHAMARIwww.dcnilphamari.gov.bd
RAJSHAHIwww.dcrajshahi.gov.bd
RANGPURwww.dcrangpur.gov.bd
SIRAJGANJwww.dcsirajganj.gov.bd
THAKURGAONwww.dcthakurgaon.gov.bd
HABIGANJwww.dchabiganj.gov.bd
MAULVIBAZARwww.dcmoulvibazar.gov.bd
SUNAMGANJwww.dcsunamganj.gov.bd
SYLHETwww.dcsylhet.gov.bd
[Read More...]


এক্টিভ করুন Microsoft Office Professional Plus 2013



আচ্ছালামু আলাইকুম । আমি আপনাদের শিখাব কিভাবে অফিস ২০১৩ এক্টিভ করতে হয় । Microsoft Office Professional Plus 2013 এক্টিভ করতে খুবই ভেজালের কাজ ।  আমি এই পর্যন্ত কম করে হলেও ৬/৭ টার বেশি এক্টিভেটর ইউজ করছি একটাও কাজ করে নাই ।
একেকটা এক্টিভেটর ১৫০/২০০ এম্বি করে ছিল ।
তবে অবশেষে সফল হলাম ।


যে এক্টিভেটর ইউজ করে এক্টিভ করছি তা শুধু মাত্র Volume version এ কাজ করবে ।
এখন কথা হচ্ছে যাদের গুলো RTM তারা কি করবে ? আবার নতুন করে নামাতে হবে । হতাশ হইলেন নাকি ?
নো টেনশন আমার টাও RTM ছিল । RTM কে কিভাবে Volume version এ পরিবর্তন করবেন তা পরে দেখাচ্ছি  আমি থাকতে আপনাদের কোন আশা ও নাই ভরসাও নাই ।
যাই হোক এখন আসল কথায় আসি ।

  1. প্রথমে এক্টিভেটর টি ডাউনলোড করুন । এই লিঙ্ক থেকে ।  Download
  2. ডাউনলোড হয়ে যাওয়ার পর ফাইলটিকে extract করুন । Extract এর সময় পাসওয়ার্ড চাইবে । পাসওয়ার্ডটি হলঃ www.oxava.com
  3. এরপর এই লিঙ্কে গিয়ে একটি আইডি খুলে নিন । আইডি ভেরিফাই করাও লাগবে না । ক্লিক করুন এখানে
  4. ডাউনলোড করা এক্টিভেটর ওপেন করুন ‘Run as administrator’ দিয়ে এবং  আইডি ও পাস দিয়ে লগইন করলে এই রকম অপশন আসবে ।



                                                                  5. Activate লেখাতে ক্লিক দিন এবং কিছুসময় পর এই রকম উইন্ডো আসবে ।


6. কিছুক্ষন অপেক্ষা করলে এই রকম অপশন আসবে তারপর আপনি ‘B’ লিখে এন্টার চাপুন ।


7. দেখুন এই করম অনেক গুলো অপশন আসবে । এবার ‘T’ লিখে এন্টার চাপুন ।

8.একটু পরে যে কোন বাটন প্রেস করতে বলবে !  তাহলে পুনরাই আগের ঐ উইন্ডো আসবে । কিছুসময় অপেক্ষা  করতে হবে । কিছুসময় অপেক্ষা করার পর দেখবেন নিচের ছবির মত আসবে । যদি না আসে তাহলে আবার  ‘T’ লিখে এন্টার চাপুন । আবার কিছু সময় অপেক্ষা করতে হবে এবং নিচের উইন্ডো এর মত আসবে । ব্যাস আপনার কাজ শেষ । এরপর আর আপনাকে কিছুই করতে হবেনা যা করার এক্টিভেটর ই করে ফেলবে ।
 9.সম্পূর্ন প্রক্রিয়া শেষ হইতে প্রায় ১০ – ১৫ মিনিট লাগবে ।
10.কাজ শেষ হয়ে যাবার পরে Word / excel বা যে কোন টা ওপেন করে File> account এ গিয়ে দেখুন এক্টিভ হয়ে গেছে ।
 ***** সম্পূর্ন কাজ করতে অবশ্যই নেট কানেক্ট করে রাখতে হবে !! এবং আবার ও বলতেছি শুধুমাত্র Volume version যে গুলো তা এক্টিভ করবে সরাসরি RTM এক্টিভ করবে না !!!!

Microsoft Office Professional Plus 2013 RTM > Volume

যাই হোক ভলিউম শুনে অনেকেই টেনশনে পড়ে গেছেন । আগেই বলছি আমার টাও ছিল কিন্তু RTM ।
আসলে ছোট একটা কাজ করেই আপনি আপনার RTM কে ভলিউমে কনভার্ট করে নিতে হবে…।
প্রথমে আপনি আপনার ISO ফাইল চেক করুন ।
এর ভিতরে যদি দেখেন proplus.ww নামে কোন ফোল্ডার আছে তাহলে আপনার চিন্তা নাই । কারন ঐ টা ভলিউম লাইসেন্স ।
আর যদি proplusr.ww থাকে তাহলে তা RTM ।
তাহলে শুরু করেন কিভাবে RTM থেকে Volume version এ কনভার্ট করবেন ।

১. প্রথমে ISO ফাইল Extract করে নিন ।
২. তারপরে “proplusr.ww” এই ফোল্ডার টিকে রিনেম করে “proplus.ww” তে পরিবর্তন করুন ।
৩. proplus.ww রিনেম করা ফাইলে দেখুন “proprww.cab” এবং “proprww2.cab” নামে দুইটি ফাইল আছে । তাদের নাম ও যথাক্রমে পরিবর্তন করে “propsww.cab” এবং “propsww2.cab” দিন।
৪. এখন যে কাজটি করবেন তাহল রিনেম করা “proplusr.ww” এই ফাইলের ভিতর থেকে “config.xml”, “proplusrww.msi”, “proplusrww.xml” এবং “setup.xml” এই চারটি ফাইল ডিলেট করে দিন ।
৫. এখন নিচের লিঙ্ক থেকে ফাইল গুলো নামিয়ে নিয়ে proplus.ww এর ভিতরে পেস্ট করে দিন !! এখানে ৩২ ও ৬৪ বিটের দুই ধরনের জন্যই ফাইল দেওয়া আছে চিন্তা নাই।  ডাউনলোড করার জন্য এখানে ক্লিক করুন ।
৬. এবার আপনি অফিস ২০১৩ ইন্সটল করুন ।
ব্যাস এখন আপনার Microsoft Office Professional Plus 2013 RTM থেকে তা Microsoft Office Professional Plus 2013 Volume version এ পরিবর্তন হয়ে গেল ।

আশা করা যায় আপনি ও সফল ভাবে এক্টিভ করতে পারবেন ।
………………………লাস্টে যে কথা না বললেই নয।। সম্পূর্ণ কাজটি নিজ দায়িত্বে করবেন আমার হইছে তার প্রমান দিয়েছি কেউ না পারলে আমার দোষ নাই ।

তবে কোন সমস্যা হলে কিংবা বুঝতে না পারলে আমাকে ফেসবুক এ জুগাজুগ করুন । ফেসবুক এ আমার ১টি পেজ আছে সেটিতে মেসেজ দিতে পারবেন ।
[Read More...]


ঝামেলার দিন শেষ, দুনিয়ার সবচেয়ে সহজ নিয়মে তৈরি করে ফেলুন বুটেবল পেনড্রাইভ





“বিসমিল্লাহহীর রাহমানির রাহীম”

শুরুতেই কিছু কথা বলে নেই। একটা ইট একা কিছুই নয় কিন্তু হাজারো ইট একসাথে হয়ে তৈরী করে শক্তিশালী কাঠামো। আমরা কেউই তো আর সবজান্তা নই তাই ঠিক একই ভাবে একজনের জ্ঞান একা হয়ত কিছুই নয় কিন্তু অনেক জনের জ্ঞান একসাথে হলে নতুন নতুন কিছু উদ্ভাবন হয়। প্রত্যেকেরই অন্যের কাছে কিছু না কিছু শেখার আছে। তাই আমার মনে হয় শেয়ারিং এর মাধ্যমে সার্বিক ভাবে সকলের জ্ঞানের পরিধি বাড়ানো সম্ভব। তাই আমি যা জানি তা আপনাদের জানাতে চায় আর আপনারা যা জানেন তা আপনাদের কাছ থেকে শিখতে চায়। অন্যান্য দেশ প্রজুক্তিতে অনেক এগিয়ে গেছে, আমার মনে হয় আমারও এভাবেই এগিয়ে যাব এবং সেই দিন খুব বেশী দূরে নয়।
অনেক প্যাঁচাল পারা হল এবার আসল কথাই আসি। আমি এ পর্যন্ত অনেক সফটওয়্যার ট্রাই করেছি কিন্তু কোনটাতেই তেমন সুফল পাইনি। আর ঝামেলাও অনেক। তাই আজ আমি আপনাদের সাথে যেই সফটওয়্যারটি শেয়ার করব সেটা দিয়ে আপনি সবচেয়ে সহজ উপায়ে আপনার পেনড্রাইভ দিয়ে কম্পিউটার এর অপারেটিং সিস্টেম (Windows 7/8) সেটাপ দিতে পারবেন। তবে চলুন মাত্র ৭১৬ কে.বি. এর সফটওয়্যারটি এখনি ডাউনলোড করে কাজ শুরু করে দেই। সফটওয়্যারটি পোর্টেবল তাই ইন্সটল এর কোনো ঝামেলা নেই। এখান থেকে ডাউনলোড করে নিন।
প্রথমে জিপ ফাইলটি আনজিপ করে নিন। তারপর ফাইলটি রান করুন। দেখবেন এরকম স্ক্রীন আসবে

এরপর আপনার পেনড্রাইভ সিলেক্ট করে Quick Format  এ টিক দিয়ে Do it করুন।  পেনড্রাইভ ৮ জিবি হলে ভাল হয় তবে ৪ জিবি হলেও চলবে। Windows 8 এর জন্য ৮ জিবি লাগবে।

তারপর যা দিয়ে আপনি বুট করবেন সেটা সিলেক্ট করুন। অর্থাৎ ISO/DVD/Source File সিলেক্ট/ড্রপ করুন এভাবে (আপনি চাইলে বুটেবল ডিভিডি থেকে ISO Image এক্সট্র্যাক্ট করতে হয় কিভাবে এখান থেকে দেখে নিতে পারেন।)

এবার কাজ শুরু হয়ে যাবে এবং এমন একটা স্ক্রীন আসবে

আপনার পিসি এবং পেনড্রাইভ এর গতির উপর নির্ভর করে কম-বেশী সময় লাগবে। সব শেষে এমন স্ক্রীন আসবে তারপর ক্লোজ করে আসল কাজ শুরু করে দিন।

এবার আপনি  Boot Menu তে গিয়ে Pendrive এর Priorityপ্রথমে দিন। (এ ব্যাপারে বিস্তারিত জানার জন্য আমার পরবর্তী পোস্টটি দেখতে পারেন।) ঝামেলা এড়ানোর জন্য প্রথমবার Restart নেবার সময় পেনড্রাইভ খুলে নিন।
এভাবে আপনি খুব কম সময়ে পিসি বুট করতে পারবেন। পিসি বুট করা শেষ হলে পেনড্রাইভ FAT32 ফরম্যাট এ Format করে নিন।
তারপর আরামে আপনার পিসি আর পেনড্রাইভ ইউস করুন।

সবাই ভুল করে আমিও তার ঊর্ধ্বে নই। ভুল ত্রুতি ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখার জন্য অনুরধ করছি। পোস্টটি কেমন লাগলো তা Comment করে জানাতে ভুলবেন না
[Read More...]


Top-up your own account balance by using banglalink self top-up service!!!




 top-up your own account balance by using banglalink self top-up service!!!

feature details/conditions:

• all pre-paid and call & control (expect E-Voucher) customers can avail the service. post-paid customers are not eligible for the service.

•• for FREE registration, customer has to dial *777# and following the instructions. in reply SMS, customer will received a temporary PIN number. customer has to change the temporary PIN number to using the service.

• to change temporary PIN, customer has to type CHG<space>old PIN<space>new PIN and send SMS to 480 (SMS charge FREE)

• after successfully registration and changed PIN, customer has to dial *777# and press 3 (Self top'up) from the service category lists. then reply with pressing 1 to associate self top-up service.

• to using self top-up, customer has to visit banglalink "mobile cash point" or banglalink customer care or banglalink point to collect money wallet.

• registered customer will be able to recharge his/her financial account from BDT 10.00 to BDT 1,000.00 and he/she will be able to keep up-to BDT 5,000 in his/her money wallet.

• registered customer can be checked his/her money wallet by typing BAL<space>PIN and send SMS to 480 (SMS charge FREE)

• to using self top-up, customer has to dial again *777# and pressing 3 (Self top'up) from the service category lists. then enter the recharge amount, enter n for next step, enter his/her PIN to confirm top-up.

• this service is fully FREE of charge and no extra/monthly charge will be applicable!

for further assistance, please call banglalink financial hotline- 1200/01911304120

feature details/conditions:


• all pre-paid and call & control (expect E-Voucher) customers can avail the service. post-paid customers are not eligible for the service.

•• for FREE registration, customer has to dial *777# and following the instructions. in reply SMS, customer will received a temporary PIN number. customer has to change the temporary PIN number to using the service.

• to change temporary PIN, customer has to type CHGold PINnew PIN and send SMS to 480 (SMS charge FREE)

• after successfully registration and changed PIN, customer has to dial *777# and press 3 (Self top'up) from the service category lists. then reply with pressing 1 to associate self top-up service.

• to using self top-up, customer has to visit banglalink "mobile cash point" or banglalink customer care or banglalink point to collect money wallet.

• registered customer will be able to recharge his/her financial account from BDT 10.00 to BDT 1,000.00 and he/she will be able to keep up-to BDT 5,000 in his/her money wallet.

• registered customer can be checked his/her money wallet by typing BALPIN and send SMS to 480 (SMS charge FREE)

• to using self top-up, customer has to dial again *777# and pressing 3 (Self top'up) from the service category lists. then enter the recharge amount, enter n for next step, enter his/her PIN to confirm top-up.

• this service is fully FREE of charge and no extra/monthly charge will be applicable!

for further assistance, please call banglalink financial hotline- 1200/01911304120

[Read More...]


নিয়ে নিন HD ফেসবুক চ্যাট ইমু । যারা ফেসবুক চালান তারা একবার হলেও এদিকে আসেন
বিল গেটস ::: কম্পিউটার জগতের জীবন্ত কিংবদন্তী
Youtube এর Video দেখুন,শুধু মাত্র নিচের Addon ডাউনলোড এর মাধ্যমে ...
বই ও সফটওয়্যারের জন্য আপনাকে আর কারো কাছে সাহায্য চাওয়া লাগবে না …… আমার সংগ্রহের সবকিছু শেয়ার করলাম
 

Flash Labels by Way2Blogging

Categories

Translate

free counters

Clock

Return to top of page Copyright © 2010 | Platinum Templates Converted into Blogger Template by SEO Templates
^ Back to Top