আসুন YouTube এর কিছু লুকনো ম্যাজিক দেখি



ম্যাজিক নং ১)প্রথমে এই লিঙ্ক এ চলে যান বা ইউটুব.কম খোলেন,
এবার সার্চ বার এ Doge meme লিখে সার্চ দিন আর দেখুন ম্যাজিক, আপনার ইউটিউব এর ফ্রন্ট স্টাইল আর কালার পরিবর্তন হয়েগেছে নীচের ছবির মতো।
Doge meme
ম্যাজিক নং ২)
এবার সার্চ বার এ Beam me up Scotty লিখে সার্চ দিন বা এন্টার এ চাপ দিন, দেখবেন আপনার ইউটিউব স্ক্রিন এ বৃষ্টির মতো এফেক্ট উপর থেকে নীচের দিকে পরছে।
স্ক্রীন সট টি দেখুন,
Beam me up Scotty

ম্যাজিক নং ৩)
এই ম্যাজিকটা খুব মজাদার Use the Force Luke লিখে সার্চ দিন বা এন্টার চাপুন, আপনার ইউটিউব অ্যানিমেটেড হয়ে যাবে ভিডিও এর সঙ্গে টেক্সট গুলো স্ক্রীন এ ভাসতে থাকবে।
স্ক্রীন সট টি দেখুন,
Use the Force Luke
ম্যাজিক নং ৪)
এবার আসি সবথেকে মজাদার ম্যাজিক এ এটা আমার খুব ভালো লেগেছে আশা করি আপনাদেরও খুব ভালো লাগবে, এই ম্যাজিক এ ইউটিউব গানের তালে তালে নাচতে থাকবে।
ম্যাজিকটি দেখার জন্য আপনাকে সার্চ বারে Do the Harlem Shake লিখে সার্চ দিতে হবে কিছুক্ষণের মধ্যে একটা গান বাজবে আর ইউটিউব নাচবে।
do the harlem shake
[Read More...]


Nexus Root Toolkit (100% Safest, Easiest, Smartest & Trusted)



Backup/Restore
    Lock/Unlock
    Root/Unroot
    Flash Stock ROM

Nexus Root Toolkit (100% Safest, Easiest, Smartest & Trusted): http://www.wugfresh.com/nrt/

Universal Naked Driver (USB Driver): http://forum.xda-developers.com/google-nexus-5/development/adb-fb-apx-driver-universal-naked-t2513339

Watch & Follow step by step: https://www.youtube.com/watch?v=KnlUdjUaD3Q&app=desktop

Supported Nexus Devices:

· Galaxy Nexus: GSM Models (both yakju and non-yakju builds)
· Galaxy Nexus: CDMA/LTE Verizon Models
· Galaxy Nexus: CDMA/LTE Sprint Models
· Nexus S: Worldwide, i9020t and i9023 Models
· Nexus S: 850MHz, i9020a Models
· Nexus S: Korea, m200 Models
· Nexus S 4G: d720 Models
· Nexus 4: LG Phone
· Nexus 5: LG Phone

· Nexus 6: Motorola Phone

· Nexus 7 1st Gen. (2012) WiFi: ASUS Tablet
· Nexus 7 1st Gen. (2012) WiFi/3G: ASUS Tablet
· Nexus 7 2nd Gen. (2013) WiFi: ASUS Tablet
· Nexus 7 2nd Gen. (2013) WiFi/3G/LTE: ASUS Tablet
· Nexus 9 WiFi: HTC Tablet

· Nexus 9 WiFi/LTE: HTC Tablet
· Nexus 10: Samsung Tablet

[Read More...]


ADB, fastboot এবং Driver ইন্সটল।



১. ADB, fastboot এবং Driver ইন্সটল।     >> এখান থেকে fastboot.zip ফাইল টা নামাতে হবে।  http://downloadandroidrom.com/file/tools/fastboot.zip       

          zip ফাইলটা  extract করে desktop এ কপি করুন এবং nexus নামে rename করুন।

    >> nexus 5 এর জন্য নিচের লিংক থেকে driver ডাউনলোড করে নিতে হবে। এখানে কয়েকটা driver আছে। আমার জন্য "universal naked driver" কাজ করেছে।  http://www.theandroidsoul.com/nexus-5-driver-adb-fastboot-installation-guide/

    >> ADB, FASTBOOT এবং driver ঠিকমতো ইন্সটল হয়েছে কিনা সেটা চেক করে নেয়ার জন্য এই কাজটা করতে হবে...                ## মোবাইল developer অপসন থেকে usb  debugging ইনাবল করে নিন। এখন মোবাইল off করে বুটলোডার মুডে যান (power button+volume dawn)। usb ক্যাবল দিএ pc এর সাথে কানেক্ট করুন।

         ##windows এর  start মেনু থেকে cmd টাইপ করে command prompt  চালু করেন। এবার লাইন বাই লাইন type করুন।

cd Desktop  ( enter চাপুন)

cd nexus adb version

        >>জদি সবকিছু ঠিকঠাক থাকে তাহলে এই লেখা উঠবেঃ "android Debug bridge version x.x.x.x"  ২. nexus 5 এর জন্য android 5.0 ডাওনলোড করে নিন। ctrl চেপে ডাউনলোড লিংকে click করুন।

      http://developer.android.com/preview/index.html#Start

৩. android 5.0 এর ফাইলটা extract করুন। এবার hammerhead-lpx13d ফাইল এর ভিতরের সবগুলো ফাইল সিলেক্ট  করে desktop এর nexus ফাইলে paste করুন।

৪. মোবাইল developer অপসন থেকে usb  debugging ইনাবল করে নিন। এখন মোবাইল off করে বুটলোডার মুডে যান (power button+volume dawn)। usb ক্যাবল দিএ pc এর সাথে কানেক্ট করুন।

৫. এখন windows এর start মেনু থেকে command চালু করে লাইন বাই লাইন টাইপ করুন।

>>cd desktop  >>cd nexus  >>fastboot flash bootloader bootloader-hammerhead-hhz12d.img >>fastboot reboot-bootloader  >>fastboot flash radio radio-hammerhead-m8974a-2.0.50.2.21.img  >>fastboot reboot-bootloader 

>>fastboot -w update image-hammerhead-lpx13d.zip

৬. আপনার কাজ শেষ।

NOTE:  >> শেষেরটা  copmplete হতে একটু সময় লাগবে আবং কিছু লেখা আসবে এমন....... not found/connected. এগুলো দেখে                 ঘাবড়াবার কোন কারন নেই।  >> command গুলো টাইপ করার সময় খেয়াল করে আপনার ফাইলগুলোর সাথে নাম মিলিয়ে টাইপ করুন।  >> সব complete হয়ে গেলে প্রথমবার boot হতে সময় লাগবে।## আরো ভালোভাবে বুঝার জন্য এই ভিডিওটা দেখে নিতে পারেন। https://www.youtube.com/watch?v=fdNV52dwyFc

[Read More...]


Passport process for Bangladesh: পাসপোর্ট করার সহজ নিয়মাবলী।



Passport
পাসপোর্ট (Passport) ছাড়া আপনি কি নিজকে বাংলাদেশী নাগরিক ভাবতে পারেন। নিজের পাসপোর্ট (Passport) থাকা জরুরী। পত্রিকা পড়ে অনেকের পাসপোর্টকরা নিয়ে ভিতি ভাব আছে । অফিসিয়াল ব্যাপারগুলো আত্মবিশ্বাসের সাথে করলে একটা না একটা উপায় সহজভাবেই বের হয়ে আসে। বর্তমানে অনলাইনে পাসপোট (Passport) ফরম জমা দিলে লম্বা লাইনে দাঁড়াতে হয় না । পরে নিধারিত সময়ে দালালের খপ্পড় বা পাসপোর্ট (Passport) অফিসের কারো কোন সমস্যার ছাড়াই একদম সরাসরি যেয়ে ছবি তুলে ও ফিঙ্গারিং করা যায়। এতে অনাহুত খরচের বালাই নেই।
যারা অনলাইনে মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট করতে যাচ্ছেন, তাদের জন্য ব্যাপারটাকে আরো সহজ করে তোলার জন্য এই পোস্ট। আপনিও খুব সহজেই পারবেন। কারণ অনলাইনে পাসপোর্ট (Passport) পাওয়া অনেক অনেক সহজ একটা কাজ যদি একটু জানা থাকে । পাসপোর্ট (Passport) হাতে পাওয়াসহ সব মিলিয়ে আপনাকে মাত্র তিনদিন যেতে হবে ।আর সাথে টুকিটাকি যদি জানা থাকে তাহলে আর কথাই নেই ।
আসেন, একদম শুরু থেকে শুরু করি অনলাইনে পাসপোর্ট (Passport) ফর্ম পূরণ করা এবং পরের ধাপের কাজগুলো নিয়ে।

প্রথম ধাপ : ব্যাংকে টাকা জমা দেয়া।

  • সোনালী ব্যাংকের কলেজ গেইট শাখায় পাসপোর্ট (Passport) আবেদনের ফি হিসাবে টাকা জমা দিতে হবে। রেগুলার ফি ৩০০০/- টাকা ( ১ মাসের মধ্যে পাসপোর্ট (Passport) পেতে হলে) আর ইমারজেন্সি ফি ৬০০০/- টাকা ( ১৫ দিনের মধ্যে পাসপোর্ট (Passport) পেতে হলে) ।
প্রথমেই টাকা জমা দেয়া প্রয়োজন এই কারণে যে , অনলাইনে ফর্ম পূরণ করার সময় টাকা জমা দেয়ার তারিখ এবং জমাদানের রিসিটের নাম্বারউল্লেখ করার প্রয়োজন হবে। তাই টাকা আগে জমা দেয়া থাকলে একবারেই ফর্ম পূরণ করা হয়ে যাবে।

টিপস

-ভুলেও আবার আগারগাঁও সোনালী ব্যাংকের শাখায় গেলে – – – – – । সোনানী ব্যাংকের কলেজ গেইট শাখায় বেশ দ্রুত টাকা জমাদেয়া যায় , কারণ এইখানে ভিড়টা কম । আপনার সুবিধামত সোনালী ব্যাংকের শাখায় / ব্রাঞ্চে টাকা জমা দিয়ে রিসিট বুঝে নিন ।
লাইনে দাঁড়ালে ব্যাংকের কাজ শুরুর আগেই ব্যাংকের লোকজন রিসিট দিয়ে যাবে। বা নিজেই টাকা দেয়ার রিসিট সংগ্রহ করে নিন । রিসিট পেলেইংরেজি ব্লক লেটার স্পষ্টভাবে পূরণ করুন। সাথে অবশ্যই কলম রাখুন।
(আমি যখন টাকা জমা দিয়েছিলাম , তখন আগারগাঁও ব্রাঞ্চ এ টাকা জমা নিত , এখন খোঁজ নিয়ে দেখলাম সেখানে টাকা জমা নেয়া বন্ধ ! এছাড়াঅনলাইনে যেসব ব্রাঞ্চের লিস্টগুলো আছে , তার অনেকগুলোতেই টাকা জমা নেয় না । তাই ঢাকায় থাকলে কলেজ গেইট ব্রাঞ্চেই যাওয়া বেটার)

দ্বিতীয় ধাপ – অনলাইনে ফর্ম পূরণ

  • অনলাইনে ফরম পূরণের জন্য প্রথমেই যান পাসপোর্ট (Passport) অফিসের এই সাইটে – http://www.passport.gov.bd/http://www.passport.gov.bd/ । নির্দেশনা ভালোভাবে দেখুন , সতর্কতার সাথে একাউন্ট করুন ।আপনার নাম ও ব্যক্তিগত তথ্যাদি ( যেমন নামের বানান, প্যারেন্টস এর নাম ) যেন শিক্ষাগত সার্টিফিকেটের মতই হয় সেদিকে খেয়াল রাখুন। টাকা জমা দেয়ার তারিখ এবং রিসিট নাম্বার উল্লেখ করুন।
সবশেষে আপনি যেদিন ছবি তোলা ও হাতের ছাপ দেয়ার জন্য বায়োমেট্রিক টেস্ট দিতে যেতে চান, সুবিধামত সেইদিনটা নির্বাচন করে সাবমিটকরুন। অর্থ্যাৎ আপনি নিজের পছন্দসই সময়েই যেতে পারছেন ! ব্যাপারটা খু্বই মজার না !
পুনরায় চেক করার পর সবশেষে সাবমিট করুন । সফলভাবে সাবমিশন শেষ হলে পূরণকৃত ফর্মের একটি পিডিএফ কপি আপনার মেইলে চলেআসবে । এইধাপ এইখানেই শেষ।

 টিপস  1

–  অনলাইনে একাউন্ট খোলার পরপরই আপনাকে ইউজার আইডি এবং পাসওয়ার্ড জানিয়ে দেবে । সেটা সংরক্ষণ করুন। আর ছবিতোলার জন্য যেদিন সময় দেবেন সেদিনটা ফ্রি রাখবেন। সময় লাগতেও পারে এই দিনে যদি মানুষ বেশী হয় ।

তৃতীয় ধাপ

– জমা দেয়ার আগে ফর্মের প্রিন্ট এবং সত্যায়ন আপনার পূরণকৃত ফর্মের যেই পিডিএফ কপিটা পেয়েছেন, সেটার ২ কপি কালার প্রিন্টকরে ফেলুন। যেসব জায়গা হাতে পূরণ করতে হবে সেগুলো করে ফেলুন । আপনার সাইন দিন। এবার নিজের চারকপি ছবি , জাতীয় পরিচয়পত্রেরফটোকপি এবং পাসপোর্ট ফর্ম নিয়ে পরিচিত কোন প্রথম শ্রেণীর কর্মকর্তার কাছ থেকে সত্যায়িত করে নিন। পরিচিত কাউকে দিয়ে সসত্যায়নকরানো দরকার এই কারণে যে, ঐ কর্মকর্তার নাম , যোগাযোগ ও ফোন নাম্বার ফর্মে লিখতে হয়। সত্যায়ন শেষে পুরো ফর্মটি রিচেক করুন।
সত্যায়িত ছবি এবং ব্যাংকের রিসিট আঠা দিয়ে ফর্মের সাথে যুক্ত করুন। সাথে জাতীয় পরিচয়পত্রের সত্যায়িত কপিটি নিন। আপনার ফর্ম জমাএখন দেয়ার জন্য প্রস্তুত।

টিপস  2

– ফর্মের প্রিন্ট করার সময় এক কপি এক্সট্রা করুন। ব্যাকআপ থাকা ভালো । আমার প্রথম পেজ নষ্ট হয়ে গিয়েছিল। শেষ সময়ে ব্যাকআপকপির প্রথম পেইজ দিয়ে দিয়েছি।
ছবি দুই কপি লাগলেও এক্সট্রা দুই কপি করিয়ে রাখা ভালো , পাসপোর্ট অফিসে চেয়ে বসে মাঝে মাঝে। একই কথা জাতীয় পরিচয়পত্রেরব্যাপারেও।

চতুর্থ ধাপ

– ছবি তোলা এবং অন্যান্য আপনার নির্বাচন করা তারিখে সকাল সকাল পাসপোর্ট অফিসে চলে যান । অবশ্যই সাদা পোষাক পরবেন না, ফর্মাল পোষাক পরার চেষ্টা করুন।
সকাল ৯ টার দিকে গেলেই হবে। কোন লাইনে দাঁড়াতে হবে না আপনাকে । সরাসরি মেইন গেইট দিয়ে মূল অফিসে যান। সেখানে দায়িত্বরত সেনাসদস্যকে জিজ্ঞেস করুন কোন রুমে যাবেন ।
প্রথমে আপনাকে আটতলায় যেয়ে ফর্ম দেখিয়ে আনতে হবে। খুবই অল্প সময়ের কাজ । ৮০৩ নাম্বার রুম । সিরিয়াল নেবেন। এবার ৮ তলারথেকে আসতে বলবে ৩ তলায় । সেখানে এসেই আসল কাজ । প্রথমে আপনার ফর্মটি চেক করবে এবং সাইন করে দেবে। সাইন শেষে আপনাকেজানিয়ে দেয়া হবে ছবি তোলার জন্য কোন রুমে যাবে। ঐ রুমগুলো ঠিক পাশেই। সিরিয়াল আসলে ছবি তুলুন, ফিঙ্গারপ্রিন্ট দিন। ব্যস , কাজ শেষ !
এবার আপনাকে পাসপোর্ট (Passport) রিসিভের একটা রিসিট দেবে। সেটা যত্ন করে রাখুন । পুলিশ ভেরিফিকেশান সাপেক্ষে, রিসিট পাওয়ার একমাস বা ১৫দিনের মধ্যেই আপনি পাসপোর্ট পাবেন ।

আমার টিপস

– আবারো বলছি, সাদা পোষাক পরবেন না , ফর্মাল পোষাক পরার চেষ্টা করুন।
আর সাথে জাতীয় পরিচয়পত্রের মূল কপিসহ সত্যায়িত কপিগুলো নিয়ে যান। তিনতলায় যেয়ে সেখানকার সেনাসদস্যের কাছ থেকে দেখিয়ে নিশ্চিতহয়ে নিন , সব সংযুক্তি ঠিক আছে কিনা। সাথে অবশ্যই কলম রাখুন। আঠা, স্ট্যাপলার, এক্সট্রা ছবিও সাথে রাখুন।
আর যারা সরকারী কর্মকর্তা বা শিশুসহ যাচ্ছেন , তাদের কিছু আলাদা কাগজ লাগবে । সেটার জন্য নির্দেশনা দেখুন । কিংবা ৮০৩ এ যোগাযোগকরুন।

পঞ্চম ধাপ

– পুলিশ ভেরিফিকেশান ও পাসপোর্ট (Passport) রিসিভ ডেট ( টিপস সহ)
পুলিশ ভেরিফিকেশানই আমার কাছে ঝামেলার মনে হয়েছে। যদি আপনার স্থায়ী আর বর্তমান ঠিকানা আলাদা হয় , তবে দুই জায়গাতেই আপনারভেরিফিকেশান হয়ে থাকে। পুলিশের এস বি ( স্পেশাল ব্রাঞ্চ) এই কাজটা করে থাকে।
এবং এইটা করতে যেয়ে পুলিশ বখশিশ হিসাবে টাকা চেয়ে বসে। খুবই ইরিটেটিং একটা ব্যাপার । সেটা ৫০০-১০০০ পর্যন্ত হতে পারে !!!!!
তবে স্ট্রিক্ট থাকলে এটা এড়ানো সম্ভব। আপনি কীভাবে তাদের ফেইস করছেন সেটার উপর নির্ভর করে। সরাসরি বলে দিতে পারেন যে, এইটাআপনার দায়িত্ব, তো টাকা দেয়ার প্রশ্ন কেন। কিংবা বলতে পারেন যে, আপনি ছাত্র , টাকা দেয়া সম্ভব না । ইত্যাদি ইত্যাদি ইত্যাদি !
যাই হোক, ভেরিফিকেশান শেষ হলে আপনার মোবাইলে এস এম এস আসবে। যেদিন এস এম এস আসবে তারপরেই আপনি পাসপোর্ট সংগ্রহকরতে পারবেন।
ব্যস, এইবার পাসপোর্ট হাতে নেয়ার পালা।

ষষ্ঠ ধাপ –পাসপোর্ট সংগ্রহ

এইখানে কাজ সহজ । পাসপোর্ট (Passport) অফিসে চলে যান। লাইনে দাঁড়ান।
সাথে রিসিট আর কলম রাখুন । ৯ টার দিকে গেইট খুলবে। লাইন ধরে প্রবেশ করুন। রিসিট জমা দিন। অপেক্ষা করুন।
এবার আপনার নাম ডাকবে । সাইন করুন , বুঝে নিন আপনার পাসপোর্ট ।

টিপস  3

– হাতে পেয়েই সবার আগে চেক করুন আপনার ইনফোগুলো ঠিক এসেছে কিনা। নিজের এবং পিতামাতার নাম, ঠিকানা এবংঅন্যান্যসব তথ্যগুলো মিলিয়ে নিন।
এই হচ্ছে একটি ঝামেলাবিহীন পাসপোর্টের (Passport) আত্মকাহিনী বা আমি যেভাবে খুব সহজেই পাসপোর্ট পেলাম এর আদ্যোপান্ত । আশা করি কাজেলাগবে।
সবার জন্য শুভকামনা। হ্যাপি পাসপোর্টিং (Passport) !

সংযুক্তি -

০১) আপনার বর্তমান ঠিকানা যদি ঢাকা হয় , তাহলে এখান থেকেই পাসপোর্ট (Passport) করতে পারেন । আলাদা করে দেশের বাড়ির জেলা অফিসে যাওয়ারপ্রয়োজন হবে না।
০২) ব্যাংকে টাকা জমা দেয়ার জন্য যে স্লিপ লাগে , সেখানে আলাদা একাউন্ট নম্বরের প্রয়োজন নেই ।নতুন পাসপোর্ট করা বা রিনিউ এর জন্যআলাদা স্লিপই থাকে ।
০৩) GO: Government order
NOC: NO Objection Certificate
PDS: Proof of retired Date
সরকারী, আধাসরকারী, স্বায়ত্তশাসিত ও রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থার স্থায়ী কর্মকর্তা/কর্মচারী, অবসরপ্রাপ্ত সরকারী চাকুরীজীবীরা এই ঘর পুরণ করবেন। আরকমেন্ট থেকে জানা গেল যে সরকারী কর্মকর্তাদের পাসপোর্ট নীল রঙের । পুলিশ ভেরিফিকেশান এর ঝামেলা নাই ।
[Read More...]


অ্যান্ড্রয়েড সম্পর্কে কিছু আশ্চর্য তথ্য



অ্যান্ড্রয়েড চেনে না এমন মানুষ এখন কমই আছে। আর ব্যাবহারকারিও বাড়ছে দিন দিন। iOS কিংবা অন্যান্য অপারেটিং সিস্টেমের তুলনায় গুগলের অ্যান্ড্রয়েড খুবই দ্রুতগতিতে এগিয়ে যাচ্ছে। এমন এক সময় হয়ত আসবে যখন অ্যান্ড্রয়েড সব জায়গায় বিরাজ করবে।
Sundar Pichai গুগলের একজন ইন্ডিয়ান কর্মকর্তা যিনি বর্তমানে গুগলের Senior Vice President হিসেবে নিয়োজিত আছেন। তার দায়িত্বের অধিনে রয়েছে গুগল ক্রোম, অ্যান্ড্রয়েড এবং গুগল অ্যাপস।
1 billion android user pichai
Sundar Pichai ঘোষণা করেছেন যে বর্তমানে অ্যান্ড্রয়েডের অ্যাক্টিভ ইউজার সংখ্যা ১ বিলিয়ন। ৩০ দিনের এক নজরদারিতায় জানা গেছে এই তথ্য। ২০১৩ সালে ৯০০ মিলিয়ন নতুন অ্যান্ড্রয়েড ইউজার যোগ হয়েছে যা ২০১২ সালে ছিল মাত্র ৪০০ মিলিয়ন। ২০১৪ সালেতো আরো অনেক ইউজার যোগ হয়েছে, তাই বলা যায় যে অ্যান্ড্রয়েড বর্তমানে মোবাইল অপারেটিং সিস্টেমের চ্যাম্পিয়ন।

কিছু আশ্চর্য তথ্যঃ

আসুন অ্যান্ড্রয়েড সম্পর্কে কিছু তথ্য জানি যা আপনি হয়ত আগে জানতেন না। আগেই বলে রাখি সবাই সবকিছু জানে না আবার অনেকের অনেক কিছুই জানা। তাই আপনি যেটা জানেন সেটা অন্যদের জানার জন্য ছেড়ে দিন আর যা না জানেন তা জেনে নিন। সব গুলো তথ্যই পুরনো কিন্তু সবার দৃষ্টিগোচর হয়নি বলেই লিখছি।
অ্যান্ড্রয়েডের ইতিহাস
অনেকেই হয়ত জানেন অ্যান্ড্রয়েডের নির্মাতা গুগল নয়। Android Inc. ২০০৩ সালে অ্যান্ড্রয়েড ডেভেলপ করেন এবং ডেভেলপারের নামানুযায়ি অ্যান্ড্রয়েডের নামকরন করা হয়। অ্যান্ড্রয়েড হচ্ছে ফাউন্ডারের নিকনেইম, রোবটের সাথে বেশি জড়িয়ে থাকার ফলে সবাই তাকে অ্যান্ড্রয়েড বলে ডাকতো।
android history baundole
২০০৫ সালে Android Inc. কে গুগল কিনে নেয়। গত ডিসেম্বার পর্যন্ত ১৭৪ টা কম্পানিকে কিনে নেয় গুগল। অ্যান্ড্রয়েড কে কিনেছে 50,000,000 ডলার দিয়ে। আমার মনে হয় এটায় ছিল গুগলের সেরা সিদ্ধান্ত।
প্রথম অ্যান্ড্রয়েডের ব্যাবহার
অনেকেই হয়ত জানেন না যে অ্যান্ড্রয়েড ডেভেলপ করা হয়েছিলো ডিজিটাল ক্যামেরা জন্য। কিন্তু গুগল যখন কিনে নেয় তখন তারা বুঝতে পারে যে ডিজিটাল ক্যামেরার চাইতে মোবাইলের চাহিদা বেশি তাই তারা মোবাইলের জন্য অ্যান্ড্রয়েড শুরু করে।
OLYMPUS DIGITAL CAMERA
HTC Dream হচ্ছে সেই মোবাইল যেটায় প্রথম পাবলিক ভাবে অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম ব্যাবহার করা হয়েছে। ২২ অক্টোবর ২০০৮ সালে প্রথম এই মোবাইলটি বাণিজ্যিক ভাবে রিলিজ করা হয়। তার মানে আমাদের মত জনসাধারনের হাতের নাগালে অ্যান্ড্রয়েড এসেছে ২০০৮ সালের শেষের দিকে।
অ্যান্ড্রয়েড ইউজাররা প্রতিদিন যা যা করেন
৩০ দিনের পর্যালোচনায় দেখা গেছে যে অ্যান্ড্রয়েড ইউজাররা দিনে ২০ বিলিয়ন মেসেজ পাঠায়, ৯৩ মিলিয়ন সেলফি তুলে এবং ২৪ ঘণ্টায় প্রায় ১০০ বিলিয়ন বার তাদের মোবাইল চেক করে। সবাইকে ট্র্যাক করা সম্ভব না হয়ত গুগল অনেকে ইউজারদের কথা জানেই না, তাদের বাদ দিয়ে হিসেব করলেও যা দেখা যায় তাতে বুঝাই যাচ্ছে অ্যান্ড্রয়েডের বর্তমান অবস্থানটা কোথায়!
অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমের নাম এবং ভার্সন
অ্যান্ড্রয়েডের বেশীরভাগ ভার্সনের নাম করন করা হয়েছে মিষ্টি খাবারের নামের সাথে মিলিয়ে। আমি বেশীরভাগ বলেছি বলে আপনারা মনে করতে পারেন যে সব গুলোইতো খাবারের নাম! আসলে অ্যান্ড্রয়েডের প্রথম ২ টা ভার্সনের নাম কোন খাবারের নামে ছিল না। আসুন দেখি অ্যান্ড্রয়েড ভার্সনের হিস্টরি।
Android 1.0 এর নাম ছিল Android Alpha তারপরে Android 1.1 এর নাম দেওয়া হয় Android Beta এগুলোর আলাদা কোন লোগো ছিল না। কিন্তু অদ্ভুত ভাবে নাম গুলো ইংরেজি বর্ণমালার প্রথম থেকে শুরু হয়েছে। প্রথমে A=Alpha পরে B=Beta তারপর থেকে সকল ভার্সন সিরিয়াল অনুসারেই এসেছে। A, B, C, D, E, F, G, H, I, J, K, L  !!!!!
android os update chain
উপরের ছবিতে C-K পর্যন্ত দেওয়া আছে। প্রথমে AB এবং শেষে L=Lollypop যোগ হবে।
iOS এর সাথে অ্যান্ড্রয়েডের তুলনা
অ্যান্ড্রয়েডের পরে বর্তমানে সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয় অপারেটিং সিস্টেম হল iOS । অ্যাপল তাদের অপারেটিং শুধু নিজেদের মোবাইলে ব্যবহার করার ফলে হয়তো অ্যান্ড্রয়েডের ধাঁরে কাছেও আসতে পারবে না। এর আরেকটি বিশেষ কারন হল iPhone এর আকাশ ছোঁয়া দাম যা আমাদের মত গরীবরা স্বপ্নেও কিনতে চাই না! :P
android vs iphone
অ্যান্ড্রয়েড এবং iOS এর গোল্লাছুট খেলায় এগিয়ে আছে অ্যান্ড্রয়েডই। ২০১৩ সালের এক পরিসংখ্যায় দেখা গেছে যে স্মার্টফোন বাজারে অ্যান্ড্রয়েড পরায় ৭৯ ভাগ জায়গা দখল করে রেখেছে যেখানে iOS দখল করেছে মাত্র সাড়ে ১৫ ভাগ। ট্যাবলেট কম্পিউটারের বেলায়ও অ্যান্ড্রয়েড এগিয়ে, ২০১২ সালে অ্যান্ড্রয়েড ট্যাবলেটের পরিমান ছিল ৩৯%, ২০১৩ সালে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৬% এবং বর্তমানে সেটা ৬২% -এ এসে ঠেকেছে। আর অ্যাপলের iOS ট্যাবলেট ৩৬% মার্কেট দখলে রেখেছে।
android the best os in market
অবশেষে দেখা গেলো যে অ্যান্ড্রয়েডই হচ্ছে রাজা। উপরের বেশিরভাগ তথ্য এক বছর পুরনো নতুন করে পরিসংখ্যান হয়নি। হলেও অ্যান্ড্রয়েডই উপরে থাকবে কারন অ্যান্ড্রয়েডের জনপ্রিয়তা কমে নি বরং বেড়েছে।
[Read More...]


বাংলাদেশের শীর্ষ দশ জন ধনী ব্যক্তিত্ব



যদিও বাংলাদেশ একটি ছোট্ট দেশ তারপরও এই দেশের রয়েছে অনেক ক্ষমতাধর এবং বিপুল ধনী ব্যাক্তিবর্গ। যারা নিজ নিজ কর্ম ক্ষেত্রের দ্বারা এই দেশকে অনেক বড় স্থানে নিয়ে যেতে পেরেছেন। চলুন কয়েকজন শীর্ষ ধনী ব্যাক্তির সাথে পরিচিত হওয়া যাক।
নম্বর-১> মূসা বিন সামসেরঃ তিনি প্রিন্স মূসা নামে পরিচিত। তাকে বাংলাদেশের জনশক্তি রপ্তানি বাণিজ্যের অগ্রদূত বলা হয়। তিনি ড্যাটকো গ্রুপের এর মালিক। তিনি প্রায় ৯৫০ মিলিয়ন ডলারের মালিক ।
Musa
নম্বর-২>সালমান এফ রহমানঃ বেক্সিমকো গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা মালিক। তিনি প্রায় ৬০০ মিলিয়ন ডলারের মালিক ।
salman-f-rahman
নম্বর-৩>আহমেদ আকবর সোবহানঃ তিনি হচ্ছেন বসুন্ধরা গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা মালিক। তিনি প্রায় ৬০০ মিলিয়ন ডলারের মালিক ।
Akbar Sobhan
নম্বর-৪>এম এ হাশেমঃ তিনি পারটেক্স গ্রুপ ও ইউসিবিএল ব্যাংকের চেয়ারম্যান । তিনি প্রায় ৫০০ মিলিয়ন ডলারের মালিক ।
M.A.-Hashem
নম্বর-৫> আজম জে চৌধুরীঃ তিনি ইস্ট-কোস্ট গ্রুপের মালিক, প্রাইম ব্যাংকের চেয়ারম্যান এবং মবিল যমুনা লুব্রিক্যান্টের সোল এজেন্ট । তিনি প্রায় ৪১০ মিলিয়ন ডলারের মালিক ।
Ajam
নম্বর-৬>গিয়াস উদ্দিন আল মামুনঃ তিনি তারেক জিয়ার বন্ধু। তিনি রিয়েল স্টেট, হোটেল ও মিডিয়া ব্যবসায়ী।
Gias
নম্বর-৭>রাগিব আলীঃ তিনি চা উৎপাদন ব্যাবসায় সফল একজন ব্যাবসায়ী।তিনি সাউথ ইস্ট ব্যাংকের চেয়ারম্যান। তিনি প্রায় ৩০০ মিলিয়ন ডলারের মালিক ।
Ragib Ali
নম্বর-৮>শামসুদ্দিন খানঃ তিনি একে খান এন্ড কোম্পানি লিঃ-এর চেয়ারম্যান এবং ডিরেক্টর । তিনিও প্রায় ৩০০ মিলিয়ন ডলারের মালিক ।
Shamsuddin Khan
নম্বর-৯>ঈকবাল আহমেদঃ তিনি সিলেটের একজন ব্যাবসায়ী। সামুদ্রিক খাবার ব্যবসায় তিনি সফল। তিনি সীমার্ক গ্রুপ লিবকো ব্রাদার লিঃ-এর চেয়ারম্যান এবং ডিরেক্টর । তিনি প্রায় ২৫০-২৯০ মিলিয়ন ডলারের মালিক ।
Iqbal
নম্বর-১0> সাইফুল ইসলাম কামালঃ তিনি নাভানা লিঃ ও নাভানা সিএনজি লিঃ-এর চেয়ারম্যান এবং ডিরেক্টর । তিনিও প্রায় ২৯০ মিলিয়ন ডলারের মালিক ।
Saiful Islam Kamal
[Read More...]


আসুন জেনে নিই রুট (ROOT) সম্পর্কিত সকল তথ্য



রুট (ROOT), অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহারকারীরা প্রায়ই শুনে থাকবেন এই শব্দটি । বিভিন্ন সাইটে এই বিষয়টি নিয়ে অনেক ধরনের ধারনা রয়েছে । তবে আজকে আমার প্রাথমিক ধারনা আপনাদের সামনে তুলে ধরার চেষ্টা করছি । অনেক অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইস ব্যবহারকারীরাই রুট কী এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর জানেন না । অনেকে মনে করেন রুট করার মাধ্যমে ডিভাইসের পরিপূর্ণ পারফরম্যান্স পাওয়া সম্ভব, আর তাই অনেকেই রুট করতে আগ্রহী হয়ে পড়েন । কিন্তু রুট করার পর দেখা যায় তাদের ডিভাইসের পারফরম্যান্স আগের মতোই রয়ে যায় বা আগের চেয়ে খারাপ হয়ে পরে । তারা হতাশ হয়ে পড়েন এ অবস্থা দেখে । কিন্তু তাদের মাঝে অজানাই থেকে যায় যে রুট করার আসল সার্থকতা কোথায় । আজকের আমি আমার এই লেখার মাধ্যমে আপনাদের সামনে রুট করার কারন , কেন করবেন , রুট করার উপকারিতা এবং অপকারিতা তুলে ধরার চেষ্টা করব । এবং আমার ধারনা আপনাদের মনে রুট বিষয়টি নিয়ে আর কোন সন্দেহ মুলক ধারনা থাকবে না ।
► রুট ব্যাপারটা আসলে কী?
╚» রুট শব্দটি এসেছে লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেম থেকে । লিনাক্স ব্যবহারকারীদের মধ্যে যাদের রুট প্রিভিলেজ বা সুপারইউজার পারমিশন আছে তাদেরকে রুট ইউজার বলা হয় । সবচেয়ে সহজ শব্দে বলা যায় , রুট হচ্ছে অ্যাডমিনিস্ট্রেটর বা প্রশাসক যদিও এর বাংলা অর্থ গাছের শিকড় । রুট হচ্ছে একটি পারমিশন বা অনুমতি । এই অনুমতি থাকলে ব্যবহারকারী তার নিজের ডিভাইসে যা ইচ্ছে তাই করতে পারেন । উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমে ব্যবহারকারী অ্যাডমিনিস্ট্রেটর প্রিভিলেজ ছাড়া সিস্টেম ফাইলগুলো নিয়ে কাজ করতে পারেননা , লিনাক্সেও তেমনি রুট পারমিশন প্রাপ্ত ইউজার ছাড়া সিস্টেম অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের কাজগুলো করা সম্ভব হয়ে উঠে না । যার লিনাক্স-চালিত কম্পিউটার বা সার্ভারে সব কিছু করার অনুমতি রয়েছে, তাকেই আমরা রুট ইউজার বলে থাকি । অনেক সময় একে আমরা সুপার ইউজার বলেও সম্বোধন করা হয়ে থাকে ।
► অ্যান্ড্রয়েড এবং লিনাক্স এর মধ্যে সামঞ্জস্য কোথায় ?
╚» আপনাদের মনে প্রশ্ন আসতে পারে যে কেন আমি আন্ড্রয়েড নিয়ে কথা বলতে বলতে লিনাক্স এর কথা তুলে নিয়ে আসলাম । আসলে এন্ড্রয়েড তৈরি হয়েছে লিনাক্স ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম মুল ভিত্তি থেকে ।
► লিনাক্স এ ইউজার পারমিশন আমরা খুব সহজে পেয়ে থাকি কিন্তু আমরা এন্ড্রয়েডে পারি না কেন?
╚» সাধারনত লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেম আমরা ইন্সটল করতে পারি তার তাই আমরা ইউজার পারমিশন কোড আমরা জেনে থাকি । কিন্তু আন্দ্রয়েড মোবাইল আমরা বাজার থেকে ক্রয় করে থাকি এবং তার অপারেটিং সিস্টেম সিস্টেম ইন্সটল ডিভাইস প্রস্তুতকারক করে থাকে । ডিভাইস প্রস্তুতকারক যখন মোবাইলের মধ্যে অপারেটিং সিস্টেম ইন্সটল করে তখন তাদের হাতে এই ইউজার পারমিশন কোড থেকে যায় । আর তাই আমাদের হাতে সেই ইউজার পারমিশন থাকে না । এখন আপনার প্রশ্ন আসতে পারে কেন আমাদেরকে এই ইউজার পারমিশন কোড দেওয়া হয় না । আসলে ডিভাইস প্রস্তুতকারক মোবাইলের সুরক্ষা এবং নিরপ্ততার জন্য আমাদেরকে এই কোড দিয়ে থাকে না ।
কিন্তু তাই বলে এই নয় যে আমরা ইউজার পারমিশন কোড পাব না । আমরা ডিভাইস প্রস্তুতকারকদের কাছ থেকে আমরা এই কোড সংগ্রহ করে এন্ডয়েড মোবাইলের ইউজার পারমিশন পেতে পারি । উদাহরণ হিসেবে আমি বলতে চাই সনি , Lenovo এর মত ব্রান্ড এর মোবাইল যখন ব্যবহার করি তখন আমরা তার ইউজার পারমিশন পাওয়ার জন্য তাদের ওয়েবসাইটে গিয়ে বুটলডার আনলক কোড সংগ্রহ করে থাকি । এই বুটলডার আনলক রুট পারমিশন পাওয়ার একটি অংশ ।
► আন্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম এক হওয়া সত্ত্বেও ভিন্ন ভিন্ন মোবাইল ভিন্ন রকম এর কারন কি ?
╚» আপনাদের মনে হয়ত প্রশ্ন জাগতে পারে যে যতগুলো মোবাইল প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান রয়েছে তাদের সবার ভিন্ন ভিন্ন লুক এর অপারেটিং হয়ে থাকে । অপারেটিং সিস্টেমের মূল ভিত্তিটা এক হলেও একেক কোম্পানি একেকভাবে একে সাজাতে বা কাস্টোমাইজ করতে পারেন । এই জন্যই সনির একটি অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসের ইউজার ইন্টারফেসের সঙ্গে এইচটিসির একটি অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসের ইন্টারফেসের মধ্যে খুব কমই মিল পাওয়া যায়।
► আন্ড্রয়েড মোবাইলে কেন রুট করা থাকে না ?
╚» মোবাইল প্রস্তুত কারক প্রতিষ্ঠান যখন তাদের মোবাইল গুলো বাজারজাত করে তখন মোবাইল গুলোতে রুট পারমিশন দেওয়া হয় না । কারন হল রুট পারমিট করা থাকলে আপনি তখন আপনার মোবাইলে যে কোন কিছু করতে পারবেন । আপনি মোবাইলের রুট ফোল্ডাররে যেতে পারবেন ( মোবাইলের অপারেটিং সিস্টেম ফোল্ডার ) । আপনি যে কোন ফাইল ডিলিট , এডিট করতে পারবেন । আপনার মোবাইলে যখন রুট পারমিট করা থাকবে তখন আপনি কোন ফাইল ডিলিট বা সরিয়ে নিলে আপনাকে কোন ওয়ার্নিং দিবে না । আপনি হয়ত মনে করছেন এই ফাইল গুলো আপনার কোন প্রয়োজনে আসবে না আর তাই আপনি ফাইল গুলো ডিলিট করে দিয়েছেন । হয়তো আপনি কাস্টমাইজ করতে গিয়ে বা রম ইন্সটল করতে গিয়ে ভুল করে ফোন ব্রিক করে ফেলেছেন । এতে কিছুক্ষণ পর দেখতে পারলেন যে আপনার মোবাইল আর চালু হচ্ছে না । আপনি তখন আপনার মোবাইল প্রস্তুত কারকে দোষারোপ করতে থাকবেন । যদি রুট না থাকতো তাহলে আপনি ফাইল গুলো ডিলিট এডিট তো দুরের কথা আপনি আই ফোল্ডারটি খুজে পেতেন না । ফোন প্রস্তুতকারক আপনাকে অনেক সুযোগ সুবিধা দিলেও এই সব পারমিশন তারা তাদের সুবিধার্থে দেয় না । এটা করা হয় আপনার ভালোর জন্যই ।
► কেন আপনি আপনার আন্ড্রয়েড ডিভাইসটি রুট করবেন?
╚» আপনি তখনি রুট করার চিন্তা করবেন যখন আপনার মোবাইলে সব ধরনের সুযোগ ব্যবহার করতে পারছেন না , আপনার মোবাইল আপনাকে কোন সীমার মধ্যে বেধে রেখেছে । যারা একদমই নতুন এই বিষয় ভালভাবে কিছু জানেন না তারা তাদের মোবাইল রুট করার চিন্তা কিছুদিন পর করার সিদ্ধান্ত নিবেন । তার কারন আপনি আগে ভাল করে বুঝে নিন কেন আপনি রুট করবেন , এবং রুট করার পর আসলেই আপনার উপকার হবে কি না । অনেকে না বুঝে রুট করে অনেক সমস্যায় পড়তে হয়েছে । তাই আমি তাদের উদ্দেশ্যে বলছি সাবধানতার মাধ্যমে আপনি আপনার মোবাইল রুট করুন ।
আমরা আসলে অনেক কারনে আন্ড্রয়েড মোবাইল রুট করে থাকি । বর্তমানে কিছু কিছু অ্যাপ্লিকেশান এখন বের হয়েছে যা ব্যবহার করতে রুট পারমিটের প্রয়োজন হয়ে পড়ে । কেউ কেউ ওভারক্লকিং করার মাধ্যমে মোবাইলের স্পীড বাড়ানোর জন্য রুট করে থাকেন । কেউ ডেভেলপারদের তৈরি ভিন্ন ভিন্ন সাধের কাস্টম রম ব্যবহার করার জন্য , কেউ গেম খেলার জন্য । আরও অনেক কারন আছে যেই কারনে রুট করা হয়ে থাকে । এই কারন গুলো থেকে থাকলে রুট করা আমি মনে করি ভাল । কিন্তু অকারন অবশত রুট করে বিপদে পড়ার কোন প্রয়োজন আছে বলে আমি মনে করছি না ।
রুট করার কিছু সুবিধা
╚» বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করে মোবাইলের অব্যবহৃত ফাইল, টেমপোরারি ফাইল ইত্যাদি নিয়মিত মুছে ফোনের গতি ঠিক রাখা । এছাড়াও মোবাইলের পারফরমেন্স বাড়ানো যায় বলে আর অনেক ভাবে । ওভারক্লকিং করা সিপিইউ স্পিড স্বাভাবিক অবস্থায় যতটা থাকে তারচেয়ে বেশি দ্রুত কাজ করে । এর মাধ্যমে কোনো বিশেষ কাজে প্রসেসরের গতি বাড়ানোর প্রয়োজন পড়লে তা করা যায় । যখন মোবাইল এমনিতেই পড়ে থাকে, তখন সিপিইউ যেন অযথা কাজ না করে যে জন্য এর কাজের ক্ষমতা কমিয়ে আনা যায় আন্ডারক্লকিং করে । এতে করে ব্যাটারি ব্যাকআপ বাড়ানো সম্ভব । এছাড়াও রুট করে কাস্টম রম ইন্সটল করার সুবিধা রয়েছে । অনেক ডেভেলপার বিভিন্ন জনপ্রিয় মোবাইলের জন্য কাস্টম রম তৈরি করে থাকেন । এসব রম ইন্সটল করে আপনি আপনার মোবাইলকে সম্পূর্ণ নতুন একটি সেটের রূপ দিতে পারবেন । আপনি সফটওয়্যার ব্যবহার করে আপনার রাম এর স্পীড বাড়াতে পারবেন , প্রসেসরের স্পীড বাড়াতে পারবেন তবে কোন হার্ডওয়্যার বা অন্যান্য কোন কিছু বাড়াতে পারবেন না । আপনি ৮ মেগাপিক্সেল ক্যামেরাকে ১৬ মেগাপিক্সেল করতে পারবেন না । যেই মোবাইলে NFC নেই তাতে তা সংযোগ করতে পারবেন না । রুট শুধু মাত্র আপনার অভ্যন্তরীণ পারফরম্যান্সে কাজে আসবে , বাহ্যিক কোন পরিবর্তন নয় ।
রুট করার কিছু অসুবিধা
╚» সর্ব প্রথম মোবাইল রুট করার মাধ্যমে আপনার ওয়ারেন্টি বাতিল হয়ে যাবে । তাই রুট করার আগে সাবধান । অবশ্য অনেক মোবাইল আবার আনরুট করা যায় । আর মোবাইল আনরুট করা হলে তা সার্ভিস সেন্টারে থাকা টেকনিশিয়ানরা অনেক সময়ই ধরতে পারেন না যে সেটটি রুট করা হয়েছিল কি না । তবে কাস্টম রম থাকলে ধরা খাওয়া বাধ্যতামূলক । অনেকে মোবাইল ব্রিক নিয়ে অনেক কথাই বলেছে। এখন কথা হল ব্রিক মানে কি ? ব্রিক অর্থ ইট । আর ফোন ব্রিক মানে আপনার ডিভাইসকে ইটে রূপান্তরিত করা বা নষ্ট হয়ে যাওয়া । অর্থাৎ আপনার মোবাইল কাজ করার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলেছে । রুট করা ও এর পরবর্তী বিভিন্ন কাজের সময় যদি কোন ভুল ত্রুটি হয় তাহলে ফোনে স্থায়ী বা অস্থায়ী সমস্যা হতে পারে । প্রস্তুতকারক কোম্পানি ফোনটি আনরুট অবস্থায় দেন যাতে আপনার মোবাইলের কোন ক্ষতি না হয় । রুট করার মাধ্যমে আপনি সেই নিশ্চয়তা ভেঙ্গে ফেলছেন । এখন এর সম্পূর্ণ দায়ভার আপনাকে গ্রহন করতে হবে । রুট করলে দেখা যায় অনেক সময় অনেক ক্ষতিকারক প্রোগ্রাম রুট করা ডিভাইসের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নিতে পারে । কিন্তু লক থাকা অবস্থায় ব্যবহারকারী নিজেই রুট অ্যাক্সেস পান না , তাই অন্য প্রোগ্রামগুলোর রুট অ্যাক্সেস পাওয়ার সম্ভাবনাও নেই বললেই চলে ।
পরিশেষে যদি কিছু বলতে চাই তাহলে বলব যে কিছু করার আগে ভাল করে জেনে নেওয়া ভাল । রুট আপনি যদি ঠিক মত বুঝে নিতে পারেন তাহলে আপনার কাছে তা খুব এ সহজ আর যদি না পারেন তাহলে তা খুবই কঠিন ...
[Read More...]


Android বর্ণমালা (All About Android)



আমরা অ্যান্ড্রয়েড তো ব্যবহার করি ঠিকই, কিন্তু এখনো অনেকই অ্যান্ড্রয়েড সম্পর্কিত বহুল ব্যবহৃত বিভিন্ন শব্দাবলী জানেন না। বিশেষ করে নতুন অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহারকারী, যারা অ্যান্ড্রয়েড সম্পর্কে ততটা জানেন তাদের জন্য এই ডকটি।
A
Android: অ্যান্ড্রয়েড হচ্ছে গুগলের একটি অপারেটিং সিস্টেম। আমরা কম্পিউটারে যেমন উইন্ডোজ, উবুন্টু, লিনাক্স ম্যাক ইত্যাদি অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করি, তেমনি স্মার্টফোন ও ট্যাবলেট ডিভাইসের জন্য তৈরি করা হয়েছে এই অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম। উইন্ডোজের যেমন এক্সপি, ভিসতা, ৭ ও ৮ ইত্যাদি সংস্করণ রয়েছে, ঠিক তেমনি অ্যান্ড্রয়েডেরও বিভিন্ন সংস্করণ রয়েছে। জনপ্রিয়তা পাওয়া সর্বশেষ কয়েকটি সংস্করণের নাম অ্যান্ড্রয়েড জিঞ্জারব্রেড (২.৩-২.৪), অ্যান্ড্রয়েড আইসক্রিম স্যান্ডউইচ (৪.০) এবং অ্যান্ড্রয়েড জেলি বিন (৪.১, ৪.২, ৪.৩), কিটক্যাট (৪.৪-৪.৪.৬)
AGPS: এ-জিপিএস মূলত অ্যাসিসটেড জিপিএস এর সংক্ষিপ্ত রুপ। এই প্রযুক্তি যেসব ডিভাইসে রয়েছে সেসব ডিভাইসের জিপিএস দ্রুত অবস্থান নির্ণয় করতে পারে। এ কাজের জন্য প্রযুক্তিটি মোবাইল নেটওয়ার্কের সাহায্য নেয়া। মোবাইল টাওয়ারের অবস্থান জেনে জিপিএস স্যাটেলাইটগুলো সহজেই ডিভাইসের সম্ভাব্য অবস্থান নির্ণয় করতে পারবে।
APK: অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসের ইন্সটলযোগ্য ফাইল এক্সটেনশন। উইন্ডোজ ব্যবহারকারীরা যেমন .exe ফাইল ব্যবহার করে বিভিন্ন সফটওয়্যার ইন্সটল করে থাকেন, ঠিক তেমনি অ্যান্ড্রয়েডে .apk ফাইল ব্যবহার করে অ্যাপ্লিকেশান ইন্সটল করা হয়।
ADB: অ্যান্ড্রয়েড ডিবাগ সেতু. এটি বহুল ব্যবহৃত একটি টুল যা একটি ডেস্কটপ বা ল্যাপটপ কম্পিউটার থেকে আপনার অ্যান্ড্রয়েড ফোনকে সংযোগ করে ও কমান্ড পাঠায়।
Android Market: অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ্লিকেশনের জন্য Google-এর সংগ্রহস্থলের জন্য আসল নাম। মার্চ 2012 সালে এটি Google Play Store নামে পরিবর্তিত হয়।
AOKP: AOKP এর পূর্ণরুপ হচ্ছে Android Open Kang Project. অন্যতম কাস্টম রম ডেভেলপার গ্রুপ। যে গ্রুপটি অ্যান্ড্রয়েডের ওপেন সোর্স ডেভেলপ ও কাস্টোমাইজ করে বিভিন্ন সেটের উপযোগী কাস্টম রম রিলিজ করে।
Apps: Apps হচ্ছে অ্যাপ্লিকেশান এর সংক্ষিপ্ত রূপ। যা আপনি ডাউনলোড করে আপনার স্মার্টফোনে চালান। এটা ফ্রী বা কিনতে পাওয়া যায়।
B
Bootloader: বুটলোডার হচ্ছে ফোনের ইন্টারনাল মেমোরির একটি অংশ যা ফোনের অপারেটিং সিস্টেমকে চালু করে। অ্যান্ড্রয়েডের ক্ষেত্রে, ডিভাইসের (হার্ডওয়্যার) অপারেটিং সিস্টেম (অ্যান্ড্রয়েড) চালু করায় যা তাই বুটলোডার। অপারেটিং সিস্টেম চালু হওয়ার আগেই ছোটখাট পরিবর্তন আনার জন্য ডিভাইস রুট করা হয়ে থাকে। এছাড়াও কাস্টম রম ব্যবহারের জন্য বুটলোডার আনলক করার দরকার হয়। সাধারণত এই কাজে ডিভাইসের ওয়ারেন্টি বাতিল হয়। তবে অনেক ডিভাইসই আবার বুটলোডার লক করে আনরুট করে ওয়ারেন্টি ফিরিয়ে আনা যায়।
Brick: Brick এর অর্থ হচ্ছে ইট। আর ফোন বা ডিভাইস ব্রিক করা মানে একে অনেকটা ইটে রূপান্তরিত করা। মূলত রুট বা এ জাতীয় অ্যাডভান্সড কাজ করার সময় অসাবধানবশত ফোন ব্রিক হয়ে যেতে পারে। অধিকাংশ ক্ষেত্রে ব্রিক হওয়া ফোন ঠিক করা যায়। তবে হার্ড ব্রিক হলে সে ফোন ঠিক হওয়ার সুযোগ কমই থাকে। সাধারণত হার্ডওয়্যারে সমস্যা হলে, যেমন মাত্রাতিরিক্ত ওভারক্লকিং-এর ফলে সিপিইউ অনেক গরম হয়ে বন্ধ হয়ে গেলে ফোন হার্ড ব্রিক হয়ে থাকে।
Bug: Bug শব্দের আভিধানিক অর্থ হচ্ছে পোকা। আর স্মার্টফোনে Bug এর মানে হচ্ছে কোন ভুল বা ত্রুটি। সহজ ভাষায় কোন Apps ঠিকমতো কাজ না করাকে স্মার্টফোনে Bug বলা হয়ে থাকে।
C
Custom: সাধারণত ডিভাইসের সঙ্গে আসেনি এমন জিনিসগুলোকেই কাস্টম বলা হয়। যেমনঃ- যে রম ডিভাইসে দেয়া থাকে না তাকে কাস্টম রম বলে। রম সম্পর্কে জানতে ডকে দেখুন।
Custom Rom: গুগল তথা অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইস প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান কতৃক ব্যতীত অন্য যেসব রম ইন্টারনেট থেকে ডাউনলোড করে ব্যবহারকারীরা ব্যবহারের সুবিদা পেয়ে থাকেন, সেগুলোকে কাস্টম রম বলে। উল্লেখ্য যে, সাধারণত কোম্পানি কতৃক দেয়া রম থেকে কাস্টম রমে অনেক সুযোগ সুবিদা থাকে।
Customize: নিজের মতো করে আলাদাভাবে বিভিন্ন সেটিংস ঠিকঠাক করা ও সাজানো। আপনার ডিভাইসের সিপিইউ কত দ্রুত বলে হিসেব করা হয়। ডিভাইস রুট করার মাধ্যমে সিপিইউ’র এই ক্লক স্পিড নিজের ইচ্ছেমতো বাড়ানো-কমানো যায়। এ নিয়ে নিচে ওভারক্লক ও আন্ডারক্লক বিষয়ে দেখুন।
CPU: সিপিইউ আপনার ডিভাইস পরিচালনার মূল কাজটি করে থাকে। এটিই নিয়ন্ত্রণ করে আপনার ডিভাইস কতটা দ্রুত কাজ করতে পারবে, কতটুকু কাজের ভার একসঙ্গে নিতে পারবে ইত্যাদি।
CaynozenMod/CM: সায়ানোজেন মূলত একজন রম ডেভেলপারের নাম যিনি অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহারকারীদের মাঝে সর্বাধিক জনপ্রিয়। বর্তমানে তিনি তার কিছু নিবেদিত ডেভেলপারদের সঙ্গে এক হয়ে সায়ানোজেনমড নামের এই কাস্টম রম তৈরি করে থাকেন। সংক্ষেপে একে সিএম বলেও ডাকা হয়। এর বিভিন্ন সংস্করণ একটি সংখ্যা দিয়ে বোঝানো হয় সেটি অ্যান্ড্রয়েডের কোন সংস্করণের উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে। যেমনঃ আইসক্রিম স্যান্ডউইচের জন্য CM9, জেলি বিনের জন্য CM10, কিটক্যাটের জন্য CM11 ইত্যাদি।
D
Device: যে কোন গ্যাজেট বা প্রযুক্তি পণ্যকেই ডিভাইস বলা যেতে পারে। একটি ঘড়ি যদি অ্যান্ড্রয়েডে চালিত হয় তাহলে আমরা ঘড়িটিকে ডিভাইস বলতে পারি। তবে স্বাভাবিক অর্থে ডিভাইস বলতে স্মার্টফোন বা ট্যাবলেট পিসিকে বোঝানো হয়ে থাকে। এটি নির্ভর করে কি ধরনের ডিভাইসের কথা বলা হচ্ছে এর উপর।
Dalvik Cache: রাইটেবল ক্যাশ যাতে আপনার অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসের সকল এপিকে ফাইলের বাইটকোড অপটিমাইজ করা থাকে। আপনার সকল অ্যাপ্লিকেশান দ্রুত লোড নিতে ও ভাল পারফর্ম করতে এই ক্যাশে সকল ইনফর্মেশন দেয়া থাকে।
E
External: এর অর্থ আলাদা। যেমন এক্সটারনাল মেমোরি স্লট বলতে বোঝায় আলাদা মেমোরি কার্ড লাগানোর জায়গা।
F
Flash: ফ্ল্যাশ করা বলতে কাস্টম রম, রিকোভারি ইমেজ ইত্যাদি ফোনের ইন্টারনাল মেমোরিতে থাকা রম বা কোন সফটওয়্যারের অংশকে বদলে ইন্সটল করার পদ্ধতিকে বঝানো হয়।
Factory Reset: ফ্যাক্টরি রিসেট করলে এটি আপনার সকল যাবতীয় ইনফরমেশন ওয়াইপ বা মুছে ফেলবে। সাধারণত ফ্যাক্টরি রিসেট করতে হয় যখন ফোন অনেক স্লো, কোন কিছু ক্র্যাশ এবং প্যাটার্ন লক না খোলা গেলে। ফ্যাক্টরি রিসেট সেটিং বা রিকভারি মড থেকে করা যায়।
Fastboot: বুটলোডারের আরেকটি মোড, যা কিনা আপনি নিজেই ম্যানুয়ালি এর বিভিন্ন কাস্টমাইজ করে ফ্ল্যাশ দিতে পারবেন।
FC: FC এর পূর্নরুপ হচ্ছে force close. যখন কোন অ্যাপ ক্র্যাশ করে অটোমেটিক বন্ধ হয়ে যায় তখন এই লেখাটা আসে।
Firmware: ফার্মওয়্যার হল কোন একটি অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসের সকল গুরুত্বপূর্ণ ফাইলের সমষ্ঠি। ফোনের সকল System Ui, System Apps, Settings সবকিছুই এই ফার্মওয়্যারের অংশ। এককথায় ফার্মওয়্যার অ্যান্ড্রয়েডের প্রাণ। এই ফার্মওয়্যার এর কোন ফাইলে সমস্যা হলে ফোন স্লো হয়ে যায় বা ল্যাগ করে। তখন ডিভাইসের যেকোন কাজ করতে অসুবিধা হয়। যখন এই সমস্যাটা হয় তখন উচিত ফোন রিস্টোর দেয়া অথবা ফার্মওয়্যার আপডেট দেয়া।
Froyo: অ্যান্ড্রয়েড ফ্রোয় (২.২). এটা গুগল ১০মে ২০১০ সালে তাদের নেক্সাস ওয়ান ডিভাইসে রিলিজ করার মাধ্যমে ঘোষণা করে।
G
Google: আমাদের আধুনিক প্রযুক্তির বস এবং অ্যান্ড্রয়েড মালিক।
GPU: জিপিইউ হচ্ছে "গ্রাফিক্স প্রসেসিং ইউনিট"- এর সংক্ষিপ্ত রূপ। এর কাজ হল আপনার ডিসপ্লেতে যেসব জিনিস আসবে তা প্রসেস করা, কিছুটা বলতে পারেন আরেকটি প্রসেসর যার কাজ শুধু গ্রাফিক্স যেমন মুভি, গেম গ্রাফিক্স এসব প্রসেস করা। জিপিইউ শক্তিশালী হলে উন্নতমানের গেমস এবং এইচডি মুভি চালাতে কোন সমস্যা হবে না।
Gingerbread: অ্যান্ড্রয়েড জিঞ্জারব্রেড (২.৩-২.৪), অ্যান্ড্রয়েডের বহুল আলোচিত ও ব্যবহৃত অ্যান্ড্রয়েড ভার্শন। যেটা প্রথম নেক্সাস এস এ রিলিজ দেয়া হয়েছিল।
G1: এটি অ্যান্ড্রয়েডের প্রথম স্মার্টফোন, যা HTC T-mobile এর জন্য ২০০৮ সালে বাজারে রিলিজ করে। এটি HTC Dream নামেও পরিচিত।
Galaxy: স্যামসাং এর অ্যান্ড্রয়েড বেসড স্মার্টফোন সিরিজ।
Gmail: গুগল ওয়েব বেসড ইমেইল সেবা।
Google Play: মুভি, অ্যাপস, গেমস এবং বই বিক্রির গুগলের অনলাইন শপ। এটি ২০১২ সালের মার্চ এর ৬ তারিখ যাত্রা শুরু করে। এটি মূলত অ্যান্ড্রয়েড মার্কেটের পরিবর্তিত রূপ যা প্লেষ্টোর নামে বহুল পরিচিত।
Google Now: আপনার বা আপনার কাঙ্খিত যেকোন অবস্থান নির্ভুলভাবে নির্ণয় করতেঅ্যান্ড্রয়েড জেলি বিন এর গুগল সার্চ অ্যাপ এটি।
Google Wallet: প্লেষ্টোর সহ গুগলের বিভিন্ন সেবা কেনাকাটা করতে আপনার ভার্চুয়াল মানিব্যাগ এটি।
Gorilla Glass: CORNING থেকে তৈরি একটি স্ক্র্যাচ প্রতিরোধী কাচ যা এখন বেশিরভাগ স্মার্টফোন এবং ট্যাবলেট এ ব্যবহৃত হচ্ছে।
GPS: জিপিএস হচ্ছে গ্লোবাল পজিশানিং সিস্টেম। আপনার ফোনে থাকা জিপিএস স্যাটেলাইটের মাধ্যমে আপনি পৃথিবীর যেই প্রান্তে থাকুন না কেন সে আপনার অবস্থান খুজে বের করবে।
Gyros/Gyroscope: জায়রোস্কোপ হলো কৌণিক অক্ষে নড়াচড়া বুঝতে পারে এমন একটি সেন্সর। এটি কৌণিক ত্বরণের উপর ভিত্তি করে কোন কিছুর অবস্থান নির্ণয় বা পরিমাপ করতে পারে। এক্সেলেরমিটারের কিছু সীমাবদ্ধতা দূর করার জন্য ব্যবহৃত হয়। অ্যাক্সেলেরোমিটার ছয়টি অক্ষে অর্থাৎ ডানে বামে সামনে পিছনে উপরে নিচে পজিশন নির্ণয় করতে পারলেও কৌণিক অক্ষ নিরূপণ করতে ব্যর্থ। অন্যদিকে অ্যাক্সেলেরোমিটার এবং জায়রোস্কোপ একত্রে ব্যবহারের ফলে একটি স্মার্টফোনে মোট ৬ টি অক্ষে মোশন সেন্স করতে পারে যা শুধুমাত্র অ্যাক্সেলেরোমিটারের তুলনায় কিছুটা বেশি সূক্ষ্ম ফলাফল দিতে সক্ষম।
H
Hack/Hacking: অ্যান্ড্রয়েডে হ্যাকিং বলতে অ্যান্ড্রয়েড সিস্টেমে নতুন কাস্টমাইজেশান যুক্ত করকে বুঝায়।
Hard Reset: এটি একটি প্রক্রিয়া যার।মাধম্যে আপনার ফোনের অপারেটিং সিস্টেম ফ্যাক্টরিতে বানানোর পর যেমন ছিল সে অবস্থায় নিয়ে যাওয়া। এটি করলে আপনার ফোনের সকল ড্যাটা ,লগিনইনস এবং পাসওয়ার্ড মুছে যাবে।
Honeycomb: অ্যান্ড্রয়েড হানিকম্ব (৩.২), শুধুমাত্র ট্যাবলেট পিসির জন্য বানানো রম বিশেষ। এটিই প্রথম ভার্শন যা ফুল ডুয়েল কোর প্রসেসর সাপোর্টেড। হানিকম্ব সংবলিত প্রথম ট্যাব হল Motorola Xoom.
I
iOS: অ্যাপলের আইফোন, আইপড টাচ ও আইপ্যাডের বিভিন্ন সংস্করণে ব্যবহৃত অপারেটিং সিস্টেম। একে গুগলের অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে ধরা হয়।
Internal: ফোনের সঙ্গে বিল্টইন থাকা মেমোরি যা থেকে ফোনকে আলাদা করা যায় না।
Ice Cream Sandwich: গুগল জিঞ্জারব্রেডের পর হানিকম্ব-এ ব্যাপক ফিচার যুক্ত করে কিন্তু হানিকম্ব বানানো হয়েছিল ট্যাবের জন্য। তাই স্মার্টফোন ব্যাবহারকারীদের সন্তুষ্ট করেতে গুগল প্রায় একই ফিচার সংবলিত অ্যান্ড্রয়েড আইসক্রিম স্যান্ডউইচ (৪.০) রিলিজ করে। আইসক্রিম স্যান্ডউইচ সংবলিত প্রথম স্মার্টফোন হল Samsung Galaxy Nexus.
IMEI: আইএমআইই হচ্ছে "ইন্টারন্যাশনাল মোবাইল ইকিউপমেন্ট আইডেন্টি"। মূলত প্রত্যেক ফোনে একটি করে ইউনিক আইডেন্টফিকেশান দেয়া থাকে ফোনটিকে শনাক্ত করতে।
IPS: আইপিএস হচ্ছে "ইন-প্লেন সুইচিং", মুলত.এটি উন্নত প্রযুক্তির স্মার্টফোন ডিসপ্লে বিশেষ। এটি আপনাকে সবচেয়ে ভাল এঙ্গেল ভিউ ও কালার দিবে। এটি সর্বপ্রথম আইফোনে ব্যবহৃত হয়েছে, পরবর্তীতে এখন অ্যান্ড্রয়েড বেসড সকল হাই রেঞ্জের স্মার্টফোনে এটি ব্যবহৃত হচ্ছে।
J
Jelly Bean: অ্যান্ড্রয়েড জেলি বিন (৪.১, ৪.২, ৪.৩), অ্যান্ড্রয়েডের আরেকটি বহুল আলোচিত ও ব্যবহৃত অ্যান্ড্রয়েড ভার্শন। এতে অ্যান্ড্রয়েডের নতুন সেবা Google Now ও Project Butter সংযোজন করে বাজারে রিলিজ করা হয়।
K
Kernel: কম্পিউটার ও বিভিন্ন ডিভাইসে কার্নেল হচ্ছে সে জিনিস যা অ্যাপ্লিকেশান বা অপারেটিং সিস্টেম এবং হার্ডওয়্যারের মধ্যে সমন্বয় সৃষ্টি করে। মোবাইলের ক্ষেত্রে, আপনি যখন কোনো অ্যাপ্লিকেশান টাচ করেন, তখন সেই টাচ কোথায় হয়েছে এবং তার কী কমান্ড রয়েছে সেই নির্দেশটি হার্ডওয়্যারে পৌছানোর কাজটিই এই কার্নেল করে থাকে। অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম চালিত ফোন ও ট্যাবলেট লিনাক্সের বিভিন্ন কার্নেলের উপর তৈরি করা হয়ে থাকে।
Kitkat: KitKat হচ্ছে Android Version-4.4.x, এর Released Date ৩১শে অক্টোবর,২০১৩।
L
Launcher: অ্যান্ড্রয়েডে Launcher হচ্ছে সেই জিনিস যা আপনার মোবাইলের "Main View' প্রদর্শন করে। আপনার ফোনের বিভিন্ন Featuresকে মোবাইলের Home Screen ফুটিয়ে তুলতেই মূলত Launcher ব্যবহৃত হয়ে থাকে। যেমন- ADW Launcher, Launcher Pro, Go Launcher, SPB Shell 3D Regina 3D, Launcher 7 ও Next Launcher 3D।
Linux: কম্পিউটারের চারটি অপারেটিং সিস্টেমের মধ্যে লিনাক্স একটি। এই অপারেটিং সিস্টেমটি ওপেন সোর্স ভিত্তিক। বহুল আলোচিত মোবাইল অপারেটিং সিস্টেম অ্যান্ড্রয়েড এই লিনাক্স কমান্ড দিয়েই তৈরি। অ্যান্ড্রয়েড ওপেন সোর্স ভিত্তিক বলে আমরা এটির সোর্স কোড বের করে ইচ্ছে মত কাস্টমাইজ করতে পারি।
Live wallpapers: এনিমেটেড ওয়ালপেপার যা অ্যান্ড্রয়েডের অন্যতম ফিচার। এটি অ্যান্ড্রয়েড ২.২ থেকে ব্যবহার শুরু হয়েছে।
Lollipop: Android Version 5.0 কে বলা হয় Lollipop (ললিপপ)। Lollipop এর রিলিজের তারিখ- ১২ই নভেম্বর, ২০১৪।
M
Malicious: ক্ষতিকারক প্রোগ্রাম যা ডিভাইসের তথ্য হ্যাকারদের কাছে পাচার করতে পারে অথবা ডিভাইসের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ হ্যাকারদের দখলে দিয়ে দিতে পারে।
MiUi: অ্যান্ড্রয়েডের জনপ্রিয় কাস্টম রম গুলোর মধ্যে MiUi নিঃসন্দেহে অন্যতম। MiUiএর পূর্ণনাম XiaoMI User Interface। এটির নির্মাতা হল চাইনিজ অ্যান্ড্রয়েড ডেভেলপার ও স্মার্টফোন.ম্যানুফ্যাকচারার কোম্পানি Xiaomi Tech। এটির এত জনপ্রিয়তার মূল কারণ হল Xiaomi অ্যান্ড্রয়েডের স্টক রমকে কাস্টমাইজ করে এতে অ্যাপেল এর ios ও স্যামসাং এর টাচওয়িয (TouchWiz) এর মিলিত UI সংযোজন করে চমক দেখিয়েছে। এই রমটি i-phone রম নামেও পরিচিত কারণ এটির ইউজার ইন্টারফেস i-phone রম বেসড।
N
NFC: নিয়ার ফিল্ড কমিউনিকেশনের সংক্ষিপ্ত রূপ। এই প্রযুক্তির ফলে কোন প্রকার ইন্টারনেট বা ব্লুটুথ সংযোগ ছাড়াই দু'টি এনএফসি-এনাবলড ডিভাইস পাশাপাশি রেখে রেডিও সিগন্যালের মাধম্যে ফাইল ট্রান্সফার করা যায়। স্যামসাং গ্যালাক্সি এস থ্রি'র বিজ্ঞাপনে অনেকে এই প্রযুক্তির ব্যবহার দেখে থাকবেন।
Nexus: নেক্সাস গুগলের নিজস্ব স্মার্টফোন। (যার ম্যানুফ্যাকচারার হল LG, তবে Samsung এবং HTCও ২/১টি সেট বের করেছে) এটি "Pure Google" ডিভাইস নামেও পরিচিত মানে নেক্সাস ইউজে আসল অ্যান্ড্রয়েডের অনুভুতি পাওয়া যায় এবং অ্যান্ড্রয়েডের যেকোন আপডেট বা আপগ্রেড প্রথম নেক্সাস ডিভাইসে পাওয়া যায়। নেক্সাসের সিরিজের ডিভাইসগুলো হল Nexus One, Nexus S, Nexus 4, Nexus 7, Nexus 10, Galaxy Nexus.
O
OS: ডিভাইসের মূল সিস্টেম সফটওয়্যার। অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসের অপারেটিং সিস্টেমই হচ্ছে অ্যান্ড্রয়েড। অন্য কোথায়, অ্যান্ড্রয়েডই হচ্ছে অপারেটিং সিস্টেম। তবে এর বিভিন্ন সংস্কণের বিভিন্ন নাম রয়েছে। যেমনঃ জিঞ্জারব্রেড, আইসক্রিম স্যান্ডউইচ, জেলি বিন ইত্যাদি।
Overclock: প্রসেসরের গতিকে স্বাভাবিকের চেয়ে বাড়িয়ে তোলাকে ওভারক্লক বলা হয়। তবে একটি নির্দিষ্ট সীমার বেশি ওভারক্লক করলে ডিভাইস স্থায়ীভাবে নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
OTG: OTG এর পূর্নরুপ হচ্ছে On The Go। এক বিশেষায়িত কেবল, যার সাহায্যে ওটিজি সাপোর্টেড অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসে কীবোর্ড, মাউস, পেনড্রাইভ ও গেমপ্যাড চালানো যায়।
P
Processor: সিপিইউকেই প্রসেসর বলে ডাকা হয়ে থাকে। তবে আরও সঠিকভাবে বলতে গেলে, ডিভাইসের যাবতীয় কাজ যে হার্ডওয়্যার সম্পন্নকরে তাকেই প্রসেসর বলে।
PIN: PIN এর পূর্নরুপ হচ্ছে Personal Identification Number. যাতে চারটি ডিজিট থাকে।
Pixel: ডিসপ্লের প্রতিটি ফোটাকে (ডট) পিক্সাল বলে। এই পিক্সালের জন্যই আমরা ডিসপ্লেতে বিভিন্ন ইমেজ ও টেক্সট দেখতে পারি।
Q
QR Code: এটি ব্ল্যাক অ্যান্ড হোয়াইট বারকোড যখন স্মার্টফোনের মাধ্যমে এটি দিয়ে স্ক্যান করবেন তখন এটি ওয়েব লিঙ্ক ওপেন করতে পারবে, অ্যাপ্লিকেশানটির ডাউনলোডেড মার্কেট ওপেন করতে পারবে, ইত্যাদি।
R
Retina Display: রেটিনা ডিসপ্লে এমন ধরনের ডিসপ্লে যা মানুষের সাধারন চোখ দিয়ে পিক্সেলগুলোকে আলাদা করা বোঝা সম্ভব
নয়। এর ছবির কোয়ালিটি,শার্পনেস খুবই উন্নত মানের।
Root:
ডিভাইসের পূর্ণ কর্তৃত্ব হাতে নেয়ার প্রক্রিয়া।
Rom: রম হচ্ছে রিড অনলি মেমোরির সংক্ষিপ্ত রূপ। অ্যান্ড্রয়েড জগতে রম দুই ধরনের হয়ে থাকে। স্টক রম ও কাস্টম রম। এগুলো হচ্ছে ফোনের ইন্টারনাল মেমোরিতে থাকা কিছু ড্যাটা যা অপারেটিং সিস্টেমের সঙ্গে লোড হয়ে থাকে। মূলত এটিই পুরো ডিভাইসের ইন্টারফেসকে নিয়িন্ত্রন করে। স্টক রম হচ্ছে যেটি দিভাইসটির প্রস্তুতকারক কোম্পানি দিয়ে থাকে, আর কাস্টম রম হচ্ছে যেটি ব্যবহারকারীরা আলাদা ডাউনলোড করে ইন্সটল করতে পারেন।
Reset: এটি ফোনকে পুনরায় বুট করে। রিসেট দু ধরনের সফট ও হার্ড। সফট রিসেট হল শুধুমাত্র ফোনকে অন অ্যান্ড অফ করার মাধম্যে ব্যাটারি পুল করে। আর হার্ড রিসেট ফ্যাক্টরি রিসেট নামেও পরিচিত। ফ্যাক্টরি রিসেট করলে এটি আপনার সকল যাবতীয় ইনফরমেশন ওয়াইপ বা মুছে ফেলবে। সাধারণত ফ্যাক্টরি রিসেট করতে হয় যখন ফোন অনেক স্লো, কোন কিছু ক্র্যাশ এবং প্যাটার্ন লক না খোলা গেলে। ফ্যাক্টরি রিসেট সেটিং বা রিকভারি মড
থেকে করা যায়।
Resolution: রেজুলেশান বুঝাতে কত সংখ্যক নিজস্ব পিক্সাল ডিসপ্লেতে আছে। সবচেয়ে কমন ফোন রেজুলেশান হল ১২৮০ বা ৭২০ পিক্সাল। ৭২০পি হল সর্ট ডাইমেনশান আর ১২৮০পি হল লং। যদি আপনার ডিসপ্লেতে উজ্জ্বল ও ঝঁকঝকে ছবি পেতে পার ইঞ্চি পিক্সাল ডিসপ্লেতে প্রচুর পরিমানে থাকা বাঞ্ছনীয়।
Recovery Mode: এডমিনিস্ট্রেশান সংক্রান্ত ফোন বা ট্যাবের যেকোন কাজ সম্পান্দন করতে রিকভারি মড ব্যবহার করা হয়। ফোন বা ট্যাব চালুর শুরুতে রিকভারি মড বুট করতে হয়। সাধারণত আনলক বুটলোডারে একটি সিম্পল রিকভারি মড দেয়া থাকে। তবে বেশি কাজ সম্পান্দনে কাস্টম রিকভারি মডই ব্যবহৃত হয়। জনপ্রিয় দুটি রিকভারি মড হল TeamWin Recovery Project (TWRP) এবং Clockwork (CWM)।
S
Stock: ফোন বা ডিভাইসের সাথে ডিফল্ট যেসব থাকে সেগুলোকে স্টক বলে। যেমনঃ স্টক ব্রাউজার, স্টক রম ইত্যাদি।
SDK: SDK এর পূর্নরুপ হচ্ছে Software Development Kit. এটি একটি বিশেষায়িত টুল কিট যার মাধ্যমে অ্যান্ড্রয়েড প্লাটফর্মের জন্য বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশান ডেভেলপ করা যায়।
Super AMOLED: ডিসপ্লে জগতে এমোলেড অনন্য। আর সুপার এমোলেড তার পরবর্তী সংযোজন। এটি এমোলেড থেকে উজ্জ্বল, অধিক ব্যাটারি সাশ্রয়ী এবং কম আলো প্রতিফলিত করে। উল্লেখ্য স্যামসাংই প্রথম এমোলেড ডিসপ্লে ব্যবহার করে।
Super AMOLED Plus: পূর্ববর্তী এমোলেডের ব্যাপক উন্নয়ন ঘটিয়ে সুপার এমোলেড প্লাস এর আগমন, যাতে ৫০% এরও বেশি সাব পিক্সাল এবং আরজিবি মেট্রিক্স সংযোজন করা হয়েছে। ফলে এটি এখন পাতলা, উজ্জ্বল এবং আরো কার্যকরী. স্যামসাং গ্যালাক্সি এস ৪ এর অন্যতম আকর্ষণ হল এই সুপার এমোলেড প্লাস ডিসপ্লে।
T
Tweak: ডিভাইসের কোন।সেটিংসে ছোটখাটো পরিবর্তন আনা।
TouchWiz: স্যামসাং এর নিজস্ব লউনচার বা ইউজার ইন্টারফেস।
U
Underclock: প্রসেসরের কাজ করার ক্ষমতা কমিয়ে আনাকে আন্ডারক্লক বলে। ফোন যখন অলস পড়ে থাকে সেই সময়ে প্রসেসরের কাজ কমিয়ে এনে ব্যাটারি ব্যাকআপ বাড়ানোর প্রক্রিয়াকে আন্ডারক্লক বলা হয়।
Unroot: রুট করে সুপারইউজার পারমিশন পাওয়া যায়। এই পারমিশনকে বাতিল করে ডিভাইসকে আগের মতো লক করার পদ্ধতিকে বলে আনরুট।
Unlock Root: একটি পিসি অ্যাপ যার সাহায্যে অনেক অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইস এক ক্লিকে রুট করা যায়।
USB: USB = Universal Serial Bus. যার মাধ্যমে ফোন বা ট্যাবকে পিসির সাথে সংযোগ করা যায়।
V
Vanilla: একটি টিম যা স্টক অ্যান্ড্রয়েডকে বর্ণনা করে।
Vroot: একটি পিসিঅ্যাপ্স যার সাহায্যে Android ডিভাইস Root করা যায়।
W
Widget: ওইগেট হল কোন অ্যাপের সর্টকার্ট আইকন যা হোমস্ক্রিন বা ফোন'স ডেক্সটপ সেট করে ঐ অ্যাপকে দ্রুত এক্সেস করা যায়।
Wipe: ডিভাইসের কোন ইনফো মুছে ফেলাই হল ওয়াইপ।
X
XDA: এক্সডিএ হলো অ্যান্ড্রয়েড-ভিত্তিক ডেভেলপারদের সবচেয়ে বড় ফোরাম। বেশিরভাগ কাস্টম রমসহ বিভিন্ন অ্যাডভান্সড বিষয়ে এখানেই আলোচনা করা হয়।
Xperia: সনি এর অ্যান্ড্রয়েড বেসড স্মার্টফোন সিরিজ।
Y
YouTube: গুগল ওয়েব বেসড ভিডিও স্ট্রিমিং সেবা। স্টক রমে ইউ টিউব অ্যাপটি দেয়াই থাকে, না থাকলে প্লেস্টোর থেকে ডাউনলোড করে নেয়া যায়, কিন্তু এটি দিয়ে কোন ভিডিও ডাউনলোড করা যায় না।
Z
z4root:
একটি পিসি অ্যাপ যার সাহায্যে অনেক অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইস এক ক্লিকে রুট করা যায়
[Read More...]


ল্যাপটপ বা পিসিকে কে WiFi হটস্পট বানানোর সহজ নিয়ম



কমান্ড লাইন ব্যবহার না করেই সফটওয়ার ব্যবহার করে পিসিকে ওয়াইফাই হটস্পট বানাতে চেয়েছি। কানেক্টিফাই এগুলোর মধ্যে সবচেয়ে ভালো। কিন্তু প্রবলেম হলো ঐটা প্রিমিয়াম। কয়েক দিন পর আর পুরাতন ভার্সন ঠিক মত কাজ করে না...  mHotspot & MyPublicWifi আমার জন্য কেন জানি ঠিক মত কাজ করে না। সবচেয়ে সহজ হচ্ছে কমান্ডলাইন ব্যবহার করা। দুইটা কমান্ড লাইনেই পিসি বা ল্যাপটপ wifi hotspot হয়ে যাবে।  তো পরে কমান্ড লাইন দিয়ে করেছি। এটাই সহজ মনে হচ্ছে এখন।
পিসিতে wifi ডিভাইস থাকে না। বাজারে কিনতে পাওয়া যায়। ৫০০-১০০০ টাকা একটা/  একটা wifi এডাপ্টার কিনে আনলে পিসির নেট ও শেয়ার করে মোবাইল ডিভাইস গুলোতে ব্যবহার করা যায়। 

কমান্ড লাইন ওপেন করতে হবে প্রথমে। এবং তা এডমিস্ট্রেটর হিসেবে। স্টার্ট মেনুতে গিয়ে cmd / Command Prompt এর উপর রাইট ক্লিক করলে নিচের দিকে অপশন আসবে, Run as Administrator. ক্লিক করলে কমান্ডলাইন ওপেন হবে।
cmd

নিচের মত করে এরপর নিচের কমান্ডটি লিখতে হবেঃ
netsh wlan set hostednetwork mode=allow ssid=MyWifi key=12345678 
এখানে  MyWifi হচ্ছে হটস্পটের নাম। 12345678  হচ্ছে পাসওয়ার্ড। চেঞ্জ করে যেকোন কিছু দিতে পারেন। নিচের ছবিটি দেখতে পারেনঃ
wifi hotspot command line

উপর থেকে কপি করেও পেস্ট করতে পারেন কমান্ড লাইনে। এরপর Enter কী চাপুন... ওয়াইফাই হটস্পট রেডি। এবার শুধু তা স্টার্ট করতে হবে। তা করতে হবে আরেকটি কমান্ড দিয়েঃ
netsh wlan start hostednetwork
এবার আপনি যে কোন ওয়াফাই ডিভাইস কানেক্ট করতে পারবেন।। একটা সমস্যা হচ্ছে ইন্টারনেট নাও পেতে পারেন। তার জন্য একটা কাজ করতে হবে। আমরা যে wifi hotspot তৈরি করেছি, তাকে ইন্টারনেট এক্সেস দিতে হবে। তার জন্য কন্ট্রোল প্যানেল থেকে Network and Shearing সেটিংস এ যেতে হবে। ঐখানে আপনার ব্রডব্যান্ড বা মডেম এর নেটওয়ার্ক দেখাবে। এবং সদ্য তৈরি করা wifi hotspot টি দেখাবে। আমার wifi hotspot এর নাম ছিল pc, ... নিচের ছবিটি দেখতে পারেন...
network and shareing settings
যেটা আপনার মেইন ইন্টারনেট কানেকশন তা তে ক্লিক করুন। এরপর Properties. Sharing ট্যাব থেকে Allow Other ... কে চেক করুন। এবং আপনার তৈরি করা Wifi Hotspot টি সিলেক্ট করুন। কাজ শেষ। এবার আপনি সুন্দর ভাবে আপনার ডিভাইস গুলোতে ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারবেন। নিচের ছবি দেখুনঃ
netshareing using wifi

আরেকটা কমান্ড দরকারী, Wifi ঠিক মত শেয়ার হয়েছে কিনা, তা জানা যাবে নিচের কমান্ড দিয়েঃ
netsh wlan show hostednetwork

এই তো... আর কিছু না।  :) কম্পিউটার বন্ধ করলে netsh wlan start hostednetwork কমান্ড দিয়ে প্রতিবার অন করার পর হটস্পট অন করতে হবে।

যাদের কাছে উপরের পদ্ধতি কমপ্লেক্স মনে হয়, তারা নিচের সফটওয়ার গুলোর যে কোন একটা ট্রাই করে দেখতে পারেনঃ
[Read More...]


Searching JOB



[Read More...]


পাসপোর্ট নবায়ন/সংযোজন/সংশোধন সংক্রান্ত কিছু সাধারণ প্রশ্ন উত্তর



সালাম সবাইকে। কিছু জিনিশ আছে যেগুলো প্রযুক্তি সম্পর্কিত না হলেও আমাদের নিত্য দিনের খুব প্রয়োজনীয় এবং জেনে রাখা প্রয়োজন। যেমন একটি বিষয় হতে পারে পাসপোর্ট। এটি নিয়ে অনেকের মনে অনেক ধরনের প্রশ্ন থাকে কিন্তু আমরা সঠিক উত্তর খুজে পাইনা। তাই আজকে পাসপোর্ট নিয়ে চমৎকার কিছু তথ্য সংগ্রহ করেছি যেখনাএ আপনি জেনে নিতে পারবেন কিভাবে পাসপোর্ট নবায়ন/সংযোজন/সংশোধন করতে পারবেন।
bangladesh-passport
২) ডাকযোগে পাসপোর্ট নবায়ন/সংযোজন/সংশোধন এর কোনো ব্যবস্থা কি আছে?
উঃ ডাকযোগে পাসপোর্ট নবায়ন ও সংশোধন এর সুবিধা আছে কিন্তু সংযোজন এর ক্ষেত্রে পাসপোর্ট-ধারীকে অবশ্যই বেইজিং এ অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসে উপস্থিত থাকতে হবে।
৩) পাসপোর্ট নবায়ন/সংযোজন/সংশোধন এর জন্য কি কি নিয়মাবলী অনুসরণ করতে হবে?
উঃ নবায়ন- পাসপোর্ট নবায়ন এর জন্য পাসপোর্ট-ধারী বাংলাদেশ দূতাবাসে উপস্থিত হয়ে অথবা ডাকযোগে আবেদনপত্র দূতাবাসের ঠিকানায় পাঠিয়ে নবায়ন এর কাজ সম্পন্ন করতে পারবেন।
সংযোজন-সংযোজন এর জন্য পাসপোর্ট-ধারীকে অবশ্যই বেইজিং এ অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসে উপস্থিত হয়ে আবেদন করতে হবে।
সংশোধন- পাসপোর্টে কোন ভুল থাকলে সেটা পরিবর্তনের জন্য পাসপোর্ট-ধারীকে বাংলাদেশ দূতাবাসের প্রথম সচিব (ফার্স্ট সেক্রেটারি) বরাবর একটি দরখাস্ত লিখতে হবে এবং সংশোধনের জন্য নির্দিষ্ট ফর্ম পূরণ করে আবেদন করতে হবে।
৪) সর্বোচ্চ কত বছর এবং সর্বনিম্ন কত বছরের জন্যে পাসপোর্ট নবায়ন করা যাবে?
উঃ সর্বোচ্চ ৫ বছর এবং সর্বনিম্ন ১ বছরের জন্যে পাসপোর্ট নবায়ন করা যাবে তবে পাসপোর্ট ইস্যুর তারিখ হতে পাসপোর্টের মেয়াদ সর্বমোট ১০ বছর অতিবাহিত হলে পাসপোর্ট-ধারীকে অবশ্যই নতুন পাসপোর্ট সংগ্রহ করতে হবে।
৫) আমার পরিচিত কেউ কি আমার প্রতিনিধি হয়ে আমার পাসপোর্ট  নবায়ন/সংযোজন/সংশোধন করতে পারবে?
উঃ হ্যাঁ,  অন্য কেউ প্রতিনিধি হয়ে আপনার পাসপোর্ট  নবায়ন ও সংশোধন করতে পারবে কিন্তু সংযোজন এর ক্ষেত্রে পাসপোর্ট-ধারীকে অবশ্যই বেইজিং এ অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসে উপস্থিত থাকতে হবে।
৬) চীনে অবস্থানরত অবস্থায় পাসপোর্ট এর পাতা শেষ হয়ে গেলে নতুন পাসপোর্ট এর জন্যে কি কি তথ্যাদি/ডকুমেন্ট এবং কয় কপি ছবি দিতে হবে?
উঃ এক্ষেত্রে ৬ কপি ছবি এবং পাতা শেষ হয়ে যাওয়া পাসপোর্ট এর ফটোকপি বাংলাদেশ দূতাবাসে জমা দিয়ে নতুন পাসপোর্টের জন্য আবেদন করতে হবে। ডাকযোগেও আবেদন করা যাবে।
৭) চীনে এসে পাসপোর্ট হারিয়ে গেলে প্রয়োজনীয় কি কি পদক্ষেপ নিতে হবে এবং নতুন পাসপোর্ট এর জন্যে কি কি কাগজপত্র/ডকুমেন্ট লাগবে?
উঃ পাসপোর্ট হারিয়ে গেলে সর্বপ্রথমে নিকটস্থ পুলিশকে অবহিত করতে হবে এবং সেখান থেকে একটি পুলিশ রিপোর্ট সংগ্রহ করতে হবে। এরপর পুলিশ রিপোর্ট, হারিয়ে যাওয়া পাসপোর্টের ফটোকপি ও ৬ কপি ছবি বাংলাদেশ দূতাবাসে জমা দিতে হবে।
৮) সপ্তাহে কয়দিন কয়টা থেকে কয়টা পর্যন্ত পাসপোর্ট নবায়ন/সংযোজন/পরিবর্তন এর জন্যে আবেদন করা যাবে?
উঃ সপ্তাহে ৫ দিন সোম থেকে শুক্র সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত পাসপোর্ট নবায়ন/সংযোজন/পরিবর্তন এর জন্যে আবেদন করা যাবে।
৯) Machine Readable Passport পাসপোর্ট এর জন্যে কিভাবে আবেদন করতে হবে?
উঃ Machine Readable Passport এর জন্য আবেদনের ক্ষেত্রে, আবেদনকারীকে আবেদনপত্রের সাথে ১ কপি ছবি, জাতীয় পরিচয়পত্র অথবা জন্ম-নিবন্ধন পত্রের ফটোকপি সহ বেইজিং এ অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসে উপস্থিত হয়ে আবেদন করতে হবে। এর জন্য সময় লাগবে ২১-২৮ দিন। উল্লেখ্য যে, মেশিন রিডেবল পাসপোর্টের পাতায় যে ছবি থাকবে সেটি দূতাবাসে আবেদনের সময় তোলা হবে। পূর্বে তোলা কোন ছবি গ্রহণযোগ্য হবেনা।
২০১৪ সাল থেকে হস্তলিখিত পাসপোর্ট আর গ্রহণযোগ্য হবে না। তাই ২০১৪ সালের মধ্যে সকলের  Machine Readable Passport সংগ্রহ করা বাধ্যতামূলক।
১০) পাসপোর্ট নবায়ন/সংযোজন/সংশোধন এর জন্য নির্ধারিত ফি সমূহ:
 নবায়ন:  ৫ বছরের জন্য- 
সাধারণ ফি- ৮৮০ ইউয়ান   সময়- ৭ দিন
জরুরী ফি- ১৩২০ ইউয়ান   সময়- ১ দিন (হস্তলিখিত পাসপোর্টের ক্ষেত্রে)
সংযোজন:
সাধারণ ফি- ৮৮০ ইউয়ান  সময়-  ৭ দিন
জরুরী ফি-  ১৩২০ ইউয়ান  সময়- ১ দিন (হস্তলিখিত পাসপোর্টের ক্ষেত্রে)
সাধারণ ফি- ৮৮০ ইউয়ান  সময়- ২১-২৮ দিন (Machine Readable Passport এর ক্ষেত্রে)
সংশোধন/পরিবর্তন:
সাধারণ ফি- ১০০ ইউয়ান  সময়- ২১-২৮ দিন (Machine Readable Passport এর ক্ষেত্রে)
[Read More...]


প্রয়োজনীয় ৫০০+ বিভিন্ন ওয়েবসাইট এর লিঙ্ক



প্রয়োজনীয় (৫০০+) বিভিন্ন ওয়েবসাইট এর লিঙ্কঃ না দেকলে পুরাই মিস...............
আমাদের অনেক সময় অনেক পেজের লিংক দরকার পরে। হইত সেই লিংক গুল সময় মত খুজে পাই না...।তাই আপনাদের জন্য নিয়ে আসলাম ৫০০+ প্রয়জনিয় ওয়েব সাইট আর লিংক... এই লিংক গুলা সংগ্রেহে রাখুন।
চিন্তার কোনই কারন নেই ৫০০+ লিংক পেতে  pdf file টি ডাউনলোড করুন। এই ফাইলে ৫০০+ লিংক আছে।

ব্লগ

http://www.techtunes.com.bd/
http://www.somewhereinblog.net/

হসপিটাল


http://www.apollohospitals.com/

http://afmc.nic.in/

http://www.ad-din.org/

সফটওয়্যার ডাউনলোড লিংক

http://download.cnet.com/windows/
http://www.brothersoft.com/
http://en.softonic.com/

ইমেইল

http://www.gmail.com
https://login.yahoo.com/config/login_verify2?&.src=ym
https://login.live.com/login
http://www.mail.com/email/

দৈনিক সংবাদপত্র

http://www.prothom-alo.com/
http://www.ittefaq.com/
http://www.dailyjanakantha.com/
http://www.bhorerkagoj.net/
http://www.nayadiganta.com/

২৪ ঘন্টার নিউজ

http://www.bdnews24.com/
http://www.allbanglanews.com/
http://www.allbdnews.com/

সাপ্তাহিক/মাসিক/পাক্ষিক পত্রিকা

http://www.my-anannya.com/
http://www.weeklyekhon.com/
http://www.meghbarta.org/

ফ্রেন্ডশিপ

http://www.addaghar.com/
http://ebondhu.7mb.net/
http://deshibondhu.7mb.net/

বিয়ে

http://www.ghotockvai.com/
http://borbodhu.com/

অনলাইন গিফ্ট শপ

http://www.giftdokan.com/
http://www.deshicd.com/

শিক্ষামূলক

http://www.fornix-education.com/
http://www.bdhigherstudy.com/

খেলাধুলা

http://www.khelarkhobor.com/
http://www.fifa.com/
http://www.cricinfo.com/
http://www.cricinfo.com/

চাকুরী

http://www.bdjobs.com/
http://www.bdhotjobs.com/
http://wwwprothom-alojobs.com/

শেয়ার মার্কেট

http://www.dsebd.org/
http://www.csebd.com/cse/start.html

রাজনীতি

http://www.albd.org/autoalbd/index.php
http://www.bnpbd.com/
http://www.jatiyaparty.org/

সরকার

http://www.bangladesh.gov.bd/
http://www.mocbangladesh.org/
http://www.bdpressinform.org/

রেডিও

http://www.al-madeena.com/
http://www.ekushebetar.banglamedia.net/
http://www.betar.us/
http://www.metrowave-bd.com/

বাংলা নাটক ও সিনেমা

http://www.banglanatokdownload.com/
http://www.amarnatok.com/
http://shonarbangladesh.com/
http://bd-natok.com/

টিভি

http://www.nsmusictv.com/
http://www.atnbangla.tv/
http://www.btv.com.bd/
http://www.ntvbd.tv/

কৃষি

http://www.agrobangla.com/
http://www.barc.gov.bd/
http://www.bina.gov.bd/

গান

http://banglamusic.com/
http://www.mybanglamusic.com/
http://www.murchona.org/home/
http://www.bengaliguru.com/
http://www.banglasur.com/

বিমান

http://www.unitedairwaysbd.com/
http://www.uabdl.com/
http://www.bestairbd.com/
http://www.gmgairlines.com/site/index.php

ব্যাংক

http://www.hsbc.com.bd/
http://www.thecitybank.com/
http://www.ucbl.com/
http://www.uttarabank-bd.com/

কুরিয়ার

http://www.pioneercourier.net/
http://www.premierex.com/
http://www.tcsexp.com/
http://www.skynetbd.com/
http://www.scsexpress.com/

কিডস

http://www.fantasy-kingdom.net.bd/
http://www.babynames.com/
http://www.alfy.com/
http://www.sikids.com/

মোবাইল কোম্পানি

http://www.grameenphone.com/
http://www.waridtel.com.bd/
http://www.aktel.com/
http://www.citycell.com/
http://www.teletalk.com.bd/
http://www.banglalinkgsm.com/

মেডিকেল কলেজ

http://www.bsmmu.org/
http://www.cbmcbmymensingh.com/
http://www.hfrcmc.org/
http://www.sikderhospital.com/
http://www.afmcbd.com/
http://www.mmc-edu.org/
[Read More...]


এখন থেকে ইমেইলের(Gmail) ইনবক্স মেসেজের আপডেট পান মোবাইল এসএমএস এর মাধ্যমে বিনামূল্যে



ইমেইল যার কাছে প্রয়োজনীয় সেই জানে ইমেইল নটিফিকেশনের গুরুত্ব কতটূকু। জিমেইলের ক্ষেত্রে আপনি নিচের টিপস অনুসরন করলে ইমেইল আসার ২ মিনিটের মধ্যেই মোবাইলে গুগল থেকে এসএমএস পাবেন। গুগল জিমেইলের জন্য সরাসরি এসএমএস সাপোর্ট দেয় না। তাই আমরা একে একটু ভিন্নভাবে কনফিগার করে এসএমএস নটিফিকেশন পেতে পারি। আমরা গুগল API কোড ট্রিগ্রার করি জিমেইলে এবং নতুন ইমেইলটি গুগল ক্যালেন্ডারে অটো ইভেন্ট সেট করে। গুগল ক্যালেন্ডার থেকে এসএমএস আমাদের পাঠায়।১। কাজের শুরুতে প্রথমে জিমেইল একাউন্টে লগিন করুন এবং সেটিংস এ ক্লিক করুন।
 
২। Levels ট্যাবে গিয়ে create new Label এ ক্লিক করে হুবুহু "sendsms" নামে একটি লেবেল ক্রিয়েট করুন।
৩। এখন Filter ট্যাবে গিয়ে Create new Filter এ ক্লিক করুন। এখানে আপনাকে বলে দিবে হবে যে আপনি নির্দিষ্ট কারো ইমেইল নটিফিকেশন নিতে চান নাকি সব ইমেইলের নটিফিকেশন নিতে চান।
সব ইমেইলের নটিফিকেশন চাইলে is:inbox লিখতে হবে।  create filter with this search ক্লিক করুন এবং
Apply the label অংশে sendsms সিলেক্ট করে দিন। create filter চাপুন। এখন জিমেইলের কাজ শেষ।
৪। এবার এই লিঙ্কে ক্লিক করে File- Make a copy - OK তে ক্লিক করুন।রিলোড হয়ে নতুন একটি উইন্ডো খুললে tools- Script Editor এ ক্লিক দিন।
অনেকসময় ফায়ারফক্স ব্যবহারকারীরা এই ধরনের মেসেজ দেখলে Close  এ ক্লিক করবেন।
৫। পরের ধাপে  গুগল API এর কোড দেখতে পারবেন। এখানে Resources- Current Project's Triggers এ ক্লিক করুন।
৬। No triger set. Click to setup a new triger এ ক্লিক দিয়ে নিচের মত সেটিং করুন।
Save এ ক্লিক করার পর অথোরাইজেশন চেক করার জন্য পারমিশন চাইতে পারে...তাহলে authorize এ ক্লিক দিবেন ।
৭। এবার যেতে হবে গুগল ক্যালেন্ডারে। এই লিঙ্কে গিয়ে সেটিং এ যান।
 
এখানে general tab এ বাংলাদেশ এবং টাইম জোন GMT+6 নির্বাচন করুন।
৮। Mobile setup ট্যাবে যান এখানে বাংলাদেশ সিলেক্ট করে আপনার মোবাইল নাম্বারটি এই ফরমেটে দিন। ভেরিফিকেশন কোড পাঠালে ভেরিফাই করুন।
৯। Calender ট্যাবে নিচের মত করে সেটিং করুন। যেমন - By Default reminder via = 0
এবং বিভিন্ন রিমাইন্ডার হিসেবে এসএমএস সিলেক্ট করে দিন। এখানে যেরকম আছে ঠিক সেরকম করবেন।
এছাড়া ও ল্যাব অংশে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ টুলস রয়েছে যা নটিফিকেশন সিস্টেমে আপনার কাজে লাগতে পারে। যেমন আপনি চান আপনাকে যে রাত ১ থেকে সকাল ৮ টা পর্যন্ত কোন এসএমএস নটিফিকেশন না পাঠায়।
----------------------------------------
এখন আপনার সকল কনফিগারেশন কম্পলিট হয়েছে। নতুন কোন মেইল এলে সাথে সাথেই এসএমএস দিয়ে এলার্ট করা হবে।
সব কিছু ঠিক আছে কিনা তা টেস্ট করতে আপনি অন্য কোন একাউন্ট থেকে নিজের ইমেইল এড্রেসে ইমেইল পাঠিয়ে দেখতে পারেন( ইমেইল পাঠানোর সময় বডি টেক্সটে ২-৩ টা ওয়ার্ড না লিখে ৬-৭ লাইনের টেক্সট লিখবেন)। তবে জিমেইলে লগিন অবস্থায় থাকলে আপনাকে নটিফিকেশন দিবে না।
কোন জায়গায় বুঝতে সমস্যা হলে কমেন্ট করে জানাবেন। শুভ রাত্রি।
[Read More...]


মেগা পোস্ট বাংলা অনুবাদ বই Download করুন



আসসালামুয়ালাইকুম। আশা করি আপনারা সবাই ভাল আছেন। আজকে আপনাদের জন্য নিয়ে আসলাম বিখ্যাত সব বিদেশি লেখকের বইয়ের বাংলা অনুবাদ বই। এখানে প্রায় ১৫০+ বাংলা বই আছে, আপনাদের প্রিয় বইটি তাড়াতাড়ি ডাউনলোড করে নিন। যেসব বিদেশি লেখকের বই এখানে পাবেন তাদের সংক্ষিপ্ত একটি তালিকা দিলাম- Alexander Duma, Alexander Belayev, Dale Carnegie, Erich Maria Remarque, Mark Twain, Henry Rider Haggard, Isaac Asimov, Jules Verne, Mopasa, J. K. Rowling, Robert Louis Stevenson, Maxim Gorky, Shakespeare, Sir Arthur Conan Doyle আরও অনেক। আশা করি আপনাদের পোস্টটি ভালো লাগবে, ভাল বা খারাপ যাই লাগুক কমেন্ট করে জানালে খুশি হব।
এখানে এত গুলো বই এর লিঙ্ক দেওয়া সম্ভব না... তাই আমি এখানে ৭০-৮০ টার মত লিঙ্ক দিলাম

A Tale of 2 Cities by Charles Dickens
**Link: https://www.box.com/s/c41b8ee86be7c48e9c73
3 Dead Men by Eden Phillpotts
**Link: https://www.box.com/s/d691cae3416970e675a1
3 Musketeers by Alexander Duma
**Link: https://www.box.com/s/948f9e4c45675a2fa81e
Twenty Years After by Alexander Duma
**Link: https://www.box.com/s/026670d4da44be285075
Count of Montecristo by Alexander Duma
**Link: https://www.box.com/s/ee72d862f24c08f08131
Black Tulip by Alexander Duma
**Link: https://www.box.com/s/b2168c06606efedc91ea
Man In The Iron Mask by Alexander Duma
**Link: https://www.box.com/s/7fa64b0b43132306f427
Catriona by Alexander Duma
**Link: https://www.box.com/s/2deb3bdf5d2a7fe1285f
Robinson Crusoe by Danial Difo
**Link: https://www.box.com/s/faa67b5b160bd884e152
The Amphibian Man by Alexander Belyaev
**Link:  http://www.mediafire.com/?c572fac1e54oq44
Ubhochor Manush by Alexander Belayev
**Link: https://www.box.com/s/53fe3b8e9b6c2653bf16
Comrade Death by Gerald Kersh
**Link: http://www.mediafire.com/?kopg7fd8930ejd6
The Black Obelisk by Erich Maria Remarque
**Link: http://www.mediafire.com/?670w7jzs2tqcjaq
All Quite In The Western Front Erich Maria Remarque
**Link: https://www.box.com/s/304967f048032cee0df0
Sopno Mrittu Valobasa Erich Maria Remarque
**Link: https://www.box.com/s/7e697d1f1a890c3811d8
Boner Raja by Edgar Rice Burroughs
**Link: http://www.mediafire.com/?b3c8udrch4f9mbr
Bermuda Triangle By Shamsuddin Nowab
**Link: http://www.mediafire.com/?wa7dcwtv5ysn72k
A Connecticut Yankee in King Arthur’s Court by Mark Twain
**Link: http://www.mediafire.com/?9nk5h6wvhcbjdp9
Mark Twain Timur
**Link: http://www.box.com/s/cf0619a8f7eeeed1b081
Adventure of Huckle Berry Finn Mark Twain
**Link: https://www.box.com/s/4df0cd3177fd3f239bb7
Allan Quatermain by Henry Rider Haggard
**Link: http://www.mediafire.com/?c91bb7i2xwrfvo1
Jess by Henry Rider Haggard
**Link: http://www.mediafire.com/?acnh2cqbt7lynxd
Eric Brighteyes by Henry Rider Haggard
**Link: http://www.mediafire.com/?xuzwlvxpgukki0k
Maiwar Protishodh Henry Rider Haggard
**Link: https://www.box.com/s/c35c57bf978a957504c0
Solomoner Guptodhon Henry Rider Haggard
**Link: https://www.box.com/s/7e1c58ff5896dea901c0
Queen Sheba's Ring Henry Rider Haggard
**Link: https://www.box.com/s/c18f4082a861faf57bc0
Eric Brighteyes Henry Rider Haggard
**Link: http://www.mediafire.com/?guapralqr62qwde
Return Of She Henry Rider Haggard
**Link: https://www.box.com/s/32930f69ad271af26490
Mr Missions Will Henry Rider Haggard
**Link: https://www.box.com/s/5f7688b9eacdbab7ab17
Montejummar Meye Henry Rider Haggard
**Link: https://www.box.com/s/3fa1831b311ed19d3506
She Henry Rider Haggard
**Link: https://www.box.com/s/b56ea0bd2d6dc9675878
Benita Henry Rider Haggard
**Link: https://www.box.com/s/819d3833c5d4e6e067e5
Moon of Izreal Henry Rider Haggard
**Link: https://www.box.com/s/6212c31f2d47c6072e13
The Bretheren Henry Rider Haggard
**Link: https://www.box.com/s/fcd89896d3c9abfea6e6
Nesha Henry Rider Haggard
**Link: https://www.box.com/s/7bd24803fb6f2a871105
The Virgin Of The Sun Henry Rider Haggard
**Link: https://www.box.com/s/c77f34490d3f4bf25456
Kim by Rudyard Kipling
**Link: http://www.mediafire.com/?ax8kumx74gbmpco
Asimov Golpo Somogro 1 by Isaac Asimov (Science Fiction)
**Link: https://www.box.com/s/4d993642455ac881ff89
Asimov Golpo Somogro 7 by Isaac Asimov (Science Fiction)
**Link: https://www.box.com/s/01f94a8a23f45d72aeb0
Foundation & Earth by Isaac Asimov
**Link: https://www.box.com/s/4d21e11a4f03336f8009
Shudhu Jiboner Jonnyo (The Bicentineal Man) by Isaac Asimov
**Link: https://www.box.com/s/3e1c11c78e982dc8aeba
Foundation by Isaac Asimov
**Link: https://www.box.com/s/33cb837b4680b17c1452
Around The World In 80 Days By Jules Verne
**Link: https://www.box.com/s/c2d050ee35c3dd6ec141
Carpethian Durgo By Jules Verne
**Link: https://www.box.com/s/bc2b33ffcecda5feb0c9
Michael Strog of By Jules Verne
**Link: https://www.box.com/s/ead4291c112967a4f31b
Temple Tiger Jim Corbet and Keneth Anderson and Others
**Link: https://www.box.com/s/31724e6ae34df1c94992
Jungle by Keneth Anderson
**Link: https://www.box.com/s/934e1116880c29853742
Jim Corbet Omnibus 1 Jim Corbet
**Link: https://www.box.com/s/4a997bc7488cdf82c559
Jim Corbet Omnibus 2 Jim Corbet
**Link: https://www.box.com/s/b4aab924d7199783da4d
Krishna Gahobar, Sishu Bishwa (Black Holes and Baby Universes) Stephen Hawking
**Link: http://www.box.com/s/5edebb007847abed9505
Kaler Sankhipta Itihas (A Brief History of Time) Stephen Hawking
**Link: http://www.box.com/s/212350ad4976f7c79d1a
এত কষ্ট করে আমার পোস্টটি পড়ার জন্য আপনাদের সবাইকে ধন্যবাদ। আবার কোন সময় আরেকটি পোস্ট নিয়ে হাজির হব। collected..
[Read More...]


ট্রেন এর টিকেট কীভাবে মোবাইল দিয়ে কাটবেন ?



সবাই কে আসসালামুআলাইকুম। কেমন আছেন সবাই। আমরা স্টেশনে গিয়ে ট্রেইন এর টিকেট  কাটতে অনেক সময় অনেক জামেলায় পরতে হয়। তাই  আমি আজ আপনাদেরকে মোবাইল দিয়ে বাসা, অফিস  ইত্যাদি জায়গা থেকে বসে কীভাবে সহজে ট্রেনের টিকেট কাটা যায় তা বলচি। আর সময় নিবনা চলুন…………………………………………………...........................।।।




প্রথম
১। প্রথমে আপনাকে আপনার মোবাই এর মেসেজ অপশন এ গিয়ে TKET টাইপ করে 1200 নম্বর এ পাঠিয়ে দিন।
২। আপনার মোবাইলে একটা SMS আসবে পিন নম্বর সহ।
৩। পিন নম্বর পরিবতন করুন । *777# yes আবার yes type 3 yes,তার পর আবার yes type 2 yes, enter old password(আপনার মোবাইলে এসএমএস আসা পিন নম্বরটি)yes type পিন yes, enter new password(যে কোন চারটি ডিজিট) yes type পিন yes, enter re-new password yes type পিন yes।
৪। যাদের রেজিস্ট্রেশন করা আছে তাদের পুনরায় রেজিস্ট্রেশন করার প্রয়োজন নেই।
আপনি দুই ভাবে মোবাইল দিয়ে টিকেট কাটতে পারেন। এক বুকিং দিয়ে অন্যটি হচ্ছে সরাসরি বা বুকিং ছাড়া।
ব্দিতীয়
টিকেট বুকিং এর জন্য যা যা করতে হবে।
১। আপনার মোবাই থেকে *131*1# ডায়াল করুন।
২।তার পর ভ্রমন তারিখ type করে (যেমন ০২ হলে 02, ০৫ হলে 05, ১৩ হলে 13, ২২ হলে 22 ইত্যাদি)yes বাটন চাপুন।
৩।তার পর আপনাকে যাত্রা শুরুর স্টেশন সিলেক্ট করতে প্রতিটা স্টেশন নাম (যেমন 1.dhaka, 2.sylhet, 3.khulna etc) এর বাম পাশের ডিজিটটি লিখতে yes তার পর সেই ডিজিট type করে yes করুন।
৪।তার পর আপনাকে yes করে গন্তব্যস্থল এর বাম পাশের ডিজিট বা 6 type করে yes বাটন চাপুন । তার পর আপনি যে স্টেশন এ যেতে চান সেই স্টেশন এর প্রথম তিনটি ইংরেজি আক্ষর type করে yes তার পর সঠিক স্থান এর বাম পাশের ডিজিট yes তার পর type ডিজিট তার পর yes।
৫। তার পর আপনি যে ট্রেইনে যেতে চান সেই ট্রেইন নাম এর বাম পাসের ডিজিটটি, yes তার পর type ডিজিট yes।
৬।তার পর টিকেট class সিলেক্ট করতে প্রতিটি ক্লাস এর বাম পাশের ডিজিট (যে ক্লাস আপনার পছন্দ) type করে yes।
৭।তার পর আপনার টিকেট কত গুলো লাগবে ।মেনু থেকে আপনার যে টি পছন্দ সেটির বাম পাশের ডিজিটটি type করে yes করুন।
৮।তার পর yes করে confirm করার জন্য 1 type করে yes করুন। অথবা confirm না করার জন্য 2 type করে yes করুন।
৯। ফিরতি এসএমএস এ আপনাকে একটি বুকিং কোড ও প্রয়োজনীয় টাকার পরিমান জানিয়ে দেয়া হবে।
টিকেট বুকিং দেয়ার পর যা যা করতে হবে।
১০। বুকিং কোড পাওয়ার ৩০ মিনিট এর মধ্যে আপনাকে এটি কনফাম করতে হবে ।কনফাম না করলে টিকেট বাতিল হয়ে যাবে। কনফাম করতে যা যা করতে হবে । আপনাকে জিপি কাস্টমার কেয়ার এ গিয়ে সঠিক পরিমান টাকা আপনার মোবাইল নম্বরে ‘মোবিক্যাশ’ করতে হবে।
১১। তার পর আপনার মোবাইল থেকে *131*2# type করে yes করুন।
১২। তার পর আপনাকে yes করে বুকিং কোডটি type করে yes করুন।
১৩। তার পর আপনাকে yes করে আপনার পিন নম্বরটি type করে yes করুন।
১৪। তার পর yes করে 0 type করে confirm করুন।
১৫। তার পর আপনার কাছে একটি এসএমএস আসবে সেই এসএমএস টি দেখিয়ে জিপি কাস্টমার কেয়ার থেকে কাগজের টিকেট সংগ্রহ করবেন। তবে একটি কথা না বললে নয় আপনাকে ট্রেইনে ভ্রমন শুরু করার মিনিমাম এক ঘন্টা আগে টিকেট সংগ্রহ করতে হবে।
তৃতীয়
সরাসরি বা বুকিং ছাড়া টিকেট কিনতে যা যা লাগবে। তবে এইটার জন্য আপনাকে প্রথমে মোবাইলে সঠিক পরিমান টাকা ‘মোবিক্যাস’ করে নিতে হবে।
১। আপনার মোবাইল থেকে *131*3# টাইপ করে yes করুন।
২। তার পর yes করে পিন নম্বরটি টাইপ করে yes করুন।
৩। তার পর ভ্রমন তারিখ type করে (যেমন ০২ হলে 02, ০৫ হলে 05, ১৩ হলে 13, ২২ হলে 22 ইত্যাদি)yes বাটন ।
৪। তার পর আপনাকে যাত্রা শুরুর স্টেশন সিলেক্ট করতে প্রতিটা স্টেশন নাম (যেমন 1.dhaka, 2.sylhet, 3.khulna etc) এর বাম পাশের ডিজিটটি লিখতে yes তার পর সেই ডিজিট type করে yes করুন।
৫। তার পর আপনাকে yes করে গন্তব্যস্থল এর বাম পাশের ডিজিট বা 6 type করে yes বাটন চাপুন । তার পর আপনি যে স্টেশন এ যেতে চান সেই স্টেশন এর প্রথম তিনটি ইংরেজি আক্ষর yes তার পর সঠিক স্থান এর বাম পাশের ডিজিট type তার পর yes।
৬। তার পর আপনি যে ট্রেইনে যেতে চান সেই ট্রেইন নাম এর বাম পাসের ডিজিটটি yes তার পর type ডিজিট yes।
৭। তার পর টিকেট class সিলেক্ট করতে প্রতিটি ক্লাস এর বাম পাশের ডিজিট (যে ক্লাস আপনার পছন্দ) type করে yes।
৮। তার পর আপনার টিকেট কত গুলো লাগবে ।মেনু থেকে আপনার যে টি পছন্দ সেটির বাম পাশের ডিজিটটি type করে yes করুন।
৯। তার পর yes করে confirm করার জন্য 1 type করে yes করুন। অথবা confirm না করার জন্য 2 type করে yes করুন।
১০। তার পর আপনার কাছে একটি এসএমএস আসবে সেই এসএমএস টি দেখিয়ে জিপি কাস্টমার কেয়ার থেকে কাগজের টিকেট সংগ্রহ করবেন।






চতুথ
আপনাকে এই পব্ধিতিতে টিকেট কাটতে বা করতে কিছু শত, সুবিদা ও অসুবিদা আছে তা জেনে নিন।
১। আপনি ঢাকা (ধানমন্ডী,ফারমগেট,মতিঝিল,গুলশান,মিরপুর), আগ্রাবাদ চট্টোগ্রাম, নাটর রোড রাজশাহী, এয়ারপোট রোড আম্বরখানা সিলেট এই জিপি কাস্টমার সেন্টার ছাড়া তেমন কোন জায়গায় মোবিক্যাশ ও টিকেট প্রিন্ট করা যায় না।  তবে অন্য কোন জায়গায় গেলে জামেলার মধ্যে পরতে পারেন।
২। আপনি এই পদ্দিতি শুধু জিপি এর জন্য ।তবে অন্য অপারেটর প্রায় একই রকম।
৩। আপনি এক মাস এ একটি সিম দিয়ে সবোচ্ছ চারটি টিকেট কাটতে পারবেন ।
৪। আপনি যদি আপনার সিম এ বেসি মোবিক্যাশ বা যে মোবিক্যাশ করেছেন তা দিয়ে টিকেট না কাটতে পারলে । কোন চিন্তা করবেন না সেই টাকা আপনার আজীবন থাকবে বা আপনি সেই টাকা আপনার সেই সিম এ FlexiLoad করতে পারেন।
৫। আপনাকে প্রতিটি টিকেট এর জন্য এক্সট্রা বিশ টাকা সাভিস চাজ দিতে হবে।
৬। আপনি যাত্রার সবোচ্ছ দশ দিন আগে অগ্রীম টিকেট কাটতে পারবেন।
৭। আপনি টিকেট কাটার সময় এইটা অবশ্যই লক্ষ রাখবেন যে আপনার যাত্রার শুরুর স্থানটি বা স্টেশনটি যেন ট্রেনটির যাত্রার প্রথম ও শেষগন্তব্য স্থান বা স্টেশনটি হতে হবে।এবং আপনি আপনার যাত্রা শুরু জন্য ঐ স্থান বা স্টেশনটি ঠিক করার পর গন্তব্য স্থান বা স্টেশন যে কোনটি হতে পারে বা দিতে পারেন।
৮। আপনি ট্রেনটির যাত্রার প্রথম ও শেষগন্তব্য স্থান বা স্টেশনটি ছাড়া অন্য কোন স্টেশন থেকে যাত্রা শুরু করতে পারবেন না। তবে যে কোন স্থান বা স্টেশনে যাত্রা শেষ করতে পারবেন।
৯। আপনাকে টিকেট বুকিং দিতে হলে ট্রেইন যাত্রার সময় এর সবোনিন্ম বার ঘন্টা এবং সরাসরি টিকেট কিনতে চাইলে ছয় ঘন্টা পূবে টিকেট কাটতে হবে।
১০। এই পব্ধিতি ব্যবহার করে শুধু মাত্র আন্তনগর ট্রেন এর টিকেট কাটা যাবে।
অকে সবাই ভাল থাকুন, সুস্থ থাকুন।
১১। আপনি টিকেট কাটার সময় প্রতিটি ষ্টেপ এর জন্য ত্রিশ সেকেন্ড করে সময় পাবেন।
১২। আপনি এই বিষয় কোন প্রবলে্মে পরলে যে কোন জিপি নম্বর থেকে 1200 তে কল করুন।


বিঃ দ্রঃ কিছু বানান ভুল হয়েছে এবং কতগুলো অক্ষর এর উপর রেফ দিতে পারি নাই কষ্ট করে বুঝে নিবেন এবং ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।
[Read More...]


নিয়ে নিন HD ফেসবুক চ্যাট ইমু । যারা ফেসবুক চালান তারা একবার হলেও এদিকে আসেন
বিল গেটস ::: কম্পিউটার জগতের জীবন্ত কিংবদন্তী
Youtube এর Video দেখুন,শুধু মাত্র নিচের Addon ডাউনলোড এর মাধ্যমে ...
বই ও সফটওয়্যারের জন্য আপনাকে আর কারো কাছে সাহায্য চাওয়া লাগবে না …… আমার সংগ্রহের সবকিছু শেয়ার করলাম
 

Flash Labels by Way2Blogging

Translate

free counters

Clock

Return to top of page Copyright © 2010 | Platinum Templates Converted into Blogger Template by SEO Templates
^ Back to Top