Passport process for Bangladesh: পাসপোর্ট করার সহজ নিয়মাবলী।



Passport
পাসপোর্ট (Passport) ছাড়া আপনি কি নিজকে বাংলাদেশী নাগরিক ভাবতে পারেন। নিজের পাসপোর্ট (Passport) থাকা জরুরী। পত্রিকা পড়ে অনেকের পাসপোর্টকরা নিয়ে ভিতি ভাব আছে । অফিসিয়াল ব্যাপারগুলো আত্মবিশ্বাসের সাথে করলে একটা না একটা উপায় সহজভাবেই বের হয়ে আসে। বর্তমানে অনলাইনে পাসপোট (Passport) ফরম জমা দিলে লম্বা লাইনে দাঁড়াতে হয় না । পরে নিধারিত সময়ে দালালের খপ্পড় বা পাসপোর্ট (Passport) অফিসের কারো কোন সমস্যার ছাড়াই একদম সরাসরি যেয়ে ছবি তুলে ও ফিঙ্গারিং করা যায়। এতে অনাহুত খরচের বালাই নেই।
যারা অনলাইনে মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট করতে যাচ্ছেন, তাদের জন্য ব্যাপারটাকে আরো সহজ করে তোলার জন্য এই পোস্ট। আপনিও খুব সহজেই পারবেন। কারণ অনলাইনে পাসপোর্ট (Passport) পাওয়া অনেক অনেক সহজ একটা কাজ যদি একটু জানা থাকে । পাসপোর্ট (Passport) হাতে পাওয়াসহ সব মিলিয়ে আপনাকে মাত্র তিনদিন যেতে হবে ।আর সাথে টুকিটাকি যদি জানা থাকে তাহলে আর কথাই নেই ।
আসেন, একদম শুরু থেকে শুরু করি অনলাইনে পাসপোর্ট (Passport) ফর্ম পূরণ করা এবং পরের ধাপের কাজগুলো নিয়ে।

প্রথম ধাপ : ব্যাংকে টাকা জমা দেয়া।

  • সোনালী ব্যাংকের কলেজ গেইট শাখায় পাসপোর্ট (Passport) আবেদনের ফি হিসাবে টাকা জমা দিতে হবে। রেগুলার ফি ৩০০০/- টাকা ( ১ মাসের মধ্যে পাসপোর্ট (Passport) পেতে হলে) আর ইমারজেন্সি ফি ৬০০০/- টাকা ( ১৫ দিনের মধ্যে পাসপোর্ট (Passport) পেতে হলে) ।
প্রথমেই টাকা জমা দেয়া প্রয়োজন এই কারণে যে , অনলাইনে ফর্ম পূরণ করার সময় টাকা জমা দেয়ার তারিখ এবং জমাদানের রিসিটের নাম্বারউল্লেখ করার প্রয়োজন হবে। তাই টাকা আগে জমা দেয়া থাকলে একবারেই ফর্ম পূরণ করা হয়ে যাবে।

টিপস

-ভুলেও আবার আগারগাঁও সোনালী ব্যাংকের শাখায় গেলে – – – – – । সোনানী ব্যাংকের কলেজ গেইট শাখায় বেশ দ্রুত টাকা জমাদেয়া যায় , কারণ এইখানে ভিড়টা কম । আপনার সুবিধামত সোনালী ব্যাংকের শাখায় / ব্রাঞ্চে টাকা জমা দিয়ে রিসিট বুঝে নিন ।
লাইনে দাঁড়ালে ব্যাংকের কাজ শুরুর আগেই ব্যাংকের লোকজন রিসিট দিয়ে যাবে। বা নিজেই টাকা দেয়ার রিসিট সংগ্রহ করে নিন । রিসিট পেলেইংরেজি ব্লক লেটার স্পষ্টভাবে পূরণ করুন। সাথে অবশ্যই কলম রাখুন।
(আমি যখন টাকা জমা দিয়েছিলাম , তখন আগারগাঁও ব্রাঞ্চ এ টাকা জমা নিত , এখন খোঁজ নিয়ে দেখলাম সেখানে টাকা জমা নেয়া বন্ধ ! এছাড়াঅনলাইনে যেসব ব্রাঞ্চের লিস্টগুলো আছে , তার অনেকগুলোতেই টাকা জমা নেয় না । তাই ঢাকায় থাকলে কলেজ গেইট ব্রাঞ্চেই যাওয়া বেটার)

দ্বিতীয় ধাপ – অনলাইনে ফর্ম পূরণ

  • অনলাইনে ফরম পূরণের জন্য প্রথমেই যান পাসপোর্ট (Passport) অফিসের এই সাইটে – http://www.passport.gov.bd/http://www.passport.gov.bd/ । নির্দেশনা ভালোভাবে দেখুন , সতর্কতার সাথে একাউন্ট করুন ।আপনার নাম ও ব্যক্তিগত তথ্যাদি ( যেমন নামের বানান, প্যারেন্টস এর নাম ) যেন শিক্ষাগত সার্টিফিকেটের মতই হয় সেদিকে খেয়াল রাখুন। টাকা জমা দেয়ার তারিখ এবং রিসিট নাম্বার উল্লেখ করুন।
সবশেষে আপনি যেদিন ছবি তোলা ও হাতের ছাপ দেয়ার জন্য বায়োমেট্রিক টেস্ট দিতে যেতে চান, সুবিধামত সেইদিনটা নির্বাচন করে সাবমিটকরুন। অর্থ্যাৎ আপনি নিজের পছন্দসই সময়েই যেতে পারছেন ! ব্যাপারটা খু্বই মজার না !
পুনরায় চেক করার পর সবশেষে সাবমিট করুন । সফলভাবে সাবমিশন শেষ হলে পূরণকৃত ফর্মের একটি পিডিএফ কপি আপনার মেইলে চলেআসবে । এইধাপ এইখানেই শেষ।

 টিপস  1

–  অনলাইনে একাউন্ট খোলার পরপরই আপনাকে ইউজার আইডি এবং পাসওয়ার্ড জানিয়ে দেবে । সেটা সংরক্ষণ করুন। আর ছবিতোলার জন্য যেদিন সময় দেবেন সেদিনটা ফ্রি রাখবেন। সময় লাগতেও পারে এই দিনে যদি মানুষ বেশী হয় ।

তৃতীয় ধাপ

– জমা দেয়ার আগে ফর্মের প্রিন্ট এবং সত্যায়ন আপনার পূরণকৃত ফর্মের যেই পিডিএফ কপিটা পেয়েছেন, সেটার ২ কপি কালার প্রিন্টকরে ফেলুন। যেসব জায়গা হাতে পূরণ করতে হবে সেগুলো করে ফেলুন । আপনার সাইন দিন। এবার নিজের চারকপি ছবি , জাতীয় পরিচয়পত্রেরফটোকপি এবং পাসপোর্ট ফর্ম নিয়ে পরিচিত কোন প্রথম শ্রেণীর কর্মকর্তার কাছ থেকে সত্যায়িত করে নিন। পরিচিত কাউকে দিয়ে সসত্যায়নকরানো দরকার এই কারণে যে, ঐ কর্মকর্তার নাম , যোগাযোগ ও ফোন নাম্বার ফর্মে লিখতে হয়। সত্যায়ন শেষে পুরো ফর্মটি রিচেক করুন।
সত্যায়িত ছবি এবং ব্যাংকের রিসিট আঠা দিয়ে ফর্মের সাথে যুক্ত করুন। সাথে জাতীয় পরিচয়পত্রের সত্যায়িত কপিটি নিন। আপনার ফর্ম জমাএখন দেয়ার জন্য প্রস্তুত।

টিপস  2

– ফর্মের প্রিন্ট করার সময় এক কপি এক্সট্রা করুন। ব্যাকআপ থাকা ভালো । আমার প্রথম পেজ নষ্ট হয়ে গিয়েছিল। শেষ সময়ে ব্যাকআপকপির প্রথম পেইজ দিয়ে দিয়েছি।
ছবি দুই কপি লাগলেও এক্সট্রা দুই কপি করিয়ে রাখা ভালো , পাসপোর্ট অফিসে চেয়ে বসে মাঝে মাঝে। একই কথা জাতীয় পরিচয়পত্রেরব্যাপারেও।

চতুর্থ ধাপ

– ছবি তোলা এবং অন্যান্য আপনার নির্বাচন করা তারিখে সকাল সকাল পাসপোর্ট অফিসে চলে যান । অবশ্যই সাদা পোষাক পরবেন না, ফর্মাল পোষাক পরার চেষ্টা করুন।
সকাল ৯ টার দিকে গেলেই হবে। কোন লাইনে দাঁড়াতে হবে না আপনাকে । সরাসরি মেইন গেইট দিয়ে মূল অফিসে যান। সেখানে দায়িত্বরত সেনাসদস্যকে জিজ্ঞেস করুন কোন রুমে যাবেন ।
প্রথমে আপনাকে আটতলায় যেয়ে ফর্ম দেখিয়ে আনতে হবে। খুবই অল্প সময়ের কাজ । ৮০৩ নাম্বার রুম । সিরিয়াল নেবেন। এবার ৮ তলারথেকে আসতে বলবে ৩ তলায় । সেখানে এসেই আসল কাজ । প্রথমে আপনার ফর্মটি চেক করবে এবং সাইন করে দেবে। সাইন শেষে আপনাকেজানিয়ে দেয়া হবে ছবি তোলার জন্য কোন রুমে যাবে। ঐ রুমগুলো ঠিক পাশেই। সিরিয়াল আসলে ছবি তুলুন, ফিঙ্গারপ্রিন্ট দিন। ব্যস , কাজ শেষ !
এবার আপনাকে পাসপোর্ট (Passport) রিসিভের একটা রিসিট দেবে। সেটা যত্ন করে রাখুন । পুলিশ ভেরিফিকেশান সাপেক্ষে, রিসিট পাওয়ার একমাস বা ১৫দিনের মধ্যেই আপনি পাসপোর্ট পাবেন ।

আমার টিপস

– আবারো বলছি, সাদা পোষাক পরবেন না , ফর্মাল পোষাক পরার চেষ্টা করুন।
আর সাথে জাতীয় পরিচয়পত্রের মূল কপিসহ সত্যায়িত কপিগুলো নিয়ে যান। তিনতলায় যেয়ে সেখানকার সেনাসদস্যের কাছ থেকে দেখিয়ে নিশ্চিতহয়ে নিন , সব সংযুক্তি ঠিক আছে কিনা। সাথে অবশ্যই কলম রাখুন। আঠা, স্ট্যাপলার, এক্সট্রা ছবিও সাথে রাখুন।
আর যারা সরকারী কর্মকর্তা বা শিশুসহ যাচ্ছেন , তাদের কিছু আলাদা কাগজ লাগবে । সেটার জন্য নির্দেশনা দেখুন । কিংবা ৮০৩ এ যোগাযোগকরুন।

পঞ্চম ধাপ

– পুলিশ ভেরিফিকেশান ও পাসপোর্ট (Passport) রিসিভ ডেট ( টিপস সহ)
পুলিশ ভেরিফিকেশানই আমার কাছে ঝামেলার মনে হয়েছে। যদি আপনার স্থায়ী আর বর্তমান ঠিকানা আলাদা হয় , তবে দুই জায়গাতেই আপনারভেরিফিকেশান হয়ে থাকে। পুলিশের এস বি ( স্পেশাল ব্রাঞ্চ) এই কাজটা করে থাকে।
এবং এইটা করতে যেয়ে পুলিশ বখশিশ হিসাবে টাকা চেয়ে বসে। খুবই ইরিটেটিং একটা ব্যাপার । সেটা ৫০০-১০০০ পর্যন্ত হতে পারে !!!!!
তবে স্ট্রিক্ট থাকলে এটা এড়ানো সম্ভব। আপনি কীভাবে তাদের ফেইস করছেন সেটার উপর নির্ভর করে। সরাসরি বলে দিতে পারেন যে, এইটাআপনার দায়িত্ব, তো টাকা দেয়ার প্রশ্ন কেন। কিংবা বলতে পারেন যে, আপনি ছাত্র , টাকা দেয়া সম্ভব না । ইত্যাদি ইত্যাদি ইত্যাদি !
যাই হোক, ভেরিফিকেশান শেষ হলে আপনার মোবাইলে এস এম এস আসবে। যেদিন এস এম এস আসবে তারপরেই আপনি পাসপোর্ট সংগ্রহকরতে পারবেন।
ব্যস, এইবার পাসপোর্ট হাতে নেয়ার পালা।

ষষ্ঠ ধাপ –পাসপোর্ট সংগ্রহ

এইখানে কাজ সহজ । পাসপোর্ট (Passport) অফিসে চলে যান। লাইনে দাঁড়ান।
সাথে রিসিট আর কলম রাখুন । ৯ টার দিকে গেইট খুলবে। লাইন ধরে প্রবেশ করুন। রিসিট জমা দিন। অপেক্ষা করুন।
এবার আপনার নাম ডাকবে । সাইন করুন , বুঝে নিন আপনার পাসপোর্ট ।

টিপস  3

– হাতে পেয়েই সবার আগে চেক করুন আপনার ইনফোগুলো ঠিক এসেছে কিনা। নিজের এবং পিতামাতার নাম, ঠিকানা এবংঅন্যান্যসব তথ্যগুলো মিলিয়ে নিন।
এই হচ্ছে একটি ঝামেলাবিহীন পাসপোর্টের (Passport) আত্মকাহিনী বা আমি যেভাবে খুব সহজেই পাসপোর্ট পেলাম এর আদ্যোপান্ত । আশা করি কাজেলাগবে।
সবার জন্য শুভকামনা। হ্যাপি পাসপোর্টিং (Passport) !

সংযুক্তি -

০১) আপনার বর্তমান ঠিকানা যদি ঢাকা হয় , তাহলে এখান থেকেই পাসপোর্ট (Passport) করতে পারেন । আলাদা করে দেশের বাড়ির জেলা অফিসে যাওয়ারপ্রয়োজন হবে না।
০২) ব্যাংকে টাকা জমা দেয়ার জন্য যে স্লিপ লাগে , সেখানে আলাদা একাউন্ট নম্বরের প্রয়োজন নেই ।নতুন পাসপোর্ট করা বা রিনিউ এর জন্যআলাদা স্লিপই থাকে ।
০৩) GO: Government order
NOC: NO Objection Certificate
PDS: Proof of retired Date
সরকারী, আধাসরকারী, স্বায়ত্তশাসিত ও রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থার স্থায়ী কর্মকর্তা/কর্মচারী, অবসরপ্রাপ্ত সরকারী চাকুরীজীবীরা এই ঘর পুরণ করবেন। আরকমেন্ট থেকে জানা গেল যে সরকারী কর্মকর্তাদের পাসপোর্ট নীল রঙের । পুলিশ ভেরিফিকেশান এর ঝামেলা নাই ।
[Read More...]


অনলাইনে বিনা মূল্যে প্রোগ্রামিং শেখার কার্যকরী ৪টি সাইটের কথা।




প্রযুক্তির এই সময়ে সকলেই ঝুঁকে পড়ছেন প্রযুক্তিনির্ভর কাজের দিকে। বিশেষ করে আউটসোর্সিংয়ে বাংলাদেশের অবস্থান শক্তিশালী হয়ে ওঠায় কম্পিউটার বা তথ্যপ্রযুক্তিসংশ্লিষ্ট বিষয়ে কাজের দক্ষতা তৈরি করে অনেকেই আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে অর্থ আয়ের দিকে ঝুঁকে পড়ছেন। আউটসোর্সিংয়ের ক্ষেত্রে প্রচুর চাহিদা রয়েছে কম্পিউটার প্রোগ্রামিংয়ের। কম্পিউটার বিজ্ঞান বা সংশ্লিষ্ট বিষয়ে পড়ালেখা না করেও প্রোগ্রামিং শিখতে চাইলে দ্বারস্থ হতে পারেন অনলাইনের। জেনে নিন অনলাইনে বিনা মূল্যে প্রোগ্রামিং শেখার কার্যকরী ৪টি সাইটের কথা।


কম্পিউটার প্রোগ্রামিংয়ে আগ্রহী মানুষের সংখ্যা কম নয়। তথ্যপ্রযুক্তির প্রসারের সাথে সাথে বেড়ে চলেছে কম্পিউটারের ব্যবহার। পাশাপাশি কম্পিউটার নির্ভর কাজে দক্ষ মানুষের চাহিদাও বেড়েই চলেছে। প্রাতিষ্ঠানিকভাবে তাই প্রোগ্রামিং শেখার জন্য বিভিন্ন পর্যায়ে রয়েছে নানা ধরনের প্রতিষ্ঠান, রয়েছে নানা ধরনের কোর্স। তবে শেখার আগ্রহ এবং ধৈর্য থাকলে নিজে নিজেও কোডিং শেখার কাজটি করা যায়। তার জন্য রয়েছে নানা ধরনের বইপত্র। তবে বইপত্র পড়ে নিজে নিজে শেখাটা কষ্টের বটে। এ সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে ইন্টারনেট এবং টেক জায়ান্টরা।

বর্তমানে অনলাইনে শিক্ষা বেশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে সব দেশেই। একটি কম্পিউটার আর ইন্টারনেট সংযোগ থাকলেই পুরো বিশ্ব এখন হাতের মুঠোয়। আর অনলাইনে বিনা মূল্যে যারা পড়ালেখা করতে চায়, তাদের দিকে হাত বাড়িয়ে দিয়েছে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো। প্রোগ্রামিং শেখার জন্যও তেমনি রয়েছে নানা ধরনের অনলাইন কোর্স। ঘরে বসেই প্রাতিষ্ঠানিক গাইডলাইন অনুযায়ী পরিপূর্ণ একটি কোর্সের মাধ্যমে এসব প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইট থেকে শেখা যায় প্রোগ্রামিং। আর তাতে করে যারা আউটসোর্সিংয়ের কাজ করতে চান, তাদের জন্য এটি হতে পারে আদর্শ একটি প্লাটফর্ম। এই লেখায় অনলাইন সাইটগুলোর মধ্য থেকে ৪টি ওয়েবসাইটের কথা জানানো হবে, যাদের বলা যায় কোডিং শেখার জন্য সবচেয়ে সমৃদ্ধ এবং আদর্শ প্লাটফর্ম।

এমআইটি ওপেন কোর্সওয়্যার

প্রযুক্তিবিষয়ক শিক্ষায় বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠানের নাম ম্যাসাচুসট ইন্সটিটিউট অব টেকনোলজি বা এমআইটি। বিশ্বব্যাপী বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর র‌্যাংকিংয়ে বরাবরই শীর্ষস্থানে থাকা এই বিশ্ববিদ্যালয়ে রয়েছে সকলের জন্য উন্মুক্ত ওপেন কোর্সওয়্যার। ২০০১ সালে তারা চালু করে এই সেবা।

কম্পিউটার প্রোগ্রামিং ও কোডিং বিষয়ক কোর্সগুলো পরিচালিত হয় এমআইটির ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড কম্পিউটার সায়েন্স বিভাগ থেকে। এখানকার গ্রাজুয়েট এবং আন্ডারগ্রাজুয়েট কোর্সের আওতায়  কোডিং ও প্রোগ্রামিং বিষয়ক অনেকগুলো কোর্স রয়েছে। এসব কোর্সের মধ্যে রয়েছে ইন্ট্রোডাকশন টু কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড প্রোগ্রাম, কম্পিউটেশন স্ট্রাকচার, ইলেমেন্টেস অব সফটওয়্যার কনস্ট্রাকশন, ইন্ট্রোডাকশন টু অ্যালগরিদম, কম্পিউটার ল্যাঙ্গুয়েজ ইঞ্জিনিয়ারিং, প্র্যাকটিক্যাল প্রোগ্রামিং ইনসি, ইন্ট্রোডাকশন টু প্রোগ্রামিং ইন জাভাসহ অন্যান্য প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজের ওপর বিভিন্ন কোর্স। এসব কোর্সের ওপর রয়েছে লেকচার ভিত্তিক টেক্সট, অডিও-ভিডিও ফাইল, বিভিন্ন প্রজেক্ট, সমস্যা এবং সেগুলোর সমাধান।

বিশ্বের যেকোনো প্রান্তের যে কেউ এই কোর্সগুলো অনলাইনে সম্পন্ন করতে পারবে বিনা মূল্যে। এর যেসব  কোর্স ম্যাটেরিয়াল রয়েছে সেগুলো বিনা মূল্যেই ডাউনলোড করা যাবে। এমআইটির ওপেন কোর্স ওয়্যারের ঠিকানা : http://ocw.mit.edu/index.htm

ইউসি বার্কলে ওয়েবকাস্ট

বার্কলেতে অবস্থিত ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে স্বনামধন্য। এই প্রতিষ্ঠানের রয়েছে অনলাইন শিক্ষার সুযোগ। তারা নিয়মিতভাবেই অনেকগুলো কোর্সই পরিচালনা করে আসছে অনলাইনে। অনলাইনে এসব কোর্সের স্টাডি ম্যাটেরিয়াল, লেকচার নোট, লেকচার ভিডিও প্রভৃতি পাওয়া যায়। এসব কোর্সের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে প্রোগ্রামিং। এ সংশ্লিষ্ট কোর্সগুলোতে ২০০৩ সাল থেকে এখন পর্যন্ত অনুষ্ঠিত কম্পিউটার বিজ্ঞানের সব ক্লাসের অডিও এবং ভিডিও লেকচারের সংগ্রহ রয়েছে এখানে। আর এসব কনটেন্ট পাওয়া যাবে একদম বিনা মূল্যে। লেকচার ওয়েবকাস্টের জন্য এই বিশ্ববিদ্যালয়ের রয়েছে এডুকেশনাল টেকনোলজি সার্ভিস। তারাই ইন্টারনেট দেখার উপযোগী করে অডিও এবং ভিডিওগুলো ধারণ করে। আর ইনফরমেশন সিস্টেম অ্যান্ড টেকনোলজি বিভাগটি ওয়েব আর্কাইভ ব্যবস্থাপনা এবং সমপ্রচারের যাবতীয় টেকনিক্যাল বিষয়গুলো দেখাশোনা করে। এখানে রয়েছে নেটে সমপ্রচারের সুবিধার্থে অডিও-ভিডিও ধারণের জন্য বিশেষভাবে উপযোগী করে তৈরি করা ক্লাসরুম। এখানে প্রতিটি লেকচারের ২ থেকে ৬ ঘণ্টার মধ্যে সেগুলো আপলোড হয়ে যায় ইন্টারনেটে। আর এসব নিজস্ব সাইট ছাড়া আইটিউনস এবং ইউটিউবেও পাওয়া যায় লেকচারগুলো।

প্রোগ্রামিং সংক্রান্ত কোর্সগুলোর মধ্যে এখানে রয়েছে কম্পিউটার সায়েন্স: দ্য বিউটি অ্যান্ড জয় অব কম্পিউটিং, প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ অ্যান্ড কমপাইলাস এবং স্ট্রাকচার অ্যান্ড ইন্টারপ্রিটেশন অব কম্পিউটার প্রোগ্রামিং। এসব কোর্সে প্রোগ্রামিংয়ের ইতিহাস থেকে শুরু করে লজিক প্রোগ্রামিং, ডাটাবেজসহ সব ধরনের প্রোগ্রামিং পাওয়া যাবে। এই সাইটের ঠিকানা : http://webcast.berkeley.edu



গুগল কোড ইউনিভার্সিটি

টেক জায়ান্ট গুগল সকলের জন্য উন্মুক্ত অনলাইন শিক্ষায় চালু করেছে গুগল কোড ইউনিভার্সিটি। এই প্লাটফর্মে রয়েছে সব ধরনের প্রোগ্রামিং এবং অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপমেন্ট বিষয়ক কোর্স। কোর্সের মূল শ্রেণীগুলোর মধ্যে রয়েছে প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ, ওয়েব প্রোগ্রামিং, ওয়েব সিকিউরিটি, অ্যালগরিদম, অ্যানড্রয়েড, ডিস্ট্রিবিউটেড সিস্টেম, টুলস ২০০১ এবং গুগল এপিআই অ্যান্ড টুলস। সি++ থেকে শুরু করে রয়েছে জাভা, পাইথন, সিএসএস, এইচটিএমএল, জাভা স্ক্রিপ্ট, অ্যাজাক্স, এইচটিএমএল৫সহ সব ধরনের প্রোগ্রামিং এবং ওয়েব প্রোগ্রাম রয়েছে এর মধ্যে। এছাড়া সিকিউরিটি অ্যানড্রয়েডের মধ্যেও রয়েছে প্রয়োজনীয় সব প্রোগ্রামিং। আর টুলস ১০১-এর মধ্যে রয়েছে ডাটাবেজ, সফটওয়্যার কনফিগারেশন ম্যানেজমেন্ট এবং লিনাক্সের নানা কোর্স।

গুগল কোড ইউনিভার্সিটির বিভিন্ন কোর্সের সব ধরনের কোর্স ম্যাটেরিয়াল সম্পূর্ণ বিনা মূল্যে ব্যবহার করতে পারবে যে কেউ। এখানে সম্পূর্ণ নতুন শিক্ষার্থীদের জন্য তো বটেই, এই বিষয়ে অভিজ্ঞদের জন্যও রয়েছে নানান কোর্স। কোর্স ম্যাটেরিয়ালের মধ্যে অডিও-ভিডিও এবং লেকচারও রয়েছে। এখানকার সব ধরনের ডকুমেন্ট যে কেউ বিনা মূল্যে ডাউনলোড করতে পারবেন। আর কোডিং বিষয়ে বিশেষজ্ঞরা চাইলে এখানে নতুন কোর্সও যোগ করতে পারবেন। গুগল কোড ইউনিভার্সিটির ওয়েব ঠিকানা : http://code.google.com



স্কুল অব ওয়েবক্রাফট

ওপেন সোর্স সফটওয়্যার নির্মাতা প্রতিষ্ঠান মজিলা ফাউন্ডেশন এবং পি২পিইউ যৌথভাবে তৈরি করেছে এই ওয়েবসাইট। ওয়েব ডেভেলপমেন্টের জন্য নানান কাজের দক্ষতা তৈরিতে অনলাইনে বিনা মূল্যে বিভিন্ন কোর্স পরিচালনা করে আসছে এটি। বিশ্বব্যাপী সকলেই যেন খুব সহজে এবং বিনা মূল্যে ওপেন সোর্সভিত্তিক বিভিন্ন কাজে দক্ষতা অর্জন করতে পারে, সেই উদ্দেশ্যকে সামনে রেখেই তৈরি করা হয়েছে এই ওয়েবসাইট।

এখানে রয়েছে এইচটিএমএল, সিএসএস, জাভা স্ক্রিপ্ট-এর মতো প্রাথমিক ধাপের ল্যাঙ্গুয়েজ থেকে শুরু করে পিএইচপি, পাইথন/ডিজাংগো, রুবি অন রেইলস-এর মতো প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ শেখার সুযোগ। প্রোগ্রামিংয়ে দক্ষ বিভিন্ন স্তরের মানুষদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় গড়ে উঠেছে এখানকার সংগ্রহশালা। আর এসব বিষয়ে দক্ষ যে  কেউ এখানে নতুন কোর্স যোগও করতে পারবেন।
এখানে বিভিন্ন কোর্সের মাধ্যমে প্রোগ্রামিং শেখার পর সফলভাবে কোর্স সম্পন্নকারীদের জন্য ‘ওপেন ব্যাজেস’ নামক বিশেষ অনলাইন সনদ প্রদান করা হবে, যার গ্রহণযোগ্যতা থাকবে সর্বত্র। এই সাইটের ঠিকানা : http://www.p2pu.org/en/webcraf
[Read More...]


ওয়াইম্যাক্স বনাম থ্রি-জি,




 কোনটা বেশি এগিয়ে? আসুন জেনে নিই

ওয়াইম্যাক্স (Wimax-Worldwide Interoparability for Microwave Access) হচ্ছে বৃহত্তর ভৌগলিক এলাকা জুড়ে তারবিহীন উচ্চগতিসম্পন্ন ইন্টারনেট সুবিধা প্রদানকারী একটি প্রযুক্তি। এই প্রযুক্তি মূলত IEEE 802.16 ষ্ট্যান্ডার্ডের ভিত্তিতে কাজ করে থাকে। ওয়াইম্যাক্স বর্তমানে বিশ্বের সর্বাধুনিক এবং সর্বোচ্চ গতি সম্পন্ন ইন্টারনেট প্রটোকল সার্ভিস। এই প্রযুক্তিতে সর্বোচ্চ ১ গিগাবাইট/সেকেন্ড গতিতে ডাটা ট্রান্সফার করা সম্ভব।
ওয়াইম্যাক্সের বৈশিষ্ট্যসমূহ:
* গতানুগতিক কেবল মডেম এবং ডি এস এল পদ্ধতির চেয়ে এর ডাটা ট্রান্সফারের গতি এবং এলাকা অনেক বেশী। সাধারন ওয়াইফাই (wifi) বা ল্যান (LAN) যেখানে ৩০ মিটার থেকে ১০০ মিটার পর্যন্ত ইন্টারনেট কানেকটিভিটি প্রদান করে সেখানে ওয়াইম্যাক্স ৫০ কি:মি: বা ৩০ মাইল জুড়ে মেট্রোপলিটান ওয়্যারলেস এরিয়া নেটওয়ার্কের সুবিধা দেয়।
* ওয়াইম্যাক্সের সাহায্যে ইন্টারনেট প্রটোকল ভিত্তিক টেলিফোন এবং টেলিভিশন সুবিধা ভোগ করা যায়। (যদিও ইন্টারনেট প্রটোকলের সাহায্যে টেলিফোন সুবিধা ব্যবহারের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার প্রশ্নে কিছু বিধি নিষেধ বিদ্যমান থাকায় এই সুবিধা পুরোপুরি ভোগ করা সম্ভব হচ্ছে না।)
* ওয়াইম্যাক্স প্রযুক্তি ব্যবহার করে যে কোন ধরনের মোবাইল ডিভাইসের সাহায্যে আন্তনগর এবং আন্তরাষ্ট্রীয় যোগাযোগ সম্ভব। ২০০৪ সালে ইন্দোনেশিয়ার আচেহ্ প্রদেশে ভয়াবহ সুনামীর পর দূর্গত এলাকায় সবধরনের যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে গেলে শুধুমাত্র ওয়াইম্যাক্স প্রযুক্তি ব্যবহার করে সেখান থেকে বাইরের জগতের সাথে যোগাযোগ স্থাপন সম্ভব হয় এবং দূর্গত এলাকায় ত্রান সরবরাহ সম্ভব হয়।
ওয়াইম্যাক্সের জন্য বরাদ্দকৃত স্পেকট্রাম:
ওয়াইম্যাক্সের জন্য সার্বজনীন কোন একক স্পেকট্রাম নেই। তবে “ওয়াইম্যাক্স ফোরাম (Wimax Forum)” ৩টি লাইসেন্সড স্পেকট্রাম প্রোফাইল প্রকাশ করেছে। এগুলো হচ্ছে ২.৩ গিগাহার্জ, ২.৫ গিগাহার্জ এবং ৩.৫ গিগাহার্জ। মার্কিনযুক্তরাষ্ট্রে Sprint Nextel এবং Clearwire ২.৫ গিগাহার্জের স্পেকট্রাম ব্যবহার করে। এশিয়া ও বিশ্বের অন্যান্য অঞ্চলে সাধারণত ২.৩ গিগাহার্জ থেকে শুরু করে ক্ষেত্রবিশেষ ৩.৩ গিগাহার্জ পর্যন্ত স্পেকট্রাম ব্যবহার করা হয়। পাকিস্তানের Wateen Telecom ৩.৫ গিগাহার্জের স্পেকট্রাম ব্যবহার করে থাকে।
ওয়াইম্যাক্স প্রবেশদ্বার (Wimax Gateways):
ওয়াইম্যাক্স প্রবেশদ্বার বা Gateway ইনডোর এবং আউটডোর দুই ধরনের হতে পারে। ইনডোর ডিভাইসগুলো সাধারনত ক্ষুদ্রাকৃতির হয়ে থাকে এবং ব্যবহারকারীর বসার স্থানের কাছাকাছি জানালার পাশে স্থাপন করা হয়। অন্যদিকে আউটডোর ডিভাইসগুলো ল্যাপটপ আকৃতির হয়ে থাকে এবং স্যাটেলাইট ডিস এন্টেনার মতো করে এদের স্থাপন করা হয়। যেসব কোম্পানী ওয়াইম্যাক্স Gateway ডিভাইসগুলো তৈরী করে থাকে সেগুলোর মধ্যে Alvarion, Airspan, ZyXEL, Huawei, Motorola এবং Green Packet উল্লেখযোগ্য। এক্সটারনাল মডেমের মাধ্যমেও ওয়াইম্যাক্স কানেক্টিভিটি পাওয়া যায়। এই মডেমকে সাধারণত Dongle বলা হয়। মূলত নোটবুক বা ট্যাবলেট পিসিতে এই মডেম ব্যবহার করা হয়।
বাংলাদেশে ওয়াইম্যাক্স:
বাংলাদেশে সর্বপ্রথম Banglalion Communication Ltd, Brac BD Mail Network এবং Augure Wireless Broadband Bangladesh Ltd ২০০৮ সালের ১৮ নভেম্বর তারিখে বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন রেগুলেটরী কমিশন (BTRC) কর্তৃক Broadband Wireless Access (BWA) সেবা দেয়ার জন্য Wimax technology ব্যবহারের লাইসেন্স লাভ করে। ওপেন বিড প্রক্রিয়ায় অংশ নিয়ে ৩১ মিলিয়ন মার্কিন ডলারে বাংলালায়ন ২.৫ গিগাহার্জ ব্যান্ড কিনে নেয়। পরবর্তীতে Augure Wireless, ‘Qubee’ ব্র্যান্ড নামে Wimax সার্ভিস চালু করে। বর্তমানে দেশে বাংলালায়নের গ্রাহক সংখ্যা ২০০০০০ এবং এবং কিউবির গ্রাহক সংখ্যা ১২৫০০০। এছাড়া Ollo নামে একটি কোম্পানী অতি সম্প্রতি বাংলাদেশে তাদের অপারেশন শুরু করেছে যা এখনও গ্রাহক পর্যায়ে পৌছুতে পারে নি।
ওয়াইম্যাক্স বনাম থ্রি-জি
বর্তমানে একটি বহুল আলোচিত ইস্যু হচ্ছে ওয়াইম্যাক্স এবং থ্রি-জি প্রযু্ক্তির মধ্যে কোনটি অধিকতর উন্নত।
এক্ষেত্রে প্রদত্ত যুক্তিগুলো নিম্নরুপ:
* ওয়াইম্যাক্স যেখানে ন্যূনতম ৭০ এমবিপিএস গতির ডাটা ট্রান্সফার সুবিধা দেয়। সেখানে থ্রি-জি এর ক্ষেত্রে এই গতি ১৪.৪ এমবিপিএস।
* ওয়াইম্যাক্সের সাহায্যে টেলিফোন সুবিধা এখনও প্রচলিত নয়, যা থ্রিজি মোবাইলের মাধ্যমে পাওয়া যাচ্ছে।
* ওয়াইম্যাক্স ব্যবহারের জন্য থ্রি-জি মোবাইলের ন্যায় এতো বেশী টাওয়ার স্থাপন করতে হয় না।
* থ্রি-জি মোবাইল প্রযুক্তির চেয়ে ওয়াইম্যাক্স বিশ্বব্যাপী অনেক বেশী প্রচলিত। বাংলাদেশের সবেমাত্র থ্রি-জি চালু হলেও বিশ্বের অনেকগুলো দেশে এখনও থ্রি-জি প্রযুক্তির প্রচলন হয় নি, কিন্তু ওয়াইম্যাক্স ব্যবহৃত হচ্ছে।
[Read More...]


মুক্ত ও ওপেন সোর্স সফটওয়্যারের সহজ ইতিহাস




ওপেন সোর্স লোগো
ওপেন সোর্স লোগো
মুক্ত ও ওপেন সোর্স সফটওয়্যার হল এমন একধরণের সফটওয়্যার যার মেধাস্বত্ব (সফটওয়্যারের কপিরাইট) এমন যে, ব্যবহারকারীকে এ সফটওয়্যার ও এর সোর্সকোড অনুশীলন, পরিবর্তন এবং এর নকশার মানোন্নয়ন করার অধিকার রয়েছে, যা পূর্ণস্বত্ব-সংরক্ষিত এমন সফটওয়্যারে থাকে না। এ ধরনের সফটওয়্যারকে অনেক সময় স্বাধীন সফটওয়্যারও বলা হয়ে থাকে।
এ ধরণের সফটওয়্যারের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলঃ
  • এ সফটওয়্যারসমূহের যথেচ্ছ বিতরণের অধিকার ( অর্থাৎ ব্যবহারর করা, কপি করা, বিক্রি করা ইত্যাদি) রয়েছে।
  • এর সোর্স কোড বা সংকেত উন্মুক্ত অর্থ্যাৎ এর সোর্স কোড সহজেই সংগ্রহ করা যায়।
  • মূল সফটওয়্যারকে ইচ্ছামত পরিবর্তন করার ও পরিবর্তিত সংস্করণকে বিতরণের অধিকার রয়েছে।
  • যেকোন ব্যক্তির যেকোন স্থানে যেকোন কাজে সফটওয়্যারসমূহ ব্যবহারের অধিকার রয়েছে।
কম্পিউটারে সাধারণত যে সকল কাজের জন্য সফটওয়্যার প্রয়োজন তার প্রায় সব কাজের জন্যই মুক্ত ও ওপেনসোর্স সফটওয়্যার রয়েছে। এ ধরণের সফটওয়্যারের আদর্শ উদাহরণ হল, জিএনইউ লিনাক্স বা গানুহ লিনাক্স। যার সোর্স কোড উন্মুক্ত থাকার কারণে এটি তৈরি হয়েছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের স্বেচ্ছাসেবী সফটওয়্যার নির্মাতাদের সমন্বিত উদ্যোগে। যা যে কেউ বাধাহীনভাবে ব্যবহার, উন্নতিসাধন, এমনকি পুনর্বিতরণও করতে পারেন।

ফ্রি সফটওয়্যার ফাউন্ডেশনের লোগো
ফ্রি সফটওয়্যার ফাউন্ডেশনের লোগো
এছাড়া আরও যে সকল মুক্ত ও ওপেন সোর্স সফটওয়্যার রয়েছে তার মধ্যে অন্যতম হল নিত্য দাফতরিক কাজের জন্য ওপেন অফিস.অর্গ , ইন্টারনেট ব্রাউজিং এর জন্য ফায়ারফক্স, ইমেইল আদান প্রদানের জন্য থান্ডারবার্ড, তাৎক্ষণিক বার্তা বিনিময়ের জন্য সফটওয়্যার পিজিন, ডেস্কটপ পাবলিশিং বা প্রকাশনা কাজের জন্য গিম্প, শব্দ ও চলচ্চিত্র চালানো জন্য ভিএলসি প্লেয়ার।
কিভাবে শুরু হল এই মুক্ত সফটওয়্যার আন্দোলন এবং তৈরি হল মুক্ত অপারেটিং সিস্টেম গানুহ লিনাক্সঃ
মুক্ত সফটওয়্যার আন্দোলনের সূত্রপাত হয় ১৯৮৩ সালের সেপ্টেম্বরে জিএনইউ বা গানুহ প্রজেক্ট শুরু মধ্য দিয়ে যার সূচনা করেন রিচার্ড ইন্সটলম্যান নামের সে সময়কার একজন মেধাবী প্রোগ্রামার। রিচার্ড ইন্সটলম্যানের কর্মস্থল আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স ল্যাবে (এআই ল্যাব) তার ধারণা ছিল সহকর্মীদের সাথে কাজ করার সময় একের ভাল অনুশীলনগুলো অন্যের সাথে বিনিময় করে, একে অন্যকে বিভিন্ন ভাবে সাহায্য করে আরও ভাল প্রোগ্রাম তৈরি করা সম্ভব। কিন্তু ১৯৮১ সালে এআই ল্যাবে যখন পুরাতন কম্পিউটারের বদলে নতুন কম্পিউটার কেনা হল, তখন দেখা গেল এর সাথে যে অপারেটিং সিস্টেম সফটওয়্যারগুলো দেওয়া হয়েছে তার কোনটিই মুক্ত নয়। এবং এ কম্পিউটার যারা ব্যবহার করবেন তাদের এমন শর্তে চুক্তিবদ্ধ হতে হবে যে এর কোন কিছু অন্যের কাছে উন্মোচন বা প্রকাশ করা যাবে না। এর অর্থ হল এ কম্পিউটারটি ব্যবহারকারীকে তার যে কাছের বন্ধুকেও সাহায্য না করতে বাধ্য করা। আর সফটওয়্যারের মালিকের নিয়ম তৈরি করলেন “আপনি যদি অন্যের কাছে এটি প্রকাশ করেন তাহলে, আপনি একজন চোর। আপনি যদি এটির কোন পরিবর্তন করতে চান তাহলে, আমাদের কাছে অনুমতি প্রার্থনা করুন।”
জিএনইউ বা গানুহ লোগো
জিএনইউ বা গানুহ লোগো
এ অবস্থায় রিচার্ড ইন্সটলম্যান সফটওয়্যারের মালিকদের এই স্বেচ্ছাচারিতা চূড়ান্ত ভাবে অনুধাবন করলেন যখন তিনি কাজ করতে গিয়ে প্রিন্টার নিয়ন্ত্রণ করার একটি প্রোগ্রাম চেয়েও প্রত্যাখ্যাত হন। তিনি আরও অনুধাবন করলেন যে কোন কম্পিউটার প্রোগাম নিজের প্রয়োজন অনুযায়ী পরিবর্তন করার এবং অন্যকে বিতরণ ও অন্যকে সাহায্য করার স্বাধীনতা কম্পিউটার ব্যবহারকারীর থাকা উচিত। কারণ অন্যকে সাহায্য করাই হল সমাজের ভিত্তি।
তিনি সিদ্ধান নিলেন যেহেতু কম্পিউটার প্রোগ্রাম তৈরির দক্ষতা তার রয়েছে, তিনি নিজেই কম্পিউটার প্রোগ্রাম তৈরি করবেন, তা স্বাধীন ভাবে ব্যবহারের জন্য প্রকাশ করবেন এবং কম্পিউটার ব্যবহারকারীদের একটি স্বাধীন সমাজ গঠন করবেন। ১৯৮৪ সালে তিনি তার এআই ল্যাবের চাকরী ছেড়ে দিলেন এবং মুক্ত অপারেটিং সিস্টেম গানুহ তৈরির করা কাজ শুরু করলেন। বিভিন্ন প্রতিকূলতার সাথে পাল্লা দিয়ে কাজ করতে গিয়ে, এটি তৈরি করার জন্য ১৯৯১ সাল পর্যন্ত তৈরি হল বেশ কয়েকটি সহযোগী সফটওয়্যার কিন্তু কোন অপারেটিং সিস্টেম তৈরি করা সম্ভব হল না।
১৯৯১ সাল অপারেটিং সিস্টেম বাজারে বিল গেটসের পঞ্চাশ হাজার ডলারে ক্রয় করা ডস নামের অপারেটিং সিস্টেমের একক আধিপত্য। পার্সোনাল কম্পিউটার ব্যবহাকারীদের এ ছাড়া অন্য কোন বিকল্পও ছিল না। অন্য যে সব অপারেটিং সিস্টেম প্রচলিত ছিল তাও ব্যাক্তিগত ব্যবহাকারীদের জন্য ছিল বেশ ব্যয় সাপেক্ষ। বিশেষ করে উইনিক্স অপারেটিং সিস্টেম ঘরোয়া ব্যবহারের জন্য ছিল না। ১৯৮৭ সালে অ্যান্ড্রু টানেনবাম নামে বিশ্ববিদ্যালয়ের এক অধ্যক্ষ শুধুমাত্র শিক্ষার্থীদের অপারেটিং সিস্টেম সম্পর্কে পড়ানোর জন্য তৈরি করেছিলেন মিনিক্স নামের একটি অপারেটিং সিস্টেম, যার কোড শিক্ষার্থীদের কাছে প্রকাশ করা হলেও, তা পরিবর্তণ এবং পুনর্বিতরণের কারও অধিকার ছিল না।
লিনাক্স টাক্স লোগো
লিনাক্স টাক্স লোগো
এ সময় হেলসিনকি বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার বিজ্ঞানের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র লিনুস বেনেডিক্ট টরভ্যাল্ড যিনি ছাত্রাবস্থাতেই কিছু পেশাদারি কাজের সাথে জড়িত ছিলেন। কাজ করতে গিয়ে তিনি অনুবভ করলেন ভোক্তার চাহিদা পূরণ করে এমন অপারেটিং সিস্টেমের বড়ই অভাব। তখন তিনি এমন প্রোগ্রাম তৈরি করার কথা চিন্তা করলেন যা কিনা কোন অপারেটং সিস্টেম ছাড়াই চলবে। তিনি লেখা শুরু করলেন, ১৯৯১ সালের সেপ্টেম্বরে তৈরি হল লিনাক্স কার্নেল। যা উপর ভিত্তি করেই পরবর্তীতে তৈরি হয় মুক্ত অপারেটিং সিস্টেম গানুহ লিনাক্স এবং বর্তমান সময়ের বহু মুক্ত অপারেটিং সিস্টেম।
[Read More...]


খুব সহজে ও দ্রুত আপনার ব্লগ বা ওয়েবসাইটকে বেশ কয়েকটি সাইটের সার্চ ক্যাটাগরিতে যুক্ত করুন





বন্ধুরা আপনারা সকলে কেমন আছেন । আশা করি ভাল আছেন ।
আমাদের প্রায় সকলেরই ছোট বড় ব্লগ বা ওয়েবসাইট রয়েছে । আমরা আমাদের ব্লগ বা ওয়েবসাইটকে বিস্তার করার জন্য নানা রকম কৌশল অবলম্বন করে থাকি । তার মধ্যে একটি কোশল হল সার্চ ক্যাটাগরির মাধ্যমে বিস্তার করা । সার্চ ক্যাটাগরি বলতে আপনার ব্লগ বা ওয়েবসাইট Google, Yahoo বা অনান্য বিভিন্ন সার্চিং সাইটে যুক্ত করা । সার্চিং সাইট গুলোতে আপনার ব্লগ বা ওয়েবসাইটকে যুক্ত করলে ব্লগ বা ওয়েবসাইট সার্চ করা মাত্র তা অতি সহজেই সকলে পেয়ে যাবে ।
বন্ধুরা আজ আমি আপনাদের ব্লগ বা ওয়েবসাইটের জন্য সুন্দর একটি সাইট উপহার দেব । এই সাইটটির মাধ্যমে আপনি অতি সহজে আপনার ব্লগ বা ওয়েবসাইটকে
  • Yahoo
  • Google
  • Bing
  • Alo.
  • Lycos
  • Go
  • Web Crawler
  • Excite
  • Altavista
  • Dogpile
সাইট গুলোর সার্চ ক্যাটাগরিতে যুক্ত করতে পারবেন ।
প্রথমে এই লিংকে ক্লিক করুন । এখন সাইটটিতে ঢুকে গেলে দুটি বক্স দেখতে পাবেন । এখন প্রথম বক্সে আপনার ব্লগ বা ওয়েবসাইটের নাম বসান এবং দ্বিতীয় বক্সে আপনার ই-মেইল ID বসান এবং Submit এ ক্লিক করুন । আপনার কাজ শেষ এখন আপনার ব্লগ বা ওয়েবসাইটকে সার্চ করে দেখুন । সার্চের আগে আপনার সাইট চলে আসবে ।
[Read More...]


বিকাশ (bkash) কি? কেন এবং কিভাবে ব্যবহার করবেন?



আসসালামুআলাইকুম,
আমার আজকের লেখার বিষয় বিকাশ(bKash)। চেষ্টা করছি বিকাশ সম্পর্কে বিভিন্ন তথ্য তুলে ধরার জন্য। টিভিতে/রেডিওতে দেখে বা শুনে অনেকেরই আগ্রহ জাগে সার্ভিসটি সম্পর্কে বিস্তারিত জানার জন্য তাদের জন্য এই টিউন। আপনার/আমার উপকারে না লাগলেও হয়তো অনেকের উপকারে লাগবে তাই জেনে রাখুন।
bKash কি?
bkash com screen capture 2012 6 20 11 32 4 বিকাশ (bkash) কি? কেন এবং কিভাবে ব্যবহার করবেন?
bKash(বিকাশ) হচ্ছে মোবাইল নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে সহজে ও দ্রুত টাকা পাঠানোর অন্যতম পদ্ধতি।
কেন বিকাশ ব্যবহার করবেন??
অর্থাৎ বিকাশ ব্যবহার করে আপনি কি কি সুবিধাগুলো পাবেনঃ
# সেকেন্ডের মধ্যে বাংলাদেশের যে কোন জায়গায় টাকা পাঠাতে পারবেন।
# ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকার দোকান থেকে কেনা-কাটা করতে পারবেন। আমার জানামতে বর্তমানে আড়ং এ এই সুবিধা পাওয়া যায়। তবে আপনার যদি দোকান থাকে আপনিও রেজিঃ করে আপনার ক্রেতাদের কাছ থেকে বিকাশ এর মাধ্যমে পেমেন্ট গ্রহন করতে পারবেন।
# কিছৃ কিছৃ অনলাইন শপিং সাইট বর্তমানে বিকাশ সাপোর্ট করছে। তাই অনলাইনেও কেনাকাটা কারতে পারেন।
আর অন্যান্য কাজগুলোর কথা আপনারা বুঝতেই পারছেন।
bKash রেজিস্ট্রেশন করতে কি কি কাগজপত্র লাগেঃ
১। একটি রবি অথবা গ্রামীণফোন নাম্বার
২। ১ কপি পাসপোর্ট সাইজের ছবি।
৩। ভোটার আইডি অথবা পাসপোর্ট অথবা ড্রাইভিং লাইসেন্স এর ফটোকপি। (সত্যায়িত করা লাগবে না)
৪। যার নামে রেজিস্ট্রেশন করবেন তার বয়স অবশ্যই ১৮ বছরের বেশি হতে হবে এবং রেজিঃ করার সময় বিকাশ এজেন্টের কাছে সশরীরে উপস্থিত হয়ে রেজিঃ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে।
আর একটি কথা তো বলতে ভুলেই গেছি রেজিস্ট্রেশন করতে কিন্তু কোন টাকা লাগে না অর্থাৎ ফ্রি। তাই রেজিঃ করে রাখতে পারেন।
যেভাবে রেজিস্ট্রেশন করবেনঃ
প্রথমে আপনাকে আপনার এলাকার bkash এজেন্ট খুজে বের করতে হবে। খোজাখুজির কথা শুনে ভয় পাওয়ার কিছু নেই আপনি চাইলে অনলাইনেই দেখে নিতে পারবেন আপনার এলাকার বিকাশ এজেন্টদের ঠিকানা।
আপনার এলাকার বিকাশ এজেন্টের ঠিকানা খুজে বের করবেন কিভাবে?
এখানে ক্লিক করে আপনার এলাকা(যেখানে রেজিঃ করবেন)তা নির্বাচন করুন
bkash locations বিকাশ (bkash) কি? কেন এবং কিভাবে ব্যবহার করবেন?
তারপর Find এ ক্লিক করলেই আপনার এলাকার বিকাশ এজেন্টদের লিস্ট/দোকানের ঠিকানা পেয়ে যাবেন। তারপর আপনাকে উপরের কাগজপত্র নিয়ে সেখানে যেতে হবে।
বিকাশ এজেন্ট আপনাকে একটি ফর্ম দিবে ঐটা পূরন করতে হবে। তারপর
bkash com screen capture 2012 6 20 11 29 43 বিকাশ (bkash) কি? কেন এবং কিভাবে ব্যবহার করবেন?
আপনার মোবাইল নং এ একটি কনফারমেশন মেসেজ আসবে। আপনাকে এখন আপনার ট্রানজেকশন পিন তৈরি করতে হবে। মনে রাখবেন ট্রানজেকশন পিন যার হাতে টাকা কিন্তু তার। সুতরাং ট্রানজেকশন পিন গোপনে রাখবেন। ট্রানজেকশন পিন ৪সংখ্যার একটি নাম্বার। টাকা তুলতে কিন্তু আপনার ট্রানজেকশন পিন লাগবে।
রেজিঃ তো শেষ এবার টাকা লোড করার পালা। টাকা লোড করা হচ্ছে সবচেয়ে সহজ। যেভাবে ফ্লেক্সিলোড করেন একই সিস্টেম বিকাশ এজেন্টকে টাকা আর আপনার নাম্বার দিলেই আপনার কাজ শেষ। ফ্লেক্সির সাথে পার্থক্য হচ্ছে এই টাকা আপনি তুলতে পারবেন আর ফ্লেক্সির টাকা কথা বলে শেষ করতে হয়।
বিকাশ থেকে কিভাবে টাকা তুলবেন?
আপনার বিকাশ একাউন্টের টাকা তোলার জন্য বিকাশ এজেন্টের কাছে গিয়ে তাকে অবহিত করুন আপনি কত টাকা তুলতে চান। তাহলে বিকাশ এজেন্ট আপনাকে তার একাউন্ট নাম্বার দিবে। এখন আপনাকে ঐ নাম্বারে টাকা পাঠাতে হবে। টাকা পাঠাতে কিন্তু আপনার ট্রানজেকশন পিন লাগবে।
এজেন্টকে টাকা পাঠানোর জন্য আপনার মোবাইল থেকে *247# ডায়াল করলে বিকাশ মেনু আসবে।
তারপর 4. Cash Out অপশনটি নির্বাচন করবেন। তারপর 1. From Agent নির্বাচন করে এজেন্টের একাউন্ট নাম্বার দিয়ে OK করলে আপনার ট্রানজেকশন পিন দিতে হবে। তাহলে আপনার টাকা পেয়ে যাবেন। আর এই কাজগুলো আপনি না পারলে বিকাশ এজেন্টকে বললেই করে দেবে সমস্যা নাই। তবে আপনার পিন নাম্বার কিন্তু তাকে বলবেন না। :পি
টাকা তোলার সময় আপনার টাকা হতে কিছু চার্জ কেটে রাখা হবে যা নিম্নরূপঃ
bkash com screen capture 2012 6 20 11 22 39 বিকাশ (bkash) কি? কেন এবং কিভাবে ব্যবহার করবেন?

আপনি চাইলে আপনার একাউন্ট থেকে অন্য কাউকে টাকা পাঠাতে পারবেন। তবে এক্ষেত্রে আপনার একাউন্ট থেকে অতিরিক্ত ২ টাকা সার্ভিস চার্জ হিসাবে কেটে নেবে। তাই আপনি কাউকে টাকা পাঠালে এজেন্টকে দিয়েই পাঠাইয়েন তাহলে আপনার আর অতিরিক্ত ২টাকা লাগবে না।
[Read More...]


ছোট ছোট কাজ করে নেট থেকে আয় করেন। ১০০% পেমেন্ট করে। পেমেন্ট প্রুফসহ দেখুন।



আসসালামু আলাইকুম, আশা করি সবাই ভালো আছেন।আর তা হল আমি  নেটে কাজ করে পেমেন্ট পেয়েছি। জানি কথাটি অনেকের কাছে হাস্যকর মনে হলেও ১০০% সৎতি। আমিও ভাবিনাই যে এখান থেকে পেমেন্ট পাব। অনেক পিটিসি সাইটেই কাজ করেছি কিন্তু কোনদিন পেমেন্ট পাইনাই। আর যখন আমি বিকাশের মাধ্যমে পেমেন্ট পেলাম তখন তো …………। 


আর তাই আপনাদের সাথে শেয়ার করার জন্য বসে পরলাম। নিচে আমার পেমেন্ট প্রুফ দেখুন আশা করি এগুলো দেখার পর আপনারাও বিশ্বাস করবেন যে এই সাইটটি আসলেই পেমেন্ট করে। রেজিষ্ট্রিশন করতে ক্লিক করুন। 

যে পেজ ওপেন হবে ত্র ডান পাশে সাইন আপ করার ফরম পবেন তাতে আপনার ইউজার নেম, পাসওয়াড, ইমেল দিয়ে পুরন করুন। তাত রর আপনার ইমেলে একটি ইমেল আসবে সেটা ওপেন করে লিঙ্কে ক্লিক করলেই পনার একাউন্ট এক্টিভ হবে। তারপর ইউজার নেম ও পাসওয়াড দিয়ে লগইন করে প্রবেশ করে Eran coin এ ক্লিক করে কাজ করতে থকুন। মনে রাখবেন বেশি চালাকি করে একের অধিক একাউন্ট খুলবেন না। তাহলে আমও যাবে ছালাও যাবে। পেমেন্ট পাবেন বিকাশ, পেইপাল, মানিবুকারস, পায়জা (এলারট পে ) মাধ্যমে প্রতি শুক্রবার।
[Read More...]


নিয়ে নিন HD ফেসবুক চ্যাট ইমু । যারা ফেসবুক চালান তারা একবার হলেও এদিকে আসেন
বিল গেটস ::: কম্পিউটার জগতের জীবন্ত কিংবদন্তী
Youtube এর Video দেখুন,শুধু মাত্র নিচের Addon ডাউনলোড এর মাধ্যমে ...
বই ও সফটওয়্যারের জন্য আপনাকে আর কারো কাছে সাহায্য চাওয়া লাগবে না …… আমার সংগ্রহের সবকিছু শেয়ার করলাম
 

Flash Labels by Way2Blogging

Categories

Translate

free counters

Clock

Return to top of page Copyright © 2010 | Platinum Templates Converted into Blogger Template by SEO Templates
^ Back to Top