Passport process for Bangladesh: পাসপোর্ট করার সহজ নিয়মাবলী।



Passport
পাসপোর্ট (Passport) ছাড়া আপনি কি নিজকে বাংলাদেশী নাগরিক ভাবতে পারেন। নিজের পাসপোর্ট (Passport) থাকা জরুরী। পত্রিকা পড়ে অনেকের পাসপোর্টকরা নিয়ে ভিতি ভাব আছে । অফিসিয়াল ব্যাপারগুলো আত্মবিশ্বাসের সাথে করলে একটা না একটা উপায় সহজভাবেই বের হয়ে আসে। বর্তমানে অনলাইনে পাসপোট (Passport) ফরম জমা দিলে লম্বা লাইনে দাঁড়াতে হয় না । পরে নিধারিত সময়ে দালালের খপ্পড় বা পাসপোর্ট (Passport) অফিসের কারো কোন সমস্যার ছাড়াই একদম সরাসরি যেয়ে ছবি তুলে ও ফিঙ্গারিং করা যায়। এতে অনাহুত খরচের বালাই নেই।
যারা অনলাইনে মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট করতে যাচ্ছেন, তাদের জন্য ব্যাপারটাকে আরো সহজ করে তোলার জন্য এই পোস্ট। আপনিও খুব সহজেই পারবেন। কারণ অনলাইনে পাসপোর্ট (Passport) পাওয়া অনেক অনেক সহজ একটা কাজ যদি একটু জানা থাকে । পাসপোর্ট (Passport) হাতে পাওয়াসহ সব মিলিয়ে আপনাকে মাত্র তিনদিন যেতে হবে ।আর সাথে টুকিটাকি যদি জানা থাকে তাহলে আর কথাই নেই ।
আসেন, একদম শুরু থেকে শুরু করি অনলাইনে পাসপোর্ট (Passport) ফর্ম পূরণ করা এবং পরের ধাপের কাজগুলো নিয়ে।

প্রথম ধাপ : ব্যাংকে টাকা জমা দেয়া।

  • সোনালী ব্যাংকের কলেজ গেইট শাখায় পাসপোর্ট (Passport) আবেদনের ফি হিসাবে টাকা জমা দিতে হবে। রেগুলার ফি ৩০০০/- টাকা ( ১ মাসের মধ্যে পাসপোর্ট (Passport) পেতে হলে) আর ইমারজেন্সি ফি ৬০০০/- টাকা ( ১৫ দিনের মধ্যে পাসপোর্ট (Passport) পেতে হলে) ।
প্রথমেই টাকা জমা দেয়া প্রয়োজন এই কারণে যে , অনলাইনে ফর্ম পূরণ করার সময় টাকা জমা দেয়ার তারিখ এবং জমাদানের রিসিটের নাম্বারউল্লেখ করার প্রয়োজন হবে। তাই টাকা আগে জমা দেয়া থাকলে একবারেই ফর্ম পূরণ করা হয়ে যাবে।

টিপস

-ভুলেও আবার আগারগাঁও সোনালী ব্যাংকের শাখায় গেলে – – – – – । সোনানী ব্যাংকের কলেজ গেইট শাখায় বেশ দ্রুত টাকা জমাদেয়া যায় , কারণ এইখানে ভিড়টা কম । আপনার সুবিধামত সোনালী ব্যাংকের শাখায় / ব্রাঞ্চে টাকা জমা দিয়ে রিসিট বুঝে নিন ।
লাইনে দাঁড়ালে ব্যাংকের কাজ শুরুর আগেই ব্যাংকের লোকজন রিসিট দিয়ে যাবে। বা নিজেই টাকা দেয়ার রিসিট সংগ্রহ করে নিন । রিসিট পেলেইংরেজি ব্লক লেটার স্পষ্টভাবে পূরণ করুন। সাথে অবশ্যই কলম রাখুন।
(আমি যখন টাকা জমা দিয়েছিলাম , তখন আগারগাঁও ব্রাঞ্চ এ টাকা জমা নিত , এখন খোঁজ নিয়ে দেখলাম সেখানে টাকা জমা নেয়া বন্ধ ! এছাড়াঅনলাইনে যেসব ব্রাঞ্চের লিস্টগুলো আছে , তার অনেকগুলোতেই টাকা জমা নেয় না । তাই ঢাকায় থাকলে কলেজ গেইট ব্রাঞ্চেই যাওয়া বেটার)

দ্বিতীয় ধাপ – অনলাইনে ফর্ম পূরণ

  • অনলাইনে ফরম পূরণের জন্য প্রথমেই যান পাসপোর্ট (Passport) অফিসের এই সাইটে – http://www.passport.gov.bd/http://www.passport.gov.bd/ । নির্দেশনা ভালোভাবে দেখুন , সতর্কতার সাথে একাউন্ট করুন ।আপনার নাম ও ব্যক্তিগত তথ্যাদি ( যেমন নামের বানান, প্যারেন্টস এর নাম ) যেন শিক্ষাগত সার্টিফিকেটের মতই হয় সেদিকে খেয়াল রাখুন। টাকা জমা দেয়ার তারিখ এবং রিসিট নাম্বার উল্লেখ করুন।
সবশেষে আপনি যেদিন ছবি তোলা ও হাতের ছাপ দেয়ার জন্য বায়োমেট্রিক টেস্ট দিতে যেতে চান, সুবিধামত সেইদিনটা নির্বাচন করে সাবমিটকরুন। অর্থ্যাৎ আপনি নিজের পছন্দসই সময়েই যেতে পারছেন ! ব্যাপারটা খু্বই মজার না !
পুনরায় চেক করার পর সবশেষে সাবমিট করুন । সফলভাবে সাবমিশন শেষ হলে পূরণকৃত ফর্মের একটি পিডিএফ কপি আপনার মেইলে চলেআসবে । এইধাপ এইখানেই শেষ।

 টিপস  1

–  অনলাইনে একাউন্ট খোলার পরপরই আপনাকে ইউজার আইডি এবং পাসওয়ার্ড জানিয়ে দেবে । সেটা সংরক্ষণ করুন। আর ছবিতোলার জন্য যেদিন সময় দেবেন সেদিনটা ফ্রি রাখবেন। সময় লাগতেও পারে এই দিনে যদি মানুষ বেশী হয় ।

তৃতীয় ধাপ

– জমা দেয়ার আগে ফর্মের প্রিন্ট এবং সত্যায়ন আপনার পূরণকৃত ফর্মের যেই পিডিএফ কপিটা পেয়েছেন, সেটার ২ কপি কালার প্রিন্টকরে ফেলুন। যেসব জায়গা হাতে পূরণ করতে হবে সেগুলো করে ফেলুন । আপনার সাইন দিন। এবার নিজের চারকপি ছবি , জাতীয় পরিচয়পত্রেরফটোকপি এবং পাসপোর্ট ফর্ম নিয়ে পরিচিত কোন প্রথম শ্রেণীর কর্মকর্তার কাছ থেকে সত্যায়িত করে নিন। পরিচিত কাউকে দিয়ে সসত্যায়নকরানো দরকার এই কারণে যে, ঐ কর্মকর্তার নাম , যোগাযোগ ও ফোন নাম্বার ফর্মে লিখতে হয়। সত্যায়ন শেষে পুরো ফর্মটি রিচেক করুন।
সত্যায়িত ছবি এবং ব্যাংকের রিসিট আঠা দিয়ে ফর্মের সাথে যুক্ত করুন। সাথে জাতীয় পরিচয়পত্রের সত্যায়িত কপিটি নিন। আপনার ফর্ম জমাএখন দেয়ার জন্য প্রস্তুত।

টিপস  2

– ফর্মের প্রিন্ট করার সময় এক কপি এক্সট্রা করুন। ব্যাকআপ থাকা ভালো । আমার প্রথম পেজ নষ্ট হয়ে গিয়েছিল। শেষ সময়ে ব্যাকআপকপির প্রথম পেইজ দিয়ে দিয়েছি।
ছবি দুই কপি লাগলেও এক্সট্রা দুই কপি করিয়ে রাখা ভালো , পাসপোর্ট অফিসে চেয়ে বসে মাঝে মাঝে। একই কথা জাতীয় পরিচয়পত্রেরব্যাপারেও।

চতুর্থ ধাপ

– ছবি তোলা এবং অন্যান্য আপনার নির্বাচন করা তারিখে সকাল সকাল পাসপোর্ট অফিসে চলে যান । অবশ্যই সাদা পোষাক পরবেন না, ফর্মাল পোষাক পরার চেষ্টা করুন।
সকাল ৯ টার দিকে গেলেই হবে। কোন লাইনে দাঁড়াতে হবে না আপনাকে । সরাসরি মেইন গেইট দিয়ে মূল অফিসে যান। সেখানে দায়িত্বরত সেনাসদস্যকে জিজ্ঞেস করুন কোন রুমে যাবেন ।
প্রথমে আপনাকে আটতলায় যেয়ে ফর্ম দেখিয়ে আনতে হবে। খুবই অল্প সময়ের কাজ । ৮০৩ নাম্বার রুম । সিরিয়াল নেবেন। এবার ৮ তলারথেকে আসতে বলবে ৩ তলায় । সেখানে এসেই আসল কাজ । প্রথমে আপনার ফর্মটি চেক করবে এবং সাইন করে দেবে। সাইন শেষে আপনাকেজানিয়ে দেয়া হবে ছবি তোলার জন্য কোন রুমে যাবে। ঐ রুমগুলো ঠিক পাশেই। সিরিয়াল আসলে ছবি তুলুন, ফিঙ্গারপ্রিন্ট দিন। ব্যস , কাজ শেষ !
এবার আপনাকে পাসপোর্ট (Passport) রিসিভের একটা রিসিট দেবে। সেটা যত্ন করে রাখুন । পুলিশ ভেরিফিকেশান সাপেক্ষে, রিসিট পাওয়ার একমাস বা ১৫দিনের মধ্যেই আপনি পাসপোর্ট পাবেন ।

আমার টিপস

– আবারো বলছি, সাদা পোষাক পরবেন না , ফর্মাল পোষাক পরার চেষ্টা করুন।
আর সাথে জাতীয় পরিচয়পত্রের মূল কপিসহ সত্যায়িত কপিগুলো নিয়ে যান। তিনতলায় যেয়ে সেখানকার সেনাসদস্যের কাছ থেকে দেখিয়ে নিশ্চিতহয়ে নিন , সব সংযুক্তি ঠিক আছে কিনা। সাথে অবশ্যই কলম রাখুন। আঠা, স্ট্যাপলার, এক্সট্রা ছবিও সাথে রাখুন।
আর যারা সরকারী কর্মকর্তা বা শিশুসহ যাচ্ছেন , তাদের কিছু আলাদা কাগজ লাগবে । সেটার জন্য নির্দেশনা দেখুন । কিংবা ৮০৩ এ যোগাযোগকরুন।

পঞ্চম ধাপ

– পুলিশ ভেরিফিকেশান ও পাসপোর্ট (Passport) রিসিভ ডেট ( টিপস সহ)
পুলিশ ভেরিফিকেশানই আমার কাছে ঝামেলার মনে হয়েছে। যদি আপনার স্থায়ী আর বর্তমান ঠিকানা আলাদা হয় , তবে দুই জায়গাতেই আপনারভেরিফিকেশান হয়ে থাকে। পুলিশের এস বি ( স্পেশাল ব্রাঞ্চ) এই কাজটা করে থাকে।
এবং এইটা করতে যেয়ে পুলিশ বখশিশ হিসাবে টাকা চেয়ে বসে। খুবই ইরিটেটিং একটা ব্যাপার । সেটা ৫০০-১০০০ পর্যন্ত হতে পারে !!!!!
তবে স্ট্রিক্ট থাকলে এটা এড়ানো সম্ভব। আপনি কীভাবে তাদের ফেইস করছেন সেটার উপর নির্ভর করে। সরাসরি বলে দিতে পারেন যে, এইটাআপনার দায়িত্ব, তো টাকা দেয়ার প্রশ্ন কেন। কিংবা বলতে পারেন যে, আপনি ছাত্র , টাকা দেয়া সম্ভব না । ইত্যাদি ইত্যাদি ইত্যাদি !
যাই হোক, ভেরিফিকেশান শেষ হলে আপনার মোবাইলে এস এম এস আসবে। যেদিন এস এম এস আসবে তারপরেই আপনি পাসপোর্ট সংগ্রহকরতে পারবেন।
ব্যস, এইবার পাসপোর্ট হাতে নেয়ার পালা।

ষষ্ঠ ধাপ –পাসপোর্ট সংগ্রহ

এইখানে কাজ সহজ । পাসপোর্ট (Passport) অফিসে চলে যান। লাইনে দাঁড়ান।
সাথে রিসিট আর কলম রাখুন । ৯ টার দিকে গেইট খুলবে। লাইন ধরে প্রবেশ করুন। রিসিট জমা দিন। অপেক্ষা করুন।
এবার আপনার নাম ডাকবে । সাইন করুন , বুঝে নিন আপনার পাসপোর্ট ।

টিপস  3

– হাতে পেয়েই সবার আগে চেক করুন আপনার ইনফোগুলো ঠিক এসেছে কিনা। নিজের এবং পিতামাতার নাম, ঠিকানা এবংঅন্যান্যসব তথ্যগুলো মিলিয়ে নিন।
এই হচ্ছে একটি ঝামেলাবিহীন পাসপোর্টের (Passport) আত্মকাহিনী বা আমি যেভাবে খুব সহজেই পাসপোর্ট পেলাম এর আদ্যোপান্ত । আশা করি কাজেলাগবে।
সবার জন্য শুভকামনা। হ্যাপি পাসপোর্টিং (Passport) !

সংযুক্তি -

০১) আপনার বর্তমান ঠিকানা যদি ঢাকা হয় , তাহলে এখান থেকেই পাসপোর্ট (Passport) করতে পারেন । আলাদা করে দেশের বাড়ির জেলা অফিসে যাওয়ারপ্রয়োজন হবে না।
০২) ব্যাংকে টাকা জমা দেয়ার জন্য যে স্লিপ লাগে , সেখানে আলাদা একাউন্ট নম্বরের প্রয়োজন নেই ।নতুন পাসপোর্ট করা বা রিনিউ এর জন্যআলাদা স্লিপই থাকে ।
০৩) GO: Government order
NOC: NO Objection Certificate
PDS: Proof of retired Date
সরকারী, আধাসরকারী, স্বায়ত্তশাসিত ও রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থার স্থায়ী কর্মকর্তা/কর্মচারী, অবসরপ্রাপ্ত সরকারী চাকুরীজীবীরা এই ঘর পুরণ করবেন। আরকমেন্ট থেকে জানা গেল যে সরকারী কর্মকর্তাদের পাসপোর্ট নীল রঙের । পুলিশ ভেরিফিকেশান এর ঝামেলা নাই ।
[Read More...]


বাংলাদেশের শীর্ষ দশ জন ধনী ব্যক্তিত্ব



যদিও বাংলাদেশ একটি ছোট্ট দেশ তারপরও এই দেশের রয়েছে অনেক ক্ষমতাধর এবং বিপুল ধনী ব্যাক্তিবর্গ। যারা নিজ নিজ কর্ম ক্ষেত্রের দ্বারা এই দেশকে অনেক বড় স্থানে নিয়ে যেতে পেরেছেন। চলুন কয়েকজন শীর্ষ ধনী ব্যাক্তির সাথে পরিচিত হওয়া যাক।
নম্বর-১> মূসা বিন সামসেরঃ তিনি প্রিন্স মূসা নামে পরিচিত। তাকে বাংলাদেশের জনশক্তি রপ্তানি বাণিজ্যের অগ্রদূত বলা হয়। তিনি ড্যাটকো গ্রুপের এর মালিক। তিনি প্রায় ৯৫০ মিলিয়ন ডলারের মালিক ।
Musa
নম্বর-২>সালমান এফ রহমানঃ বেক্সিমকো গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা মালিক। তিনি প্রায় ৬০০ মিলিয়ন ডলারের মালিক ।
salman-f-rahman
নম্বর-৩>আহমেদ আকবর সোবহানঃ তিনি হচ্ছেন বসুন্ধরা গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা মালিক। তিনি প্রায় ৬০০ মিলিয়ন ডলারের মালিক ।
Akbar Sobhan
নম্বর-৪>এম এ হাশেমঃ তিনি পারটেক্স গ্রুপ ও ইউসিবিএল ব্যাংকের চেয়ারম্যান । তিনি প্রায় ৫০০ মিলিয়ন ডলারের মালিক ।
M.A.-Hashem
নম্বর-৫> আজম জে চৌধুরীঃ তিনি ইস্ট-কোস্ট গ্রুপের মালিক, প্রাইম ব্যাংকের চেয়ারম্যান এবং মবিল যমুনা লুব্রিক্যান্টের সোল এজেন্ট । তিনি প্রায় ৪১০ মিলিয়ন ডলারের মালিক ।
Ajam
নম্বর-৬>গিয়াস উদ্দিন আল মামুনঃ তিনি তারেক জিয়ার বন্ধু। তিনি রিয়েল স্টেট, হোটেল ও মিডিয়া ব্যবসায়ী।
Gias
নম্বর-৭>রাগিব আলীঃ তিনি চা উৎপাদন ব্যাবসায় সফল একজন ব্যাবসায়ী।তিনি সাউথ ইস্ট ব্যাংকের চেয়ারম্যান। তিনি প্রায় ৩০০ মিলিয়ন ডলারের মালিক ।
Ragib Ali
নম্বর-৮>শামসুদ্দিন খানঃ তিনি একে খান এন্ড কোম্পানি লিঃ-এর চেয়ারম্যান এবং ডিরেক্টর । তিনিও প্রায় ৩০০ মিলিয়ন ডলারের মালিক ।
Shamsuddin Khan
নম্বর-৯>ঈকবাল আহমেদঃ তিনি সিলেটের একজন ব্যাবসায়ী। সামুদ্রিক খাবার ব্যবসায় তিনি সফল। তিনি সীমার্ক গ্রুপ লিবকো ব্রাদার লিঃ-এর চেয়ারম্যান এবং ডিরেক্টর । তিনি প্রায় ২৫০-২৯০ মিলিয়ন ডলারের মালিক ।
Iqbal
নম্বর-১0> সাইফুল ইসলাম কামালঃ তিনি নাভানা লিঃ ও নাভানা সিএনজি লিঃ-এর চেয়ারম্যান এবং ডিরেক্টর । তিনিও প্রায় ২৯০ মিলিয়ন ডলারের মালিক ।
Saiful Islam Kamal
[Read More...]


Searching JOB



[Read More...]


LinkedIn নিয়ে সহজ কিছু কথা।



LinkedIn এই সময়ের সবচেয়ে জনপ্রিয় পেশাদারী ব্যবসায়িক নেটওয়ার্ক। এর সদস্য সংখ্যা ২০০ মিলিয়ন এর উপর। Alexa world র‍্যাঙ্ক ১৩ এবং বাংলাদেশে র‍্যাঙ্ক ১৭। সুতরাং বুঝতেই পারছেন এর গুরুত্ব। তবে আপনি LinkedIn থেকে যদি  সম্পূর্ণ সুবিধা নিতে চান তাহলে আপনাকে সকল ফিচার ব্যবহার করতে হবে।
LinkedIn টা ফেসবুকের মত না। ফেসবুক সামাজিক নেটওয়ার্ক আর LinkedIn পেশাদারী ব্যবসায়িক নেটওয়ার্ক। এখানে আপনার উপস্থাপনটা হবে পরিপাটি। আপনার উপস্থাপনটা হবে সুন্দর, সাবলীল।
১. আপনার প্রোফাইলটা একটু ঘসামাজা করুনঃ
linkedin-01LinkedIn এ খুব গুরুত্বপূর্ণ এবং অবহেলিত অংশ আপনার পেশাদারী ‘প্রোফাইল’। কারণ এই খানে আপনাকে দেখাবে আপনার কাজের অভিজ্ঞতা, দক্ষতা, শিক্ষা। সবচেয়ে বড়, আপনার ব্যক্তিত্ব ফুটে উঠবে। LinkedIn প্রোফাইলটা আপনার সাধারণ সিভি থেকেও শক্তিশালী হবে যদি আপনি একে ভালো করে সাজান, উপস্থাপন করেন। একটি সিভি সাধারণত দুই পাতার হয়, এই দুই পাতায় অনেকেই তার সম্পূর্ণ তথ্য দিতে পারে না। তাদের জন্য LinkedIn যেখানে আপনি আপনার প্রজেক্ট, পাবলিকেশন সব বিস্তারিত রাখতে পারেন।
LinkedIn এ একটা সুবিধা আপনি যাই করেন আপনার নাম দিয়ে সব সার্চ হবে। LinkedIn এর অনেকগুলো  widgets আছে, যেগুলো আপনি যোগ করেলে আপনার প্রোফাইল আরও ভালো হবে যেমন, আপনি একটি পুরস্কার পেলেন, একট কোর্স করলেন, আপনি কতগুলো ভাষা জানেন, আপনি সার্টিফিকেট পেলেন এই সব। এই widgets যোগ করতে চাইলে Profile > Edit Profile তারপর ডান পাশের widgets থেকে একটা একটা করে যোগ করুন।
আপনি আপনার পেশা হিসাবে একটি পেশাদারী ছবি যোগ করবেন। অনেকেই দেখবেন ছবি যোগ করে না। এইটা শুরু না হতেই শেষ এর মত অবস্থা হয়। কারণ যিনি আপনাকে চাকুরী দিবেন বা আপনার সাথে ব্যবসা করতে আসলো প্রথমেই দেখলো আপনার ছবি নাই, ওই সময়টায় নিজেকে বসান তাহলে বুঝবেন কেমন লাগে?
LinkedIn অনেক অংশ নিজে থেকে পূরণ করে। যেমন আপনার প্রোফাইল হেডলাইন। এইটা আপনার বর্তমান কাজে অংশটা আপনার হেডলাইন করে নিবে। ইচ্ছা করলে আপনি এইটা পরিবর্তন করতে পারেন। Profile > Edit Profile এ গিয়ে pencil symbol এ ক্লিক করুন। এইবার আপনার নিজের মত করে কিছু লিখুন।
আপনি যখন Edit Profile mode এ থাকবেন তখন, Skills & Expertise এ আপনার স্কিল গুলো যোগ করবেন। আপনি যা জানেন তাই যোগ করবেন। linkedin-02
LinkedIn এর প্রোফাইলের সব অংশ যখন পূরণ করবেন তখন এইটা একটা অনলাইন সিভি। তাই আপনার অনলাইন সিভিকে প্রতি মাসে আপডেট করবেন। আপনার যদি মনে না থাকে তাহলে আপনি যে কোন অনলাইন রিমান্ডার ব্যবহার করতে পারেন।
২. সবার সাথে যুক্ত হোন এবং যুক্ত থাকুনঃ
linkedin-03LinkedIn এ খুব গুরুত্বপূর্ণ অপশন অন্যান্য পেশাদারীদের সাথে যুক্ত থাকা এবং যুক্ত হওয়া। এই অপশন থেকে আপনি তাদের সাথে যুক্ত হবেন বা যুক্ত থাকবেন যাদের সাথে আপনি কাজ করছেন, করেছেন, যাদের সাথে ব্যবসা করেছেন, পড়াশুনা করেছেন, আপনার পেশায় নিয়োজিত অন্যান্য ব্যক্তি। LinkedIn এ আপনার ব্যক্তিগত ই-মেইলকে অনেক গুরুত্ব দিয়ে থাকে। আপনি আপনার ই-মেইলের এ্যাড্রেস বুকে থেকে আপনার বন্ধু নির্বাচন করুন। Contacts > Add Connections থেকে আপনি আপনার ই-মেইলে লগ-ইন করুন। তবে নির্বাচনের সময় আপনি সর্তকতা রক্ষা করবেন কারণ যারা আপনার কাজে আসবে তাদের নির্বাচন করুন। আপনি আপনার পরিচয় দিন এবং তারপর তাকে আপনার নের্টওয়ার্কে আমন্ত্রণ জানান।
Skills & Expertise সেকশনে আপনি অন্য তার স্কিল অনুযায়ী (endorsements) মতামত / সমর্থন দিতে পারেন। তবে endorsement দেবার আগে দেখবেন তিনি এই টার যোগ্য কিনা। linkedin-04
৩. জব খোঁজা এবং কর্মী খোঁজার জন্য LinkedIn এর সার্চ অপশন অনেক শক্তিশালী। এর এ্যান্ডভান্স সার্চ অপশনে গেলে বিস্তারিত দেখতে পারবেন।linkedin-05
৪. গ্রুপে যোগদানঃ
LinkedIn এ বিভিন্ন পেশাজীবির বিভিন্ন গ্রুপ আছে। আপনি যে পেশার, সেই গ্রুপে যোগ দেন। এর ফলে দুইটা কাজ হবে আপনি আরো জানতে পারবেন। আবার আপনার কাজে দক্ষতা দেখে অন্য প্রতিষ্টান আপনাকে নতুন জবের অফার করতে পারে। জানার জন্য আপনি বিভিন্ন প্রশ্ন করতে পারেন, বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দিতে পারেন। আপনি আপনার কাজ সবার কাছে উপস্থাপন করতে পারেন। linkedin-06
৫. এ্যাকাউন্ট আপগ্রেড করাঃ
আমরা সাধারণত ফ্রি একাউন্ট ব্যবহার করি। কিন্ত কিছু কিছু অপশন আছে তা ব্যবহারের জন্য আপনি মাসে $ 25 – $ 100 খরচ করতে পারেন। তবে আমরা যদি  ফ্রি অপশন গুলো ভালো করে ব্যবহার করি তাহলেও অনেক কাজে আসবে।
[Read More...]


পাসপোর্ট নবায়ন/সংযোজন/সংশোধন সংক্রান্ত কিছু সাধারণ প্রশ্ন উত্তর



সালাম সবাইকে। কিছু জিনিশ আছে যেগুলো প্রযুক্তি সম্পর্কিত না হলেও আমাদের নিত্য দিনের খুব প্রয়োজনীয় এবং জেনে রাখা প্রয়োজন। যেমন একটি বিষয় হতে পারে পাসপোর্ট। এটি নিয়ে অনেকের মনে অনেক ধরনের প্রশ্ন থাকে কিন্তু আমরা সঠিক উত্তর খুজে পাইনা। তাই আজকে পাসপোর্ট নিয়ে চমৎকার কিছু তথ্য সংগ্রহ করেছি যেখনাএ আপনি জেনে নিতে পারবেন কিভাবে পাসপোর্ট নবায়ন/সংযোজন/সংশোধন করতে পারবেন।
bangladesh-passport
২) ডাকযোগে পাসপোর্ট নবায়ন/সংযোজন/সংশোধন এর কোনো ব্যবস্থা কি আছে?
উঃ ডাকযোগে পাসপোর্ট নবায়ন ও সংশোধন এর সুবিধা আছে কিন্তু সংযোজন এর ক্ষেত্রে পাসপোর্ট-ধারীকে অবশ্যই বেইজিং এ অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসে উপস্থিত থাকতে হবে।
৩) পাসপোর্ট নবায়ন/সংযোজন/সংশোধন এর জন্য কি কি নিয়মাবলী অনুসরণ করতে হবে?
উঃ নবায়ন- পাসপোর্ট নবায়ন এর জন্য পাসপোর্ট-ধারী বাংলাদেশ দূতাবাসে উপস্থিত হয়ে অথবা ডাকযোগে আবেদনপত্র দূতাবাসের ঠিকানায় পাঠিয়ে নবায়ন এর কাজ সম্পন্ন করতে পারবেন।
সংযোজন-সংযোজন এর জন্য পাসপোর্ট-ধারীকে অবশ্যই বেইজিং এ অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসে উপস্থিত হয়ে আবেদন করতে হবে।
সংশোধন- পাসপোর্টে কোন ভুল থাকলে সেটা পরিবর্তনের জন্য পাসপোর্ট-ধারীকে বাংলাদেশ দূতাবাসের প্রথম সচিব (ফার্স্ট সেক্রেটারি) বরাবর একটি দরখাস্ত লিখতে হবে এবং সংশোধনের জন্য নির্দিষ্ট ফর্ম পূরণ করে আবেদন করতে হবে।
৪) সর্বোচ্চ কত বছর এবং সর্বনিম্ন কত বছরের জন্যে পাসপোর্ট নবায়ন করা যাবে?
উঃ সর্বোচ্চ ৫ বছর এবং সর্বনিম্ন ১ বছরের জন্যে পাসপোর্ট নবায়ন করা যাবে তবে পাসপোর্ট ইস্যুর তারিখ হতে পাসপোর্টের মেয়াদ সর্বমোট ১০ বছর অতিবাহিত হলে পাসপোর্ট-ধারীকে অবশ্যই নতুন পাসপোর্ট সংগ্রহ করতে হবে।
৫) আমার পরিচিত কেউ কি আমার প্রতিনিধি হয়ে আমার পাসপোর্ট  নবায়ন/সংযোজন/সংশোধন করতে পারবে?
উঃ হ্যাঁ,  অন্য কেউ প্রতিনিধি হয়ে আপনার পাসপোর্ট  নবায়ন ও সংশোধন করতে পারবে কিন্তু সংযোজন এর ক্ষেত্রে পাসপোর্ট-ধারীকে অবশ্যই বেইজিং এ অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসে উপস্থিত থাকতে হবে।
৬) চীনে অবস্থানরত অবস্থায় পাসপোর্ট এর পাতা শেষ হয়ে গেলে নতুন পাসপোর্ট এর জন্যে কি কি তথ্যাদি/ডকুমেন্ট এবং কয় কপি ছবি দিতে হবে?
উঃ এক্ষেত্রে ৬ কপি ছবি এবং পাতা শেষ হয়ে যাওয়া পাসপোর্ট এর ফটোকপি বাংলাদেশ দূতাবাসে জমা দিয়ে নতুন পাসপোর্টের জন্য আবেদন করতে হবে। ডাকযোগেও আবেদন করা যাবে।
৭) চীনে এসে পাসপোর্ট হারিয়ে গেলে প্রয়োজনীয় কি কি পদক্ষেপ নিতে হবে এবং নতুন পাসপোর্ট এর জন্যে কি কি কাগজপত্র/ডকুমেন্ট লাগবে?
উঃ পাসপোর্ট হারিয়ে গেলে সর্বপ্রথমে নিকটস্থ পুলিশকে অবহিত করতে হবে এবং সেখান থেকে একটি পুলিশ রিপোর্ট সংগ্রহ করতে হবে। এরপর পুলিশ রিপোর্ট, হারিয়ে যাওয়া পাসপোর্টের ফটোকপি ও ৬ কপি ছবি বাংলাদেশ দূতাবাসে জমা দিতে হবে।
৮) সপ্তাহে কয়দিন কয়টা থেকে কয়টা পর্যন্ত পাসপোর্ট নবায়ন/সংযোজন/পরিবর্তন এর জন্যে আবেদন করা যাবে?
উঃ সপ্তাহে ৫ দিন সোম থেকে শুক্র সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত পাসপোর্ট নবায়ন/সংযোজন/পরিবর্তন এর জন্যে আবেদন করা যাবে।
৯) Machine Readable Passport পাসপোর্ট এর জন্যে কিভাবে আবেদন করতে হবে?
উঃ Machine Readable Passport এর জন্য আবেদনের ক্ষেত্রে, আবেদনকারীকে আবেদনপত্রের সাথে ১ কপি ছবি, জাতীয় পরিচয়পত্র অথবা জন্ম-নিবন্ধন পত্রের ফটোকপি সহ বেইজিং এ অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসে উপস্থিত হয়ে আবেদন করতে হবে। এর জন্য সময় লাগবে ২১-২৮ দিন। উল্লেখ্য যে, মেশিন রিডেবল পাসপোর্টের পাতায় যে ছবি থাকবে সেটি দূতাবাসে আবেদনের সময় তোলা হবে। পূর্বে তোলা কোন ছবি গ্রহণযোগ্য হবেনা।
২০১৪ সাল থেকে হস্তলিখিত পাসপোর্ট আর গ্রহণযোগ্য হবে না। তাই ২০১৪ সালের মধ্যে সকলের  Machine Readable Passport সংগ্রহ করা বাধ্যতামূলক।
১০) পাসপোর্ট নবায়ন/সংযোজন/সংশোধন এর জন্য নির্ধারিত ফি সমূহ:
 নবায়ন:  ৫ বছরের জন্য- 
সাধারণ ফি- ৮৮০ ইউয়ান   সময়- ৭ দিন
জরুরী ফি- ১৩২০ ইউয়ান   সময়- ১ দিন (হস্তলিখিত পাসপোর্টের ক্ষেত্রে)
সংযোজন:
সাধারণ ফি- ৮৮০ ইউয়ান  সময়-  ৭ দিন
জরুরী ফি-  ১৩২০ ইউয়ান  সময়- ১ দিন (হস্তলিখিত পাসপোর্টের ক্ষেত্রে)
সাধারণ ফি- ৮৮০ ইউয়ান  সময়- ২১-২৮ দিন (Machine Readable Passport এর ক্ষেত্রে)
সংশোধন/পরিবর্তন:
সাধারণ ফি- ১০০ ইউয়ান  সময়- ২১-২৮ দিন (Machine Readable Passport এর ক্ষেত্রে)
[Read More...]


অনলাইনে বিনা মূল্যে প্রোগ্রামিং শেখার কার্যকরী ৪টি সাইটের কথা।




প্রযুক্তির এই সময়ে সকলেই ঝুঁকে পড়ছেন প্রযুক্তিনির্ভর কাজের দিকে। বিশেষ করে আউটসোর্সিংয়ে বাংলাদেশের অবস্থান শক্তিশালী হয়ে ওঠায় কম্পিউটার বা তথ্যপ্রযুক্তিসংশ্লিষ্ট বিষয়ে কাজের দক্ষতা তৈরি করে অনেকেই আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে অর্থ আয়ের দিকে ঝুঁকে পড়ছেন। আউটসোর্সিংয়ের ক্ষেত্রে প্রচুর চাহিদা রয়েছে কম্পিউটার প্রোগ্রামিংয়ের। কম্পিউটার বিজ্ঞান বা সংশ্লিষ্ট বিষয়ে পড়ালেখা না করেও প্রোগ্রামিং শিখতে চাইলে দ্বারস্থ হতে পারেন অনলাইনের। জেনে নিন অনলাইনে বিনা মূল্যে প্রোগ্রামিং শেখার কার্যকরী ৪টি সাইটের কথা।


কম্পিউটার প্রোগ্রামিংয়ে আগ্রহী মানুষের সংখ্যা কম নয়। তথ্যপ্রযুক্তির প্রসারের সাথে সাথে বেড়ে চলেছে কম্পিউটারের ব্যবহার। পাশাপাশি কম্পিউটার নির্ভর কাজে দক্ষ মানুষের চাহিদাও বেড়েই চলেছে। প্রাতিষ্ঠানিকভাবে তাই প্রোগ্রামিং শেখার জন্য বিভিন্ন পর্যায়ে রয়েছে নানা ধরনের প্রতিষ্ঠান, রয়েছে নানা ধরনের কোর্স। তবে শেখার আগ্রহ এবং ধৈর্য থাকলে নিজে নিজেও কোডিং শেখার কাজটি করা যায়। তার জন্য রয়েছে নানা ধরনের বইপত্র। তবে বইপত্র পড়ে নিজে নিজে শেখাটা কষ্টের বটে। এ সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে ইন্টারনেট এবং টেক জায়ান্টরা।

বর্তমানে অনলাইনে শিক্ষা বেশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে সব দেশেই। একটি কম্পিউটার আর ইন্টারনেট সংযোগ থাকলেই পুরো বিশ্ব এখন হাতের মুঠোয়। আর অনলাইনে বিনা মূল্যে যারা পড়ালেখা করতে চায়, তাদের দিকে হাত বাড়িয়ে দিয়েছে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো। প্রোগ্রামিং শেখার জন্যও তেমনি রয়েছে নানা ধরনের অনলাইন কোর্স। ঘরে বসেই প্রাতিষ্ঠানিক গাইডলাইন অনুযায়ী পরিপূর্ণ একটি কোর্সের মাধ্যমে এসব প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইট থেকে শেখা যায় প্রোগ্রামিং। আর তাতে করে যারা আউটসোর্সিংয়ের কাজ করতে চান, তাদের জন্য এটি হতে পারে আদর্শ একটি প্লাটফর্ম। এই লেখায় অনলাইন সাইটগুলোর মধ্য থেকে ৪টি ওয়েবসাইটের কথা জানানো হবে, যাদের বলা যায় কোডিং শেখার জন্য সবচেয়ে সমৃদ্ধ এবং আদর্শ প্লাটফর্ম।

এমআইটি ওপেন কোর্সওয়্যার

প্রযুক্তিবিষয়ক শিক্ষায় বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠানের নাম ম্যাসাচুসট ইন্সটিটিউট অব টেকনোলজি বা এমআইটি। বিশ্বব্যাপী বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর র‌্যাংকিংয়ে বরাবরই শীর্ষস্থানে থাকা এই বিশ্ববিদ্যালয়ে রয়েছে সকলের জন্য উন্মুক্ত ওপেন কোর্সওয়্যার। ২০০১ সালে তারা চালু করে এই সেবা।

কম্পিউটার প্রোগ্রামিং ও কোডিং বিষয়ক কোর্সগুলো পরিচালিত হয় এমআইটির ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড কম্পিউটার সায়েন্স বিভাগ থেকে। এখানকার গ্রাজুয়েট এবং আন্ডারগ্রাজুয়েট কোর্সের আওতায়  কোডিং ও প্রোগ্রামিং বিষয়ক অনেকগুলো কোর্স রয়েছে। এসব কোর্সের মধ্যে রয়েছে ইন্ট্রোডাকশন টু কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড প্রোগ্রাম, কম্পিউটেশন স্ট্রাকচার, ইলেমেন্টেস অব সফটওয়্যার কনস্ট্রাকশন, ইন্ট্রোডাকশন টু অ্যালগরিদম, কম্পিউটার ল্যাঙ্গুয়েজ ইঞ্জিনিয়ারিং, প্র্যাকটিক্যাল প্রোগ্রামিং ইনসি, ইন্ট্রোডাকশন টু প্রোগ্রামিং ইন জাভাসহ অন্যান্য প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজের ওপর বিভিন্ন কোর্স। এসব কোর্সের ওপর রয়েছে লেকচার ভিত্তিক টেক্সট, অডিও-ভিডিও ফাইল, বিভিন্ন প্রজেক্ট, সমস্যা এবং সেগুলোর সমাধান।

বিশ্বের যেকোনো প্রান্তের যে কেউ এই কোর্সগুলো অনলাইনে সম্পন্ন করতে পারবে বিনা মূল্যে। এর যেসব  কোর্স ম্যাটেরিয়াল রয়েছে সেগুলো বিনা মূল্যেই ডাউনলোড করা যাবে। এমআইটির ওপেন কোর্স ওয়্যারের ঠিকানা : http://ocw.mit.edu/index.htm

ইউসি বার্কলে ওয়েবকাস্ট

বার্কলেতে অবস্থিত ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে স্বনামধন্য। এই প্রতিষ্ঠানের রয়েছে অনলাইন শিক্ষার সুযোগ। তারা নিয়মিতভাবেই অনেকগুলো কোর্সই পরিচালনা করে আসছে অনলাইনে। অনলাইনে এসব কোর্সের স্টাডি ম্যাটেরিয়াল, লেকচার নোট, লেকচার ভিডিও প্রভৃতি পাওয়া যায়। এসব কোর্সের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে প্রোগ্রামিং। এ সংশ্লিষ্ট কোর্সগুলোতে ২০০৩ সাল থেকে এখন পর্যন্ত অনুষ্ঠিত কম্পিউটার বিজ্ঞানের সব ক্লাসের অডিও এবং ভিডিও লেকচারের সংগ্রহ রয়েছে এখানে। আর এসব কনটেন্ট পাওয়া যাবে একদম বিনা মূল্যে। লেকচার ওয়েবকাস্টের জন্য এই বিশ্ববিদ্যালয়ের রয়েছে এডুকেশনাল টেকনোলজি সার্ভিস। তারাই ইন্টারনেট দেখার উপযোগী করে অডিও এবং ভিডিওগুলো ধারণ করে। আর ইনফরমেশন সিস্টেম অ্যান্ড টেকনোলজি বিভাগটি ওয়েব আর্কাইভ ব্যবস্থাপনা এবং সমপ্রচারের যাবতীয় টেকনিক্যাল বিষয়গুলো দেখাশোনা করে। এখানে রয়েছে নেটে সমপ্রচারের সুবিধার্থে অডিও-ভিডিও ধারণের জন্য বিশেষভাবে উপযোগী করে তৈরি করা ক্লাসরুম। এখানে প্রতিটি লেকচারের ২ থেকে ৬ ঘণ্টার মধ্যে সেগুলো আপলোড হয়ে যায় ইন্টারনেটে। আর এসব নিজস্ব সাইট ছাড়া আইটিউনস এবং ইউটিউবেও পাওয়া যায় লেকচারগুলো।

প্রোগ্রামিং সংক্রান্ত কোর্সগুলোর মধ্যে এখানে রয়েছে কম্পিউটার সায়েন্স: দ্য বিউটি অ্যান্ড জয় অব কম্পিউটিং, প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ অ্যান্ড কমপাইলাস এবং স্ট্রাকচার অ্যান্ড ইন্টারপ্রিটেশন অব কম্পিউটার প্রোগ্রামিং। এসব কোর্সে প্রোগ্রামিংয়ের ইতিহাস থেকে শুরু করে লজিক প্রোগ্রামিং, ডাটাবেজসহ সব ধরনের প্রোগ্রামিং পাওয়া যাবে। এই সাইটের ঠিকানা : http://webcast.berkeley.edu



গুগল কোড ইউনিভার্সিটি

টেক জায়ান্ট গুগল সকলের জন্য উন্মুক্ত অনলাইন শিক্ষায় চালু করেছে গুগল কোড ইউনিভার্সিটি। এই প্লাটফর্মে রয়েছে সব ধরনের প্রোগ্রামিং এবং অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপমেন্ট বিষয়ক কোর্স। কোর্সের মূল শ্রেণীগুলোর মধ্যে রয়েছে প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ, ওয়েব প্রোগ্রামিং, ওয়েব সিকিউরিটি, অ্যালগরিদম, অ্যানড্রয়েড, ডিস্ট্রিবিউটেড সিস্টেম, টুলস ২০০১ এবং গুগল এপিআই অ্যান্ড টুলস। সি++ থেকে শুরু করে রয়েছে জাভা, পাইথন, সিএসএস, এইচটিএমএল, জাভা স্ক্রিপ্ট, অ্যাজাক্স, এইচটিএমএল৫সহ সব ধরনের প্রোগ্রামিং এবং ওয়েব প্রোগ্রাম রয়েছে এর মধ্যে। এছাড়া সিকিউরিটি অ্যানড্রয়েডের মধ্যেও রয়েছে প্রয়োজনীয় সব প্রোগ্রামিং। আর টুলস ১০১-এর মধ্যে রয়েছে ডাটাবেজ, সফটওয়্যার কনফিগারেশন ম্যানেজমেন্ট এবং লিনাক্সের নানা কোর্স।

গুগল কোড ইউনিভার্সিটির বিভিন্ন কোর্সের সব ধরনের কোর্স ম্যাটেরিয়াল সম্পূর্ণ বিনা মূল্যে ব্যবহার করতে পারবে যে কেউ। এখানে সম্পূর্ণ নতুন শিক্ষার্থীদের জন্য তো বটেই, এই বিষয়ে অভিজ্ঞদের জন্যও রয়েছে নানান কোর্স। কোর্স ম্যাটেরিয়ালের মধ্যে অডিও-ভিডিও এবং লেকচারও রয়েছে। এখানকার সব ধরনের ডকুমেন্ট যে কেউ বিনা মূল্যে ডাউনলোড করতে পারবেন। আর কোডিং বিষয়ে বিশেষজ্ঞরা চাইলে এখানে নতুন কোর্সও যোগ করতে পারবেন। গুগল কোড ইউনিভার্সিটির ওয়েব ঠিকানা : http://code.google.com



স্কুল অব ওয়েবক্রাফট

ওপেন সোর্স সফটওয়্যার নির্মাতা প্রতিষ্ঠান মজিলা ফাউন্ডেশন এবং পি২পিইউ যৌথভাবে তৈরি করেছে এই ওয়েবসাইট। ওয়েব ডেভেলপমেন্টের জন্য নানান কাজের দক্ষতা তৈরিতে অনলাইনে বিনা মূল্যে বিভিন্ন কোর্স পরিচালনা করে আসছে এটি। বিশ্বব্যাপী সকলেই যেন খুব সহজে এবং বিনা মূল্যে ওপেন সোর্সভিত্তিক বিভিন্ন কাজে দক্ষতা অর্জন করতে পারে, সেই উদ্দেশ্যকে সামনে রেখেই তৈরি করা হয়েছে এই ওয়েবসাইট।

এখানে রয়েছে এইচটিএমএল, সিএসএস, জাভা স্ক্রিপ্ট-এর মতো প্রাথমিক ধাপের ল্যাঙ্গুয়েজ থেকে শুরু করে পিএইচপি, পাইথন/ডিজাংগো, রুবি অন রেইলস-এর মতো প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ শেখার সুযোগ। প্রোগ্রামিংয়ে দক্ষ বিভিন্ন স্তরের মানুষদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় গড়ে উঠেছে এখানকার সংগ্রহশালা। আর এসব বিষয়ে দক্ষ যে  কেউ এখানে নতুন কোর্স যোগও করতে পারবেন।
এখানে বিভিন্ন কোর্সের মাধ্যমে প্রোগ্রামিং শেখার পর সফলভাবে কোর্স সম্পন্নকারীদের জন্য ‘ওপেন ব্যাজেস’ নামক বিশেষ অনলাইন সনদ প্রদান করা হবে, যার গ্রহণযোগ্যতা থাকবে সর্বত্র। এই সাইটের ঠিকানা : http://www.p2pu.org/en/webcraf
[Read More...]


একটি সুন্দর জীবনবৃত্তান্ত তৈরীর কৌশল



আপনার জীবনবৃত্তান্ত (CV) হচ্ছে একজন সম্ভাব্য চাকুরীদাতার কাছে একজন চাকুরীপ্রার্থী হিসাবে উপস্থাপন করার প্রাথমিক মাধ্যম ৷ কিন্তু অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যায় চাকুরীপ্রার্থীরা তাদের জীবনবৃত্তান্ত সুন্দর এবং সঠিকভাবে তৈরী করার ব্যপারে গুরুত্ব প্রদান করে না ৷ ফলশ্রুতিতে অনেক যোগ্য প্রার্থীই Job Interview তে ডাক পায় না এবং যোগ্যতা প্রমানের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয় ৷
আপনার জীবনবৃত্তান্ত (CV) তৈরীর আগে যে সকল বাস্তবতার দিকে নজর রাখবেন—
* একজন চাকুরীদাতা গড়ে একটি জীবনবৃত্তান্ত (CV)-এর উপর ৩০ সেকেন্ডের বেশী সময় দেয় না ৷ সুতরাং এটি হতে হবে সংক্ষিপ্ত ৷ তথ্যগুলোর উপস্থাপন হতে হবে সুস্পষ্ট ৷ অপ্রয়োজনীয় বা অপেক্ষাকৃত কম গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিহার করতে হবে ৷
§ একজন অনভিজ্ঞ/সদ্য পাস করা চাকুরীপ্রার্থীর জীবনবৃত্তান্ত এক থেকে দুই পাতার বেশী হওয়া কোনভাবেই উচিত্ নয় ৷ এক পাতার হলে ভাল হয়।
§ আপনার জীবনবৃত্তান্ত হচ্ছে আপনার নিজেকে বিপণন করার মাধ্যম ৷ সুতরাং এটি হতে হবে আকর্ষণীয় ৷ তবে চটকদার কোন কিছু যেমন রঙিন কাগজ বা রঙিন কালি ব্যবহার করবেন না ৷ কোন কিছু Highlight করতে হলে সেটিকে Bold, italic বা underline করতে পারেন ৷
§ মনে রাখবেন, আপনার জীবনবৃত্তান্তের মধ্যে যদি কোন বানান ভুল বা ভাষাগত/ Grammatical ভুল থাকে তবে সম্ভাব্য চাকুরীদাতার আপনার সম্বন্ধে নেতিবাচক ধারণা হবে ৷ এটি প্রকাশ পাবে যে আপনি কোন কাজই নির্ভুল ভাবে করতে সক্ষম নন ৷ সুতরাং একটি CV তৈরীর পর সেটি নিজে ভাল করে পড়ুন এবং শুদ্ধ ইংরেজী জানেন এমন ব্যক্তিকে দেখিয়ে নিন ৷
§ যখন আপনি কোন নির্দিষ্ট চাকুরী বিজ্ঞপ্তির (job announcement)-এর বিপরীতে আবেদন করার জন্য জীবনবৃত্তান্ত পাঠাবেন, তখন চেষ্টা করুন আপনার CV সেই চাকুরীর চাহিদা অনুযায়ী তৈরী করতে (Customize your CV) ৷ এর জন্য প্রয়োজন চাকুরী বিজ্ঞপ্তি ভাল করে পড়া এবং প্রতিষ্ঠানটি সম্বন্ধে কিছু গবেষণা (Research) করা ৷ উদাহরণ স্বরুপ আপনি যদি জানেন যে নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশের যে কোন স্থানে নিয়োগ দিতে পারে, তাহলে আপনি আপনার CV-তে উল্লেখ করতে পারেন আপনি বাংলাদেশের কোন কোন স্থানে পূর্বে অবস্থান করেছেন ৷ অথবা কোন নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান এমন কোন লোক খুঁজছে যার একজন ‘ সংগঠকের (organizer’) ভূমিকা পালন করতে হবে, সেই ক্ষেত্রে আপনি যদি আপনার ছাত্রজীবনের কোন সাংগঠনকারীর ভূমিকা উল্লেখ করেন তবে আপনার CV নিয়োগকারীর কাছে আলাদা মূল্য পাবে ৷
§ এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ যে আপনি আপনার CV তে সঠিক তথ্য দিবেন ৷ এমন কোন তথ্য দিবেন না যা আপনার Job interview-তে ভুল প্রমানিত হতে পারে ৷
জীবনবৃত্তান্তের (CV) বিভিন্ন অংশ:
একটি জীবনবৃত্তান্তে (CV) যে তথ্যগুলো আপনি সুবিন্যস্ত ভাবে উপস্থাপন করবেন সেগুলো হচ্ছে–
* শিরোনাম (Title)
* সার সংক্ষেপ (Career Summary) –> অভিজ্ঞতা সম্পন্নদের জন্য বেশী প্রয়োজন ৷
* ক্যারিয়ার উদ্দেশ্য (Career objective)–>সদ্য পাশ করা চাকুরী প্রার্থীদের জন্য বেশী প্রয়োজন ৷
* চাকুরির অভিজ্ঞতা (Experience)
* শিক্ষাগত যোগ্যতা (Education)
* অতিরিক্ত তথ্য (Additional Information)
* ব্যক্তিগত তথ্য (Personal Information)
* রেফারেন্স (Reference)
শিরোনাম: (Title)
জীবনবৃত্তান্তের শুরুতেই থাকবে আপনার পুরো নাম ৷ এটা বোল্ড (bold) হবে এবং একটু বড় ফন্টে লিখতে হবে (ডাক নাম পরিহার করুন) ৷ তার পর থাকবে আপনার ঠিকানা (বর্তমান ঠিকানা যেখানে আপনাকে চিঠি দিলে আপনি পাবেন), ফোন নম্বর ও ই-মেইল এড্রেস ৷ এই অংশটুকু পৃষ্ঠার উপরে মধ্যখানে থাকবে, যাতে তা প্রথমেই চোখে পরে ৷
Career Summary( সার সংক্ষেপ )
যে সকল ব্যক্তিদের ৪-৫ বছরের বেশী চাকরীর অভিজ্ঞতা আছে তাদের জন্য এটি বেশী প্রযোজ্য ৷ এই অংশে আপনি সর্বোচ্চ ৬-৭ লাইনে উল্লেখ করুন আপনার পূর্ব চাকরীর অভিজ্ঞতার কর্মক্ষেত্রগুলো ৷ আপনার পূর্ব অভিজ্ঞতার সাফল্যগুলো (Achievement) সংক্ষেপে তুলে ধরুন (যদি থাকে) ৷
Career Objective:
এটি বেশী প্রযোজ্য সদ্য পাশ করা চাকুরী প্রার্থী বা অল্প অভিজ্ঞ (১ / ২ বছর) চাকুরী প্রার্থীদের জন্য ৷ এই অংশে আপনি আপনার চাকুরীক্ষেত্রে বর্তমান লক্ষ্য (Immediate goal) উল্লেখ করুন এবং আপনার যোগ্যতা কিভাবে বিজ্ঞপ্তির (Advertised) চাকুরী বা যে প্রতিষ্ঠানে পাঠাচ্ছেন, তার প্রয়োজন মেটাতে পারে তার প্রেক্ষিতে উপস্থাপন করুন ৷ চাকুরীর জন্য উপযুক্ত ইতিবাচক বৈশিষ্ট্যগুলো সংক্ষিপ্তভাবে উলেখ করুন ৷ চাকুরী বিজ্ঞপ্তি বা কোম্পানির প্রয়োজনের সাথে খাপ খাইয়ে Career Objective লেখা জরুরী ৷ আপনি কোম্পানিকে কি দিতে পারবেন তার ওপর গুরুত্বারোপ করুন, কোম্পানির কাছ থেকে আপনি কি আশা করছেন তার ওপর নয় ৷
Experience: (কর্ম অভিজ্ঞতা)
অভিজ্ঞ পেশাজীবিদের জন্য এই অংশটি শিক্ষাগত যোগ্যতার আগেই আসা উচিত ৷ সদ্য পাশ করা বা অল্প অভিজ্ঞতার ক্ষেত্রে আগে শিক্ষাগত যোগ্যতা (Education) এবং তার পরে experience আসা উচিত ৷
যে সকল তথ্য আপনার প্রতিটি পূর্ব অভিজ্ঞতার ক্ষেত্রে উল্লেখ করবেন সেগুলো হচ্ছে,
* Organization name (প্রতিষ্ঠানের নাম)
* Designation (পদবী)
* Time period- From & To (সময়কাল)
* Job responsibility (দায়িত্ব)
* Special achievement (উল্লেখযোগ্য সাফল্য)
আপনি যদি একই প্রতিষ্ঠানে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন পদে কাজ করে থাকেন, তাহলে আলাদা আলাদা ভাবে তা উল্লেখ করুন ৷
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে আপনি প্রথমেই উল্লেখ করবেন আপনার সাম্প্রতিক অভিজ্ঞতা (most recent experience), তার পরে এক এক করে Resume Chronological Order-এ একটির পর একটি অভিজ্ঞতা উল্লেখ করবেন যা শেষ হবে আপনার সর্বপ্রথম অভিজ্ঞতা দিয়ে ৷
আপনার খুব কম গুরুত্বপূর্ণ বা কম সময়ের অভিজ্ঞতা উল্লেখ না করাই ভাল ৷ তবে লক্ষ্য রাখবেন যে আপনার List of experience এর মধ্যে যাতে খুব বেশী Time gap না থাকে ৷
Education & Training (শিক্ষাগত যোগ্যতা ও প্রশিক্ষণ)
আগেই বলা হয়েছে যে এই অংশটি সদ্য পাশ করা বা অল্প অভিজ্ঞদের জন্য Experience অংশের আগেই আসা উচিত্ ৷ Education অংশে আপনি আপনার ডিগ্রিগুলোর নাম উল্লেখ করবেন এবং নিম্নেবর্ণিত তথ্য প্রদান করবেন ৷
* ডিগ্রির নাম (যেমন: SSC, HSC, BCom)
* কোর্স সময়কাল (কবে থেকে কবে)
* শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং বোর্ডের নাম ৷
* পরীক্ষার বছর এবং প্রয়োজনে ফলাফল প্রকাশের সময় ৷
* ফলাফল/Result এবং যদি উল্লেখযোগ্য সাফল্য (যেমন: মেধাতালিকায় স্থান) থাকে তবে তার উল্লেখ করতে হবে ৷
Experience-এর মতো এক্ষেত্রেও আপনি আপনার সবচেয়ে সাম্প্রতিক ডিগ্রির উল্লেখ আগে করবেন এবং তার পর পর্যায়ক্রমিক ভাবে বাকিগুলো উল্লেখ করবেন ৷
লক্ষ্য রাখবেন আপনার কোন ডিগ্রির চূড়ান্ত ফলাফল এখনও প্রকাশ না হয়ে থাকলে সেই ডিগ্রির উল্লেখ করার সময় ব্র্যাকেটে ‘Appeared’ উল্লেখ করবেন ৷ কোন কোর্সে অধ্যায়নরত থাকলে ‘Ongoing’ উল্লেখ করুন ৷ কোন ডিগ্রির ক্ষেত্রে আপনার Result যদি খুব খারাপ হয়ে থাকে তবে কোন Result-ই উল্লেখ করার দরকার নেই ৷ মনে রাখবেন একটি ডিগ্রির ফলাফল উল্লেখ করা ও অন্যটি উল্লেখ না করা দৃষ্টিকটু ৷
আপনি যদি কোন বিশেষ প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করে থাকেন এবং যদি তা আপনার কাজের যোগ্যতার সহায়ক বলে মনে করেন তবে তা উল্লেখ করবেন ৷ সেক্ষেত্রেও প্রশিক্ষণকারী প্রতিষ্ঠানের নাম, Topics, প্রতিষ্ঠানের সময় (Duration) তারিখ উল্লেখ করবেন ৷প্রশিক্ষণের তালিকা আপনি Education অংশের নীচে দিতে পারেন ৷
অতিরিক্ত তথ্য / Additional Information:
যে সকল তথ্য উপরে উল্লেখিত অংশগুলোর মধ্যে পড়ে না কিন্তু চাকরির সাথে সম্পর্কিত তা এ বিভাগে বর্ণনা করুন ৷
* পেশাগত অর্জন / Professional Achievement
* পদক/ সম্মাননা/ Award.
* ভাষাগত দক্ষতা / Language Literacy
* কম্পিউটারে দক্ষতা / Computer Skills.
* লাইসেন্স,সরকারি পরিচয়পত্র, প্রকাশিত লেখা ও সত্বাধিকার
* স্বেচ্ছাসেবী কর্মকান্ড ইত্যাদি
ব্যক্তিগত তথ্য / Personal Information:
এই অংশে পিতামাতা, বর্তমান/স্থায়ী ঠিকানা, ধর্ম, যে সকল দেশ আপনি ভ্রমণ করেছেন, শখ ইত্যাদি এখানে উল্লেখ করা যেতে পারে ৷
রেফারেন্স (Reference):
খেয়াল রাখবেন Reference অংশে আপনি আপনার নিকট আত্মীয়দের নাম উল্লেখ করবেন না ৷ আপনাকে আপনার ছাত্র জীবনে বা কর্মজীবনে কাছ থেকে দেখেছে এমন ব্যক্তিকেই আপনি Reference হিসাবে উল্লেখ করবেন ৷ অবশ্যই যাদেরকে Reference দিবেন তাদের ফোন নাম্বার, ঠিকানা এবং ই-মেইল (যদি থাকে) উল্লেখ করবেন ৷ সাধারণত Reference হিসাবে সর্বোচ্চ ২-৩ জনের নাম উল্লেখ করাই শ্রেয় ৷ তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যে ব্যাপারের দিকে খেয়াল রাখতে হবে তা হচ্ছে আপনি যাদেরকে Reference হিসাবে উল্লেখ করেছেন সে সকল ব্যাক্তিকে আপনার আগে থেকে জানাতে হবে যে আপনি তাদের Reference হিসাবে আপনার জীবনবৃত্তান্ত (CV)- তে উল্লেখ করেছেন ৷
[Read More...]


Typical interview question




  1. Tell something about yourself. It is the most often asked question during an interview. Candidates need to have a short statement prepared in their mind. But it should not sound rehearsed. Limit it to work-related items unless instructed otherwise. Tell about things you have done and jobs you have held that relate to the position you are interviewing for. Start with the item farthest back and work up to the present. Keep your answer to a minute or two at most. Cover 5 topics including personal introduction, early years, education, work history, and recent career experience.
  2. What is your strength? For this question numerous answers are good, just stay positive. A few good examples may be a) Your ability to prioritize, b) Your problem-solving skills, c) Your ability to work under pressure, d) Your ability to focus on projects, e) your professional expertise, f) your leadership skills, g) your positive attitude towards works etc., in addition to your strong academic background.
  3. What is your weakness? The interviewer who asks this question is looking to see how honest you are with yourself, and how well you deal with your own shortcomings. Don’t pretend you don’t have weaknesses, and don’t avoid answering the question. This is your chance to show that you are honest and take responsibility for your actions.A good way to answer this question is to mention your weakness, then tell what you have done to overcome that weakness. The most comprehensive way of dealing with this question is to try and turn it into a “positive” from a “negative”.
  4. Do you consider yourself successful?You should always answer yes and briefly clarify the reason. A good explanation is that you have set goals, and you have met some and are on track to achieve the others.
  5. What do you know about this organization? This question is one reason to do some research on the organization before the interview. Find out where they have been and where they are going. You should be able to discuss products or services, revenues, reputation, image, goals, problems, management style, people, history and philosophy. However don’t act as if you knew everything about the place. Let your answer show that you have taken the time to do some research, but don’t try to overwhelm the interviewer, and make it clear that you wish to learn more. Give your answer a positive tone.
  6. Are you applying for other jobs? Be honest but do not spend a lot of time in this area. Keep the focus on this job and what you can do for this organization.
  7. Why do you want to work for this organization? This may take some thought and certainly, should be based on the research you have done on the organization. Sincerity is really important here and will easily be sensed. Relate it to your long-term professional objectives.
  8. If your resume suggests that you are over-qualified for the specific position, what will be your opinion? Emphasize your interest in establishing a long-term relationship with the company. You can say that if you perform well in his job, new opportunities will open up for you. Mention that a strong company needs a strong staff. Observe that experienced executives are always at a premium. Suggest that since you are so well qualified, the employer will get a fast return on his investment.
  9. How do you handle stress and pressure? A typical interview question, asked to get a sense of how you handle on-the-job stress, is “How do you handle pressure?” Examples of good responses include:
    • The appropriate way to deal with stress is to make sure I have the correct balance between good stress and bad stress. I need good stress to stay motivated and productive.
    • I react to situations, rather than to stress. That way, the situation is handled and doesn’t become stressful.
    • I actually work better under pressure and I’ve found that I enjoy working in a challenging environment.
    • Prioritizing my responsibilities so I have a clear idea of what needs to be done when has helped me effectively manage pressure on the job.
    • If the people I am managing are contributing to my stress level, I discuss options for better handling difficult situations with them.
  10. Why did you leave your last job? Stay positive regardless of the circumstances. Never refer to a major problem with management and never speak ill of supervisors, co-workers or the organization. If you do, you will be the one looking bad. Talk about leaving for a positive reason such as an opportunity, a chance to do something special or other forward-looking reasons.
  11. What experience do you have in this field? Speak about specifics that relate to the position you are applying for. If you do not have specific experience, get as close as you can.
  12. What is your expected salary? It is a tough question. Rather you can ask the interviewer about the range for this position. In most cases he will tell you. If not, say the salary range will depend on the details of the job. You can also say that you feel you need to know more about the position’s responsibilities before you could give a meaningful answer to that question. When you reach the final stage of the interview process, you know that the company is genuinely interested in you and that it is likely to be flexible in salary negotiations.
  13. Are you a team player? Of course, you are a team player. Specifics that show you often perform for the good of the team rather than for yourself are good evidence of your team attitude. Just say it in a matter-of-fact tone. This is a key point.
  14. Explain how you would be an asset to this organization. You should be anxious for this question. It gives you a chance to highlight your best points as they relate to the position being discussed. Give a little advance thought to this relationship.
  15. Tell me about your dream job. Stay away from a specific job. The best is to stay generic and say something like: A job where I love the work, like the people, can contribute and can’t wait to get to work.
  16. Money or work – what is more important to you? Money is always important, but the work is the most important. There is no better answer.
  17. What has disappointed you about a job? Safe areas are few but can include: not enough of a challenge. You were laid off in a reduction Company did not win a contract, which would have given you more responsibility.
  18. Tell me about your ability to work under pressure. You may say that you thrive under certain types of pressure. Give an example that relates to the type of position applied for.
  19. What motivates you to do your best on the job? This is a personal trait that only you can say, but good examples are: Challenge, Achievement, Recognition etc.
  20. Would you be willing to relocate if required? Be honest at this point and save yourself future grief. Do not say “yes” just to get the job if the real answer is “no”. You should be clear on this with your family prior to the interview.
  21. What have you learned from mistakes on the job? Here you have to come up with something or you strain credibility. Make it small, well intentioned mistake with a positive lesson learned.
  22. In your current (last) position, what features do (did) you like the most?The least?Be careful and be positive. Describe more features that you liked than disliked. Don’t cite personality problems. If you make your last job sound terrible, an interviewer may wonder why you remained there until now.
  23. What do you think of your boss? Be as positive as you can. A potential boss is likely to wonder if you might talk about him in similar terms at some point in the future.
  24. Do you have any questions for me? Always have some questions prepared. Questions prepared where you will be an asset to the organization are good. How soon will I be able to be productive? and What type of projects will I be able to assist on? Are examples.
  25. Where do you expect your career to be in 10 years? You need to answer this question carefully.  Don’t give the impression that you’re using this company as a stepping-stone to another career.  Think of a related managerial position within the company that would interest you.
[Read More...]


Information on BSC Exam




General Information:

(i)  BCS Examination: 
1) Total number of Cadres: BCS Examinations are held for 28 different cadres.
2) Eligibility: 
(a) Age
i) 21 to 30 years (for general candidates) 
ii) 21 to 32 years:
(a) For freedom fighter’s children and health cadre,
(b) Tribal candidates for only general education cadre.
3) Preliminary Examination:
As a screening test this examination is carried out on the following pattern:
Subjects: Bangla, English, General Knowledge, Bangladesh & International affairs, General Science and Technology, Mathematical Reasoning, Everyday science and Mental Ability.
Duration: 1 hour
Marks: 100
Question Type: Objective type question
4) Subjects for written Examination:
  • For general cadres: Nine compulsory subjects.
    General Bangla = 200 Marks
General English = 200 Marks
Bangladesh Affairs = 200 Marks
International Affairs = 100 Marks
Mathematical Reasoning and Mental = 100 Marks
General Science and Technology = 100 Marks
Viva Voce = 100 Marks
  • For technical cadres: Seven compulsory subjects and two post related subjects.
General Bangla = 100 Marks
General English = 200 Marks
Bangladesh Affairs = 200 Marks
International Affairs = 100 Marks
Mathematical Reasoning and Mental = 100 Marks
Two papers for post related subject = 200 Marks
Viva Voce = 100 Marks
  • One applying for both cadres: Nine compulsory subjects and two post related subjects.
5) Place of Examination:
Preliminary test and written examination will be held in Dhaka, Chittagong, Rajshahi, Khulna, Barisal and Sylhet.
6) Quota Distribution:
Quota Distribution (for both cadre and non-cadre class I & II gazetted posts):
i) Merit: 45%
ii) District: 55%
a) Freedom Fighter/Freedom
fighter’s daughters/sons: 30%
b) Female: 10%
c) Tribal: 5%
d) General Quota: 10%
(ii) Non Cadre Examination:
Two conventional recruitment processes are followed for the recruitment of non-cadre gazetted class-I and class-II officers. These processes are:
(a) Preliminary, written and viva voce examination.
(b) Written and viva voce examination.
(iii) Departmental Examination:
There are 28 different cadres of the Bangladesh civil service. Every officer of the entry level posts of a cadre service must meet the requirements and qualify in a departmental examination conducted by the Public Service Commission. The BPSC also conducts departmental examinations for certain varieties of non cadre services. The examination is held twice a year, possibly in June and December.
(iv) Senior Scale Examination:
There are 28 different cadres of the Bangladesh civil service. Every officer after being confirmed to the cadre post has to be eligible in a Senior Scale examination for promotion to a senior scale post. This examination is also conducted by the Public Service Commission. The examination is held twice a year, possibly in February and August.
Examination System
There are 3 successive stages in the BCS examination. These stages are:
1. Preliminary Examination: This examination is a screening test.
2. Written examination: The Minimum average qualifying marks is 50%. A candidate securing less than 25% marks in any subject will be deemed to have secured no marks in that subject.
3. Viva voce examination: Each successful candidate after the written examination will be interviewed by a board to be constituted by the commission in this behalf. The minimum qualifying marks for the viva is 40%.
Final merit tabulation: Final merit list is prepared on the basis of written and viva marks of the successful candidates.
Quota Distribution: The Quota is distributed on the basis of final merit list, quota reserved for matching the choice of the candidates and the availability of the posts.
Exam Query
Candidates are advised to use their registration number for finding their results.
[Read More...]


Question answer of 33rd BCS exam




33rd BCS exam was held on 1st June 2012. Here is the solution of all the questions of that exam. If you appeared for the exam, check these answers to ensure your answers were correct. Or if you are going to appear for the next BCS exam, then know about these questions-answers to update yourself.
সাধারণ জ্ঞানঃ
১. বাংলাদেশের সংবিধান এ পর্যন্ত সংশোধিত হয়েছে – খ) ১৫ বার।
২. পূর্বাশা দ্বীপের অপর নাম – গ) দক্ষিণ তালপট্টি।
৩. মুজিবনগর অবস্থিত – গ) মেহেরপুরে
৪. সেন্টমার্টিন অবস্থিত – ঘ) কক্সবাজার জেলায়।
৫. বাংলাদেশের সর্বাধিক বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী – গ) রেডিমেড গার্মেন্টস।
৬. শালবন বিহার অবস্থিত – ঘ) কুমিল্লার ময়নামতি পাহাড়ের পাশে।
৭. সাবাস বাংলাদেশ ভাস্কর্যটি অবস্থিত – ঘ) রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে।
৮. এশিয়া কাপ ক্রিকেট, ২০১২ অনুষ্ঠিত হয় – খ) শেরে বাংলা জাতীয় স্টেডিয়াম।
৯. বাংলাদেশের জাতীয় দিবস – গ) ২৬শে মার্চ।
১০. শ্রীলংকার মুদ্রার নাম – ঘ) রূপী।
১১. সার্ক এর সদস্য দেশ – গ) ৮টি।
১২. বাংলাদেশের প্রথম প্রধান সেনাপতি – ঘ) জেনারেল আতাউল গণি ওসমানী।
১৩. বাংলাদেশের রাজধানী – গ) ঢাকা।
১৪. পৃথিবীর বৃহত্তম বিমান বন্দরটি কোথায় অবস্থিত – ঘ) জেদ্দা।
১৫. পৃথিবীর গভীরতম স্থান – গ) প্রশান্ত মহাসাগর।
১৬. পৃথিবীর গভীরতম হ্রদ – খ) বৈকাল
১৭. ২০১৪ সালের বিশ্বকাপ ফুটবল অনুষ্ঠিত হবে – গ) ব্রাজিলে।
১৮. শিল্পী জয়নুল আবেদীনের সংগ্রহশালা – খ) ময়মনসিংহ।
১৯. কোলকাতা ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে পুরস্কারপ্রাপ্ত বাংলাদেশী ছবি – খ) গেরিলা
২০. বাংলাদেশের আপিল বিভাগে মোট বিচারক – ক) ১১ জন।
দৈনন্দিন বিজ্ঞানঃ
২১. এ্যান্টিবায়োটিক – গ) পেনিসিলিন।
২২. জন্ডিসে আক্রান্ত হয় – ক) যকৃত।
২৩. বিদ্যু৭ পরিবাহী নয় – ঘ) রাবার।
২৪. নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস – ক) সূর্যরশ্মি।
২৫. ইন্টারনেট চালু হয় – গ) ১৯৬৯ সালে।
২৬. MKS পদ্ধতিতে ভরের একক – ক) কিলোগ্রাম।
২৭. চুম্বকে পরিণত করা যায় – খ) ইস্পাত।
২৮. Altimeter হল – ঘ) উচ্চতা পরিমাপক যন্ত্র।
২৯. মৌলিক পদার্থ – ক) লোহা।
৩০. স্বাভাবিক তাপমাত্রায় তরল ধাতু – ক) পারদ।
৩১. স্টেইনলেস স্টিলের অন্যতম উপদান – গ) ক্রোমিয়াম।
৩২. সর্বাপেক্ষা হালকা গ্যাস – খ) হাইড্রোজেন।
৩৩. ভারী পানির সংকেত – গ) D2O
৩৪. লোহাকে গ্যালভানাইজিং করতে ব্যবহৃত হয় – খ) দস্তা।
৩৫. পিতলের উপাদান – খ) তামা ও দস্তা।
৩৬. সিমেন্ট তৈরির কাঁচামাল – ক) জিপসাম।
৩৭. বিগব্যাঙ তত্ত্বের প্রবর্তক – খ) জি. ল্যামেটার।
৩৮. মহাজাগতিক রশ্মির আবিষ্কারক – ক) হেস।
৩৯. ইউরি গ্যাগারিন মহাশুন্যে যান – খ) ১৯৬১ সালে।
৪০. গীনিচ মানমন্দির – ক) যুক্তরাজ্যে।
অংকঃ
৪১. তিন সদস্যের বিতর্ক দল …………….. খ) ৩০ বছর।
৪২. (√3*√4)…… ঘ) 144
৪৩. সমকোণী ত্রিভুজের ……… ক) ১০ সেমি।
৪৪. mx+ny / m+n
৪৫. (a/b)…… ঘ) 4
৪৬. √√a….. গ) a↑1/3
৪৭. একটি সাবানের আকার ……. ক) ২৬৪০টি।
৪৮. সেট A…. গ) {5, 15,20}
৪৯. ১, ১, ২,…………… খ) ৫৫
৫০. 4↑x + …….. গ) 2↑2x+2
৫১. রকীব সাহেব…..সুদের হার খ) ১৬-২/৩%
৫২. 2/√3+√2
৫৩. ৫ জন শ্রমিক…… ক) ৫ দিন।
৫৪. 36………… ঘ) 2
৫৫. একটি ত্রিভুজের দুটি কোণ … ক) সমকোণী।
৫৬. (x-y,3)=(0, x+2y)…… ক) (1,1)
৫৭. x/y …….. গ) y↑2 – x↑2 /xy
৫৮. আয়তাকার ঘরের ….. খ) ৯৬ বর্গমিটার।
৫৯. ৩ সেমি, ৪ সেমি, ……….. গ) ৬ সেমি।
৬০. একটি রম্বসের….. ক) ২৪ সেমি।
বাংলাঃ
৬১. চর্যাপদ রচিত – গ) মাত্রাবৃত্ত।
৬২. কবিওয়ালা ও শায়েরের উদ্ভব – ক) আঠারো শতকের শেষার্ধে ও ঊনিশ শতকের প্রথমার্ধে।
৬৩. কবি গানের প্রথম কবি – ক) গোজলা পুট।
৬৪. কেন পান্থ…. ক) কৃষ্ণ চন্দ্র মজুমদার
৬৫. সঠিক চরণ – ক) ধন ধান্যে পুষ্পে ভরা।
৬৬. শুদ্ধ নয় বানান – ঘ) উর্দ্ধ
৬৭. গৃহী এর বিপরীত শব্ধ – ঘ) সন্ন্যাসী।
৬৮. Excise duty অর্থ – খ)আবগারি শুল্ক।
৬৯. শুদ্ধ বাক্য – খ) দরিদ্রতা আমাদের প্রধান সমস্যা।
৭০. তুমি আসবে বলে হে স্বাধীনতা …. ক) সরল।
৭১. অগ্নি এর সমার্থক নয় – ঘ) প্রজ্জলিত।
৭২. সঠিক বানান – গ) নিশীথিনী।
৭৩. কোলন – খ) ঃ
৭৪. কল্লোল প্রকাশিত হয় – ক) ১৯২৩ সালে।
৭৫. সুকান্ত ভট্টাচার্যের রচনা – ক) হরতাল।
৭৬. ঢাকের কাঠি অর্থ – ঘ) মোসাহেব।
৭৭. বঙ্কিমচন্দ্রের বিষবৃক্ষ …… ক) কুন্দনন্দিনী।
৭৮. শুদ্ধ বানান – খ) পিপীলিকা।
৭৯. গীতাঞ্জলীর ইংরেজী অনুবাদ সম্পাদনা করেন – গ) W B Yeats
৮০. The Origin and Development of Bengali Language লেখা – খ) ড. সুনীতি কুমার চট্টোপাধ্যায়।
ইংরেজিঃ
৮১. Noureen will discuss the issue with Nasir _______ phone. খ) over
৮২. Some writer sink _______ oblivion in course of time. ঘ) into
৮৩. Call to mind – means গ) remember
৮৪. Pass away – means খ) die
৮৫. Authoritarian – means ক) autocratic
৮৬. Permissive – implies গ) liberal
৮৭. Each of the sons followed _______ father’s trade. ঘ) his
৮৮. Subject – verb agreement refers to – গ) Number and person
৮৯. The error in the sentence, ‘One of the recommendation made by the committee was accepted by the authorities’ is – ক) recommendations
৯০. ‘The French’ refers to – ক) The French people
৯১. If a person cannot stop taking drugs, he is – গ) addicted to them.
৯২. The word ‘officialese’ means – খ. language used in offices
৯৩. ‘Succumb’ means – খ) submit
৯৪. We look forward to ____ a response from you. ক) to receiving
৯৫. If a part of a speech or writing breaks the theme, it is called – খ. digression
৯৬. The expression ‘take into account’ means খ) consider
৯৭. কর্তপক্ষ তাকে তিরস্কার করল – ঘ) The authorities took him to task.
৯৮. ‘Such claim needs to be tested empirically’ means – গ) The test should be based on experience.
৯৯. The idiom ‘put up with’ means – খ) tolerate
১০০. In many ways, riding a bicycle is similar to – ক) driving a car.
[Read More...]


নিয়ে নিন HD ফেসবুক চ্যাট ইমু । যারা ফেসবুক চালান তারা একবার হলেও এদিকে আসেন
বিল গেটস ::: কম্পিউটার জগতের জীবন্ত কিংবদন্তী
Youtube এর Video দেখুন,শুধু মাত্র নিচের Addon ডাউনলোড এর মাধ্যমে ...
বই ও সফটওয়্যারের জন্য আপনাকে আর কারো কাছে সাহায্য চাওয়া লাগবে না …… আমার সংগ্রহের সবকিছু শেয়ার করলাম
 

Flash Labels by Way2Blogging

Translate

free counters

Clock

Return to top of page Copyright © 2010 | Platinum Templates Converted into Blogger Template by SEO Templates
^ Back to Top