আসুন YouTube এর কিছু লুকনো ম্যাজিক দেখি



ম্যাজিক নং ১)প্রথমে এই লিঙ্ক এ চলে যান বা ইউটুব.কম খোলেন,
এবার সার্চ বার এ Doge meme লিখে সার্চ দিন আর দেখুন ম্যাজিক, আপনার ইউটিউব এর ফ্রন্ট স্টাইল আর কালার পরিবর্তন হয়েগেছে নীচের ছবির মতো।
Doge meme
ম্যাজিক নং ২)
এবার সার্চ বার এ Beam me up Scotty লিখে সার্চ দিন বা এন্টার এ চাপ দিন, দেখবেন আপনার ইউটিউব স্ক্রিন এ বৃষ্টির মতো এফেক্ট উপর থেকে নীচের দিকে পরছে।
স্ক্রীন সট টি দেখুন,
Beam me up Scotty

ম্যাজিক নং ৩)
এই ম্যাজিকটা খুব মজাদার Use the Force Luke লিখে সার্চ দিন বা এন্টার চাপুন, আপনার ইউটিউব অ্যানিমেটেড হয়ে যাবে ভিডিও এর সঙ্গে টেক্সট গুলো স্ক্রীন এ ভাসতে থাকবে।
স্ক্রীন সট টি দেখুন,
Use the Force Luke
ম্যাজিক নং ৪)
এবার আসি সবথেকে মজাদার ম্যাজিক এ এটা আমার খুব ভালো লেগেছে আশা করি আপনাদেরও খুব ভালো লাগবে, এই ম্যাজিক এ ইউটিউব গানের তালে তালে নাচতে থাকবে।
ম্যাজিকটি দেখার জন্য আপনাকে সার্চ বারে Do the Harlem Shake লিখে সার্চ দিতে হবে কিছুক্ষণের মধ্যে একটা গান বাজবে আর ইউটিউব নাচবে।
do the harlem shake
[Read More...]


Nexus Root Toolkit (100% Safest, Easiest, Smartest & Trusted)



Backup/Restore
    Lock/Unlock
    Root/Unroot
    Flash Stock ROM

Nexus Root Toolkit (100% Safest, Easiest, Smartest & Trusted): http://www.wugfresh.com/nrt/

Universal Naked Driver (USB Driver): http://forum.xda-developers.com/google-nexus-5/development/adb-fb-apx-driver-universal-naked-t2513339

Watch & Follow step by step: https://www.youtube.com/watch?v=KnlUdjUaD3Q&app=desktop

Supported Nexus Devices:

· Galaxy Nexus: GSM Models (both yakju and non-yakju builds)
· Galaxy Nexus: CDMA/LTE Verizon Models
· Galaxy Nexus: CDMA/LTE Sprint Models
· Nexus S: Worldwide, i9020t and i9023 Models
· Nexus S: 850MHz, i9020a Models
· Nexus S: Korea, m200 Models
· Nexus S 4G: d720 Models
· Nexus 4: LG Phone
· Nexus 5: LG Phone

· Nexus 6: Motorola Phone

· Nexus 7 1st Gen. (2012) WiFi: ASUS Tablet
· Nexus 7 1st Gen. (2012) WiFi/3G: ASUS Tablet
· Nexus 7 2nd Gen. (2013) WiFi: ASUS Tablet
· Nexus 7 2nd Gen. (2013) WiFi/3G/LTE: ASUS Tablet
· Nexus 9 WiFi: HTC Tablet

· Nexus 9 WiFi/LTE: HTC Tablet
· Nexus 10: Samsung Tablet

[Read More...]


ADB, fastboot এবং Driver ইন্সটল।



১. ADB, fastboot এবং Driver ইন্সটল।     >> এখান থেকে fastboot.zip ফাইল টা নামাতে হবে।  http://downloadandroidrom.com/file/tools/fastboot.zip       

          zip ফাইলটা  extract করে desktop এ কপি করুন এবং nexus নামে rename করুন।

    >> nexus 5 এর জন্য নিচের লিংক থেকে driver ডাউনলোড করে নিতে হবে। এখানে কয়েকটা driver আছে। আমার জন্য "universal naked driver" কাজ করেছে।  http://www.theandroidsoul.com/nexus-5-driver-adb-fastboot-installation-guide/

    >> ADB, FASTBOOT এবং driver ঠিকমতো ইন্সটল হয়েছে কিনা সেটা চেক করে নেয়ার জন্য এই কাজটা করতে হবে...                ## মোবাইল developer অপসন থেকে usb  debugging ইনাবল করে নিন। এখন মোবাইল off করে বুটলোডার মুডে যান (power button+volume dawn)। usb ক্যাবল দিএ pc এর সাথে কানেক্ট করুন।

         ##windows এর  start মেনু থেকে cmd টাইপ করে command prompt  চালু করেন। এবার লাইন বাই লাইন type করুন।

cd Desktop  ( enter চাপুন)

cd nexus adb version

        >>জদি সবকিছু ঠিকঠাক থাকে তাহলে এই লেখা উঠবেঃ "android Debug bridge version x.x.x.x"  ২. nexus 5 এর জন্য android 5.0 ডাওনলোড করে নিন। ctrl চেপে ডাউনলোড লিংকে click করুন।

      http://developer.android.com/preview/index.html#Start

৩. android 5.0 এর ফাইলটা extract করুন। এবার hammerhead-lpx13d ফাইল এর ভিতরের সবগুলো ফাইল সিলেক্ট  করে desktop এর nexus ফাইলে paste করুন।

৪. মোবাইল developer অপসন থেকে usb  debugging ইনাবল করে নিন। এখন মোবাইল off করে বুটলোডার মুডে যান (power button+volume dawn)। usb ক্যাবল দিএ pc এর সাথে কানেক্ট করুন।

৫. এখন windows এর start মেনু থেকে command চালু করে লাইন বাই লাইন টাইপ করুন।

>>cd desktop  >>cd nexus  >>fastboot flash bootloader bootloader-hammerhead-hhz12d.img >>fastboot reboot-bootloader  >>fastboot flash radio radio-hammerhead-m8974a-2.0.50.2.21.img  >>fastboot reboot-bootloader 

>>fastboot -w update image-hammerhead-lpx13d.zip

৬. আপনার কাজ শেষ।

NOTE:  >> শেষেরটা  copmplete হতে একটু সময় লাগবে আবং কিছু লেখা আসবে এমন....... not found/connected. এগুলো দেখে                 ঘাবড়াবার কোন কারন নেই।  >> command গুলো টাইপ করার সময় খেয়াল করে আপনার ফাইলগুলোর সাথে নাম মিলিয়ে টাইপ করুন।  >> সব complete হয়ে গেলে প্রথমবার boot হতে সময় লাগবে।## আরো ভালোভাবে বুঝার জন্য এই ভিডিওটা দেখে নিতে পারেন। https://www.youtube.com/watch?v=fdNV52dwyFc

[Read More...]


Passport process for Bangladesh: পাসপোর্ট করার সহজ নিয়মাবলী।



Passport
পাসপোর্ট (Passport) ছাড়া আপনি কি নিজকে বাংলাদেশী নাগরিক ভাবতে পারেন। নিজের পাসপোর্ট (Passport) থাকা জরুরী। পত্রিকা পড়ে অনেকের পাসপোর্টকরা নিয়ে ভিতি ভাব আছে । অফিসিয়াল ব্যাপারগুলো আত্মবিশ্বাসের সাথে করলে একটা না একটা উপায় সহজভাবেই বের হয়ে আসে। বর্তমানে অনলাইনে পাসপোট (Passport) ফরম জমা দিলে লম্বা লাইনে দাঁড়াতে হয় না । পরে নিধারিত সময়ে দালালের খপ্পড় বা পাসপোর্ট (Passport) অফিসের কারো কোন সমস্যার ছাড়াই একদম সরাসরি যেয়ে ছবি তুলে ও ফিঙ্গারিং করা যায়। এতে অনাহুত খরচের বালাই নেই।
যারা অনলাইনে মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট করতে যাচ্ছেন, তাদের জন্য ব্যাপারটাকে আরো সহজ করে তোলার জন্য এই পোস্ট। আপনিও খুব সহজেই পারবেন। কারণ অনলাইনে পাসপোর্ট (Passport) পাওয়া অনেক অনেক সহজ একটা কাজ যদি একটু জানা থাকে । পাসপোর্ট (Passport) হাতে পাওয়াসহ সব মিলিয়ে আপনাকে মাত্র তিনদিন যেতে হবে ।আর সাথে টুকিটাকি যদি জানা থাকে তাহলে আর কথাই নেই ।
আসেন, একদম শুরু থেকে শুরু করি অনলাইনে পাসপোর্ট (Passport) ফর্ম পূরণ করা এবং পরের ধাপের কাজগুলো নিয়ে।

প্রথম ধাপ : ব্যাংকে টাকা জমা দেয়া।

  • সোনালী ব্যাংকের কলেজ গেইট শাখায় পাসপোর্ট (Passport) আবেদনের ফি হিসাবে টাকা জমা দিতে হবে। রেগুলার ফি ৩০০০/- টাকা ( ১ মাসের মধ্যে পাসপোর্ট (Passport) পেতে হলে) আর ইমারজেন্সি ফি ৬০০০/- টাকা ( ১৫ দিনের মধ্যে পাসপোর্ট (Passport) পেতে হলে) ।
প্রথমেই টাকা জমা দেয়া প্রয়োজন এই কারণে যে , অনলাইনে ফর্ম পূরণ করার সময় টাকা জমা দেয়ার তারিখ এবং জমাদানের রিসিটের নাম্বারউল্লেখ করার প্রয়োজন হবে। তাই টাকা আগে জমা দেয়া থাকলে একবারেই ফর্ম পূরণ করা হয়ে যাবে।

টিপস

-ভুলেও আবার আগারগাঁও সোনালী ব্যাংকের শাখায় গেলে – – – – – । সোনানী ব্যাংকের কলেজ গেইট শাখায় বেশ দ্রুত টাকা জমাদেয়া যায় , কারণ এইখানে ভিড়টা কম । আপনার সুবিধামত সোনালী ব্যাংকের শাখায় / ব্রাঞ্চে টাকা জমা দিয়ে রিসিট বুঝে নিন ।
লাইনে দাঁড়ালে ব্যাংকের কাজ শুরুর আগেই ব্যাংকের লোকজন রিসিট দিয়ে যাবে। বা নিজেই টাকা দেয়ার রিসিট সংগ্রহ করে নিন । রিসিট পেলেইংরেজি ব্লক লেটার স্পষ্টভাবে পূরণ করুন। সাথে অবশ্যই কলম রাখুন।
(আমি যখন টাকা জমা দিয়েছিলাম , তখন আগারগাঁও ব্রাঞ্চ এ টাকা জমা নিত , এখন খোঁজ নিয়ে দেখলাম সেখানে টাকা জমা নেয়া বন্ধ ! এছাড়াঅনলাইনে যেসব ব্রাঞ্চের লিস্টগুলো আছে , তার অনেকগুলোতেই টাকা জমা নেয় না । তাই ঢাকায় থাকলে কলেজ গেইট ব্রাঞ্চেই যাওয়া বেটার)

দ্বিতীয় ধাপ – অনলাইনে ফর্ম পূরণ

  • অনলাইনে ফরম পূরণের জন্য প্রথমেই যান পাসপোর্ট (Passport) অফিসের এই সাইটে – http://www.passport.gov.bd/http://www.passport.gov.bd/ । নির্দেশনা ভালোভাবে দেখুন , সতর্কতার সাথে একাউন্ট করুন ।আপনার নাম ও ব্যক্তিগত তথ্যাদি ( যেমন নামের বানান, প্যারেন্টস এর নাম ) যেন শিক্ষাগত সার্টিফিকেটের মতই হয় সেদিকে খেয়াল রাখুন। টাকা জমা দেয়ার তারিখ এবং রিসিট নাম্বার উল্লেখ করুন।
সবশেষে আপনি যেদিন ছবি তোলা ও হাতের ছাপ দেয়ার জন্য বায়োমেট্রিক টেস্ট দিতে যেতে চান, সুবিধামত সেইদিনটা নির্বাচন করে সাবমিটকরুন। অর্থ্যাৎ আপনি নিজের পছন্দসই সময়েই যেতে পারছেন ! ব্যাপারটা খু্বই মজার না !
পুনরায় চেক করার পর সবশেষে সাবমিট করুন । সফলভাবে সাবমিশন শেষ হলে পূরণকৃত ফর্মের একটি পিডিএফ কপি আপনার মেইলে চলেআসবে । এইধাপ এইখানেই শেষ।

 টিপস  1

–  অনলাইনে একাউন্ট খোলার পরপরই আপনাকে ইউজার আইডি এবং পাসওয়ার্ড জানিয়ে দেবে । সেটা সংরক্ষণ করুন। আর ছবিতোলার জন্য যেদিন সময় দেবেন সেদিনটা ফ্রি রাখবেন। সময় লাগতেও পারে এই দিনে যদি মানুষ বেশী হয় ।

তৃতীয় ধাপ

– জমা দেয়ার আগে ফর্মের প্রিন্ট এবং সত্যায়ন আপনার পূরণকৃত ফর্মের যেই পিডিএফ কপিটা পেয়েছেন, সেটার ২ কপি কালার প্রিন্টকরে ফেলুন। যেসব জায়গা হাতে পূরণ করতে হবে সেগুলো করে ফেলুন । আপনার সাইন দিন। এবার নিজের চারকপি ছবি , জাতীয় পরিচয়পত্রেরফটোকপি এবং পাসপোর্ট ফর্ম নিয়ে পরিচিত কোন প্রথম শ্রেণীর কর্মকর্তার কাছ থেকে সত্যায়িত করে নিন। পরিচিত কাউকে দিয়ে সসত্যায়নকরানো দরকার এই কারণে যে, ঐ কর্মকর্তার নাম , যোগাযোগ ও ফোন নাম্বার ফর্মে লিখতে হয়। সত্যায়ন শেষে পুরো ফর্মটি রিচেক করুন।
সত্যায়িত ছবি এবং ব্যাংকের রিসিট আঠা দিয়ে ফর্মের সাথে যুক্ত করুন। সাথে জাতীয় পরিচয়পত্রের সত্যায়িত কপিটি নিন। আপনার ফর্ম জমাএখন দেয়ার জন্য প্রস্তুত।

টিপস  2

– ফর্মের প্রিন্ট করার সময় এক কপি এক্সট্রা করুন। ব্যাকআপ থাকা ভালো । আমার প্রথম পেজ নষ্ট হয়ে গিয়েছিল। শেষ সময়ে ব্যাকআপকপির প্রথম পেইজ দিয়ে দিয়েছি।
ছবি দুই কপি লাগলেও এক্সট্রা দুই কপি করিয়ে রাখা ভালো , পাসপোর্ট অফিসে চেয়ে বসে মাঝে মাঝে। একই কথা জাতীয় পরিচয়পত্রেরব্যাপারেও।

চতুর্থ ধাপ

– ছবি তোলা এবং অন্যান্য আপনার নির্বাচন করা তারিখে সকাল সকাল পাসপোর্ট অফিসে চলে যান । অবশ্যই সাদা পোষাক পরবেন না, ফর্মাল পোষাক পরার চেষ্টা করুন।
সকাল ৯ টার দিকে গেলেই হবে। কোন লাইনে দাঁড়াতে হবে না আপনাকে । সরাসরি মেইন গেইট দিয়ে মূল অফিসে যান। সেখানে দায়িত্বরত সেনাসদস্যকে জিজ্ঞেস করুন কোন রুমে যাবেন ।
প্রথমে আপনাকে আটতলায় যেয়ে ফর্ম দেখিয়ে আনতে হবে। খুবই অল্প সময়ের কাজ । ৮০৩ নাম্বার রুম । সিরিয়াল নেবেন। এবার ৮ তলারথেকে আসতে বলবে ৩ তলায় । সেখানে এসেই আসল কাজ । প্রথমে আপনার ফর্মটি চেক করবে এবং সাইন করে দেবে। সাইন শেষে আপনাকেজানিয়ে দেয়া হবে ছবি তোলার জন্য কোন রুমে যাবে। ঐ রুমগুলো ঠিক পাশেই। সিরিয়াল আসলে ছবি তুলুন, ফিঙ্গারপ্রিন্ট দিন। ব্যস , কাজ শেষ !
এবার আপনাকে পাসপোর্ট (Passport) রিসিভের একটা রিসিট দেবে। সেটা যত্ন করে রাখুন । পুলিশ ভেরিফিকেশান সাপেক্ষে, রিসিট পাওয়ার একমাস বা ১৫দিনের মধ্যেই আপনি পাসপোর্ট পাবেন ।

আমার টিপস

– আবারো বলছি, সাদা পোষাক পরবেন না , ফর্মাল পোষাক পরার চেষ্টা করুন।
আর সাথে জাতীয় পরিচয়পত্রের মূল কপিসহ সত্যায়িত কপিগুলো নিয়ে যান। তিনতলায় যেয়ে সেখানকার সেনাসদস্যের কাছ থেকে দেখিয়ে নিশ্চিতহয়ে নিন , সব সংযুক্তি ঠিক আছে কিনা। সাথে অবশ্যই কলম রাখুন। আঠা, স্ট্যাপলার, এক্সট্রা ছবিও সাথে রাখুন।
আর যারা সরকারী কর্মকর্তা বা শিশুসহ যাচ্ছেন , তাদের কিছু আলাদা কাগজ লাগবে । সেটার জন্য নির্দেশনা দেখুন । কিংবা ৮০৩ এ যোগাযোগকরুন।

পঞ্চম ধাপ

– পুলিশ ভেরিফিকেশান ও পাসপোর্ট (Passport) রিসিভ ডেট ( টিপস সহ)
পুলিশ ভেরিফিকেশানই আমার কাছে ঝামেলার মনে হয়েছে। যদি আপনার স্থায়ী আর বর্তমান ঠিকানা আলাদা হয় , তবে দুই জায়গাতেই আপনারভেরিফিকেশান হয়ে থাকে। পুলিশের এস বি ( স্পেশাল ব্রাঞ্চ) এই কাজটা করে থাকে।
এবং এইটা করতে যেয়ে পুলিশ বখশিশ হিসাবে টাকা চেয়ে বসে। খুবই ইরিটেটিং একটা ব্যাপার । সেটা ৫০০-১০০০ পর্যন্ত হতে পারে !!!!!
তবে স্ট্রিক্ট থাকলে এটা এড়ানো সম্ভব। আপনি কীভাবে তাদের ফেইস করছেন সেটার উপর নির্ভর করে। সরাসরি বলে দিতে পারেন যে, এইটাআপনার দায়িত্ব, তো টাকা দেয়ার প্রশ্ন কেন। কিংবা বলতে পারেন যে, আপনি ছাত্র , টাকা দেয়া সম্ভব না । ইত্যাদি ইত্যাদি ইত্যাদি !
যাই হোক, ভেরিফিকেশান শেষ হলে আপনার মোবাইলে এস এম এস আসবে। যেদিন এস এম এস আসবে তারপরেই আপনি পাসপোর্ট সংগ্রহকরতে পারবেন।
ব্যস, এইবার পাসপোর্ট হাতে নেয়ার পালা।

ষষ্ঠ ধাপ –পাসপোর্ট সংগ্রহ

এইখানে কাজ সহজ । পাসপোর্ট (Passport) অফিসে চলে যান। লাইনে দাঁড়ান।
সাথে রিসিট আর কলম রাখুন । ৯ টার দিকে গেইট খুলবে। লাইন ধরে প্রবেশ করুন। রিসিট জমা দিন। অপেক্ষা করুন।
এবার আপনার নাম ডাকবে । সাইন করুন , বুঝে নিন আপনার পাসপোর্ট ।

টিপস  3

– হাতে পেয়েই সবার আগে চেক করুন আপনার ইনফোগুলো ঠিক এসেছে কিনা। নিজের এবং পিতামাতার নাম, ঠিকানা এবংঅন্যান্যসব তথ্যগুলো মিলিয়ে নিন।
এই হচ্ছে একটি ঝামেলাবিহীন পাসপোর্টের (Passport) আত্মকাহিনী বা আমি যেভাবে খুব সহজেই পাসপোর্ট পেলাম এর আদ্যোপান্ত । আশা করি কাজেলাগবে।
সবার জন্য শুভকামনা। হ্যাপি পাসপোর্টিং (Passport) !

সংযুক্তি -

০১) আপনার বর্তমান ঠিকানা যদি ঢাকা হয় , তাহলে এখান থেকেই পাসপোর্ট (Passport) করতে পারেন । আলাদা করে দেশের বাড়ির জেলা অফিসে যাওয়ারপ্রয়োজন হবে না।
০২) ব্যাংকে টাকা জমা দেয়ার জন্য যে স্লিপ লাগে , সেখানে আলাদা একাউন্ট নম্বরের প্রয়োজন নেই ।নতুন পাসপোর্ট করা বা রিনিউ এর জন্যআলাদা স্লিপই থাকে ।
০৩) GO: Government order
NOC: NO Objection Certificate
PDS: Proof of retired Date
সরকারী, আধাসরকারী, স্বায়ত্তশাসিত ও রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থার স্থায়ী কর্মকর্তা/কর্মচারী, অবসরপ্রাপ্ত সরকারী চাকুরীজীবীরা এই ঘর পুরণ করবেন। আরকমেন্ট থেকে জানা গেল যে সরকারী কর্মকর্তাদের পাসপোর্ট নীল রঙের । পুলিশ ভেরিফিকেশান এর ঝামেলা নাই ।
[Read More...]


অ্যান্ড্রয়েড সম্পর্কে কিছু আশ্চর্য তথ্য



অ্যান্ড্রয়েড চেনে না এমন মানুষ এখন কমই আছে। আর ব্যাবহারকারিও বাড়ছে দিন দিন। iOS কিংবা অন্যান্য অপারেটিং সিস্টেমের তুলনায় গুগলের অ্যান্ড্রয়েড খুবই দ্রুতগতিতে এগিয়ে যাচ্ছে। এমন এক সময় হয়ত আসবে যখন অ্যান্ড্রয়েড সব জায়গায় বিরাজ করবে।
Sundar Pichai গুগলের একজন ইন্ডিয়ান কর্মকর্তা যিনি বর্তমানে গুগলের Senior Vice President হিসেবে নিয়োজিত আছেন। তার দায়িত্বের অধিনে রয়েছে গুগল ক্রোম, অ্যান্ড্রয়েড এবং গুগল অ্যাপস।
1 billion android user pichai
Sundar Pichai ঘোষণা করেছেন যে বর্তমানে অ্যান্ড্রয়েডের অ্যাক্টিভ ইউজার সংখ্যা ১ বিলিয়ন। ৩০ দিনের এক নজরদারিতায় জানা গেছে এই তথ্য। ২০১৩ সালে ৯০০ মিলিয়ন নতুন অ্যান্ড্রয়েড ইউজার যোগ হয়েছে যা ২০১২ সালে ছিল মাত্র ৪০০ মিলিয়ন। ২০১৪ সালেতো আরো অনেক ইউজার যোগ হয়েছে, তাই বলা যায় যে অ্যান্ড্রয়েড বর্তমানে মোবাইল অপারেটিং সিস্টেমের চ্যাম্পিয়ন।

কিছু আশ্চর্য তথ্যঃ

আসুন অ্যান্ড্রয়েড সম্পর্কে কিছু তথ্য জানি যা আপনি হয়ত আগে জানতেন না। আগেই বলে রাখি সবাই সবকিছু জানে না আবার অনেকের অনেক কিছুই জানা। তাই আপনি যেটা জানেন সেটা অন্যদের জানার জন্য ছেড়ে দিন আর যা না জানেন তা জেনে নিন। সব গুলো তথ্যই পুরনো কিন্তু সবার দৃষ্টিগোচর হয়নি বলেই লিখছি।
অ্যান্ড্রয়েডের ইতিহাস
অনেকেই হয়ত জানেন অ্যান্ড্রয়েডের নির্মাতা গুগল নয়। Android Inc. ২০০৩ সালে অ্যান্ড্রয়েড ডেভেলপ করেন এবং ডেভেলপারের নামানুযায়ি অ্যান্ড্রয়েডের নামকরন করা হয়। অ্যান্ড্রয়েড হচ্ছে ফাউন্ডারের নিকনেইম, রোবটের সাথে বেশি জড়িয়ে থাকার ফলে সবাই তাকে অ্যান্ড্রয়েড বলে ডাকতো।
android history baundole
২০০৫ সালে Android Inc. কে গুগল কিনে নেয়। গত ডিসেম্বার পর্যন্ত ১৭৪ টা কম্পানিকে কিনে নেয় গুগল। অ্যান্ড্রয়েড কে কিনেছে 50,000,000 ডলার দিয়ে। আমার মনে হয় এটায় ছিল গুগলের সেরা সিদ্ধান্ত।
প্রথম অ্যান্ড্রয়েডের ব্যাবহার
অনেকেই হয়ত জানেন না যে অ্যান্ড্রয়েড ডেভেলপ করা হয়েছিলো ডিজিটাল ক্যামেরা জন্য। কিন্তু গুগল যখন কিনে নেয় তখন তারা বুঝতে পারে যে ডিজিটাল ক্যামেরার চাইতে মোবাইলের চাহিদা বেশি তাই তারা মোবাইলের জন্য অ্যান্ড্রয়েড শুরু করে।
OLYMPUS DIGITAL CAMERA
HTC Dream হচ্ছে সেই মোবাইল যেটায় প্রথম পাবলিক ভাবে অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম ব্যাবহার করা হয়েছে। ২২ অক্টোবর ২০০৮ সালে প্রথম এই মোবাইলটি বাণিজ্যিক ভাবে রিলিজ করা হয়। তার মানে আমাদের মত জনসাধারনের হাতের নাগালে অ্যান্ড্রয়েড এসেছে ২০০৮ সালের শেষের দিকে।
অ্যান্ড্রয়েড ইউজাররা প্রতিদিন যা যা করেন
৩০ দিনের পর্যালোচনায় দেখা গেছে যে অ্যান্ড্রয়েড ইউজাররা দিনে ২০ বিলিয়ন মেসেজ পাঠায়, ৯৩ মিলিয়ন সেলফি তুলে এবং ২৪ ঘণ্টায় প্রায় ১০০ বিলিয়ন বার তাদের মোবাইল চেক করে। সবাইকে ট্র্যাক করা সম্ভব না হয়ত গুগল অনেকে ইউজারদের কথা জানেই না, তাদের বাদ দিয়ে হিসেব করলেও যা দেখা যায় তাতে বুঝাই যাচ্ছে অ্যান্ড্রয়েডের বর্তমান অবস্থানটা কোথায়!
অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমের নাম এবং ভার্সন
অ্যান্ড্রয়েডের বেশীরভাগ ভার্সনের নাম করন করা হয়েছে মিষ্টি খাবারের নামের সাথে মিলিয়ে। আমি বেশীরভাগ বলেছি বলে আপনারা মনে করতে পারেন যে সব গুলোইতো খাবারের নাম! আসলে অ্যান্ড্রয়েডের প্রথম ২ টা ভার্সনের নাম কোন খাবারের নামে ছিল না। আসুন দেখি অ্যান্ড্রয়েড ভার্সনের হিস্টরি।
Android 1.0 এর নাম ছিল Android Alpha তারপরে Android 1.1 এর নাম দেওয়া হয় Android Beta এগুলোর আলাদা কোন লোগো ছিল না। কিন্তু অদ্ভুত ভাবে নাম গুলো ইংরেজি বর্ণমালার প্রথম থেকে শুরু হয়েছে। প্রথমে A=Alpha পরে B=Beta তারপর থেকে সকল ভার্সন সিরিয়াল অনুসারেই এসেছে। A, B, C, D, E, F, G, H, I, J, K, L  !!!!!
android os update chain
উপরের ছবিতে C-K পর্যন্ত দেওয়া আছে। প্রথমে AB এবং শেষে L=Lollypop যোগ হবে।
iOS এর সাথে অ্যান্ড্রয়েডের তুলনা
অ্যান্ড্রয়েডের পরে বর্তমানে সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয় অপারেটিং সিস্টেম হল iOS । অ্যাপল তাদের অপারেটিং শুধু নিজেদের মোবাইলে ব্যবহার করার ফলে হয়তো অ্যান্ড্রয়েডের ধাঁরে কাছেও আসতে পারবে না। এর আরেকটি বিশেষ কারন হল iPhone এর আকাশ ছোঁয়া দাম যা আমাদের মত গরীবরা স্বপ্নেও কিনতে চাই না! :P
android vs iphone
অ্যান্ড্রয়েড এবং iOS এর গোল্লাছুট খেলায় এগিয়ে আছে অ্যান্ড্রয়েডই। ২০১৩ সালের এক পরিসংখ্যায় দেখা গেছে যে স্মার্টফোন বাজারে অ্যান্ড্রয়েড পরায় ৭৯ ভাগ জায়গা দখল করে রেখেছে যেখানে iOS দখল করেছে মাত্র সাড়ে ১৫ ভাগ। ট্যাবলেট কম্পিউটারের বেলায়ও অ্যান্ড্রয়েড এগিয়ে, ২০১২ সালে অ্যান্ড্রয়েড ট্যাবলেটের পরিমান ছিল ৩৯%, ২০১৩ সালে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৬% এবং বর্তমানে সেটা ৬২% -এ এসে ঠেকেছে। আর অ্যাপলের iOS ট্যাবলেট ৩৬% মার্কেট দখলে রেখেছে।
android the best os in market
অবশেষে দেখা গেলো যে অ্যান্ড্রয়েডই হচ্ছে রাজা। উপরের বেশিরভাগ তথ্য এক বছর পুরনো নতুন করে পরিসংখ্যান হয়নি। হলেও অ্যান্ড্রয়েডই উপরে থাকবে কারন অ্যান্ড্রয়েডের জনপ্রিয়তা কমে নি বরং বেড়েছে।
[Read More...]


আসুন জেনে নিই রুট (ROOT) সম্পর্কিত সকল তথ্য



রুট (ROOT), অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহারকারীরা প্রায়ই শুনে থাকবেন এই শব্দটি । বিভিন্ন সাইটে এই বিষয়টি নিয়ে অনেক ধরনের ধারনা রয়েছে । তবে আজকে আমার প্রাথমিক ধারনা আপনাদের সামনে তুলে ধরার চেষ্টা করছি । অনেক অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইস ব্যবহারকারীরাই রুট কী এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর জানেন না । অনেকে মনে করেন রুট করার মাধ্যমে ডিভাইসের পরিপূর্ণ পারফরম্যান্স পাওয়া সম্ভব, আর তাই অনেকেই রুট করতে আগ্রহী হয়ে পড়েন । কিন্তু রুট করার পর দেখা যায় তাদের ডিভাইসের পারফরম্যান্স আগের মতোই রয়ে যায় বা আগের চেয়ে খারাপ হয়ে পরে । তারা হতাশ হয়ে পড়েন এ অবস্থা দেখে । কিন্তু তাদের মাঝে অজানাই থেকে যায় যে রুট করার আসল সার্থকতা কোথায় । আজকের আমি আমার এই লেখার মাধ্যমে আপনাদের সামনে রুট করার কারন , কেন করবেন , রুট করার উপকারিতা এবং অপকারিতা তুলে ধরার চেষ্টা করব । এবং আমার ধারনা আপনাদের মনে রুট বিষয়টি নিয়ে আর কোন সন্দেহ মুলক ধারনা থাকবে না ।
► রুট ব্যাপারটা আসলে কী?
╚» রুট শব্দটি এসেছে লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেম থেকে । লিনাক্স ব্যবহারকারীদের মধ্যে যাদের রুট প্রিভিলেজ বা সুপারইউজার পারমিশন আছে তাদেরকে রুট ইউজার বলা হয় । সবচেয়ে সহজ শব্দে বলা যায় , রুট হচ্ছে অ্যাডমিনিস্ট্রেটর বা প্রশাসক যদিও এর বাংলা অর্থ গাছের শিকড় । রুট হচ্ছে একটি পারমিশন বা অনুমতি । এই অনুমতি থাকলে ব্যবহারকারী তার নিজের ডিভাইসে যা ইচ্ছে তাই করতে পারেন । উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমে ব্যবহারকারী অ্যাডমিনিস্ট্রেটর প্রিভিলেজ ছাড়া সিস্টেম ফাইলগুলো নিয়ে কাজ করতে পারেননা , লিনাক্সেও তেমনি রুট পারমিশন প্রাপ্ত ইউজার ছাড়া সিস্টেম অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের কাজগুলো করা সম্ভব হয়ে উঠে না । যার লিনাক্স-চালিত কম্পিউটার বা সার্ভারে সব কিছু করার অনুমতি রয়েছে, তাকেই আমরা রুট ইউজার বলে থাকি । অনেক সময় একে আমরা সুপার ইউজার বলেও সম্বোধন করা হয়ে থাকে ।
► অ্যান্ড্রয়েড এবং লিনাক্স এর মধ্যে সামঞ্জস্য কোথায় ?
╚» আপনাদের মনে প্রশ্ন আসতে পারে যে কেন আমি আন্ড্রয়েড নিয়ে কথা বলতে বলতে লিনাক্স এর কথা তুলে নিয়ে আসলাম । আসলে এন্ড্রয়েড তৈরি হয়েছে লিনাক্স ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম মুল ভিত্তি থেকে ।
► লিনাক্স এ ইউজার পারমিশন আমরা খুব সহজে পেয়ে থাকি কিন্তু আমরা এন্ড্রয়েডে পারি না কেন?
╚» সাধারনত লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেম আমরা ইন্সটল করতে পারি তার তাই আমরা ইউজার পারমিশন কোড আমরা জেনে থাকি । কিন্তু আন্দ্রয়েড মোবাইল আমরা বাজার থেকে ক্রয় করে থাকি এবং তার অপারেটিং সিস্টেম সিস্টেম ইন্সটল ডিভাইস প্রস্তুতকারক করে থাকে । ডিভাইস প্রস্তুতকারক যখন মোবাইলের মধ্যে অপারেটিং সিস্টেম ইন্সটল করে তখন তাদের হাতে এই ইউজার পারমিশন কোড থেকে যায় । আর তাই আমাদের হাতে সেই ইউজার পারমিশন থাকে না । এখন আপনার প্রশ্ন আসতে পারে কেন আমাদেরকে এই ইউজার পারমিশন কোড দেওয়া হয় না । আসলে ডিভাইস প্রস্তুতকারক মোবাইলের সুরক্ষা এবং নিরপ্ততার জন্য আমাদেরকে এই কোড দিয়ে থাকে না ।
কিন্তু তাই বলে এই নয় যে আমরা ইউজার পারমিশন কোড পাব না । আমরা ডিভাইস প্রস্তুতকারকদের কাছ থেকে আমরা এই কোড সংগ্রহ করে এন্ডয়েড মোবাইলের ইউজার পারমিশন পেতে পারি । উদাহরণ হিসেবে আমি বলতে চাই সনি , Lenovo এর মত ব্রান্ড এর মোবাইল যখন ব্যবহার করি তখন আমরা তার ইউজার পারমিশন পাওয়ার জন্য তাদের ওয়েবসাইটে গিয়ে বুটলডার আনলক কোড সংগ্রহ করে থাকি । এই বুটলডার আনলক রুট পারমিশন পাওয়ার একটি অংশ ।
► আন্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম এক হওয়া সত্ত্বেও ভিন্ন ভিন্ন মোবাইল ভিন্ন রকম এর কারন কি ?
╚» আপনাদের মনে হয়ত প্রশ্ন জাগতে পারে যে যতগুলো মোবাইল প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান রয়েছে তাদের সবার ভিন্ন ভিন্ন লুক এর অপারেটিং হয়ে থাকে । অপারেটিং সিস্টেমের মূল ভিত্তিটা এক হলেও একেক কোম্পানি একেকভাবে একে সাজাতে বা কাস্টোমাইজ করতে পারেন । এই জন্যই সনির একটি অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসের ইউজার ইন্টারফেসের সঙ্গে এইচটিসির একটি অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসের ইন্টারফেসের মধ্যে খুব কমই মিল পাওয়া যায়।
► আন্ড্রয়েড মোবাইলে কেন রুট করা থাকে না ?
╚» মোবাইল প্রস্তুত কারক প্রতিষ্ঠান যখন তাদের মোবাইল গুলো বাজারজাত করে তখন মোবাইল গুলোতে রুট পারমিশন দেওয়া হয় না । কারন হল রুট পারমিট করা থাকলে আপনি তখন আপনার মোবাইলে যে কোন কিছু করতে পারবেন । আপনি মোবাইলের রুট ফোল্ডাররে যেতে পারবেন ( মোবাইলের অপারেটিং সিস্টেম ফোল্ডার ) । আপনি যে কোন ফাইল ডিলিট , এডিট করতে পারবেন । আপনার মোবাইলে যখন রুট পারমিট করা থাকবে তখন আপনি কোন ফাইল ডিলিট বা সরিয়ে নিলে আপনাকে কোন ওয়ার্নিং দিবে না । আপনি হয়ত মনে করছেন এই ফাইল গুলো আপনার কোন প্রয়োজনে আসবে না আর তাই আপনি ফাইল গুলো ডিলিট করে দিয়েছেন । হয়তো আপনি কাস্টমাইজ করতে গিয়ে বা রম ইন্সটল করতে গিয়ে ভুল করে ফোন ব্রিক করে ফেলেছেন । এতে কিছুক্ষণ পর দেখতে পারলেন যে আপনার মোবাইল আর চালু হচ্ছে না । আপনি তখন আপনার মোবাইল প্রস্তুত কারকে দোষারোপ করতে থাকবেন । যদি রুট না থাকতো তাহলে আপনি ফাইল গুলো ডিলিট এডিট তো দুরের কথা আপনি আই ফোল্ডারটি খুজে পেতেন না । ফোন প্রস্তুতকারক আপনাকে অনেক সুযোগ সুবিধা দিলেও এই সব পারমিশন তারা তাদের সুবিধার্থে দেয় না । এটা করা হয় আপনার ভালোর জন্যই ।
► কেন আপনি আপনার আন্ড্রয়েড ডিভাইসটি রুট করবেন?
╚» আপনি তখনি রুট করার চিন্তা করবেন যখন আপনার মোবাইলে সব ধরনের সুযোগ ব্যবহার করতে পারছেন না , আপনার মোবাইল আপনাকে কোন সীমার মধ্যে বেধে রেখেছে । যারা একদমই নতুন এই বিষয় ভালভাবে কিছু জানেন না তারা তাদের মোবাইল রুট করার চিন্তা কিছুদিন পর করার সিদ্ধান্ত নিবেন । তার কারন আপনি আগে ভাল করে বুঝে নিন কেন আপনি রুট করবেন , এবং রুট করার পর আসলেই আপনার উপকার হবে কি না । অনেকে না বুঝে রুট করে অনেক সমস্যায় পড়তে হয়েছে । তাই আমি তাদের উদ্দেশ্যে বলছি সাবধানতার মাধ্যমে আপনি আপনার মোবাইল রুট করুন ।
আমরা আসলে অনেক কারনে আন্ড্রয়েড মোবাইল রুট করে থাকি । বর্তমানে কিছু কিছু অ্যাপ্লিকেশান এখন বের হয়েছে যা ব্যবহার করতে রুট পারমিটের প্রয়োজন হয়ে পড়ে । কেউ কেউ ওভারক্লকিং করার মাধ্যমে মোবাইলের স্পীড বাড়ানোর জন্য রুট করে থাকেন । কেউ ডেভেলপারদের তৈরি ভিন্ন ভিন্ন সাধের কাস্টম রম ব্যবহার করার জন্য , কেউ গেম খেলার জন্য । আরও অনেক কারন আছে যেই কারনে রুট করা হয়ে থাকে । এই কারন গুলো থেকে থাকলে রুট করা আমি মনে করি ভাল । কিন্তু অকারন অবশত রুট করে বিপদে পড়ার কোন প্রয়োজন আছে বলে আমি মনে করছি না ।
রুট করার কিছু সুবিধা
╚» বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করে মোবাইলের অব্যবহৃত ফাইল, টেমপোরারি ফাইল ইত্যাদি নিয়মিত মুছে ফোনের গতি ঠিক রাখা । এছাড়াও মোবাইলের পারফরমেন্স বাড়ানো যায় বলে আর অনেক ভাবে । ওভারক্লকিং করা সিপিইউ স্পিড স্বাভাবিক অবস্থায় যতটা থাকে তারচেয়ে বেশি দ্রুত কাজ করে । এর মাধ্যমে কোনো বিশেষ কাজে প্রসেসরের গতি বাড়ানোর প্রয়োজন পড়লে তা করা যায় । যখন মোবাইল এমনিতেই পড়ে থাকে, তখন সিপিইউ যেন অযথা কাজ না করে যে জন্য এর কাজের ক্ষমতা কমিয়ে আনা যায় আন্ডারক্লকিং করে । এতে করে ব্যাটারি ব্যাকআপ বাড়ানো সম্ভব । এছাড়াও রুট করে কাস্টম রম ইন্সটল করার সুবিধা রয়েছে । অনেক ডেভেলপার বিভিন্ন জনপ্রিয় মোবাইলের জন্য কাস্টম রম তৈরি করে থাকেন । এসব রম ইন্সটল করে আপনি আপনার মোবাইলকে সম্পূর্ণ নতুন একটি সেটের রূপ দিতে পারবেন । আপনি সফটওয়্যার ব্যবহার করে আপনার রাম এর স্পীড বাড়াতে পারবেন , প্রসেসরের স্পীড বাড়াতে পারবেন তবে কোন হার্ডওয়্যার বা অন্যান্য কোন কিছু বাড়াতে পারবেন না । আপনি ৮ মেগাপিক্সেল ক্যামেরাকে ১৬ মেগাপিক্সেল করতে পারবেন না । যেই মোবাইলে NFC নেই তাতে তা সংযোগ করতে পারবেন না । রুট শুধু মাত্র আপনার অভ্যন্তরীণ পারফরম্যান্সে কাজে আসবে , বাহ্যিক কোন পরিবর্তন নয় ।
রুট করার কিছু অসুবিধা
╚» সর্ব প্রথম মোবাইল রুট করার মাধ্যমে আপনার ওয়ারেন্টি বাতিল হয়ে যাবে । তাই রুট করার আগে সাবধান । অবশ্য অনেক মোবাইল আবার আনরুট করা যায় । আর মোবাইল আনরুট করা হলে তা সার্ভিস সেন্টারে থাকা টেকনিশিয়ানরা অনেক সময়ই ধরতে পারেন না যে সেটটি রুট করা হয়েছিল কি না । তবে কাস্টম রম থাকলে ধরা খাওয়া বাধ্যতামূলক । অনেকে মোবাইল ব্রিক নিয়ে অনেক কথাই বলেছে। এখন কথা হল ব্রিক মানে কি ? ব্রিক অর্থ ইট । আর ফোন ব্রিক মানে আপনার ডিভাইসকে ইটে রূপান্তরিত করা বা নষ্ট হয়ে যাওয়া । অর্থাৎ আপনার মোবাইল কাজ করার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলেছে । রুট করা ও এর পরবর্তী বিভিন্ন কাজের সময় যদি কোন ভুল ত্রুটি হয় তাহলে ফোনে স্থায়ী বা অস্থায়ী সমস্যা হতে পারে । প্রস্তুতকারক কোম্পানি ফোনটি আনরুট অবস্থায় দেন যাতে আপনার মোবাইলের কোন ক্ষতি না হয় । রুট করার মাধ্যমে আপনি সেই নিশ্চয়তা ভেঙ্গে ফেলছেন । এখন এর সম্পূর্ণ দায়ভার আপনাকে গ্রহন করতে হবে । রুট করলে দেখা যায় অনেক সময় অনেক ক্ষতিকারক প্রোগ্রাম রুট করা ডিভাইসের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নিতে পারে । কিন্তু লক থাকা অবস্থায় ব্যবহারকারী নিজেই রুট অ্যাক্সেস পান না , তাই অন্য প্রোগ্রামগুলোর রুট অ্যাক্সেস পাওয়ার সম্ভাবনাও নেই বললেই চলে ।
পরিশেষে যদি কিছু বলতে চাই তাহলে বলব যে কিছু করার আগে ভাল করে জেনে নেওয়া ভাল । রুট আপনি যদি ঠিক মত বুঝে নিতে পারেন তাহলে আপনার কাছে তা খুব এ সহজ আর যদি না পারেন তাহলে তা খুবই কঠিন ...
[Read More...]


ল্যাপটপ বা পিসিকে কে WiFi হটস্পট বানানোর সহজ নিয়ম



কমান্ড লাইন ব্যবহার না করেই সফটওয়ার ব্যবহার করে পিসিকে ওয়াইফাই হটস্পট বানাতে চেয়েছি। কানেক্টিফাই এগুলোর মধ্যে সবচেয়ে ভালো। কিন্তু প্রবলেম হলো ঐটা প্রিমিয়াম। কয়েক দিন পর আর পুরাতন ভার্সন ঠিক মত কাজ করে না...  mHotspot & MyPublicWifi আমার জন্য কেন জানি ঠিক মত কাজ করে না। সবচেয়ে সহজ হচ্ছে কমান্ডলাইন ব্যবহার করা। দুইটা কমান্ড লাইনেই পিসি বা ল্যাপটপ wifi hotspot হয়ে যাবে।  তো পরে কমান্ড লাইন দিয়ে করেছি। এটাই সহজ মনে হচ্ছে এখন।
পিসিতে wifi ডিভাইস থাকে না। বাজারে কিনতে পাওয়া যায়। ৫০০-১০০০ টাকা একটা/  একটা wifi এডাপ্টার কিনে আনলে পিসির নেট ও শেয়ার করে মোবাইল ডিভাইস গুলোতে ব্যবহার করা যায়। 

কমান্ড লাইন ওপেন করতে হবে প্রথমে। এবং তা এডমিস্ট্রেটর হিসেবে। স্টার্ট মেনুতে গিয়ে cmd / Command Prompt এর উপর রাইট ক্লিক করলে নিচের দিকে অপশন আসবে, Run as Administrator. ক্লিক করলে কমান্ডলাইন ওপেন হবে।
cmd

নিচের মত করে এরপর নিচের কমান্ডটি লিখতে হবেঃ
netsh wlan set hostednetwork mode=allow ssid=MyWifi key=12345678 
এখানে  MyWifi হচ্ছে হটস্পটের নাম। 12345678  হচ্ছে পাসওয়ার্ড। চেঞ্জ করে যেকোন কিছু দিতে পারেন। নিচের ছবিটি দেখতে পারেনঃ
wifi hotspot command line

উপর থেকে কপি করেও পেস্ট করতে পারেন কমান্ড লাইনে। এরপর Enter কী চাপুন... ওয়াইফাই হটস্পট রেডি। এবার শুধু তা স্টার্ট করতে হবে। তা করতে হবে আরেকটি কমান্ড দিয়েঃ
netsh wlan start hostednetwork
এবার আপনি যে কোন ওয়াফাই ডিভাইস কানেক্ট করতে পারবেন।। একটা সমস্যা হচ্ছে ইন্টারনেট নাও পেতে পারেন। তার জন্য একটা কাজ করতে হবে। আমরা যে wifi hotspot তৈরি করেছি, তাকে ইন্টারনেট এক্সেস দিতে হবে। তার জন্য কন্ট্রোল প্যানেল থেকে Network and Shearing সেটিংস এ যেতে হবে। ঐখানে আপনার ব্রডব্যান্ড বা মডেম এর নেটওয়ার্ক দেখাবে। এবং সদ্য তৈরি করা wifi hotspot টি দেখাবে। আমার wifi hotspot এর নাম ছিল pc, ... নিচের ছবিটি দেখতে পারেন...
network and shareing settings
যেটা আপনার মেইন ইন্টারনেট কানেকশন তা তে ক্লিক করুন। এরপর Properties. Sharing ট্যাব থেকে Allow Other ... কে চেক করুন। এবং আপনার তৈরি করা Wifi Hotspot টি সিলেক্ট করুন। কাজ শেষ। এবার আপনি সুন্দর ভাবে আপনার ডিভাইস গুলোতে ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারবেন। নিচের ছবি দেখুনঃ
netshareing using wifi

আরেকটা কমান্ড দরকারী, Wifi ঠিক মত শেয়ার হয়েছে কিনা, তা জানা যাবে নিচের কমান্ড দিয়েঃ
netsh wlan show hostednetwork

এই তো... আর কিছু না।  :) কম্পিউটার বন্ধ করলে netsh wlan start hostednetwork কমান্ড দিয়ে প্রতিবার অন করার পর হটস্পট অন করতে হবে।

যাদের কাছে উপরের পদ্ধতি কমপ্লেক্স মনে হয়, তারা নিচের সফটওয়ার গুলোর যে কোন একটা ট্রাই করে দেখতে পারেনঃ
[Read More...]


Pattern/Password ভুলে গেলে বা অনেকবার দিয়ে লক হলে করনীয়










Android ব্যবহারকারীদের মধ্যে অধিকাংশেরই একটা প্রব্লেমে পরতে হয় আর তা হল ফোন এর পাসওয়ার্ড বা pattern লক ভুলে যাওয়া বা অনেকবার ভুল দেয়ার ফলে ফোন গুগল অ্যাকাউন্টে লক হয়ে যাওয়া। আর এই সমস্যায় সবারই মাথা খারাপ হয়ে যায় কারন এর সহজ সমাধান গুলো অধিকাংশের জন্যই কাজ করে না। এই পোস্টে আমি এই সমস্যার প্রায় সব রকম সমাধানের উপায় নিয়ে আলোচনা করব।
★ ১১ নাম্বার পদ্ধতি ব্যতীত অন্য গুলোতে আপনার ফোনে এর ডাটা/অ্যাপ/সেটিংস্‌ এর কোনো পরিবর্তন হবে না মানে ফোন যেমন ছিল তেমনি থাকবে।
★ প্রায় সব গুলো পদ্ধতি rooted এবং nonrooted সবার জন্যই কাজ করার কথা যদি requirements ঠিক থাকে (এবং আপনার ভাগ্য ভাল হয় এবং ঠিক মত follow করতে পারেন)।
★ সব ফোনে সব সিস্টেম কাজ করবে না তাই একটা না হলে আপনার জন্য উপযুক্ত অন্যটা চেষ্টা করুন।
★ অনেক গুলো trick advanced ব্যবহারকারীদের জন্য তাই না বুঝলে try করার দরকার নেই। তবে সাধারন ইউজাররা ১,২,১১ নাম্বার পদ্ধতি try করতে পারেন।
★ যা করবেন সব নিজ দায়িত্বে করবেন। কোনো প্রকার প্রব্লেম বা ক্ষতির জন্য আমি দায়ী নই।

পদ্ধতি - ১
★ যদি এমন হয় যে আপনি পাসওয়ার্ড ভুলে যাননি তবে কেউ বারবার ভুল পাসওয়ার্ড দেয়ায় ফোন লক হয়েছে তবে আপনি এই পদ্ধতি try করে দেখতে পারেন। কাজ হবেই এমন না তবে try করতে তো ক্ষতি নেই।
★ লক অবস্থায় ফোনটিতে একটি কল দিন।
★ কল receive করে home/middle বাটন চাপুন।
★ ফোনের settings এ যান এবং security থেকে pattern বা password disable(none) করে দিন।
★ টোটাল কাজের সময় কল disconnect করা যাবে না।

পদ্ধতি - ২
★ যদি আপনার ফোনে গুগল অ্যাকাউন্ট অ্যাক্টিভ করা থাকে তবে ফোন লক হওয়ার পর গুগল অ্যাকাউন্ট চাইলে আপনার play store এ যে অ্যাকাউন্ট দেয়া আছে সেটা দিয়ে সাইন ইন করুন।
★ যদি আপনার ফোনে ইন্টারনেট কানেকশান অন থাকে এবং অ্যাকাউন্টে কোনো প্রব্লেম না থাকে অথবা একের অধিক অ্যাকাউন্ট না থাকে তবে কিছুক্ষনের মধ্যেই আপনার অ্যাকাউন্ট ভেরিফাই হবে এবং নতুন পাসওয়ার্ড বা pattern দিতে বলবে।
★ নতুন password দিন এবং ফোন খুলে যাবে।
★ যদি ফোন এ ইন্টারনেট অন না থাকে তবে আপনি ADB দিয়ে পিসি এর সাহায্যে ফোন এর ডাটা অন করতে পারবেন যেমন ওয়াইফাই অন করতে এই কোড (adb shell svc wifi enable) আর ADB সম্পর্কে নিচের পদ্ধতিগুলোতে বিস্তারিত পাবেন।

পদ্ধতি - ৩
★ এই পদ্ধতিতে লক খোলা একটু কঠিন আর কম্পিউটার প্রয়োজন হবে।
★ কম্পিউটার উইন্ডোজ হলে cygwin এবং ADB ইন্সটল করা থাকতে হবে। লিনাক্স হলে cygwin প্রয়োজন নেই।
★ ফোন এ USB debugging on করা থাকতে হবে (Settings>Developers options>USB debugging)।
★ ADB driver এ ফোন আপনার পিসি তে না পেলে আপনার ফোন এর জন্য compatible driver পিসি তে ইন্সটল করা থাকতে হবে।
★ সব ঠিক মত সেটআপ করা থাকলে ফোন অন করা অবস্থায় কেব্‌ল দিয়ে পিসি এর সাথে connect করুন।
★ কম্পিউটারে RUN ওপেন করুন (window+R অথবা সার্চ এ যেয়ে RUN লিখলেই চলে আসবে অথবা স্টার্ট মেনুতেও পাবেন) ।
★ RUN ওপেন হলে বক্স এ cmd লিখে এন্টার চাপুন। কালো রং এর command prompt window ওপেন হবে।
★ cmd তে adb shell লিখে এন্টার চাপুন।
★ আবার rm /data/system/gesture.key লিখে এন্টার চাপুন। ( pattern এর বদলে password দেয়া থাকলে gesture এর যায়গায় password লিখবেন)
★ ফোন পিসি থেকে আনপ্লাগ না করেই ফোন restart দিন।
★ ফোন চালু হলে পিসি থেকে কানেকশান খুলে ফেলুন।
★ এবার pattern বা password চাইলে নিজের ইচ্ছে মত যে কোনটা দিন। ফোন ওপেন হয়ে যাবে।
Cygwin লিঙ্ক এবং গাইড - https://cygwin.com/install.html
ADB লিঙ্ক - http://adbtoolkit.com/adb-toolkit-1.5.9.rar
গাইড - http://www.youtube.com/watch?v=uVU8vQVKo6I

পদ্ধতি - ৪
★ ৩ নাম্বার পদ্ধতির মতই requirement এবং নিয়ম শুধু এই পদ্ধতিতে CMD code গুলো অন্য রকম দিতে হবে (প্রতিটা লাইন লেখার পর একটা করে এন্টার চাপতে হবে)
adb devices
adb shell
cd data/system
su
rm *.key

পদ্ধতি - ৫
★ ৩ নাম্বার পদ্ধতির মতই requirement এবং নিয়ম শুধু এই পদ্ধতিতে CMD code গুলো অন্য রকম দিতে হবে (প্রতিটা লাইন লেখার পর একটা করে এন্টার চাপতে হবে)
adb shell
cd /data/data/com.android.providers.settings/databases
sqlite3 settings.db
update system set value=0 where name='lock_pattern_autolock';
update system set value=0 where name='lockscreen.lockedoutpermanently';
.quit

পদ্ধতি - ৬
★ উপরের নিয়মে পিসি সেট আপ করে ফোন পিসি তে কানেক্ট করুন। অথবা ফোন অনুযায়ী driver download করে পিসি সেট আপ করুন।
★ ফোন এ USB debugging অন থাকতে হবে।
★ নিচের লিঙ্ক থেকে Bypass Security Hack নামের ফাইল টি নামিয়ে পিসি তে extract করুন।
★ SQLite Database Browser 2.0.exe ফাইল টি ওপেন করুন।
★ pull settings.db.cmd ফাইল টি চালু করুন । এটা আপনার ফোন এর সেটিংস্‌ ফাইল ফোন থেকে বের করে আনবে।
★ বের হওয়া settings.db ফাইলটা drag (click করে ধরে টেনে) করে SQLite Database Browser 2.0.exe এর উপর ছেড়ে দিন।
★ browse data tab এ যান এবং টেবিল থেকে ক্লিক করে লিস্ট থেকে secure সিলেক্ট করুন।
★ এবার নিচের মত করে করুন।
★ Pattern হলে - lock_pattern_autolock খুঁজে বের করে record ডিলিট করে দিন। database সেভ করে ক্লোজ করে দিন এবং extract করা bypass Security Hack থেকে push settings.db.cmd চালু করুন। ফোন restart দিন।
★ PIN lock হলে - lockscreen.password_type খুঁজে বের করুন আর না থাকলে তৈরি করুন। তারপর এতে ডাবল ক্লিক করে এর value পরিবর্তন করে 65536 দিন। lock_pattern_autolock খুঁজে বের করে record ডিলিট করে দিন (খুঁজে না পেলে দরকার নেই)। database সেভ করে ক্লোজ করে দিন এবং extract করা bypass Security Hack থেকে push settings.db.cmd চালু করুন। ফোন restart দিন।
★ Password lock হলে - lockscreen.password_salt খুঁজে বের করে record ডিলিট করে দিন। lockscreen.password_type খুঁজে বের করে record ডিলিট করে দিন। database সেভ করে ক্লোজ করে দিন এবং extract করা bypass Security Hack থেকে push settings.db.cmd চালু করুন। ফোন restart দিন।
★ এবার pattern বা pasword চাইলে নিজের ইচ্ছে মত যে কোনটা দিন। ফোন ওপেন হয়ে যাবে।
Bypass security hack লিঙ্ক - http://forum.xda-developers.com/attachment.php?attachmentid=2532216&d=1390399283

পদ্ধতি - ৭
★ এই পদ্ধতির জন্য ফোন এ custom recovery (cwm,cot,twrp,xrec,ctr etc)ইন্সটল করা থাকতে হবে।
★ নিচের থেকে Pattern Password Disable ফাইল টি ডাউনলোড করে SD Card (memory card) এ রাখুন। পিসি বা অন্য ফোন দিয়ে করতে পারেন।
★ কার্ড টি ফোনে লাগিয়ে ফোন recovery তে boot করুন। (walton/symphony হলে volume- অথবা volume+ , samsung হলে volume+ এবং home button চেপে ধরে ফোন power button চেপে অন করা) । অথবা ফোন অনুযায়ী ভিন্ন combination ও হতে পারে।
★ SD Card এ রাখা zip ফাইলটা install from SD card থেকে ফ্ল্যাশ করুন।
★ ফোন restart করুন।
★ এবার pattern বা pasword চাইলে নিজের ইচ্ছে মত যে কোনটা দিন। ফোন ওপেন হয়ে যাবে।
Pattern password disable লিঙ্ক - http://forum.xda-developers.com/attachment.php?attachmentid=2532214&d=1390399283

পদ্ধতি - ৮
★ এই পদ্ধতির জন্য ফোনে custom recovery (cwm,cot,twrp,xrec,ctr etc)ইন্সটল করা থাকতে হবে।
★ নিচের থেকে Aroma File manager.zip ফাইলটা ডাউনলোড করে SD Card (memory card) এ রাখুন। পিসি বা অন্য ফোন দিয়ে করতে পারেন।
★ কার্ড টি ফোনে লাগিয়ে ফোন recovery তে boot করুন। (walton/symphony হলে volume- অথবা volume+ , samsung হলে volume+ এবং home button চেপে ধরে ফোন power button চেপে অন করা)। অথবা ফোন অনুযায়ী ভিন্ন combination ও হতে পারে।
★ mount নামে recovery তে একটি অপশন পাবেন। সেখান থেকে সব কিছু mount করুন।
★ update থেকে SD Card এ রাখা ফাইলটা update করুন।
★ Aroma file manager ওপেন হবে।
★ menu থেকে settings সিলেক্ট করে নিচে mount all partition in startup সিলেক্ট করে Aroma file manager exit করুন।
★ আবার update থেকে Aroma file manager.zip টা update করুন এবং এটি ওপেন হবে।
★ এবার data/system থেকে ‘gesture.key’ (pattern lock) অথবা password.key (password lock) ফাইল খুঁজে ডিলিট করে দিন। (লং প্রেস করলে ডিলিট অপশন আসবে)।
★ ফোন restart করুন।
★ এবার pattern বা pasword চাইলে নিজের ইচ্ছে মত যে কোনটা দিন। ফোন ওপেন হয়ে যাবে।
★ আপনার custom recovery তে যদি নিজস্য file manager থাকে যেমন TWRP তবে aroma file manager ছাড়াই আপনি ওটা দিয়েও process টা করতে পারবেন।
Aroma file manager লিঙ্ক - http://forum.xda-developers.com/attachment.php?attachmentid=2532253&d=1390400421

পদ্ধতি - 9
★ এই পদ্ধতির জন্য আপনার ফোন rooted হতে হবে এবং ফোন এ আগে থেকে sms bypass অ্যাপ্লিকেশান ইন্সটল করা থাকতে হবে।
★ নিচের লিঙ্ক থেকে sms bypass অ্যাপ টি নামিয়ে phone এ ইন্সটল করে নিন।
★ অ্যাপটি ওপেন করুন ।
★ super user permission চাইলে permission দিন।
★ অ্যাপ টি ওপেন হলে enable remote password reset এ টিক দেয়া না থাকলে দিন।
★ change secret code e নিজের ইচ্ছা মত code দিন। old secret code হলো 1234 .তবে প্রয়োজন মনে না করলে যা আছে তাই রাখতে পারেন।
★ বের হয়ে যান আর কাজ শেষ।
★ কখনো ফোন লক হলে অন্য কোনো ফোন থেকে এই মেসেজ টি আপনার ফোন এ পাঠান , 1234 reset (এখানে 1234 এর জায়গায় আপনি অন্য secret code দিলে সেটা দিবেন। খেয়াল রাখবেন 1234 এর পর একটি space আছে)
★ আপনার ফোন টি restart নিবে এবং লক খুলে যাবে।
★ যদি restart এর পরেও pattern lock দেখতে পান তবে ইচ্ছা মত যে কোনটা দিন লক খুলে যাবে।
sms bypass লিঙ্ক - https://www.dropbox.com/s/iuxvesesgxfpqxe/SMS%20ByPass%20App%20For%20Android.apk

পদ্ধতি - ১০
★ এই পদ্ধতির জন্য আমরা অধিকাংশ বাংলাদেশীই অনুপযুক্ত কারন এটাতে আপনাকে play store থেকে 4.38 ডলার মুল্ল্যের অ্যাপ্লিকেশান কিনতে হবে। তবুও এটি দেয়া হল কারন অনেকের কাজে লাগতেও পারে।
★ এই সিস্টেম এ আপনার ফোন এ ইন্টারনেট অন থাকতে হবে এবং পিসি থাকতে হবে।
★ ফোন এর সাথে কোনো ডাটা কেব্‌ল লাগানো থাকা যাবে না। মানে ফোন চার্জ এ থাকলে চার্জ খুলে ফেলুন।
★ ফোনে ইন্টারনেট চালু অবস্থায় পিসি দিয়ে নিচের লিঙ্ক এ দেয়া অ্যাপটি তে যান এবং playstore এ আপনার ফোন এ যে অ্যাকাউন্ট দিয়ে সাইন ইন করা সেই অ্যাকাউন্ট দিয়ে সাইন ইন করে অ্যাপ টি কিনে ইন্সটল করুন।
★ অ্যাপ টি অটো আপনার ফোন এ ইন্সটল হয়ে যাবে।
★ ইন্সটল হওয়ার পরে ফোন এ চার্জার লাগান।
★ আপ্পতি অ্যাক্টিভ হবে এবং আপনি ফোনে activate নামে একটি বাটন দেখতে পাবেন।
★ ওটা ক্লিক করলেই আপনার ফোন টির পাসওয়ার্ড খুলে যাবে,
screen lock bypass pro লিঙ্ক - https://play.google.com/store/apps/details?id=net.thomascannon.screenlockbypass.pro

পদ্ধতি - ১১
★ এই পদ্ধতিটি সর্বশেষ উপায়। এর জন্য কোনো requirement নেই। সব ফোনেই এটি কাজ করবে। তবে এই পদ্ধতিতে আপনার SD Card এবং Phone memory এর ফাইল ছাড়া ফোনে ইন্সটল করা সব অ্যাপ্লিকেশান/গামেস/ডাটা/সেটিংস্‌ মুছে যাবে। মানে ফোন কিনার সময় যেমন ছিল তেমন হয়ে যাবে তাই এটাকে সর্বশেষ পদ্ধতি হিসেবা দেয়া হল এবং যাদের উপরের পদ্ধতিগুলো কাজ করবেনা বা requirements মিলবে না বা ঝামেলার মনে হয় তারা এই পদ্ধতি অনুসরন করবেন।
★ ফোন বন্ধ করে recovery তে boot করুন। (walton/symphony হলে volume- অথবা volume+ , samsung হলে volume+ এবং home button চেপে ধরে ফোন power button চেপে অন করুন। অথবা ফোন অনুযায়ী ভিন্ন combination ও হতে পারে। recovery তে wipe data / factory reset করুন। বিভিন্ন custom recovery তে অপশন টা অন্য নাম এ থাকতে পারে।
★ ফোনে restart দিন।
আশা করছি কোনো না কোনো পদ্ধতি কার না কার কাজে আসবে।
[Read More...]


ওয়াইম্যাক্স বনাম থ্রি-জি,




 কোনটা বেশি এগিয়ে? আসুন জেনে নিই

ওয়াইম্যাক্স (Wimax-Worldwide Interoparability for Microwave Access) হচ্ছে বৃহত্তর ভৌগলিক এলাকা জুড়ে তারবিহীন উচ্চগতিসম্পন্ন ইন্টারনেট সুবিধা প্রদানকারী একটি প্রযুক্তি। এই প্রযুক্তি মূলত IEEE 802.16 ষ্ট্যান্ডার্ডের ভিত্তিতে কাজ করে থাকে। ওয়াইম্যাক্স বর্তমানে বিশ্বের সর্বাধুনিক এবং সর্বোচ্চ গতি সম্পন্ন ইন্টারনেট প্রটোকল সার্ভিস। এই প্রযুক্তিতে সর্বোচ্চ ১ গিগাবাইট/সেকেন্ড গতিতে ডাটা ট্রান্সফার করা সম্ভব।
ওয়াইম্যাক্সের বৈশিষ্ট্যসমূহ:
* গতানুগতিক কেবল মডেম এবং ডি এস এল পদ্ধতির চেয়ে এর ডাটা ট্রান্সফারের গতি এবং এলাকা অনেক বেশী। সাধারন ওয়াইফাই (wifi) বা ল্যান (LAN) যেখানে ৩০ মিটার থেকে ১০০ মিটার পর্যন্ত ইন্টারনেট কানেকটিভিটি প্রদান করে সেখানে ওয়াইম্যাক্স ৫০ কি:মি: বা ৩০ মাইল জুড়ে মেট্রোপলিটান ওয়্যারলেস এরিয়া নেটওয়ার্কের সুবিধা দেয়।
* ওয়াইম্যাক্সের সাহায্যে ইন্টারনেট প্রটোকল ভিত্তিক টেলিফোন এবং টেলিভিশন সুবিধা ভোগ করা যায়। (যদিও ইন্টারনেট প্রটোকলের সাহায্যে টেলিফোন সুবিধা ব্যবহারের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার প্রশ্নে কিছু বিধি নিষেধ বিদ্যমান থাকায় এই সুবিধা পুরোপুরি ভোগ করা সম্ভব হচ্ছে না।)
* ওয়াইম্যাক্স প্রযুক্তি ব্যবহার করে যে কোন ধরনের মোবাইল ডিভাইসের সাহায্যে আন্তনগর এবং আন্তরাষ্ট্রীয় যোগাযোগ সম্ভব। ২০০৪ সালে ইন্দোনেশিয়ার আচেহ্ প্রদেশে ভয়াবহ সুনামীর পর দূর্গত এলাকায় সবধরনের যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে গেলে শুধুমাত্র ওয়াইম্যাক্স প্রযুক্তি ব্যবহার করে সেখান থেকে বাইরের জগতের সাথে যোগাযোগ স্থাপন সম্ভব হয় এবং দূর্গত এলাকায় ত্রান সরবরাহ সম্ভব হয়।
ওয়াইম্যাক্সের জন্য বরাদ্দকৃত স্পেকট্রাম:
ওয়াইম্যাক্সের জন্য সার্বজনীন কোন একক স্পেকট্রাম নেই। তবে “ওয়াইম্যাক্স ফোরাম (Wimax Forum)” ৩টি লাইসেন্সড স্পেকট্রাম প্রোফাইল প্রকাশ করেছে। এগুলো হচ্ছে ২.৩ গিগাহার্জ, ২.৫ গিগাহার্জ এবং ৩.৫ গিগাহার্জ। মার্কিনযুক্তরাষ্ট্রে Sprint Nextel এবং Clearwire ২.৫ গিগাহার্জের স্পেকট্রাম ব্যবহার করে। এশিয়া ও বিশ্বের অন্যান্য অঞ্চলে সাধারণত ২.৩ গিগাহার্জ থেকে শুরু করে ক্ষেত্রবিশেষ ৩.৩ গিগাহার্জ পর্যন্ত স্পেকট্রাম ব্যবহার করা হয়। পাকিস্তানের Wateen Telecom ৩.৫ গিগাহার্জের স্পেকট্রাম ব্যবহার করে থাকে।
ওয়াইম্যাক্স প্রবেশদ্বার (Wimax Gateways):
ওয়াইম্যাক্স প্রবেশদ্বার বা Gateway ইনডোর এবং আউটডোর দুই ধরনের হতে পারে। ইনডোর ডিভাইসগুলো সাধারনত ক্ষুদ্রাকৃতির হয়ে থাকে এবং ব্যবহারকারীর বসার স্থানের কাছাকাছি জানালার পাশে স্থাপন করা হয়। অন্যদিকে আউটডোর ডিভাইসগুলো ল্যাপটপ আকৃতির হয়ে থাকে এবং স্যাটেলাইট ডিস এন্টেনার মতো করে এদের স্থাপন করা হয়। যেসব কোম্পানী ওয়াইম্যাক্স Gateway ডিভাইসগুলো তৈরী করে থাকে সেগুলোর মধ্যে Alvarion, Airspan, ZyXEL, Huawei, Motorola এবং Green Packet উল্লেখযোগ্য। এক্সটারনাল মডেমের মাধ্যমেও ওয়াইম্যাক্স কানেক্টিভিটি পাওয়া যায়। এই মডেমকে সাধারণত Dongle বলা হয়। মূলত নোটবুক বা ট্যাবলেট পিসিতে এই মডেম ব্যবহার করা হয়।
বাংলাদেশে ওয়াইম্যাক্স:
বাংলাদেশে সর্বপ্রথম Banglalion Communication Ltd, Brac BD Mail Network এবং Augure Wireless Broadband Bangladesh Ltd ২০০৮ সালের ১৮ নভেম্বর তারিখে বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন রেগুলেটরী কমিশন (BTRC) কর্তৃক Broadband Wireless Access (BWA) সেবা দেয়ার জন্য Wimax technology ব্যবহারের লাইসেন্স লাভ করে। ওপেন বিড প্রক্রিয়ায় অংশ নিয়ে ৩১ মিলিয়ন মার্কিন ডলারে বাংলালায়ন ২.৫ গিগাহার্জ ব্যান্ড কিনে নেয়। পরবর্তীতে Augure Wireless, ‘Qubee’ ব্র্যান্ড নামে Wimax সার্ভিস চালু করে। বর্তমানে দেশে বাংলালায়নের গ্রাহক সংখ্যা ২০০০০০ এবং এবং কিউবির গ্রাহক সংখ্যা ১২৫০০০। এছাড়া Ollo নামে একটি কোম্পানী অতি সম্প্রতি বাংলাদেশে তাদের অপারেশন শুরু করেছে যা এখনও গ্রাহক পর্যায়ে পৌছুতে পারে নি।
ওয়াইম্যাক্স বনাম থ্রি-জি
বর্তমানে একটি বহুল আলোচিত ইস্যু হচ্ছে ওয়াইম্যাক্স এবং থ্রি-জি প্রযু্ক্তির মধ্যে কোনটি অধিকতর উন্নত।
এক্ষেত্রে প্রদত্ত যুক্তিগুলো নিম্নরুপ:
* ওয়াইম্যাক্স যেখানে ন্যূনতম ৭০ এমবিপিএস গতির ডাটা ট্রান্সফার সুবিধা দেয়। সেখানে থ্রি-জি এর ক্ষেত্রে এই গতি ১৪.৪ এমবিপিএস।
* ওয়াইম্যাক্সের সাহায্যে টেলিফোন সুবিধা এখনও প্রচলিত নয়, যা থ্রিজি মোবাইলের মাধ্যমে পাওয়া যাচ্ছে।
* ওয়াইম্যাক্স ব্যবহারের জন্য থ্রি-জি মোবাইলের ন্যায় এতো বেশী টাওয়ার স্থাপন করতে হয় না।
* থ্রি-জি মোবাইল প্রযুক্তির চেয়ে ওয়াইম্যাক্স বিশ্বব্যাপী অনেক বেশী প্রচলিত। বাংলাদেশের সবেমাত্র থ্রি-জি চালু হলেও বিশ্বের অনেকগুলো দেশে এখনও থ্রি-জি প্রযুক্তির প্রচলন হয় নি, কিন্তু ওয়াইম্যাক্স ব্যবহৃত হচ্ছে।
[Read More...]


ত্যাগ করুন স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর ১০ টি অভ্যাস




দৈনন্দিন আচার-অভ্যাসের মধ্যে কিছু কিছু এমন কাজ আছে যা ক্ষতিকর। একটু চেষ্টা করলেই স্বাস্থ্যের জন্য হানিকর এসব বদভ্যাস থেকে মুক্ত হতে পারি আমরা। দেখে নিন এই অভ্যাসগুলো আপনার মধ্যে আছে কি না।
bondhuamar 1296190634 1 habits bg20110109013434 ত্যাগ করুন স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর ১০ টি অভ্যাস
১. দেরিতে ঘুম থেকে উঠার কারণে বা অন্য ব্যস্ততার কারণে সকালে ঘুম থেকে উঠে প্রায়শই মুখ ধুয়ে জামা-জুতো পরে আমাদের ছুটতে হয় কর্মেক্ষেত্রে। এ ধরনের পরিস্থিতিতে সকালে নাশতা খাওয়ার কথা বেমালুম ভুলে যেতে হয়। কিন্তু এ কথাটা ভুলে গেলে চলবে না- সকালের নাশতাটা হচ্ছে সারাদিনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভোজন। চেষ্টা করুন পর্যাপ্ত পুষ্টি ও প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার দিয়ে সকালের নাশতাটা একটু ভালোমতো করে নিতে। এরপর দিনের বাকি সময়টুকুতে নির্দিষ্ট সময় পরপর ৪ থেকে ৫ বার ছোট পরিসরের কিন্তু পুষ্টিকর খাবার নিন। এ ক্ষেত্রে স্বাস্থ্যকর যে কোনও স্ন্যাক্সও চলতে পারে।
২. অনেকেই কফির সঙ্গে মাখনসমৃদ্ধ ক্রিমার খান। এর সঙ্গে থাকে দুধের অন্যান্য উপাদান আর সুগন্ধিযুক্ত চিনির সিরাপ। এই পানীয়টি দিনে এক বা দুই কাপ হলে ঠিক আছে। কিন্তু এর বেশি হলেই এ থেকে যোগ হওয়া বাড়তি ক্যালরি আপনার জন্য বিপদ ডেকে আনতে পারে। মুটিয়ে যাওয়াসহ নানা স্বাস্থ্যজনিত সমস্যায় পড়তে পারেন এর ফলে। তাই সবচে ভালো হয় যদি ক্রিম কফিপ্রেমীরা দৈনিক কফি গ্রহণের মাত্রাটা দুই কাপের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখুন। পানীয়ের প্রয়োজনে যতটুকু সম্ভব পানি গ্রহণ করুন।
৩. দ্রুত খাওয়া শেষ করতে চাওয়া আজকাল প্রায় সবার মধ্যেই সংক্রমিত হয়ে গেছে। এভাবে গাপুস-গুপুস কায়দায় খাবার গ্রহণ করার বদভ্যাসটি এই মুহূর্তে ত্যাগ করুন। বিশেষ করে লাঞ্চের সময় পেরিয়ে যাওয়ার লগ্নে খাবার খেতে গিয়ে এই কাজটা বেশি হয়। এতে শাসনালিতে সমস্যাসহ দম আটকে তাৎণিক মৃত্যুও ঘটতে পারে। ‘ধর মুরগি কর জবাই’ ধরনের তাড়াহুড়ায় খাবার না খেয়ে হয়ে ধীর-স্থিরভাবে খাবারকে উপভোগ করে খেতে হবে।
৪. বেমানান ও বেসাইজের জুতো পরিধান করাও আপনার স্বাভাবিক স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। এ কারণে আপনার দৈনন্দিন হাঁটচলার সহজ স্বাভাবিক ভঙ্গিটি বদলে যেতে পারে যা আপনার জন্য হবে কষ্টকর আর অন্যদের চোখে হতে পারে হাস্যকর। মেয়েদের হাইহিল পরার ক্ষেত্রে বলা যায়, হয়তো আপনি ব্যথা অনুভব করছেন না, তারপরও দীর্ঘণ হাইহিল পরে থাকার কুপ্রভাব আপনার পা ও শরীরের ওপর পড়বেই। তাই যতটা সম্ভব বেখাপ্পা আর কিম্ভূত সাইজের এবং উঁচু হিলের বদলে আরামদায়ক এবং ফ্যাট হিলের জুতো বা স্যান্ডেল পায়ে দিন। এতে চলাফেরায় অহেতুক শারীরিক ঝুঁকি নেওয়া থেকে নিরাপদ থাকবেন আপনি।
৫. অনেকেই আলসেমির ফাঁদে রাতে বিছানায় যাওয়ার আগে দাঁত মাজার মতো দরকারি কাজটাকে অবহেলা করেন। অবহেলাজনিত এই বদভ্যাসের দায় আপনাকে শোধ করতে হয় দাঁতে প্লাক সৃষ্টি, দাঁত ও মুখের নানাবিধ অসুখসহ পেটের পীড়া এবং গলার নানান অসুখ বাধানোর মাধ্যমে। এর সঙ্গে উপরি পাওনা হিসেবে আপনাকে মনে রাখতে হবে রাতে দাঁত না মাজার ফলে দাঁত ও মাড়িতে আস্তানা গাড়া দন্তমল ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়ার অভয়ারণ্য তৈরি করবে আপনার মুখে। বিষয়টি সমগ্র মানবদেহের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিধায় আপনার শিশুকেও রাতে দাঁত মাজার ব্যাপারে অভ্যস্ত করে তুলুন।
৬. পর্যাপ্ত ঘুমের অভাব আপনার ওজন বাড়িয়ে দিতে পারে। কীভাবে? ঘুমের স্বল্পতা আপনার পরিপাক ব্যবস্থায় প্রভাব ফেলার কারণে অতিরিক্ত খাদ্যগ্রহণের অভ্যাস গড়ে উঠতে পারে। আর ভুলে গেলে চলবে না ওবেসিটি বা স্থূলতা রোগের মূল কারণগুলোর একটি হচ্ছে অতিরিক্ত খাদ্য গ্রহণের অভ্যাস। দৈনিক অল্প ঘুমোনোদের অনেকেই আবার সাপ্তাহিক ছুটির দিনে একটানা দীর্ঘক্ষণ মরার মতো পড়ে পড়ে ঘুমান। এটাও মোটুত্বের কারণ হতে পারে। তাই প্রতিদিন নির্দিষ্ট পরিমাণ সময় ঘুমান
৭. উল্টো দিকে পিঠ বাঁকিয়ে আড়মোড়া ভাঙার কায়দায় কসরত করে অনেকেই পিঠের ব্যথা দূর করে থাকেন। এতে ক্ষতির কিছু নেই। তবে ক্ষতি হতে পারে যদি আপনি ঘুম ওঠার পরপরই এই কসরতটি করতে যান। বিশ্রামে থাকা মাংশপেশিতে হঠাৎ করেই চাপ ও সংকোচনের ফলে ক্ষণস্থায়ী বা দীর্ঘস্থায়ী সমস্যা দেখা দিতে পারে শরীরে। এ অবস্থার শিকার হতে না চাইলে ঘুম থেকে উঠেই পিঠ বাঁকানোর কসরত ত্যাগ করতে হবে আপনাকে। বিছানা ছাড়ার পর প্রাকৃতিক কাজ সারার পর দাঁত মাজা ও মুখ ধোয়ার কাজগুলো সারুন। তারপর চা-বা কফি পান করুন। এবার চাইলে আপনি পিঠ বাঁকিয়ে বা ডানে-বাঁয়ে শরীর টান (স্ট্রেচিং) করে নিন- কোনও সমস্যা নেই।
৮. চাপ অনুভূত হওয়ার পরেও মূত্রত্যাগে অহেতুক বিলম্ব করবেন না। প্রস্রাবের বেগ দীর্ঘণ চেপে রাখলে আপনার মূত্রথলির জন্য তা মারাত্মক ক্ষতির কারণ হয়ে দেখা দেবে। তাই চাপ অনুভূত হওয়ার পর তা থেকে মুক্ত হতে অহেতুক বিলম্ব করবেন না। চেষ্টা করুন মূত্রথলির জন্য অস্বস্তিকর অতিরিক্ত মশলাদার খাদ্য, চকোলেট, মদ, কার্বন ডাই-অক্সাইডযুক্ত পানীয় (কার্বোনেটেড বেভারেজ), ক্যাফেইযুক্ত পানীয় (চা-কফি) বর্জন করে চলতে।
৯. আপনার ঝোলা ব্যাগ (সাইড ব্যাগ), হ্যান্ডব্যাগ বা ল্যাপটপবাহী ব্যাগটি প্রতিদিন একই দিকের কাঁধে বহন করা থেকে বিরত থাকুন। এর ফলে কাঁধ, পিঠ বা হাত ব্যথার শিকার হতে পারেন আপনি। তাই হাঁটাচলার ক্ষেত্রে কাঁধ বা হাতে ঝোলানো ব্যাগটি ডান-বাম ও সামনে পেছনে স্থান পরিবর্তন করে নিন নির্দিষ্ট সময় পরপর। এর ফলে অহেতুক কাঁধ-হাত-পিট ব্যথার কষ্ট থেকে রেহাই মিলবে।
১০. ধূমপান এমনিতেই স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। যারা ধূমপান করেন, তাদের জন্য উপদেশই বলুন আর সৎ পরামর্শই বলুন, ‘এই মুহূর্তে ধূমপান ত্যাগ করুন’ কথাটি অনেক পুরনো হয়ে গেছে। তারপরেও পুরনো সেই অনুরোধ আবারও : প্লিজ, ধূমপান ছেড়ে দিন। কারণ এটি স্বাস্থ্যের জন্য সবদিক দিয়েই ক্ষতিকর। তবে এর বাইরে ধূমপায়ীদের দুটি গ্রুপ আছেন যারা নিজেদের বিরুদ্ধে এই ক্ষতিকর কাজটিও আরও মারাত্মক করে তোলেন। এদের একটি পক্ষ শুয়ে শুয়ে ধূমপান করেন আর অপরটি সকালে বিছানা ছেড়েই খালি পেটে সিগারেট ধরান। এই খালি পেটে সিগারেট ধরানোদের মধ্যে একদল আছেন যারা সকালে প্রাকৃতিক কাজ সারার সময়ে টয়লেটে ঢুকেন হাতে একটি জ্বলন্ত সিগারেট নিয়ে। দয়া করে শুয়ে শুয়ে ধূমপান, খালি পেটে ধূমপান এবং শৌচাগারে ঢুকে ধূমপানের কুঅভ্যাসটি অন্তত ছেড়ে দিন ধূমপায়ীরা। কারণ সাধারণভাবে ধূমপান করার চেয়ে এই কায়দার ধূমপায়ীরা অনেক বেশি ক্ষতির শিকার হয়ে থাকেন।
তথ্যসূত্র : এনডিটিভি ও অন্যান্য সূত্র
[Read More...]


“ডায়বেটিস এর আদ্যোপান্ত”



“ডায়বেটিস এর আদ্যোপান্ত”ইন্সুলিনের কার্যপদ্ধতিঃ
আমরা যখন কোন খাদ্য গ্রহণ করি, হজম শেষে তা চিনি/সুগার/গ্লুকোস এ পরিণত হয়। এই চিনি প্রথমে রক্তে পৌছায়, এরপর রক্ত থেকে কোষে কোষে পৌছায়। কোষের ভিতরে এই চিনি থেকে শক্তি উতপাদন হয়। রক্ত থেকে কোষে চিনি পৌছানোর কাজে সাহায্য করে ইন্সুলিন নামক একটি হরমোন। চিনি যখন প্রথমে রক্তে পৌছায় তখন প্যানক্রিয়াস বা অগ্নাশয়ের একটি বিশেষ ধরণের কোষ (আইলেট অফ ল্যাঙ্গারহ্যান্ স) থেকে ইন্সুলিন তৈরী হয়। এই ইন্সুলিন তখন শরীরের প্রতিটা কোষে কোষে যেয়ে রক্তে চিনি থাকার খবর টা পৌছে দেয়। এই খবর পৌছানোর ব্যাপারটাও বেশ মজার। কোষের বহিরাবরনে “রিসেপ্টর” নামক একটি প্রোটিন থাকে। একটু মজা করে বলি, ধরে নিন “রিসেপ্টর” গুলো হলো কোষ নামক বাড়ির জানালার মত। ইন্সুলিন যেন সেই বাড়িতে টোকা দিয়ে বলে, “বাড়িতে কে আছেন? রক্তে অনেক চিনি আছে, বাড়িতে ঢোকানোর ব্যবস্থা করেন”, এই সিগনালের পরিপ্রেক্ষিতে কোষের গায়ে “গ্লুকোস ট্রান্সপোর্টার (GLUT)” নামক দরজা খুলে যায়। এই দরজা দিয়েই কোষের ভিতর চিনি প্রবেশ করে। এবং তারপর কোষের ভিতর এই চিনি ভেঙ্গে শক্তি উতপাদিন হয়।
395946 408800485843214 531501661 n “ডায়বেটিস এর আদ্যোপান্ত”
ডায়বেটিস এর টাইপঃ
ডায়বেটিস মূলত দুই ধরণের- টাইপ ১ ও টাইপ ২।
>টাইপ ১ ডায়বেটিস হলো বংশগত এবং কম বয়সেই এই রোগটা দেখা দেয়। এই ধরণের ডায়বেটিস এর কারণ হলো অগ্নাশয়েরইন্সুলিন উতপাদনকারী কোষগুলো নষ্ট হয়ে যাওয়া। ফলে, শরীরে পর্যাপ্ত ইন্সুলিন তৈরী হয়না। তাই খাওয়ার পরে যখন রক্তে চিনির পরিমাণ বেড়ে যায়, তা কোষে কোষে ঢুকানোর কোন ব্যবস্থাই শরীরে থাকেনা। ফলে চিনি রক্তেই রয়ে যায়।
>টাইপ ২ ডায়বেটিসে, অগ্নাশয়ও ঠিক থাকে, ইন্সুলিনও তৈরী হয়, কিন্তু কোষে কোষে থাকা “রিসেপ্টর” গুলো কাজ করেনা। ফলে খাওয়ার পরে যখন রক্তে চিনির পরিমাণ বেড়ে যায়, ইন্সুলিন কোষের “রিসেপ্টর” কে সেই খবর ঠিকই জানায়, কিন্তু “রিসেপ্টর” গুলো তাতে কোন সাড়া দেয়না। ফলে চিনি রক্তেই রয়ে যায়। রিসেপ্টরের এই ধরণের বিকৃতি ধীরে ধীরে ঘটে। তাই টাইপ ২ ডায়বেটিস বেশি বয়সে গিয়ে হয়।
“ডায়বেটিস এর কারণ কি অতিরিক্ত চিনি না অন্য কিছু?”
উপরের আলোচনা থেকে দুই ধরণের ডায়বেটিস এর কারণ ই তো জানলেন, সুতরাং বুঝতেই পারছেন যে ডায়বেটিস হওয়ার সাথে অতিরিক্ত চিনি খাওয়ার সম্পর্ক নেই। চিনি খেলে যে ডায়বেটিস হয়না, তা কিন্তু বিজ্ঞানীরা হাতে নাতে প্রমাণ করেছেন। ২০০৩ সালে করা একটি গবেষনায় ৩৯০০০ মধ্যবয়সী মহিলার উপর গবেষনা করে অতিরিক্ত চিনি খাওয়ার সাথে ডায়বেটিস হওয়ার কোন সম্পর্ক পাননি (লিংক দেখুন), যদিও কিছু বিজ্ঞানী এখনো চিনি কেই দায়ী মনে করেন এবং প্রমাণের আশায় এখনো গবেষনা চালিয়ে যাচ্ছেন।অগ্ন্যাশয়ের ইন্সুলিন উতপাদন কারী কোষে গন্ডগোল এবং “রিসেপ্টর” এ গন্ডগোল দুটো হওয়ার পিছনেই ভূমিকা রাখে বংশগত কারণ। তবে হ্যা, অতিরিক্ত চিনি খেলে আপনার ওজন বাড়বে। আর অতিরিক্ত ওজন দুই ধরণের ডায়বেটিস ঘটাতেই সহায়ক ভূমিকা রাখে। শরীরে ফ্যাট সেল বেড়ে গেলে, ফ্যাট সেল গুলো থেকে এমন কিছু পদার্থ বের হয় যা রিসেপ্টর গুলোর কার্যকারীতা কমিয়ে দিয়ে টাইপ ২ ডায়বেটিস তৈরী করে। ফলে শরীরে ইন্সুলিন তৈরী হলেও কোষে চিনি ঢুকার দরজাটি আর খুলেনা। শরীর কি সমস্যা হলো বুঝতে না পেরে, আরো বেশি বেশি ইন্সুলিন তৈরী করতে চেষ্টা করে। ফলে অগ্ন্যাশয়ের ইন্সুলিন উতপাদনকারী কোষ গুলোও আস্তে আস্তে ড্যামেজ হয়ে, টাইপ ২ এর পাশাপাশি টাইপ ১ ডায়বেটিস এর ও সূচনা ঘটায়।
ডায়বেটিস এর লক্ষনঃ
রক্তে অতিরিক্ত চিনি থাকার ফলেই রোগীর মধ্যে ডায়বেটিস এর লক্ষন গুলো দেখা যায়। ডায়বেটিস এর লক্ষন মূলত তিনটি p- polyuria(ঘন ঘন মুত্রত্যাগ),polydipsia (পিপাসা) এবং polyphagia(ক্ষুধা), কিডনীর সাহায্যে মূত্রের মাধ্যমে রক্তের অতিরিক্ত চিনি বের করে দেয়ার প্রয়োজনেই ঘন ঘন মূত্র তৈরী হয়। ঘন ঘন মূত্রের পরে শরীরে পানির পরিমাণ কমে যাওয়াতে তৃষনা ও বেশি পায়।আর কোষ গুলোতে চিনি ঢুকতে না পারার কারনে কোষে কোষে কম শক্তি উতপাদন হয়ে, শরীরের শক্তির ঘাটতি মেটাতে মস্তিষ্ক ক্ষুদার অনুভূতি তৈরী করে, যাতে মানুষটি শক্তি ঘাটতি মেটাতে আরো খাদ্য গ্রহণ করে।
ডায়বেটিস এর ক্ষতিকর প্রভাবঃ
ডায়বেটিস এর লক্ষন গুলো তো জানলাম, এখন জানি এর ফলে শরীরের কি কি ক্ষতি হয়। রক্তের অতিরিক্ত চিনি চোখের রেটিনার রক্তনালী কে ক্ষতিগ্রস্ত করে দৃষ্টিশক্তি ব্যহত করে, ব্রেনের রক্ত সরবরাহকারী নালীর পুরত্ব বৃদ্ধি করে ব্রেনে অক্সিজেন সরবরাহ কমিয়ে দেয়, কিডনীর নেফ্রনের পুরত্ব বাড়িয়ে দিয়ে কিডনীর কার্যক্ষমতা কমিয়ে দেয়, যে কোন ধরণের ঘা কে শুকাতে বিলম্ব ঘটায়। তাছাড়াও হার্টের রোগ ও স্ট্রোকেও ডায়বেটিস সহায়ক ভূমিকা রাখে।
ডায়বেটিস প্রতিরোধঃ
ডায়বেটিস মূলত বংশগত রোগ, তাই জেনেটিক ফ্যাকটর টা প্রতিরোধ করা আমাদের পক্ষা সম্ভব না। তবে অতিরিক্ত ওজন, আলস্যপূর্ণ জীবন যাপন, খাদ্যাভাস, অপ্রতুল ব্যায়াম, ধূমপান-ইত্যাদি যেহেতু ডায়বেটিস কে ত্বরানিত করে, এসবের ব্যাপারে আমাদের সাবধান থাকতে হবে।
[Read More...]


আসুন জানি WINDOWS (ALL VERSON 1.0 TO WINDOWS 8)



আমাদের মধ্যে প্রায় সবাই অপারেটিং সিস্টেম হিসেবে উইন্ডোজ ব্যবহার করি। গ্রাফিকাল অপারেটিং সিস্টেমের প্রতি মানুষের ক্রমবর্ধমান আগ্রহের প্রেক্ষিতে ১৯৮৫ সালের নভেম্বরে মাইক্রোসফট তার ডস (ডিস্ক অপারেটিং সিস্টেম) এর বাড়তি সুবিধা হিসেবে উইন্ডোজ বাজারে আনে।এর পর এখন এটি ব্যক্তিগত বা ডেস্কটপ কম্পিউটারে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।
আমার এবারের বিষয় হচ্ছে উইন্ডোজ এর সকল ভারসন নিয়ে।


Windows 1.0, the first version, released in 1985

Windows - version 1.0 : এটা মাইক্রোসফট উইন্ডোজ এর প্রথম ভারসন। এটা মুক্তি পায় নভেম্বর এর ১৯৮৫ সালে। এটি সামান্য জনপ্রিয়তা অর্জন করে এবং অ্যাপল এর নিজস্ব অপারেটিং সিস্টেমের সাথে প্রতিযোগিতায় ছিল। উইন্ডোজ 1.0 একটি সম্পূর্ণ অপারেটিং সিস্টেম না, বরং এটি MS-DOS এর প্রসারিত করে।


Windows - version 2.0

Windows - version 2.0 : এটা নভেম্বর ১৯৮৭ এ মুক্তি পায়। এটা এর প্রথম ভারসন থেকে সামান্য বেশী জনপ্রিয় ছিল।

Windows - version 2.03 :  এটা জানুয়ারি ১৯৮৮ এ মুক্তি পায়।

Windows - version 2.10 :  এটা মে ১৯৮৮ এ মুক্তি পায়।

Windows - version 2.11 :  এটা মার্চ ১৯৮৯ এ মুক্তি পায়।


Windows - version 3.0

Windows - version 3.0:  এটা  মে ১৯৯০ এ মুক্তি পায়। প্রথম মাইক্রোসফট উইন্ডোজ সংস্করণে বিস্তৃত বাণিজ্যিক সাফল্য অর্জন করে,প্রথম ছয় মাসের মধ্যে 2 মিলিয়ন কপি বিক্রি করে। এটিতে উন্নত ইউজার ইন্টারফেস এবং মাল্টিটাস্কিং যুক্ত করে।

Windows - version 3.1: এটা  মার্চ ১৯৯২ এ মুক্তি পায়।এতে সামান্য কিছু পরিবর্তন করা

Windows - version 3.11: এটা  আগস্ট ১৯৯৩ মুক্তি পায়।


Windows 95

Windows 95: এটা  আগস্ট ২৪ ১৯৯৫ এ মুক্তি পায়। এটি একটি নতুন,এবং প্রধান গ্রাফিকাল ইউজার ইন্টারফেস ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম এবং একটি ভোক্তা সংস্করণ যার ইউজার ইন্টারফেস আরও পরিবর্তন করা হয়।


Windows 98

Windows 98: এটা  জুন ২৫ ১৯৯৮ এ মুক্তি পায়।

Windows 98 SE: এটা  মে ১৯৯৯ এ মুক্তি পায়।


Windows 2000

Windows 2000: এটা ফেব্রয়ারি ২০০০ এ মুক্তি পায়।মাইক্রোসফট জন্য নতুন প্রযুক্তি প্রয়োগ করা হয় এর সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য ছিল "ইউনিভার্সাল প্লাগ এবং প্লে"। উইন্ডোজ 2000 চার সংস্করণ মুক্তি পায়. পেশাদার, সার্ভার, উন্নত সার্ভার, এবং Datacenter সার্ভার।

Windows ME: এটা সেপ্টেম্বর ২০০০ এ মুক্তি পায়।


Windows XP

Windows XP: এটা অক্টোবর ২০০১ এ মুক্তি পায়। Windows XP বেশ জনপ্রিয় ছিল। Windows XP একটি অপারেটিং সিস্টেম যেটি ব্যক্তিগত বাড়িতে এবং ব্যবসা ডেস্কটপ, ল্যাপটপ এবং মিডিয়া সেন্টার সহ কম্পিউটারে ব্যবহার করার হয়।


Windows Vista

Windows Vista: এটা জানুয়ারি ৩০ ২০০৭ এ মুক্তি পায়। Windows XP মত ভিস্তা তেমন সাফল্য লাভ করতে পারেনি। Windows Vista বেশ সমালিচিত হয়েছিল।


Windows 7

Windows 7 : এটা অক্টোবর ২২ ২০০৯ এ মুক্তি পায়। উইন্ডোজ 7 এর নতুন একটি বৈশিষ্ট্য যেমন অগ্রিম যোগাযোগ এবং হস্তাক্ষর স্বীকৃতি, ভার্চুয়াল হার্ড ডিস্কের জন্য সমর্থন, মাল্টি কোর প্রসেসর সহ অনেক ফিচার। মার্চ ৪, ২০১০, মাইক্রোসফট ঘোষণা করে যে এটি 90 মিলিয়ন উইন্ডোজ 7 এর লাইসেন্স বিক্রি করেছে। এপ্রিল ২৩, ২০১০, উইন্ডোজ 7 ছয় মাসের মধ্যে আরো 100 মিলিয়ন কপি করে বিক্রি করে, যার ফলে এটি Microsoft এর দ্রুততম বিক্রয় অপারেটিং সিস্টেম হিসেবে রেকর্ড গড়ে। জুন ২৩, ২০১০ Windows 7 এর 150 মিলিয়ন কপি বিক্রি হয় যার ফলে এটি ইতিহাসের দ্রুততম বিক্রয় অপারেটিং সিস্টেম হিসেবে রেকর্ড গড়ে। এর গড় দাড়ায় প্রতি সেকেন্ডে সাত কপি। জানুয়ারি ১৯, ২০১২, Microsoft জানায় Windows 7 মোট 525 মিলিয়ন কপি বিক্রি হয়েছে।


Windows 8

Windows 8 : এটা অক্টোবর ২৬ ২০১২ এ মুক্তি পায়। উইন্ডোজ ৮ অপারেটিং সিস্টেম এর গ্রাফিক্যাল ইউজার ইন্টারফেস এবং প্ল্যাটফর্ম উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন করা হয়েছে ,একটি নতুন স্টার্ট পর্দা, স্টার্ট মেনু, নতুন অ্যাপ্লিকেশনগুলি প্রাপ্ত সঙ্গে একটি অ্যাপ্লিকেশান যেমন কি touchscreen ইনপুট,এছাড়াও অতিরিক্ত নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য যোগ করা হয়েছে।উইন্ডোজ ৮ চারটি সংস্করণে পাওয়া যাবে।

Windows all verson and realease
Timeline of releases
Release date
Product name
Current Version / Build
Notes
Last IE
November 1985Windows 1.011.01Unsupported —
November 1987Windows 2.032.03Unsupported —
May 1988Windows 2.102.10Unsupported —
March 1989Windows 2.112.11Unsupported —
May 1990Windows 3.03.0Unsupported —
March 1992Windows 3.1x3.1Unsupported5
October 1992Windows For Workgroups 3.13.1Unsupported5
July 1993Windows NT 3.1NT 3.1Unsupported5
December 1993Windows For Workgroups 3.113.11Unsupported5
January 1994Windows 3.2 (released in Simplified Chinese only)3.2Unsupported5
September 1994Windows NT 3.5NT 3.5Unsupported5
May 1995Windows NT 3.51NT 3.51Unsupported5
August 1995Windows 954.0.950Unsupported5.5
July 1996Windows NT 4.0NT 4.0.1381Unsupported6
June 1998Windows 984.10.1998Unsupported6
May 1999Windows 98 SE4.10.2222Unsupported6
February 2000Windows 2000NT 5.0.2195Unsupported6
September 2000Windows Me4.90.3000Unsupported6
October 2001Windows XPNT 5.1.2600Extended Support for SP3 until April 8, 2014. (RTM, SP1 and SP2 unsupported).8
March 2003Windows XP 64-bit Edition (IA-64)NT 5.2.3790Unsupported6
April 2003Windows Server 2003NT 5.2.3790Extended Support for SP2 until July 14, 2015. (RTM and SP1 unsupported).8
April 2005Windows XP Professional x64 Edition (x86-64)NT 5.2.3790Extended Support for SP2 until April 8, 2014. (RTM and SP1 unsupported).8
July 2006Windows Fundamentals for Legacy PCsNT 5.1.2600Extended Support until April 8, 2014.8
November 2006 (volume licensing)
January 2007 (retail)
Windows VistaNT 6.0.6002Current (RTM and SP1 unsupported).
Version changed to NT 6.0.6002 with SP2 (April 28, 2009).
9
July 2007Windows Home ServerNT 5.2.4500Current8
February 2008Windows Server 2008NT 6.0.6002Current
Version changed to NT 6.0.6002 with SP2 (April 28, 2009).
9
October 2009Windows 7 and Windows Server 2008 R2NT 6.1.7601Current
Version changed to NT 6.1.7601 with SP1 (February 22, 2011).
9
April 2011Windows Home Server 2011NT 6.1.8400Current9
September 2012Windows Server 2012NT 6.2.9200Current10
October 2012Windows 8NT 6.2.9200Windows 8 RTMed August 2012. 

[Read More...]


কম্পিউটার বিজ্ঞানের তিন জন মহামানব



আজ আমি কয় একজন মহামানবের সাথে আপনাদের পরিচয় করে দিব

আধুনিক কম্পিউটারের জনক চার্লস ব্যাবেজ

চার্লস ব্যাবেজ (২৬শে ডিসেম্বর, ১৭৯১—১৮ই অক্টোবর, ১৮৭১) একজন ইংরেজ গণিতবিদ। তাঁকে কম্পিউটারের জনক হিসাবে অভিহিত করা হয়। তিনি ডিফারেন্স ইঞ্জিন ও অ্যানালাইটিকাল ইঞ্জিন নামের দুইটি যান্ত্রিক কম্পিউটার তৈরী করেন। তাঁর তৈরি অ্যানালাইটিকাল ইঞ্জিন যান্ত্রিকভাবে গাণিতিক অপারেশন সম্পাদন করতে পারত এবং এর বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য আজকের কম্পিউটারের ডিজাইনে এখনও গুরুত্বপূর্ণ। অর্থায়নের অভাবে ব্যাবেজ তাঁর প্রকল্পটি সম্পূর্ণ করতে পারেননি।

আধুনিক কম্পিউটারের জনক চার্লস ব্যাবেজ

এবার যে ব্যক্তি তার নাম বলবো তিনি

ইমেইল সিস্টেম জনক রে টমলিনসন

রে টমলিনসন  (জন্ম  ১৯৪১ ) ১৯৭০ সালের দিকে নেটেনক্স অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করে লোকাল ইমেইল সিস্টেম উদ্ভাবন করেন যা SNDMSG এবং READMAIL হিসেবে নামকরন করা হয়। ১৯৭১ এর দিকে তিনি পুনরায় আরপানেট উপযোগী একটি ইমেইল সিস্টেম উদ্ভাবন করেন। তিনই প্রথম ইমেলের প্রাপপকে চিহিৃত করার জন্য @ সিম্বল ব্যবহার করেন যা বর্তমান ইমেইল সিস্টেমে ব্যবহার হয়ে থাকে।
এর পরবর্তি সময় থেকে ক্রমান্বয়ে  MAIL, MLFL, RD, NRD, WRD, MSG, MMDF ও Send Mail সহ বিভিন্ন মেইলিং সিস্টেম ও স্টান্ডার্ড উদ্ভাবিত হয়।

ইমেইল সিস্টেম জনক রে টমলিনসন

এবার যে ব্যক্তি তার নাম বলবো তিনি

ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (www) জনক স্যার টিম বার্নার্স-লি

স্যার টিম বার্নার্স-লি (জন্ম জুন ৮, ১৯৫৫) ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের জনক এবং ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব কনসোর্টিয়ামের ডিরেক্টর।১৯৮৯ সালে সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় সার্ন এই কর্মরত অবস্থায় স্যার টিম বার্নার্স-লি ওয়ার্লড ওয়াইড ওয়েব তৈরি করেন। সেটা থেকে শুরু করে ওয়েবের উন্নতিসাধনে তিনি গুরুত্বপুর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। উদাহরণস্বরূপ, তিনি মার্কআপ ল্যাঙ্গুয়েজ তৈরিতে ভূমিকা রাখেন যার মাধ্যমে ওয়েবপেজ অলঙ্করণ বা কম্পোজ করা হয়। সাম্প্রতিক সময়ে তিনি সেমান্টিক ওয়েব তৈরিতেও উত্সাহ প্রদান করেছেন।

ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (www) জনক স্যার টিম বার্নার্স-লি

[Read More...]


আপনার পছন্দের আডিও গান ডাউনলোড করার সবথেকে সহজ উপায়।




আসসালামুয়ালাইকুম।
সবাই কেমন আছেন। নিশ্চয়ই ভালো।আমরা যারা আডিও গান শুনতে ভালোবাসি তারা নতুন নতুন গান সবসময় নেট থেকে নামিয়ে নেই। এজন্য আমাদের গুগল এর সাহাজ্জ নিয়ে সার্চ দিতে হয়। তাতে বিভিন্ন ওয়েব এড্রেস আসে। তা থেকে ধুকে গান ডাউন লোড করতে হয়। কিন্তু আপনি চাইলে খুব সজজেই কাজটি করতে পারেন। তার জন্য নিচের পদ্ধতি অনুসরন করুন।
Youtube সম্পর্কে আমরা সবাই জানি। এখানে আপনি সব ধরনের ভিডিও গান পাবেন। কোন গান খুজার জন্য আপনি আগে ইউ টিউব এ প্রবেশ করুন। তারপর search box এ আপনার পছন্দের গান টি লিখে সার্চ দিন। দেখবেন গানটির ভিডিও ফাইল আপনার সামনে হাজির হয়েছে। এবার ভিডিও গানের লিঙ্কটি কপি করুন।
এবার এখানে ক্লিক করে প্রবেশ করুন।

এবার ১ নং চিত্রে দেখানো স্থানে আপনার গানের লিঙ্কটি পেস্ট করুন।
এবার ২ নং চিত্রে দেখানো Convert Video তে ক্লিক করুন।
তাহলে আপনার গানটি অডিওতে কনভার্ট হয়ে যাবে। এবার ডাউন লোড অপশনে ক্লিক করে গানটি ডাউন লোড করে নিন।
কোন সমস্যা হলে জানাবেন।
[Read More...]


সাধের 3G অবশেষে চালু * খোশ মেজাজে টেলিটকের থ্রিজি গ্রাহকরা *





অনেকটা চুপিসারেই চালু হলো টেলিটকের পরীক্ষামূলক থ্রিজি সেবা। গত শুক্রবার প্রথম প্রহর থেকেই দ্রুতগতির তৃতীয় প্রজন্মের টেলিকমিউনিকেশন প্রযুক্তিসেবা পেতে শুরু করেছেন দেশীয় মোবাইল অপারেটর টেলিটকের গ্রাভিটি ক্লাব প্যাকেজভুক্ত মুঠোফোন ব্যবহারকারীরা। পরীক্ষামূলক চালু হওয়ায় মাঝেমধ্যেই নেটওয়ার্ক পরিবর্তন হয়ে কখনো জিপিআরএস, কখনো এজ বা এইচএসডিপিএ সাইন আসছে। তবে এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত টেলিটক কর্তৃপক্ষ কোনো ঘোষণা দেয়নি। একইভাবে প্রতিষ্ঠানটির ওয়েব পেজেও এ বিষয়ে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। টেলিটকের বিপণন বিভাগের প্রধান হাবিবুর রহমান জানান, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে স্পষ্ট করে কিছু বলতে পারেননি। তিনি বলেন, বিষয়টি টেকনিক্যাল টিম বলতে পারবে।
এদিকে নেটওয়ার্ক নিয়ে কিছুটা বিড়ম্বনা থাকলেও শুক্রবার থেকেই ইন্টারনেটে দারুণ খোশ মেজাজে আছেন টেলিটকের গ্রাভিটি ক্লাবের থ্রিজি সেবাপ্রাপ্ত সদস্যরা। টেলিটকের গ্রাহক যাত্রাবাড়ীর মোহাম্মদ নুরুল হক জানান, 'অবশেষে কাঙ্ক্ষিত থ্রিজি পেলাম। খুবই ভালো লাগছে। তবে ভারতের গ্রাহকরা যেভাবে এ সেবা উপভোগ করছেন তার স্বাদ এখনো পাইনি। আশা করছি আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হলে এ সমস্যা থাকবে না। পরীক্ষামূলকভাবে হওয়াতে আপাতত এতেই খুশি'। এ ছাড়া টেলিটকের কাস্টমার কেয়ার ইউনিটের প্রতি বিরক্তি প্রকাশ করে তিনি বলেন, 'দেশের সবচেয়ে দ্রুতগতির টেলিকম প্রযুক্তিসেবা চালু করলেও মুঠোফোন থেকে কোনো সমস্যা নিয়ে তাদের ফোন করলে খুব একটা সাড়া পাওয়া যায় না। অন্যান্য বেসরকারি কাস্টমার কেয়ারের চেয়ে এদের সেবার মান অনেকটাই দুর্বল'। আগামী ১৪ অক্টোবর ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে টেলিটকের থ্রিজি সেবার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। গত জুলাইতে 'এ লড়াই আপনার জন্য নয়' শিরোনামে একটি বিজ্ঞাপন দিয়ে চার লাখ গ্রাহকের জন্য থ্রিজি সেবা চালুর প্রস্তুতি শুরু করে টেলিটক। ভ্যালিড গ্রাহক নির্বাচনের জন্য তিন মাসের প্যাকেজ অফারের আওতায় গ্রাভিটি ক্লাব নামের একটি অফার দেয়। জানা গেছে, প্রথমে ঢাকা এবং পাশর্্ববর্তী এলাকায় এ সেবা দেবে তারা। সেক্ষেত্রে নারায়ণগঞ্জ -গাজীপুর এবং সাভার-আশুলিয়া এলাকায় প্রথম থেকেই এ সেবা পাওয়া যাবে। পাশাপাশি ডিসেম্বরের মধ্যেই চট্টগ্রামে এবং জানুয়ারিতে সিলেটে থ্রিজি সেবা দিতে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি। তখন আট লাখ গ্রাহক হবে বলে দাবি করছে কোম্পানিটি। অবশ্য জানুয়ারিতে থ্রিজির নিলাম অনুষ্ঠিত হলে ফেব্রুয়ারি থেকে রাষ্ট্রায়ত্ত মুঠোফোন টেলিটকের এ সেবা পেতে শুরু করবে অন্যান্য অপারেটরের সেবা গ্রহিতারা। তাই নিজেদের অবস্থান ঠিক রাখতে আগেভাগেই থ্রিজির নিলামে প্রতি মেগাহার্টজ তরঙ্গের ভিত্তিমূল্য তিন কোটি থেকে কমিয়ে এক দশমিক আট কোটি নির্ধারণ করেছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসি। এছাড়া চীনের দুটি কোম্পানির কাছ থেকে ঋণ চুক্তিতে থ্রিজি প্রযুক্তি আমদানি করেছে টেলিটক। এ প্রযুক্তি চালু হলে দেশে তথ্যপ্রযুক্তির ক্ষেত্রে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
[Read More...]


মুক্ত ও ওপেন সোর্স সফটওয়্যারের সহজ ইতিহাস




ওপেন সোর্স লোগো
ওপেন সোর্স লোগো
মুক্ত ও ওপেন সোর্স সফটওয়্যার হল এমন একধরণের সফটওয়্যার যার মেধাস্বত্ব (সফটওয়্যারের কপিরাইট) এমন যে, ব্যবহারকারীকে এ সফটওয়্যার ও এর সোর্সকোড অনুশীলন, পরিবর্তন এবং এর নকশার মানোন্নয়ন করার অধিকার রয়েছে, যা পূর্ণস্বত্ব-সংরক্ষিত এমন সফটওয়্যারে থাকে না। এ ধরনের সফটওয়্যারকে অনেক সময় স্বাধীন সফটওয়্যারও বলা হয়ে থাকে।
এ ধরণের সফটওয়্যারের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলঃ
  • এ সফটওয়্যারসমূহের যথেচ্ছ বিতরণের অধিকার ( অর্থাৎ ব্যবহারর করা, কপি করা, বিক্রি করা ইত্যাদি) রয়েছে।
  • এর সোর্স কোড বা সংকেত উন্মুক্ত অর্থ্যাৎ এর সোর্স কোড সহজেই সংগ্রহ করা যায়।
  • মূল সফটওয়্যারকে ইচ্ছামত পরিবর্তন করার ও পরিবর্তিত সংস্করণকে বিতরণের অধিকার রয়েছে।
  • যেকোন ব্যক্তির যেকোন স্থানে যেকোন কাজে সফটওয়্যারসমূহ ব্যবহারের অধিকার রয়েছে।
কম্পিউটারে সাধারণত যে সকল কাজের জন্য সফটওয়্যার প্রয়োজন তার প্রায় সব কাজের জন্যই মুক্ত ও ওপেনসোর্স সফটওয়্যার রয়েছে। এ ধরণের সফটওয়্যারের আদর্শ উদাহরণ হল, জিএনইউ লিনাক্স বা গানুহ লিনাক্স। যার সোর্স কোড উন্মুক্ত থাকার কারণে এটি তৈরি হয়েছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের স্বেচ্ছাসেবী সফটওয়্যার নির্মাতাদের সমন্বিত উদ্যোগে। যা যে কেউ বাধাহীনভাবে ব্যবহার, উন্নতিসাধন, এমনকি পুনর্বিতরণও করতে পারেন।

ফ্রি সফটওয়্যার ফাউন্ডেশনের লোগো
ফ্রি সফটওয়্যার ফাউন্ডেশনের লোগো
এছাড়া আরও যে সকল মুক্ত ও ওপেন সোর্স সফটওয়্যার রয়েছে তার মধ্যে অন্যতম হল নিত্য দাফতরিক কাজের জন্য ওপেন অফিস.অর্গ , ইন্টারনেট ব্রাউজিং এর জন্য ফায়ারফক্স, ইমেইল আদান প্রদানের জন্য থান্ডারবার্ড, তাৎক্ষণিক বার্তা বিনিময়ের জন্য সফটওয়্যার পিজিন, ডেস্কটপ পাবলিশিং বা প্রকাশনা কাজের জন্য গিম্প, শব্দ ও চলচ্চিত্র চালানো জন্য ভিএলসি প্লেয়ার।
কিভাবে শুরু হল এই মুক্ত সফটওয়্যার আন্দোলন এবং তৈরি হল মুক্ত অপারেটিং সিস্টেম গানুহ লিনাক্সঃ
মুক্ত সফটওয়্যার আন্দোলনের সূত্রপাত হয় ১৯৮৩ সালের সেপ্টেম্বরে জিএনইউ বা গানুহ প্রজেক্ট শুরু মধ্য দিয়ে যার সূচনা করেন রিচার্ড ইন্সটলম্যান নামের সে সময়কার একজন মেধাবী প্রোগ্রামার। রিচার্ড ইন্সটলম্যানের কর্মস্থল আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স ল্যাবে (এআই ল্যাব) তার ধারণা ছিল সহকর্মীদের সাথে কাজ করার সময় একের ভাল অনুশীলনগুলো অন্যের সাথে বিনিময় করে, একে অন্যকে বিভিন্ন ভাবে সাহায্য করে আরও ভাল প্রোগ্রাম তৈরি করা সম্ভব। কিন্তু ১৯৮১ সালে এআই ল্যাবে যখন পুরাতন কম্পিউটারের বদলে নতুন কম্পিউটার কেনা হল, তখন দেখা গেল এর সাথে যে অপারেটিং সিস্টেম সফটওয়্যারগুলো দেওয়া হয়েছে তার কোনটিই মুক্ত নয়। এবং এ কম্পিউটার যারা ব্যবহার করবেন তাদের এমন শর্তে চুক্তিবদ্ধ হতে হবে যে এর কোন কিছু অন্যের কাছে উন্মোচন বা প্রকাশ করা যাবে না। এর অর্থ হল এ কম্পিউটারটি ব্যবহারকারীকে তার যে কাছের বন্ধুকেও সাহায্য না করতে বাধ্য করা। আর সফটওয়্যারের মালিকের নিয়ম তৈরি করলেন “আপনি যদি অন্যের কাছে এটি প্রকাশ করেন তাহলে, আপনি একজন চোর। আপনি যদি এটির কোন পরিবর্তন করতে চান তাহলে, আমাদের কাছে অনুমতি প্রার্থনা করুন।”
জিএনইউ বা গানুহ লোগো
জিএনইউ বা গানুহ লোগো
এ অবস্থায় রিচার্ড ইন্সটলম্যান সফটওয়্যারের মালিকদের এই স্বেচ্ছাচারিতা চূড়ান্ত ভাবে অনুধাবন করলেন যখন তিনি কাজ করতে গিয়ে প্রিন্টার নিয়ন্ত্রণ করার একটি প্রোগ্রাম চেয়েও প্রত্যাখ্যাত হন। তিনি আরও অনুধাবন করলেন যে কোন কম্পিউটার প্রোগাম নিজের প্রয়োজন অনুযায়ী পরিবর্তন করার এবং অন্যকে বিতরণ ও অন্যকে সাহায্য করার স্বাধীনতা কম্পিউটার ব্যবহারকারীর থাকা উচিত। কারণ অন্যকে সাহায্য করাই হল সমাজের ভিত্তি।
তিনি সিদ্ধান নিলেন যেহেতু কম্পিউটার প্রোগ্রাম তৈরির দক্ষতা তার রয়েছে, তিনি নিজেই কম্পিউটার প্রোগ্রাম তৈরি করবেন, তা স্বাধীন ভাবে ব্যবহারের জন্য প্রকাশ করবেন এবং কম্পিউটার ব্যবহারকারীদের একটি স্বাধীন সমাজ গঠন করবেন। ১৯৮৪ সালে তিনি তার এআই ল্যাবের চাকরী ছেড়ে দিলেন এবং মুক্ত অপারেটিং সিস্টেম গানুহ তৈরির করা কাজ শুরু করলেন। বিভিন্ন প্রতিকূলতার সাথে পাল্লা দিয়ে কাজ করতে গিয়ে, এটি তৈরি করার জন্য ১৯৯১ সাল পর্যন্ত তৈরি হল বেশ কয়েকটি সহযোগী সফটওয়্যার কিন্তু কোন অপারেটিং সিস্টেম তৈরি করা সম্ভব হল না।
১৯৯১ সাল অপারেটিং সিস্টেম বাজারে বিল গেটসের পঞ্চাশ হাজার ডলারে ক্রয় করা ডস নামের অপারেটিং সিস্টেমের একক আধিপত্য। পার্সোনাল কম্পিউটার ব্যবহাকারীদের এ ছাড়া অন্য কোন বিকল্পও ছিল না। অন্য যে সব অপারেটিং সিস্টেম প্রচলিত ছিল তাও ব্যাক্তিগত ব্যবহাকারীদের জন্য ছিল বেশ ব্যয় সাপেক্ষ। বিশেষ করে উইনিক্স অপারেটিং সিস্টেম ঘরোয়া ব্যবহারের জন্য ছিল না। ১৯৮৭ সালে অ্যান্ড্রু টানেনবাম নামে বিশ্ববিদ্যালয়ের এক অধ্যক্ষ শুধুমাত্র শিক্ষার্থীদের অপারেটিং সিস্টেম সম্পর্কে পড়ানোর জন্য তৈরি করেছিলেন মিনিক্স নামের একটি অপারেটিং সিস্টেম, যার কোড শিক্ষার্থীদের কাছে প্রকাশ করা হলেও, তা পরিবর্তণ এবং পুনর্বিতরণের কারও অধিকার ছিল না।
লিনাক্স টাক্স লোগো
লিনাক্স টাক্স লোগো
এ সময় হেলসিনকি বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার বিজ্ঞানের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র লিনুস বেনেডিক্ট টরভ্যাল্ড যিনি ছাত্রাবস্থাতেই কিছু পেশাদারি কাজের সাথে জড়িত ছিলেন। কাজ করতে গিয়ে তিনি অনুবভ করলেন ভোক্তার চাহিদা পূরণ করে এমন অপারেটিং সিস্টেমের বড়ই অভাব। তখন তিনি এমন প্রোগ্রাম তৈরি করার কথা চিন্তা করলেন যা কিনা কোন অপারেটং সিস্টেম ছাড়াই চলবে। তিনি লেখা শুরু করলেন, ১৯৯১ সালের সেপ্টেম্বরে তৈরি হল লিনাক্স কার্নেল। যা উপর ভিত্তি করেই পরবর্তীতে তৈরি হয় মুক্ত অপারেটিং সিস্টেম গানুহ লিনাক্স এবং বর্তমান সময়ের বহু মুক্ত অপারেটিং সিস্টেম।
[Read More...]


অনলাইন ফাইল শেয়ারিং ও স্টোরেজ




অনলাইন ফাইল শেয়ারিং সঙ্গত কারণেই বেশ জনপ্রিয়। আবার ফাইল শেয়ারিং সাইটগুলোতে শেয়ার না করে শুধু স্টোর করার সুবিধাও রয়েছে, যার জন্য এই সেবাটি এখন বিশ্বব্যাপী ব্যাপক জনপ্রিয়। আজ আমরা সেরকমই বিশ্বখ্যাত কিছু ফাইল শেয়ারিং ও স্টোরেজ সার্ভিস প্রোভাইডারের কথা জানব যারা বিনামূল্যে অনেক জায়গা দিয়ে থাকে।

ফোর শেয়ারড

ফোর শেয়ারড ডট কম একটি অতি পরিচিত একটি ফাইল শেয়ারিং ওয়েবসাইট। এখানে যে কেউ রেজিষ্ট্রেশন করে বিনামূল্যে সর্বোচ্চ পাঁচ গিগাবাইটের স্পেস পেতে পারেন। এর জন্য আপনার প্রয়োজন শুধু একটি মাত্র ই-মেইল ঠিকানা যা আজকাল সবারই আছে। ফোর শেয়ারড ডট কমের বৈশিষ্ট্যসমূহ নিম্নরূপঃ
  • বিনামূল্যে পাঁচ গিগাবাইট অনলাইন স্পেস।
  • সব ধরণের ফাইল স্টোর করার সুবিধা।
  • সহজ ব্যবস্থাপনা। সুন্দর ইন্টারফেস। দ্রুতগতির লোডিং সুবিধা।
ফোর শেয়ারড ডট কমে কিছু অসুবিধাও আছে। যেগুলো নিম্নরূপঃ
  • আপনার সব ফাইলই শেয়ারড হয়ে যাবে। অর্থাৎ, এই সাইটে বা এই স্পেসে আপনার কোন ফাইলই গোপন থাকবে না। আপনি একটি ফাইল আপলোড করার সাথে সাথেই একটি পারমানেন্ট লিংক তৈরী হয়ে যাবে এবং সার্চ ইঞ্জিনেরও অন্তর্ভূক্ত হয়ে যাবে আপনার ফাইল। তাই এই সাইটে তথ্য বা ফাইল রাখার আগে নিশ্চিত হয়ে নিন যে, আপনার ফাইল পাচার হয়ে গেলেও আপনার কোন সমস্যা নেই।
  • এক মাসের মধ্যে সাইন ইন না করলে আপনার সমস্ত ফাইল সহ আপনার সম্পূর্ণ একাউন্টটিই বাতিল হয়ে যাবে। আপনার একাউন্টে রাখা কোন ফাইলই আপনি আর ফেরৎ পাবেন না। তবে এক মাস পূর্ণ হবার কয়েকদিন আগে ফোর শেয়ারড ডট কম আপনাকে ই-মেইল করে জানিয়ে দিবে যে আপনার একাউন্ট কতদিনের মধ্যে ডিসেবল করা হবে।
ফোর শেয়ারড ডট কমে রেজিষ্ট্রেশন করতে এখানে ক্লিক করুন।

টু শেয়ারড

নামে এক হলেও টু শেয়ারড সম্পূর্ণ ভিন্ন কোম্পানীর সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি সেবা। আপনি বিনামূল্যে টু শেয়ারড ব্যবহার করতে পারেন। কোন রেজিষ্ট্রেশনের প্রয়োজন নেই। টুশেয়ারড ডট কমে আপনি যখন তখন ফাইল আপলোড করতে পারেন। এই সাইটের হোমপেজেই ফাইল আপলোডের ব্যবস্থা আছে। কাঙ্খিত ফাইলটি ব্রাউজ করে আপলোড ইট বাটনটি প্রেস করলেই আপনার ফাইল টু শেয়ারড এর সার্ভারে আপলোড হওয়া শুরু হবে। আপলোড সম্পূর্ণ হবার পর আপনাকে দু'টি কোড দেয়া হবে। প্রথম কোডটি হচ্ছে আপনার আপলোডকৃত ফাইলটির ডাউনলোড লিঙ্ক। অর্থাৎ, ঐ লিংকে ক্লিক করলে ডাউনলোড পেজে ব্যবহারকারীকে নিয়ে যাওয়া হবে। আর দ্বিতীয় লিঙ্কটি একান্তভাবে আপনার জন্য। ঐ লিংকে গিয়ে আপনি আপনার ফাইলটি যেকোন সময় ডিলিট করতে পারেন। অথবা ফাইলটি ডাউনলোড করার জন্য একটি পাসওয়ার্ড নির্ধারিত করে দিতে পারেন যাতে আপনার অনুমতি ছাড়া কেউ আপনার ফাইল ডাউনলোড করতে না পারে। একই সাথে আপনার ফাইলের একটি ডিস্ক্রিপশন বা বর্ণনাও যোগ করতে পারেন ঐ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন লিঙ্ক ব্যবহার করে। এভাবে আপনি যত খুশি ফাইল আপলোড করতে পারেন টু শেয়ারড ডট কমের মাধ্যমে।

বক্স ডট নেট

বক্স ডট নেট একটি অসাধারণ ফাইল স্টোরিং ও শেয়ারিং সার্ভিস। বিনামূল্যে একটি একাউন্ট তৈরী করে আপনি এক গিগাবাইট পর্যন্ত স্পেস পেতে পারেন। এজন্য আপনার প্রয়োজন একটি ই-মেইল ঠিকানা। আর কিছু নয়। বক্স ডট নেট একটি জনপ্রিয় ফাইল শেয়ারিং সার্ভিস। এটি ব্যবহার করে আপনি ইচ্ছা করলে ফাইল শেয়ারও করতে পারেন।
বক্স ডট নেটের সবচাইতে আকর্ষণীয় সেবা হলো অডিও। যারা ওয়ার্ডপ্রেসে ব্লগিং করেন, তারা নিশ্চয়ই জানেন যে, ওয়ার্ডপ্রেস প্রতি ব্লগে তিন গিগাবাইট পর্যন্ত জায়গা দিলেও সেই জায়গায় কোন অডিও ফাইল আপলোড করা যায় না। তাই ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও অনেকেই নিজেদের পোস্টে অডিও যোগ করতে পারেন না। কিন্তু আপনি যদি আপনার বক্স ডট নেট একাউন্টে কাঙ্খিত গানটি আপলোড করেন, তাহলে আপনি একটি লিঙ্ক পাবেন যেটি ব্যবহার করে সহজেই ওয়ার্ডপ্রেসে গান শোনানোর ব্যবস্থা করতে পারবেন।
[আপনার ওয়ার্ডপ্রেস পোস্টে গান যুক্ত করতে কোডিং মোডে একটি [ দিয়ে লিখুন Audio এবং একটি স্পেস দিয়ে লিঙ্কটি দিন। তারপর ] দিয়ে বন্ধ করুন। পোস্ট প্রকাশ করলে যেস্থানে আপনি কোডটি দিয়েছিলেন ঠিক সেইস্থানেই একটি ছোট্ট মিউজিক প্লেয়ার দেখা যাবে যেটির মাধ্যমে আপনার সাইট ভিজিটর গানটি শুনতে পারবেন।]

এ ড্রাইভ

অনেক সময় বিভিন্ন ক্ষেত্রে আমরা একটি কথা ব্যবহার করে থাকি। সেটি হচ্ছে, Last but not least। এই কথাটি প্রমাণের জন্যই আজকের প্রধান আকর্ষণ এ ড্রাইভকে সর্বশেষে উপস্থাপন করছি। বেশকিছুদিন আগে এ ড্রাইভ নামক অপূর্ব এই ফাইল শেয়ারিং সাইটটি আত্মপ্রকাশ করেছিল। আজ তা দ্রুতগতিতে জনপ্রিয়তা পাচ্ছে। এটি দ্রুত জনপ্রিয়তা পাচ্ছে এর গতির জন্য, এর সুন্দর ইন্টারফেসের জন্য, এবং এর শেয়ারিং বা স্টোরিং স্পেসের জন্য। পঞ্চাশ গিগাবাইট!
হ্যাঁ, হঠাৎ করেই বিখ্যাত সব কোম্পানীগুলো তাদের স্পেস বাড়ানো শুরু করে দিয়েছিল। জিমেইল প্রদান করল ছয় গিগাবাইটের উপরে। হটমেইল কোত্থেকে যেন পাঁচ গিগাবাইট পার একাউন্ট নিয়ে এল। একই ভাবে ফাইল স্টোরিং জগতেও বক্স ডট নেট কে ছাড়িয়ে গেল ফোর শেয়ারড ডট কম শুধুমাত্র চার গিগাবাইট বেশি জায়গা দেবার কারণে। কিন্তু পঞ্চাশ গিগাবাইটের মাঠে চার গিগাবাইটকে কি চোখে দেখা যাবে?
এ ড্রাইভ ডট কমের অভিষেক ঘটে বিবিসি'র কল্যাণে। ক্লিক নামক বিবিসি'র একটি অনুষ্ঠানের ওয়েবস্কেপ বিভাগের উপস্থাপিকা কেট রাসেলস এ ড্রাইভের বর্ণনা দিয়ে বিশ্বব্যাপী এ ড্রাইভের ব্যাপক জনপ্রিয়তা এনে দেন। এ ড্রাইভে আপনি বিনামূল্যে শুধু একটি একাউন্টের বিনিময়ে পেতে পারেন সর্বোচ্চ পঞ্চাশ গিগাবাইট জায়গা। আপনি এর সহজ ব্যবস্থাপনায় অবশ্যই মুগ্ধ হবেন। আপনি এ ড্রাইভে পুরো একটি ফোল্ডারই আপলোড করতে পারবেন। ফাইল ট্রান্সফার করতে পারবেন। কম্পিউটারের ফাইল ব্যাকআপ রাখতে পারবেন। এছাড়াও শক্তিশালী সার্চ ইঞ্জিনের সাহায্যে নিমিষেই খুঁজে পেতে পারবেন আপনার আপলোডকৃত অসংখ্য ফাইলের মধ্যে কাঙ্খিত ফাইলটি। তো আর দেরী কেন? এখনই রেজিষ্ট্রেশন করে আপনার ফাইল শেয়ার বা স্টোর করা শুরু করুন।
(দ্রষ্টব্যঃ এ ড্রাইভ ফাইল নিজে থেকে শেয়ার করেনা। আপনি যতক্ষণ এ ড্রাইভকে আপনার ফাইল শেয়ার করার অনুমতি না দিবেন, ততক্ষণ পর্যন্ত আপনার ফাইল নিরাপদ। এছাড়াও আপনি আপনার রক্ষিত একাধিক ফাইলের মধ্য থেকে নির্দিষ্টভাবে যেকোন একটি বা একাধিক ফাইল শেয়ার করতে পারবেন।)
এ ড্রাইভে রেজিষ্ট্রেশন করতে এখানে ক্লিক করুন। লক্ষ করুন, আপনার পাসওয়ার্ড এ ড্রাইভ গ্রহণ না-ও করতে পারে। তাই আপনার পাসওয়ার্ডে অবশ্যই একটি বড় হাতের অক্ষর, একটি ছোট হাতের অক্ষর ও একটি সংখ্য (০ থেকে ৯) ব্যবহার করুন এবং ভবিষ্যতে লগইন করার জন্য মনে রাখুন।
[Read More...]


নিয়ে নিন HD ফেসবুক চ্যাট ইমু । যারা ফেসবুক চালান তারা একবার হলেও এদিকে আসেন
বিল গেটস ::: কম্পিউটার জগতের জীবন্ত কিংবদন্তী
Youtube এর Video দেখুন,শুধু মাত্র নিচের Addon ডাউনলোড এর মাধ্যমে ...
বই ও সফটওয়্যারের জন্য আপনাকে আর কারো কাছে সাহায্য চাওয়া লাগবে না …… আমার সংগ্রহের সবকিছু শেয়ার করলাম
 

Flash Labels by Way2Blogging

Categories

Android (7) Career (10) Design (25) Download (39) Education (71) English Learning (3) Exclusive Posts (55) Freelancing (7) Fun Zone (15) General Knowledge (13) Hacking (19) Health Care (9) Internet (93) Islam (2) jony007ex (42) Mobile Information (51) Programing (7) Review (121) Science and Tecnology (40) Security (7) Social Network (21) Tricks (132) Tutorial (29) Website Design (3)

Translate

free counters

Clock

Return to top of page Copyright © 2010 | Platinum Templates Converted into Blogger Template by SEO Templates
^ Back to Top