Passport process for Bangladesh: পাসপোর্ট করার সহজ নিয়মাবলী।



Passport
পাসপোর্ট (Passport) ছাড়া আপনি কি নিজকে বাংলাদেশী নাগরিক ভাবতে পারেন। নিজের পাসপোর্ট (Passport) থাকা জরুরী। পত্রিকা পড়ে অনেকের পাসপোর্টকরা নিয়ে ভিতি ভাব আছে । অফিসিয়াল ব্যাপারগুলো আত্মবিশ্বাসের সাথে করলে একটা না একটা উপায় সহজভাবেই বের হয়ে আসে। বর্তমানে অনলাইনে পাসপোট (Passport) ফরম জমা দিলে লম্বা লাইনে দাঁড়াতে হয় না । পরে নিধারিত সময়ে দালালের খপ্পড় বা পাসপোর্ট (Passport) অফিসের কারো কোন সমস্যার ছাড়াই একদম সরাসরি যেয়ে ছবি তুলে ও ফিঙ্গারিং করা যায়। এতে অনাহুত খরচের বালাই নেই।
যারা অনলাইনে মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট করতে যাচ্ছেন, তাদের জন্য ব্যাপারটাকে আরো সহজ করে তোলার জন্য এই পোস্ট। আপনিও খুব সহজেই পারবেন। কারণ অনলাইনে পাসপোর্ট (Passport) পাওয়া অনেক অনেক সহজ একটা কাজ যদি একটু জানা থাকে । পাসপোর্ট (Passport) হাতে পাওয়াসহ সব মিলিয়ে আপনাকে মাত্র তিনদিন যেতে হবে ।আর সাথে টুকিটাকি যদি জানা থাকে তাহলে আর কথাই নেই ।
আসেন, একদম শুরু থেকে শুরু করি অনলাইনে পাসপোর্ট (Passport) ফর্ম পূরণ করা এবং পরের ধাপের কাজগুলো নিয়ে।

প্রথম ধাপ : ব্যাংকে টাকা জমা দেয়া।

  • সোনালী ব্যাংকের কলেজ গেইট শাখায় পাসপোর্ট (Passport) আবেদনের ফি হিসাবে টাকা জমা দিতে হবে। রেগুলার ফি ৩০০০/- টাকা ( ১ মাসের মধ্যে পাসপোর্ট (Passport) পেতে হলে) আর ইমারজেন্সি ফি ৬০০০/- টাকা ( ১৫ দিনের মধ্যে পাসপোর্ট (Passport) পেতে হলে) ।
প্রথমেই টাকা জমা দেয়া প্রয়োজন এই কারণে যে , অনলাইনে ফর্ম পূরণ করার সময় টাকা জমা দেয়ার তারিখ এবং জমাদানের রিসিটের নাম্বারউল্লেখ করার প্রয়োজন হবে। তাই টাকা আগে জমা দেয়া থাকলে একবারেই ফর্ম পূরণ করা হয়ে যাবে।

টিপস

-ভুলেও আবার আগারগাঁও সোনালী ব্যাংকের শাখায় গেলে – – – – – । সোনানী ব্যাংকের কলেজ গেইট শাখায় বেশ দ্রুত টাকা জমাদেয়া যায় , কারণ এইখানে ভিড়টা কম । আপনার সুবিধামত সোনালী ব্যাংকের শাখায় / ব্রাঞ্চে টাকা জমা দিয়ে রিসিট বুঝে নিন ।
লাইনে দাঁড়ালে ব্যাংকের কাজ শুরুর আগেই ব্যাংকের লোকজন রিসিট দিয়ে যাবে। বা নিজেই টাকা দেয়ার রিসিট সংগ্রহ করে নিন । রিসিট পেলেইংরেজি ব্লক লেটার স্পষ্টভাবে পূরণ করুন। সাথে অবশ্যই কলম রাখুন।
(আমি যখন টাকা জমা দিয়েছিলাম , তখন আগারগাঁও ব্রাঞ্চ এ টাকা জমা নিত , এখন খোঁজ নিয়ে দেখলাম সেখানে টাকা জমা নেয়া বন্ধ ! এছাড়াঅনলাইনে যেসব ব্রাঞ্চের লিস্টগুলো আছে , তার অনেকগুলোতেই টাকা জমা নেয় না । তাই ঢাকায় থাকলে কলেজ গেইট ব্রাঞ্চেই যাওয়া বেটার)

দ্বিতীয় ধাপ – অনলাইনে ফর্ম পূরণ

  • অনলাইনে ফরম পূরণের জন্য প্রথমেই যান পাসপোর্ট (Passport) অফিসের এই সাইটে – http://www.passport.gov.bd/http://www.passport.gov.bd/ । নির্দেশনা ভালোভাবে দেখুন , সতর্কতার সাথে একাউন্ট করুন ।আপনার নাম ও ব্যক্তিগত তথ্যাদি ( যেমন নামের বানান, প্যারেন্টস এর নাম ) যেন শিক্ষাগত সার্টিফিকেটের মতই হয় সেদিকে খেয়াল রাখুন। টাকা জমা দেয়ার তারিখ এবং রিসিট নাম্বার উল্লেখ করুন।
সবশেষে আপনি যেদিন ছবি তোলা ও হাতের ছাপ দেয়ার জন্য বায়োমেট্রিক টেস্ট দিতে যেতে চান, সুবিধামত সেইদিনটা নির্বাচন করে সাবমিটকরুন। অর্থ্যাৎ আপনি নিজের পছন্দসই সময়েই যেতে পারছেন ! ব্যাপারটা খু্বই মজার না !
পুনরায় চেক করার পর সবশেষে সাবমিট করুন । সফলভাবে সাবমিশন শেষ হলে পূরণকৃত ফর্মের একটি পিডিএফ কপি আপনার মেইলে চলেআসবে । এইধাপ এইখানেই শেষ।

 টিপস  1

–  অনলাইনে একাউন্ট খোলার পরপরই আপনাকে ইউজার আইডি এবং পাসওয়ার্ড জানিয়ে দেবে । সেটা সংরক্ষণ করুন। আর ছবিতোলার জন্য যেদিন সময় দেবেন সেদিনটা ফ্রি রাখবেন। সময় লাগতেও পারে এই দিনে যদি মানুষ বেশী হয় ।

তৃতীয় ধাপ

– জমা দেয়ার আগে ফর্মের প্রিন্ট এবং সত্যায়ন আপনার পূরণকৃত ফর্মের যেই পিডিএফ কপিটা পেয়েছেন, সেটার ২ কপি কালার প্রিন্টকরে ফেলুন। যেসব জায়গা হাতে পূরণ করতে হবে সেগুলো করে ফেলুন । আপনার সাইন দিন। এবার নিজের চারকপি ছবি , জাতীয় পরিচয়পত্রেরফটোকপি এবং পাসপোর্ট ফর্ম নিয়ে পরিচিত কোন প্রথম শ্রেণীর কর্মকর্তার কাছ থেকে সত্যায়িত করে নিন। পরিচিত কাউকে দিয়ে সসত্যায়নকরানো দরকার এই কারণে যে, ঐ কর্মকর্তার নাম , যোগাযোগ ও ফোন নাম্বার ফর্মে লিখতে হয়। সত্যায়ন শেষে পুরো ফর্মটি রিচেক করুন।
সত্যায়িত ছবি এবং ব্যাংকের রিসিট আঠা দিয়ে ফর্মের সাথে যুক্ত করুন। সাথে জাতীয় পরিচয়পত্রের সত্যায়িত কপিটি নিন। আপনার ফর্ম জমাএখন দেয়ার জন্য প্রস্তুত।

টিপস  2

– ফর্মের প্রিন্ট করার সময় এক কপি এক্সট্রা করুন। ব্যাকআপ থাকা ভালো । আমার প্রথম পেজ নষ্ট হয়ে গিয়েছিল। শেষ সময়ে ব্যাকআপকপির প্রথম পেইজ দিয়ে দিয়েছি।
ছবি দুই কপি লাগলেও এক্সট্রা দুই কপি করিয়ে রাখা ভালো , পাসপোর্ট অফিসে চেয়ে বসে মাঝে মাঝে। একই কথা জাতীয় পরিচয়পত্রেরব্যাপারেও।

চতুর্থ ধাপ

– ছবি তোলা এবং অন্যান্য আপনার নির্বাচন করা তারিখে সকাল সকাল পাসপোর্ট অফিসে চলে যান । অবশ্যই সাদা পোষাক পরবেন না, ফর্মাল পোষাক পরার চেষ্টা করুন।
সকাল ৯ টার দিকে গেলেই হবে। কোন লাইনে দাঁড়াতে হবে না আপনাকে । সরাসরি মেইন গেইট দিয়ে মূল অফিসে যান। সেখানে দায়িত্বরত সেনাসদস্যকে জিজ্ঞেস করুন কোন রুমে যাবেন ।
প্রথমে আপনাকে আটতলায় যেয়ে ফর্ম দেখিয়ে আনতে হবে। খুবই অল্প সময়ের কাজ । ৮০৩ নাম্বার রুম । সিরিয়াল নেবেন। এবার ৮ তলারথেকে আসতে বলবে ৩ তলায় । সেখানে এসেই আসল কাজ । প্রথমে আপনার ফর্মটি চেক করবে এবং সাইন করে দেবে। সাইন শেষে আপনাকেজানিয়ে দেয়া হবে ছবি তোলার জন্য কোন রুমে যাবে। ঐ রুমগুলো ঠিক পাশেই। সিরিয়াল আসলে ছবি তুলুন, ফিঙ্গারপ্রিন্ট দিন। ব্যস , কাজ শেষ !
এবার আপনাকে পাসপোর্ট (Passport) রিসিভের একটা রিসিট দেবে। সেটা যত্ন করে রাখুন । পুলিশ ভেরিফিকেশান সাপেক্ষে, রিসিট পাওয়ার একমাস বা ১৫দিনের মধ্যেই আপনি পাসপোর্ট পাবেন ।

আমার টিপস

– আবারো বলছি, সাদা পোষাক পরবেন না , ফর্মাল পোষাক পরার চেষ্টা করুন।
আর সাথে জাতীয় পরিচয়পত্রের মূল কপিসহ সত্যায়িত কপিগুলো নিয়ে যান। তিনতলায় যেয়ে সেখানকার সেনাসদস্যের কাছ থেকে দেখিয়ে নিশ্চিতহয়ে নিন , সব সংযুক্তি ঠিক আছে কিনা। সাথে অবশ্যই কলম রাখুন। আঠা, স্ট্যাপলার, এক্সট্রা ছবিও সাথে রাখুন।
আর যারা সরকারী কর্মকর্তা বা শিশুসহ যাচ্ছেন , তাদের কিছু আলাদা কাগজ লাগবে । সেটার জন্য নির্দেশনা দেখুন । কিংবা ৮০৩ এ যোগাযোগকরুন।

পঞ্চম ধাপ

– পুলিশ ভেরিফিকেশান ও পাসপোর্ট (Passport) রিসিভ ডেট ( টিপস সহ)
পুলিশ ভেরিফিকেশানই আমার কাছে ঝামেলার মনে হয়েছে। যদি আপনার স্থায়ী আর বর্তমান ঠিকানা আলাদা হয় , তবে দুই জায়গাতেই আপনারভেরিফিকেশান হয়ে থাকে। পুলিশের এস বি ( স্পেশাল ব্রাঞ্চ) এই কাজটা করে থাকে।
এবং এইটা করতে যেয়ে পুলিশ বখশিশ হিসাবে টাকা চেয়ে বসে। খুবই ইরিটেটিং একটা ব্যাপার । সেটা ৫০০-১০০০ পর্যন্ত হতে পারে !!!!!
তবে স্ট্রিক্ট থাকলে এটা এড়ানো সম্ভব। আপনি কীভাবে তাদের ফেইস করছেন সেটার উপর নির্ভর করে। সরাসরি বলে দিতে পারেন যে, এইটাআপনার দায়িত্ব, তো টাকা দেয়ার প্রশ্ন কেন। কিংবা বলতে পারেন যে, আপনি ছাত্র , টাকা দেয়া সম্ভব না । ইত্যাদি ইত্যাদি ইত্যাদি !
যাই হোক, ভেরিফিকেশান শেষ হলে আপনার মোবাইলে এস এম এস আসবে। যেদিন এস এম এস আসবে তারপরেই আপনি পাসপোর্ট সংগ্রহকরতে পারবেন।
ব্যস, এইবার পাসপোর্ট হাতে নেয়ার পালা।

ষষ্ঠ ধাপ –পাসপোর্ট সংগ্রহ

এইখানে কাজ সহজ । পাসপোর্ট (Passport) অফিসে চলে যান। লাইনে দাঁড়ান।
সাথে রিসিট আর কলম রাখুন । ৯ টার দিকে গেইট খুলবে। লাইন ধরে প্রবেশ করুন। রিসিট জমা দিন। অপেক্ষা করুন।
এবার আপনার নাম ডাকবে । সাইন করুন , বুঝে নিন আপনার পাসপোর্ট ।

টিপস  3

– হাতে পেয়েই সবার আগে চেক করুন আপনার ইনফোগুলো ঠিক এসেছে কিনা। নিজের এবং পিতামাতার নাম, ঠিকানা এবংঅন্যান্যসব তথ্যগুলো মিলিয়ে নিন।
এই হচ্ছে একটি ঝামেলাবিহীন পাসপোর্টের (Passport) আত্মকাহিনী বা আমি যেভাবে খুব সহজেই পাসপোর্ট পেলাম এর আদ্যোপান্ত । আশা করি কাজেলাগবে।
সবার জন্য শুভকামনা। হ্যাপি পাসপোর্টিং (Passport) !

সংযুক্তি -

০১) আপনার বর্তমান ঠিকানা যদি ঢাকা হয় , তাহলে এখান থেকেই পাসপোর্ট (Passport) করতে পারেন । আলাদা করে দেশের বাড়ির জেলা অফিসে যাওয়ারপ্রয়োজন হবে না।
০২) ব্যাংকে টাকা জমা দেয়ার জন্য যে স্লিপ লাগে , সেখানে আলাদা একাউন্ট নম্বরের প্রয়োজন নেই ।নতুন পাসপোর্ট করা বা রিনিউ এর জন্যআলাদা স্লিপই থাকে ।
০৩) GO: Government order
NOC: NO Objection Certificate
PDS: Proof of retired Date
সরকারী, আধাসরকারী, স্বায়ত্তশাসিত ও রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থার স্থায়ী কর্মকর্তা/কর্মচারী, অবসরপ্রাপ্ত সরকারী চাকুরীজীবীরা এই ঘর পুরণ করবেন। আরকমেন্ট থেকে জানা গেল যে সরকারী কর্মকর্তাদের পাসপোর্ট নীল রঙের । পুলিশ ভেরিফিকেশান এর ঝামেলা নাই ।
[Read More...]


বাংলাদেশের শীর্ষ দশ জন ধনী ব্যক্তিত্ব



যদিও বাংলাদেশ একটি ছোট্ট দেশ তারপরও এই দেশের রয়েছে অনেক ক্ষমতাধর এবং বিপুল ধনী ব্যাক্তিবর্গ। যারা নিজ নিজ কর্ম ক্ষেত্রের দ্বারা এই দেশকে অনেক বড় স্থানে নিয়ে যেতে পেরেছেন। চলুন কয়েকজন শীর্ষ ধনী ব্যাক্তির সাথে পরিচিত হওয়া যাক।
নম্বর-১> মূসা বিন সামসেরঃ তিনি প্রিন্স মূসা নামে পরিচিত। তাকে বাংলাদেশের জনশক্তি রপ্তানি বাণিজ্যের অগ্রদূত বলা হয়। তিনি ড্যাটকো গ্রুপের এর মালিক। তিনি প্রায় ৯৫০ মিলিয়ন ডলারের মালিক ।
Musa
নম্বর-২>সালমান এফ রহমানঃ বেক্সিমকো গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা মালিক। তিনি প্রায় ৬০০ মিলিয়ন ডলারের মালিক ।
salman-f-rahman
নম্বর-৩>আহমেদ আকবর সোবহানঃ তিনি হচ্ছেন বসুন্ধরা গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা মালিক। তিনি প্রায় ৬০০ মিলিয়ন ডলারের মালিক ।
Akbar Sobhan
নম্বর-৪>এম এ হাশেমঃ তিনি পারটেক্স গ্রুপ ও ইউসিবিএল ব্যাংকের চেয়ারম্যান । তিনি প্রায় ৫০০ মিলিয়ন ডলারের মালিক ।
M.A.-Hashem
নম্বর-৫> আজম জে চৌধুরীঃ তিনি ইস্ট-কোস্ট গ্রুপের মালিক, প্রাইম ব্যাংকের চেয়ারম্যান এবং মবিল যমুনা লুব্রিক্যান্টের সোল এজেন্ট । তিনি প্রায় ৪১০ মিলিয়ন ডলারের মালিক ।
Ajam
নম্বর-৬>গিয়াস উদ্দিন আল মামুনঃ তিনি তারেক জিয়ার বন্ধু। তিনি রিয়েল স্টেট, হোটেল ও মিডিয়া ব্যবসায়ী।
Gias
নম্বর-৭>রাগিব আলীঃ তিনি চা উৎপাদন ব্যাবসায় সফল একজন ব্যাবসায়ী।তিনি সাউথ ইস্ট ব্যাংকের চেয়ারম্যান। তিনি প্রায় ৩০০ মিলিয়ন ডলারের মালিক ।
Ragib Ali
নম্বর-৮>শামসুদ্দিন খানঃ তিনি একে খান এন্ড কোম্পানি লিঃ-এর চেয়ারম্যান এবং ডিরেক্টর । তিনিও প্রায় ৩০০ মিলিয়ন ডলারের মালিক ।
Shamsuddin Khan
নম্বর-৯>ঈকবাল আহমেদঃ তিনি সিলেটের একজন ব্যাবসায়ী। সামুদ্রিক খাবার ব্যবসায় তিনি সফল। তিনি সীমার্ক গ্রুপ লিবকো ব্রাদার লিঃ-এর চেয়ারম্যান এবং ডিরেক্টর । তিনি প্রায় ২৫০-২৯০ মিলিয়ন ডলারের মালিক ।
Iqbal
নম্বর-১0> সাইফুল ইসলাম কামালঃ তিনি নাভানা লিঃ ও নাভানা সিএনজি লিঃ-এর চেয়ারম্যান এবং ডিরেক্টর । তিনিও প্রায় ২৯০ মিলিয়ন ডলারের মালিক ।
Saiful Islam Kamal
[Read More...]


পাসপোর্ট এর জন্য আবেদন করুন অনলাইন এ



এই পাসপোর্টের এর জন্য আবেদন করতে আমাদের দিনের পর দিন লাইন ধরে দাড়িয়ে থাকতে হয়। তারপর আছে দালালের খপ্পর। কত না ভোগান্তি পোহাতে হয় আমাদের এই পাসপোর্ট আবেদন এর জন্য। তাই এখন খুব সহজেই অনলাইন এ পাসপোর্ট এর আবেদন পদ্ধতি চালু হয়েছে। তাই বন্ধুরা এত কথা না বারিয়ে কিভাবে অনলাইন এ আবেদন করতে হয় তার পদ্ধতি গুলু আপনাদের কে বলে দিচ্ছি।
১। প্রথমে আপনাকে http://www.passport.gov.bd সাইট এ প্রবেশ করতে হবে।
তারপর দেখবেন যে হোমপেইজ এ অনেক প্রয়োজনীয় শর্তাবলি দেওয়া আছে। আপনারা এই শর্তাবলি গুলু ভাল করে পরে নিবেন।তারপর দেখবেন যে নিচের দিকে I have read the above information and the relevant guidance notes –এর বামপাশের ঘরে টিক চিহ্ন দিয়ে continue to online enrolment এ ক্লিক করতে হবে।
২। নতুন একটি পেইজ এ প্রয়োজনীয় বিভিন্ন তথ্য চাইবে। প্রথমে applying in – এর পাশের ঘরে আপনি কোন দেশ থেকে পাসপোর্টের জন্য আবেদন করছেন সেটি নিরবাচন করে দিতে হবে। এরপর পাসপোর্টের এর ধরন যেমন অরডিনারি,ডিপ্লোম্যাটিক বা অফিসিয়াল এবং delivery type – এর ঘরে পাসপোর্টটি রেগুলার নাকি এক্সপ্রেস সেটি নির্বাচন করে দিতে হবে।
৩।Personal Information সেকশন এ আবেদনকারীর কিছু তথ্য দিতে হবে। Citizenship information সেকশনে জাতীয়তা, জাতীয়তার ধরন ও এক বা একাদিক নাগরিকত্ব রয়েছে কিনা সেটি উল্লেখ করতে হবে।একেবারে নিচের দিকে পোষ্ট অফিস,থানা ও জেলা সহকারে বর্তমান ঠিকানা ও স্থায়ী ঠিকানা প্রবেশ করাতে হবে। তথ্য গুলু ভালোভাবে দেখে পরবর্তী পেইজ এ যাওয়ার আগে save & next বাটন এ ক্লিক করতে হবে।
৪। পরবর্তী পেইজ এ application id or application form number দেওয়া হবে। এটি সংরক্ষন করতে হবে। এছাড়া নিচের দিকে applicant Contact information সেকশনে অফিস, বাসা বা আবেদনকারীর নিজের ফোন নাম্বার দিতে হবে।এর নিচে emergency contact person’s details সেকশন এ পরিচিত একজনের নাম ঠিকানাসহ প্রয়োজনীয় তথ্য দিতে হবে।
৫। নিচের দিকে passport information সেকশন এ আবেদনকারীর আগে কোন পাসপোর্ট থাকলে তার তথ্য প্রদান করতে হবে। payment information সেকশনে পাসপোর্ট আবেদন চার্জ প্রদান এর প্রয়োজনীয় তথ্য চাইবে। এখানে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক এ জমা দেওয়া টাকার পরিমান ও রশিদ নাম্বার দিতে হবে।Foreign Mission –এর ঘরে আবেদনকারী কি জন্য বিদেশ ভ্রমন করবেন তার উদ্দেশ্য বর্ণনা করতে হবে।সব শেষে save & next বাটন এ ক্লিক করতে হবে।
৬। পরবর্তী পেইজ এ আবেদনকারীর পূর্ণাঙ্গ আবেদনপত্রটি প্রদর্শিত হবে। শেষবারের মত সব ঠিক আছে কিনা তা দেখে নিতে হবে। সঠিক থাকলে নিচের দিকে save বাটন এ ক্লিক করতে হবে। চূড়ান্ত আবেদনপত্রটি প্রিন্ট করে নিতে হবে।এ ছাড়া ই-মেইল দেওয়া আবেদনপত্রের নাম্বার ও পাসওয়ার্ড দিয়ে পরে আবেদনপত্রটি প্রিন্ট করা যাবে। প্রিন্ট করা আবেদনপত্রটি সংশ্লিষ্ট পাসপোর্ট অফিস এ আবেদন ডেস্কে আবেদন চার্জ সহ জমা দিতে হবে।একই সঙ্গে আঙ্গুলের ছাপটি দিয়ে আসতে হবে।
পরামর্শঃ
পাসপোর্ট এর ফরম টি এবং ন্যাশনাল আইডি কার্ড ও পূর্ববর্তী পাসপোর্ট এর ফটোকপি(যদি থাকে) সত্যায়িত করে সরাসরি আগারগাও পাসপোর্ট অফিস এর ৮ তলাই ৮০৪ নাম্বার রুমে চলে যাবেন।সেখান থেকে ফরম টি ভেরিফাই করে নিন এবং স্বাক্ষর সহ আপনাকে একটি সিরিয়াল নাম্বার দিবে।
এবার যেতে হবে পাশের অফিস এর তিন তলাই ৩১০ নাম্বার রুমে।যতই বির থাকুক না কেন আপনি সরাসরি উপ-কমিশনার এর রুমে চলে যাবেন।কারন অনলাইন আবেদন এর জন্য লাইন দরতে হয় না।এখানে ভেরিফিকেসন করার পরে আপনাকে যেতে হবে পাশের অফিস এ ছবি তুলার জন্য।
ছবি তুলার জন্য যেতে হবে ১৯ নং কাউন্টার এ।মনে রাখবেন এখানে শুধু অনলাইন এর সার্ভিস দেওয়া হয়।এখানে ফরম টি জমা দিলে এখানের অফিসার আপনার ছবি তুলে আপনার আঙ্গুলের ছাপ নিয়ে আপনার ফরম টা রেখে দিবে এবং আপনাকে একটা রশিদ ধরিয়ে দিবে।এই রশিদ টা ভাল করে দেখে নিবেন।
আপনার অনলাইন আবেদন এখানেই শেষ হল।
মনে রাখুনঃ
যতই লাইন থাকুক না কেন অনলাইন আবেদন এর জন্য কোন লাইন এর দরকার নাই।
অবশ্যয়ই বাসা থেকে সব কাগজ এবং সত্যায়িত ছবি সংগে করে নিয়ে আসবেন।
সাদা কাপর পরে ছবি তুলা যাবেনা।
[Read More...]


ট্রেন এর টিকেট কীভাবে মোবাইল দিয়ে কাটবেন ?



সবাই কে আসসালামুআলাইকুম। কেমন আছেন সবাই। আমরা স্টেশনে গিয়ে ট্রেইন এর টিকেট  কাটতে অনেক সময় অনেক জামেলায় পরতে হয়। তাই  আমি আজ আপনাদেরকে মোবাইল দিয়ে বাসা, অফিস  ইত্যাদি জায়গা থেকে বসে কীভাবে সহজে ট্রেনের টিকেট কাটা যায় তা বলচি। আর সময় নিবনা চলুন…………………………………………………...........................।।।




প্রথম
১। প্রথমে আপনাকে আপনার মোবাই এর মেসেজ অপশন এ গিয়ে TKET টাইপ করে 1200 নম্বর এ পাঠিয়ে দিন।
২। আপনার মোবাইলে একটা SMS আসবে পিন নম্বর সহ।
৩। পিন নম্বর পরিবতন করুন । *777# yes আবার yes type 3 yes,তার পর আবার yes type 2 yes, enter old password(আপনার মোবাইলে এসএমএস আসা পিন নম্বরটি)yes type পিন yes, enter new password(যে কোন চারটি ডিজিট) yes type পিন yes, enter re-new password yes type পিন yes।
৪। যাদের রেজিস্ট্রেশন করা আছে তাদের পুনরায় রেজিস্ট্রেশন করার প্রয়োজন নেই।
আপনি দুই ভাবে মোবাইল দিয়ে টিকেট কাটতে পারেন। এক বুকিং দিয়ে অন্যটি হচ্ছে সরাসরি বা বুকিং ছাড়া।
ব্দিতীয়
টিকেট বুকিং এর জন্য যা যা করতে হবে।
১। আপনার মোবাই থেকে *131*1# ডায়াল করুন।
২।তার পর ভ্রমন তারিখ type করে (যেমন ০২ হলে 02, ০৫ হলে 05, ১৩ হলে 13, ২২ হলে 22 ইত্যাদি)yes বাটন চাপুন।
৩।তার পর আপনাকে যাত্রা শুরুর স্টেশন সিলেক্ট করতে প্রতিটা স্টেশন নাম (যেমন 1.dhaka, 2.sylhet, 3.khulna etc) এর বাম পাশের ডিজিটটি লিখতে yes তার পর সেই ডিজিট type করে yes করুন।
৪।তার পর আপনাকে yes করে গন্তব্যস্থল এর বাম পাশের ডিজিট বা 6 type করে yes বাটন চাপুন । তার পর আপনি যে স্টেশন এ যেতে চান সেই স্টেশন এর প্রথম তিনটি ইংরেজি আক্ষর type করে yes তার পর সঠিক স্থান এর বাম পাশের ডিজিট yes তার পর type ডিজিট তার পর yes।
৫। তার পর আপনি যে ট্রেইনে যেতে চান সেই ট্রেইন নাম এর বাম পাসের ডিজিটটি, yes তার পর type ডিজিট yes।
৬।তার পর টিকেট class সিলেক্ট করতে প্রতিটি ক্লাস এর বাম পাশের ডিজিট (যে ক্লাস আপনার পছন্দ) type করে yes।
৭।তার পর আপনার টিকেট কত গুলো লাগবে ।মেনু থেকে আপনার যে টি পছন্দ সেটির বাম পাশের ডিজিটটি type করে yes করুন।
৮।তার পর yes করে confirm করার জন্য 1 type করে yes করুন। অথবা confirm না করার জন্য 2 type করে yes করুন।
৯। ফিরতি এসএমএস এ আপনাকে একটি বুকিং কোড ও প্রয়োজনীয় টাকার পরিমান জানিয়ে দেয়া হবে।
টিকেট বুকিং দেয়ার পর যা যা করতে হবে।
১০। বুকিং কোড পাওয়ার ৩০ মিনিট এর মধ্যে আপনাকে এটি কনফাম করতে হবে ।কনফাম না করলে টিকেট বাতিল হয়ে যাবে। কনফাম করতে যা যা করতে হবে । আপনাকে জিপি কাস্টমার কেয়ার এ গিয়ে সঠিক পরিমান টাকা আপনার মোবাইল নম্বরে ‘মোবিক্যাশ’ করতে হবে।
১১। তার পর আপনার মোবাইল থেকে *131*2# type করে yes করুন।
১২। তার পর আপনাকে yes করে বুকিং কোডটি type করে yes করুন।
১৩। তার পর আপনাকে yes করে আপনার পিন নম্বরটি type করে yes করুন।
১৪। তার পর yes করে 0 type করে confirm করুন।
১৫। তার পর আপনার কাছে একটি এসএমএস আসবে সেই এসএমএস টি দেখিয়ে জিপি কাস্টমার কেয়ার থেকে কাগজের টিকেট সংগ্রহ করবেন। তবে একটি কথা না বললে নয় আপনাকে ট্রেইনে ভ্রমন শুরু করার মিনিমাম এক ঘন্টা আগে টিকেট সংগ্রহ করতে হবে।
তৃতীয়
সরাসরি বা বুকিং ছাড়া টিকেট কিনতে যা যা লাগবে। তবে এইটার জন্য আপনাকে প্রথমে মোবাইলে সঠিক পরিমান টাকা ‘মোবিক্যাস’ করে নিতে হবে।
১। আপনার মোবাইল থেকে *131*3# টাইপ করে yes করুন।
২। তার পর yes করে পিন নম্বরটি টাইপ করে yes করুন।
৩। তার পর ভ্রমন তারিখ type করে (যেমন ০২ হলে 02, ০৫ হলে 05, ১৩ হলে 13, ২২ হলে 22 ইত্যাদি)yes বাটন ।
৪। তার পর আপনাকে যাত্রা শুরুর স্টেশন সিলেক্ট করতে প্রতিটা স্টেশন নাম (যেমন 1.dhaka, 2.sylhet, 3.khulna etc) এর বাম পাশের ডিজিটটি লিখতে yes তার পর সেই ডিজিট type করে yes করুন।
৫। তার পর আপনাকে yes করে গন্তব্যস্থল এর বাম পাশের ডিজিট বা 6 type করে yes বাটন চাপুন । তার পর আপনি যে স্টেশন এ যেতে চান সেই স্টেশন এর প্রথম তিনটি ইংরেজি আক্ষর yes তার পর সঠিক স্থান এর বাম পাশের ডিজিট type তার পর yes।
৬। তার পর আপনি যে ট্রেইনে যেতে চান সেই ট্রেইন নাম এর বাম পাসের ডিজিটটি yes তার পর type ডিজিট yes।
৭। তার পর টিকেট class সিলেক্ট করতে প্রতিটি ক্লাস এর বাম পাশের ডিজিট (যে ক্লাস আপনার পছন্দ) type করে yes।
৮। তার পর আপনার টিকেট কত গুলো লাগবে ।মেনু থেকে আপনার যে টি পছন্দ সেটির বাম পাশের ডিজিটটি type করে yes করুন।
৯। তার পর yes করে confirm করার জন্য 1 type করে yes করুন। অথবা confirm না করার জন্য 2 type করে yes করুন।
১০। তার পর আপনার কাছে একটি এসএমএস আসবে সেই এসএমএস টি দেখিয়ে জিপি কাস্টমার কেয়ার থেকে কাগজের টিকেট সংগ্রহ করবেন।






চতুথ
আপনাকে এই পব্ধিতিতে টিকেট কাটতে বা করতে কিছু শত, সুবিদা ও অসুবিদা আছে তা জেনে নিন।
১। আপনি ঢাকা (ধানমন্ডী,ফারমগেট,মতিঝিল,গুলশান,মিরপুর), আগ্রাবাদ চট্টোগ্রাম, নাটর রোড রাজশাহী, এয়ারপোট রোড আম্বরখানা সিলেট এই জিপি কাস্টমার সেন্টার ছাড়া তেমন কোন জায়গায় মোবিক্যাশ ও টিকেট প্রিন্ট করা যায় না।  তবে অন্য কোন জায়গায় গেলে জামেলার মধ্যে পরতে পারেন।
২। আপনি এই পদ্দিতি শুধু জিপি এর জন্য ।তবে অন্য অপারেটর প্রায় একই রকম।
৩। আপনি এক মাস এ একটি সিম দিয়ে সবোচ্ছ চারটি টিকেট কাটতে পারবেন ।
৪। আপনি যদি আপনার সিম এ বেসি মোবিক্যাশ বা যে মোবিক্যাশ করেছেন তা দিয়ে টিকেট না কাটতে পারলে । কোন চিন্তা করবেন না সেই টাকা আপনার আজীবন থাকবে বা আপনি সেই টাকা আপনার সেই সিম এ FlexiLoad করতে পারেন।
৫। আপনাকে প্রতিটি টিকেট এর জন্য এক্সট্রা বিশ টাকা সাভিস চাজ দিতে হবে।
৬। আপনি যাত্রার সবোচ্ছ দশ দিন আগে অগ্রীম টিকেট কাটতে পারবেন।
৭। আপনি টিকেট কাটার সময় এইটা অবশ্যই লক্ষ রাখবেন যে আপনার যাত্রার শুরুর স্থানটি বা স্টেশনটি যেন ট্রেনটির যাত্রার প্রথম ও শেষগন্তব্য স্থান বা স্টেশনটি হতে হবে।এবং আপনি আপনার যাত্রা শুরু জন্য ঐ স্থান বা স্টেশনটি ঠিক করার পর গন্তব্য স্থান বা স্টেশন যে কোনটি হতে পারে বা দিতে পারেন।
৮। আপনি ট্রেনটির যাত্রার প্রথম ও শেষগন্তব্য স্থান বা স্টেশনটি ছাড়া অন্য কোন স্টেশন থেকে যাত্রা শুরু করতে পারবেন না। তবে যে কোন স্থান বা স্টেশনে যাত্রা শেষ করতে পারবেন।
৯। আপনাকে টিকেট বুকিং দিতে হলে ট্রেইন যাত্রার সময় এর সবোনিন্ম বার ঘন্টা এবং সরাসরি টিকেট কিনতে চাইলে ছয় ঘন্টা পূবে টিকেট কাটতে হবে।
১০। এই পব্ধিতি ব্যবহার করে শুধু মাত্র আন্তনগর ট্রেন এর টিকেট কাটা যাবে।
অকে সবাই ভাল থাকুন, সুস্থ থাকুন।
১১। আপনি টিকেট কাটার সময় প্রতিটি ষ্টেপ এর জন্য ত্রিশ সেকেন্ড করে সময় পাবেন।
১২। আপনি এই বিষয় কোন প্রবলে্মে পরলে যে কোন জিপি নম্বর থেকে 1200 তে কল করুন।


বিঃ দ্রঃ কিছু বানান ভুল হয়েছে এবং কতগুলো অক্ষর এর উপর রেফ দিতে পারি নাই কষ্ট করে বুঝে নিবেন এবং ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।
[Read More...]


বাংলাদেশের ৬৪টি জেলার সমস্ত খবর জানতে ৬৪জেলার ৬৪টি ওয়েবসাইট




আমরা বিভিন্য জায়গা থেকে ইন্টারনেট ভিসিট করে থাকি। এবং প্রতিজনের রয়েছে নিজের জেলার প্রতি অন্যরকম একটি ভালবাসা। আর নিজের জেলার প্রতি ভালবাসার টানে আপনি নিশ্চয়ই চাইবেন নিজের জেলার সমস্ত খবর একটু দেখে নিতে? তাই আমি নিয়ে এসেছি বাংলাদেশের ৬৪টি জেলার ৬৪টি ওয়েবসাইটের ঠিকানা।
domains URL website address
JESSORE
BARGUNA
www.dcjessore.gov.bd
www.dcbarguna.gov.bd
BARISALwww.dcbarisal.gov.bd
BHOLAwww.dcbhola.gov.bd
JHALOKATIwww.dcjhalakathi.gov.bd
PATUAKHALIwww.dcpatuakhali.gov.bd
PIROJPURwww.dcpirojpur.gov.bd
BANDARBANwww.dcbandarban.gov.bd
BRAHMANBARIAwww.dcbrahmanbaria.gov.bd
CHANDPURwww.dcchandpur.gov.bd
CHITTAGONGwww.dcchittagong.gov.bd
COMILLAwww.dccomilla.gov.bd
COX’S BAZARwww.dccoxsbazar.gov.bd
FENIwww.dcfeni.gov.bd
KHAGRACHHARIwww.dckhagrachhari.gov.bd
LAKSHMIPURwww.dclakshmipur.gov.bd
NOAKHALIwww.dcnoakhali.gov.bd
RANGAMATIwww.dcrangamati.gov.bd
DHAKAwww.dcdhaka.gov.bd
FARIDPURwww.dcfaridpur.gov.bd
GAZIPURwww.dcgazipur.gov.bd
GOPALGANJwww.dcgopalganj.gov.bd
JAMALPURwww.dcjamalpur.gov.bd
KISHOREGONJwww.dckishoreganj.gov.bd
MADARIPURwww.dcmadaripur.gov.bd
MANIKGANJwww.dcmanikganj.gov.bd
MUNSHIGANJwww.dcmunshiganj.gov.bd
MYMENSINGHwww.dcmymensingh.gov.bd
NARAYANGANJwww.dcnarayanganj.gov.bd
NARSINGDIwww.dcnarsingdi.gov.bd
NETRAKONAwww.dcnetrokona.gov.bd
RAJBARIwww.dcrajbari.gov.bd
SHARIATPURwww.dcshariatpur.gov.bd
SHERPURwww.dcsherpur.gov.bd
TANGAILwww.dctangail.gov.bd
BAGERHATwww.dcbagerhat.gov.bd
CHUADANGAwww.dcchuadanga.gov.bd


JHENAIDAHwww.dcjhenaidah.gov.bd
KHULNAwww.dckhulna.gov.bd
KUSHTIAwww.dckushtia.gov.bd
MAGURAwww.dcmagura.gov.bd
MEHERPURwww.dcmeherpur.gov.bd
NARAILwww.dcnarail.gov.bd
SATKHIRAwww.dcsatkhira.gov.bd
BOGRAwww.dcbogra.gov.bd
CHAPAINABABGANJwww.dcchapainawabganj.gov.bd
DINAJPURwww.dcdinajpur.gov.bd
GAIBANDHAwww.dcgaibandha.gov.bd
JOYPURHATwww.dcjoypurhat.gov.bd
KURIGRAMwww.dckurigram.gov.bd
LALMONIRHATwww.dclalmonirhat.gov.bd
PABNAwww.dcpabna.gov.bd
PANCHAGARHwww.dcpanchagarh.gov.bd
NAOGAONwww.dcnaogaon.gov.bd
NATOREwww.dcnatore.gov.bd
NILPHAMARIwww.dcnilphamari.gov.bd
RAJSHAHIwww.dcrajshahi.gov.bd
RANGPURwww.dcrangpur.gov.bd
SIRAJGANJwww.dcsirajganj.gov.bd
THAKURGAONwww.dcthakurgaon.gov.bd
HABIGANJwww.dchabiganj.gov.bd
MAULVIBAZARwww.dcmoulvibazar.gov.bd
SUNAMGANJwww.dcsunamganj.gov.bd
SYLHETwww.dcsylhet.gov.bd
[Read More...]


Bangla Font Problem In Facebook, Google+



Many people face bangla font related problem in facebook.
Because, by default facebook use bangla unicode font for showing bangla texts.
That unicode font is so small and complex to read bangla texts.
You can easily solve this problem by only just few steps, and you will then see more clear and bigger bangla font in facebook or twitter etc….
Steps : (For FireFox Browser)
  1. Go to Tools option from top menu bar
  2. Click on Options
  3. Click Content tab, then select ‘Advanced..’ from Font & Color part
  4. Select Font For —-> Bengali
  5. Proportional —> Sherif (Size  : 26)
  6. Select any bangla unicode font (eg. SolaimanLipi, or SiyamRupali) for Sherif box
  7. Set Minimum Font Size : 26 or 20  and Click on OK
You are done! Just restart your browser and enjoy…..
Steps at a glance :
Tools–>Options–>Content (Tab)–>’Advanced..’–>Font For : Bengali –>
 Proportional : Sherif (Size  : 26)–> Sherif : SolaimanLipi –>Set Minimum Font Size : 26 –> OK
[Read More...]


ঝামেলার দিন শেষ, দুনিয়ার সবচেয়ে সহজ নিয়মে তৈরি করে ফেলুন বুটেবল পেনড্রাইভ





“বিসমিল্লাহহীর রাহমানির রাহীম”

শুরুতেই কিছু কথা বলে নেই। একটা ইট একা কিছুই নয় কিন্তু হাজারো ইট একসাথে হয়ে তৈরী করে শক্তিশালী কাঠামো। আমরা কেউই তো আর সবজান্তা নই তাই ঠিক একই ভাবে একজনের জ্ঞান একা হয়ত কিছুই নয় কিন্তু অনেক জনের জ্ঞান একসাথে হলে নতুন নতুন কিছু উদ্ভাবন হয়। প্রত্যেকেরই অন্যের কাছে কিছু না কিছু শেখার আছে। তাই আমার মনে হয় শেয়ারিং এর মাধ্যমে সার্বিক ভাবে সকলের জ্ঞানের পরিধি বাড়ানো সম্ভব। তাই আমি যা জানি তা আপনাদের জানাতে চায় আর আপনারা যা জানেন তা আপনাদের কাছ থেকে শিখতে চায়। অন্যান্য দেশ প্রজুক্তিতে অনেক এগিয়ে গেছে, আমার মনে হয় আমারও এভাবেই এগিয়ে যাব এবং সেই দিন খুব বেশী দূরে নয়।
অনেক প্যাঁচাল পারা হল এবার আসল কথাই আসি। আমি এ পর্যন্ত অনেক সফটওয়্যার ট্রাই করেছি কিন্তু কোনটাতেই তেমন সুফল পাইনি। আর ঝামেলাও অনেক। তাই আজ আমি আপনাদের সাথে যেই সফটওয়্যারটি শেয়ার করব সেটা দিয়ে আপনি সবচেয়ে সহজ উপায়ে আপনার পেনড্রাইভ দিয়ে কম্পিউটার এর অপারেটিং সিস্টেম (Windows 7/8) সেটাপ দিতে পারবেন। তবে চলুন মাত্র ৭১৬ কে.বি. এর সফটওয়্যারটি এখনি ডাউনলোড করে কাজ শুরু করে দেই। সফটওয়্যারটি পোর্টেবল তাই ইন্সটল এর কোনো ঝামেলা নেই। এখান থেকে ডাউনলোড করে নিন।
প্রথমে জিপ ফাইলটি আনজিপ করে নিন। তারপর ফাইলটি রান করুন। দেখবেন এরকম স্ক্রীন আসবে

এরপর আপনার পেনড্রাইভ সিলেক্ট করে Quick Format  এ টিক দিয়ে Do it করুন।  পেনড্রাইভ ৮ জিবি হলে ভাল হয় তবে ৪ জিবি হলেও চলবে। Windows 8 এর জন্য ৮ জিবি লাগবে।

তারপর যা দিয়ে আপনি বুট করবেন সেটা সিলেক্ট করুন। অর্থাৎ ISO/DVD/Source File সিলেক্ট/ড্রপ করুন এভাবে (আপনি চাইলে বুটেবল ডিভিডি থেকে ISO Image এক্সট্র্যাক্ট করতে হয় কিভাবে এখান থেকে দেখে নিতে পারেন।)

এবার কাজ শুরু হয়ে যাবে এবং এমন একটা স্ক্রীন আসবে

আপনার পিসি এবং পেনড্রাইভ এর গতির উপর নির্ভর করে কম-বেশী সময় লাগবে। সব শেষে এমন স্ক্রীন আসবে তারপর ক্লোজ করে আসল কাজ শুরু করে দিন।

এবার আপনি  Boot Menu তে গিয়ে Pendrive এর Priorityপ্রথমে দিন। (এ ব্যাপারে বিস্তারিত জানার জন্য আমার পরবর্তী পোস্টটি দেখতে পারেন।) ঝামেলা এড়ানোর জন্য প্রথমবার Restart নেবার সময় পেনড্রাইভ খুলে নিন।
এভাবে আপনি খুব কম সময়ে পিসি বুট করতে পারবেন। পিসি বুট করা শেষ হলে পেনড্রাইভ FAT32 ফরম্যাট এ Format করে নিন।
তারপর আরামে আপনার পিসি আর পেনড্রাইভ ইউস করুন।

সবাই ভুল করে আমিও তার ঊর্ধ্বে নই। ভুল ত্রুতি ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখার জন্য অনুরধ করছি। পোস্টটি কেমন লাগলো তা Comment করে জানাতে ভুলবেন না
।
[Read More...]


একটি সুন্দর জীবনবৃত্তান্ত তৈরীর কৌশল



আপনার জীবনবৃত্তান্ত (CV) হচ্ছে একজন সম্ভাব্য চাকুরীদাতার কাছে একজন চাকুরীপ্রার্থী হিসাবে উপস্থাপন করার প্রাথমিক মাধ্যম ৷ কিন্তু অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যায় চাকুরীপ্রার্থীরা তাদের জীবনবৃত্তান্ত সুন্দর এবং সঠিকভাবে তৈরী করার ব্যপারে গুরুত্ব প্রদান করে না ৷ ফলশ্রুতিতে অনেক যোগ্য প্রার্থীই Job Interview তে ডাক পায় না এবং যোগ্যতা প্রমানের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয় ৷
আপনার জীবনবৃত্তান্ত (CV) তৈরীর আগে যে সকল বাস্তবতার দিকে নজর রাখবেন—
* একজন চাকুরীদাতা গড়ে একটি জীবনবৃত্তান্ত (CV)-এর উপর ৩০ সেকেন্ডের বেশী সময় দেয় না ৷ সুতরাং এটি হতে হবে সংক্ষিপ্ত ৷ তথ্যগুলোর উপস্থাপন হতে হবে সুস্পষ্ট ৷ অপ্রয়োজনীয় বা অপেক্ষাকৃত কম গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পরিহার করতে হবে ৷
§ একজন অনভিজ্ঞ/সদ্য পাস করা চাকুরীপ্রার্থীর জীবনবৃত্তান্ত এক থেকে দুই পাতার বেশী হওয়া কোনভাবেই উচিত্ নয় ৷ এক পাতার হলে ভাল হয়।
§ আপনার জীবনবৃত্তান্ত হচ্ছে আপনার নিজেকে বিপণন করার মাধ্যম ৷ সুতরাং এটি হতে হবে আকর্ষণীয় ৷ তবে চটকদার কোন কিছু যেমন রঙিন কাগজ বা রঙিন কালি ব্যবহার করবেন না ৷ কোন কিছু Highlight করতে হলে সেটিকে Bold, italic বা underline করতে পারেন ৷
§ মনে রাখবেন, আপনার জীবনবৃত্তান্তের মধ্যে যদি কোন বানান ভুল বা ভাষাগত/ Grammatical ভুল থাকে তবে সম্ভাব্য চাকুরীদাতার আপনার সম্বন্ধে নেতিবাচক ধারণা হবে ৷ এটি প্রকাশ পাবে যে আপনি কোন কাজই নির্ভুল ভাবে করতে সক্ষম নন ৷ সুতরাং একটি CV তৈরীর পর সেটি নিজে ভাল করে পড়ুন এবং শুদ্ধ ইংরেজী জানেন এমন ব্যক্তিকে দেখিয়ে নিন ৷
§ যখন আপনি কোন নির্দিষ্ট চাকুরী বিজ্ঞপ্তির (job announcement)-এর বিপরীতে আবেদন করার জন্য জীবনবৃত্তান্ত পাঠাবেন, তখন চেষ্টা করুন আপনার CV সেই চাকুরীর চাহিদা অনুযায়ী তৈরী করতে (Customize your CV) ৷ এর জন্য প্রয়োজন চাকুরী বিজ্ঞপ্তি ভাল করে পড়া এবং প্রতিষ্ঠানটি সম্বন্ধে কিছু গবেষণা (Research) করা ৷ উদাহরণ স্বরুপ আপনি যদি জানেন যে নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশের যে কোন স্থানে নিয়োগ দিতে পারে, তাহলে আপনি আপনার CV-তে উল্লেখ করতে পারেন আপনি বাংলাদেশের কোন কোন স্থানে পূর্বে অবস্থান করেছেন ৷ অথবা কোন নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান এমন কোন লোক খুঁজছে যার একজন ‘ সংগঠকের (organizer’) ভূমিকা পালন করতে হবে, সেই ক্ষেত্রে আপনি যদি আপনার ছাত্রজীবনের কোন সাংগঠনকারীর ভূমিকা উল্লেখ করেন তবে আপনার CV নিয়োগকারীর কাছে আলাদা মূল্য পাবে ৷
§ এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ যে আপনি আপনার CV তে সঠিক তথ্য দিবেন ৷ এমন কোন তথ্য দিবেন না যা আপনার Job interview-তে ভুল প্রমানিত হতে পারে ৷
জীবনবৃত্তান্তের (CV) বিভিন্ন অংশ:
একটি জীবনবৃত্তান্তে (CV) যে তথ্যগুলো আপনি সুবিন্যস্ত ভাবে উপস্থাপন করবেন সেগুলো হচ্ছে–
* শিরোনাম (Title)
* সার সংক্ষেপ (Career Summary) –> অভিজ্ঞতা সম্পন্নদের জন্য বেশী প্রয়োজন ৷
* ক্যারিয়ার উদ্দেশ্য (Career objective)–>সদ্য পাশ করা চাকুরী প্রার্থীদের জন্য বেশী প্রয়োজন ৷
* চাকুরির অভিজ্ঞতা (Experience)
* শিক্ষাগত যোগ্যতা (Education)
* অতিরিক্ত তথ্য (Additional Information)
* ব্যক্তিগত তথ্য (Personal Information)
* রেফারেন্স (Reference)
শিরোনাম: (Title)
জীবনবৃত্তান্তের শুরুতেই থাকবে আপনার পুরো নাম ৷ এটা বোল্ড (bold) হবে এবং একটু বড় ফন্টে লিখতে হবে (ডাক নাম পরিহার করুন) ৷ তার পর থাকবে আপনার ঠিকানা (বর্তমান ঠিকানা যেখানে আপনাকে চিঠি দিলে আপনি পাবেন), ফোন নম্বর ও ই-মেইল এড্রেস ৷ এই অংশটুকু পৃষ্ঠার উপরে মধ্যখানে থাকবে, যাতে তা প্রথমেই চোখে পরে ৷
Career Summary( সার সংক্ষেপ )
যে সকল ব্যক্তিদের ৪-৫ বছরের বেশী চাকরীর অভিজ্ঞতা আছে তাদের জন্য এটি বেশী প্রযোজ্য ৷ এই অংশে আপনি সর্বোচ্চ ৬-৭ লাইনে উল্লেখ করুন আপনার পূর্ব চাকরীর অভিজ্ঞতার কর্মক্ষেত্রগুলো ৷ আপনার পূর্ব অভিজ্ঞতার সাফল্যগুলো (Achievement) সংক্ষেপে তুলে ধরুন (যদি থাকে) ৷
Career Objective:
এটি বেশী প্রযোজ্য সদ্য পাশ করা চাকুরী প্রার্থী বা অল্প অভিজ্ঞ (১ / ২ বছর) চাকুরী প্রার্থীদের জন্য ৷ এই অংশে আপনি আপনার চাকুরীক্ষেত্রে বর্তমান লক্ষ্য (Immediate goal) উল্লেখ করুন এবং আপনার যোগ্যতা কিভাবে বিজ্ঞপ্তির (Advertised) চাকুরী বা যে প্রতিষ্ঠানে পাঠাচ্ছেন, তার প্রয়োজন মেটাতে পারে তার প্রেক্ষিতে উপস্থাপন করুন ৷ চাকুরীর জন্য উপযুক্ত ইতিবাচক বৈশিষ্ট্যগুলো সংক্ষিপ্তভাবে উলেখ করুন ৷ চাকুরী বিজ্ঞপ্তি বা কোম্পানির প্রয়োজনের সাথে খাপ খাইয়ে Career Objective লেখা জরুরী ৷ আপনি কোম্পানিকে কি দিতে পারবেন তার ওপর গুরুত্বারোপ করুন, কোম্পানির কাছ থেকে আপনি কি আশা করছেন তার ওপর নয় ৷
Experience: (কর্ম অভিজ্ঞতা)
অভিজ্ঞ পেশাজীবিদের জন্য এই অংশটি শিক্ষাগত যোগ্যতার আগেই আসা উচিত ৷ সদ্য পাশ করা বা অল্প অভিজ্ঞতার ক্ষেত্রে আগে শিক্ষাগত যোগ্যতা (Education) এবং তার পরে experience আসা উচিত ৷
যে সকল তথ্য আপনার প্রতিটি পূর্ব অভিজ্ঞতার ক্ষেত্রে উল্লেখ করবেন সেগুলো হচ্ছে,
* Organization name (প্রতিষ্ঠানের নাম)
* Designation (পদবী)
* Time period- From & To (সময়কাল)
* Job responsibility (দায়িত্ব)
* Special achievement (উল্লেখযোগ্য সাফল্য)
আপনি যদি একই প্রতিষ্ঠানে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন পদে কাজ করে থাকেন, তাহলে আলাদা আলাদা ভাবে তা উল্লেখ করুন ৷
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে আপনি প্রথমেই উল্লেখ করবেন আপনার সাম্প্রতিক অভিজ্ঞতা (most recent experience), তার পরে এক এক করে Resume Chronological Order-এ একটির পর একটি অভিজ্ঞতা উল্লেখ করবেন যা শেষ হবে আপনার সর্বপ্রথম অভিজ্ঞতা দিয়ে ৷
আপনার খুব কম গুরুত্বপূর্ণ বা কম সময়ের অভিজ্ঞতা উল্লেখ না করাই ভাল ৷ তবে লক্ষ্য রাখবেন যে আপনার List of experience এর মধ্যে যাতে খুব বেশী Time gap না থাকে ৷
Education & Training (শিক্ষাগত যোগ্যতা ও প্রশিক্ষণ)
আগেই বলা হয়েছে যে এই অংশটি সদ্য পাশ করা বা অল্প অভিজ্ঞদের জন্য Experience অংশের আগেই আসা উচিত্ ৷ Education অংশে আপনি আপনার ডিগ্রিগুলোর নাম উল্লেখ করবেন এবং নিম্নেবর্ণিত তথ্য প্রদান করবেন ৷
* ডিগ্রির নাম (যেমন: SSC, HSC, BCom)
* কোর্স সময়কাল (কবে থেকে কবে)
* শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং বোর্ডের নাম ৷
* পরীক্ষার বছর এবং প্রয়োজনে ফলাফল প্রকাশের সময় ৷
* ফলাফল/Result এবং যদি উল্লেখযোগ্য সাফল্য (যেমন: মেধাতালিকায় স্থান) থাকে তবে তার উল্লেখ করতে হবে ৷
Experience-এর মতো এক্ষেত্রেও আপনি আপনার সবচেয়ে সাম্প্রতিক ডিগ্রির উল্লেখ আগে করবেন এবং তার পর পর্যায়ক্রমিক ভাবে বাকিগুলো উল্লেখ করবেন ৷
লক্ষ্য রাখবেন আপনার কোন ডিগ্রির চূড়ান্ত ফলাফল এখনও প্রকাশ না হয়ে থাকলে সেই ডিগ্রির উল্লেখ করার সময় ব্র্যাকেটে ‘Appeared’ উল্লেখ করবেন ৷ কোন কোর্সে অধ্যায়নরত থাকলে ‘Ongoing’ উল্লেখ করুন ৷ কোন ডিগ্রির ক্ষেত্রে আপনার Result যদি খুব খারাপ হয়ে থাকে তবে কোন Result-ই উল্লেখ করার দরকার নেই ৷ মনে রাখবেন একটি ডিগ্রির ফলাফল উল্লেখ করা ও অন্যটি উল্লেখ না করা দৃষ্টিকটু ৷
আপনি যদি কোন বিশেষ প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করে থাকেন এবং যদি তা আপনার কাজের যোগ্যতার সহায়ক বলে মনে করেন তবে তা উল্লেখ করবেন ৷ সেক্ষেত্রেও প্রশিক্ষণকারী প্রতিষ্ঠানের নাম, Topics, প্রতিষ্ঠানের সময় (Duration) তারিখ উল্লেখ করবেন ৷প্রশিক্ষণের তালিকা আপনি Education অংশের নীচে দিতে পারেন ৷
অতিরিক্ত তথ্য / Additional Information:
যে সকল তথ্য উপরে উল্লেখিত অংশগুলোর মধ্যে পড়ে না কিন্তু চাকরির সাথে সম্পর্কিত তা এ বিভাগে বর্ণনা করুন ৷
* পেশাগত অর্জন / Professional Achievement
* পদক/ সম্মাননা/ Award.
* ভাষাগত দক্ষতা / Language Literacy
* কম্পিউটারে দক্ষতা / Computer Skills.
* লাইসেন্স,সরকারি পরিচয়পত্র, প্রকাশিত লেখা ও সত্বাধিকার
* স্বেচ্ছাসেবী কর্মকান্ড ইত্যাদি
ব্যক্তিগত তথ্য / Personal Information:
এই অংশে পিতামাতা, বর্তমান/স্থায়ী ঠিকানা, ধর্ম, যে সকল দেশ আপনি ভ্রমণ করেছেন, শখ ইত্যাদি এখানে উল্লেখ করা যেতে পারে ৷
রেফারেন্স (Reference):
খেয়াল রাখবেন Reference অংশে আপনি আপনার নিকট আত্মীয়দের নাম উল্লেখ করবেন না ৷ আপনাকে আপনার ছাত্র জীবনে বা কর্মজীবনে কাছ থেকে দেখেছে এমন ব্যক্তিকেই আপনি Reference হিসাবে উল্লেখ করবেন ৷ অবশ্যই যাদেরকে Reference দিবেন তাদের ফোন নাম্বার, ঠিকানা এবং ই-মেইল (যদি থাকে) উল্লেখ করবেন ৷ সাধারণত Reference হিসাবে সর্বোচ্চ ২-৩ জনের নাম উল্লেখ করাই শ্রেয় ৷ তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ যে ব্যাপারের দিকে খেয়াল রাখতে হবে তা হচ্ছে আপনি যাদেরকে Reference হিসাবে উল্লেখ করেছেন সে সকল ব্যাক্তিকে আপনার আগে থেকে জানাতে হবে যে আপনি তাদের Reference হিসাবে আপনার জীবনবৃত্তান্ত (CV)- তে উল্লেখ করেছেন ৷
[Read More...]


বাংলাদেশী মুদ্রার ইতিহাস




এক টাকাঃ
বাংলাদেশ স্বাধীনতা লাভের পর কিছু দিন পাকিস্তানী ১ রূপী প্রচলিত ছিলঃ

পরবর্তীতে ১৯৭২ সালের ৪ঠা মার্চ বাংলাদেশী ১ টাকার নোট ইস্যু হয়ঃ

১৯৭৩ সালের ২রা মার্চ প্রথম বাংলাদেশের জাতীয় প্রতীক সম্বলিত ১ টাকার নোট ইস্যু হয়ঃ

এরপর ১৯৭৩ সালের ১৮ই ডিসেম্বর পুনরায় আরেকটি ১ টাকার নোট ইস্যু হয়ঃ

পরবর্তীতে ১৯৭৯ সালের ৩রা সেপ্টেম্বর "রয়েল বেঙ্গল টাইগার"-এর জলছাপ সম্বলিত ১ টাকার নোট ইস্যু হয়। এরপর আর কোন ১ টাকার কাগুজে নোট ইস্যু হয়নিঃ

মাঝে ১৯৭৫ সালে "নিকেল-কপার" দ্বারা তৈরী ১ টাকার কয়েন ইস্যু হয়েছিলঃ

এরপর ১৯৯৩ সালের ৯ই মে পুনরায় ১ টাকার কয়েন ইস্যু হয়। পরবর্তীতে এর আকৃতি এবং রঙ ৩ বার পরিবর্তন করা হয়ঃ

বিভিন্ন সময়ে ইস্যুকৃত ১ টাকার কয়েনঃ

দুই টাকাঃ
১৯৮৮ সালের ২৯ই ডিসেম্বর দ্বিতীয় "সরকারী নোট" ২ টাকা ইস্যু হয়। এরপর আর কোন ২ টাকার কাগুজে নোট ইস্যু হয়নিঃ

পরবর্তীতে ২০০৪ সালে "স্টীল"-এর তৈরী ২ টাকার কয়েন ইস্যু হয়ঃ

পাঁচ টাকাঃ
১৯৭২ সালের ৪ঠা মার্চ প্রথম ৫ টাকার নোট ইস্যু হয়ঃ

পরবর্তীতে ১৯৭৩ সালের ১লা সেপ্টেম্বর এবং ১৯৭৪ সালে "বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান" - এর ছবি সম্বলিত আরো দু'টি নোট ইস্যু হয়ঃ


১৯৭৬ সালের ১১ই অক্টোবর "তারা মসজিদ"-এর ছবি সম্বলিত নোট ইস্যু হয়ঃ

১৯৭৮ সালের ২রা মে "তারা মসজিদ"-এর পরিবর্তে "কুসুম বাগ মসজিদের মেহরাব"-এর ছবি সম্বলিত নোট ইস্যু হয়ঃ

২০০৬ সালের ৮ই অক্টোবর, ১৯৭৮ সালের নোটটি ইস্যু হয়। পার্থক্য হল নোটটিতে ৩মিমি চওড়া নিরাপত্তা সূতা ব্যবহার করা হয়ঃ

মাঝে ১৯৯৩ সালের ১লা অক্টোবর ৫ টাকার কয়েন ইস্যু হয়ঃ

দশ টাকা
১৯৭২ সালের ৪ঠা মার্চ প্রথম ১০ টাকার নোট ইস্যু হয়ঃ

পরবর্তীতে ১৯৭২ সালের ২রা জুন এবং ১৯৭৩ সালের ১৫ই অক্টোবর "বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান" - এর ছবি সম্বলিত আরো দু'টি নোট ইস্যু হয়ঃ


১৯৭৬ সালের ১১ই অক্টোবর "তারা মসজিদ"-এর ছবি সম্বলিত নোট ইস্যু হয়ঃ

পরবর্তীতে ১৯৭৮ সালের ৩রা আগস্ট এবং ১৯৮২ সালের ৩রা সেপ্টেম্বর "আতিয়া জামে মসজিদ" -এর ছবি সম্বলিত ভিন্ন দু'টি নোট ইস্যু হয়ঃ


১৯৯৭ সালের ১১ই ডিসেম্বর "লালবাগ কেল্লা মসজিদ"-এর ছবি সম্বলিত নোট ইস্যু হয়ঃ

২০০০ সালের ১৪ই ডিসেম্বর অস্ট্রেলিয়া থেকে ১০ টাকার পলিমার নোট তৈরী করে আনা হয় যা বাংলাদেশের জন্য ব্যবহারের অনুপযোগীঃ

২০০২ সালের ৭ই জানুয়ারী ১০ টাকার আরেকটি নোট ইস্যু হয়ঃ

সর্বশেষ ২০০৬ সালের ২১ই সেপ্টেম্বর নিরাপত্তা উপাদান বাড়িয়ে পুনরায় আগের নোটটি ইস্যু হয়ঃ

বিশ টাকাঃ
১৯৭৯ সালের ২০ই আগস্ট প্রথম ২০ টাকার নোট ইস্যু হয়ঃ

পরবর্তীতে হলগ্রাফিক নিরাপত্তা সংযুক্ত করে ২০০২ সালের ১৩ ই জুলাই পুনরায় আগের নোটটি ইস্যু হয়ঃ

পঞ্চাশ টাকা
১৯৭৬ সালের ১লা মার্চ প্রথম ৫০ টাকার নোট ইস্যু হয়ঃ

১৯৭৯ সালের ৪ঠা "তারা মসজিদ"-এর পরিবর্তে "ষাট গুম্বুজ মসজিদ"-এর ছবি সম্বলিত নোট ইস্যু হয়ঃ

১৯৮৭ সালের ২৪ই আগস্ট প্রথমবারের মত "স্মৃতিসৌধ"-এর ছবি সম্বলিত নোট ইস্যু হয়ঃ

এরপর ১৯৯৯ সালের ২২ই আগস্ট এবং ঈষৎ পরিবর্তন করে ২০০৩ সালের ১২ই মে একই নোট ইস্যু হয়ঃ


একশ টাকাঃ
১৯৭২ সালের ৪ঠা মার্চ প্রথম ১০০ টাকার নোট ইস্যু হয়ঃ

১৯৭২ সালের ১লা সেপ্টেম্বর "বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান" - এর ছবি সম্বলিত এবং ১৯৭৬ সালের ১লা মার্চ "তারা মসজিদ"-এর ছবি সম্বলিত দু'টি একই ডিজাইনের নোট ইস্যু হয়ঃ


১৯৭৭ সালের ১৫ই ডিসেম্বর সম্পূর্ণ নতুন ডিজাইনের ১০০ টাকার নোট ইস্যু হয়ঃ

২০০১ সালের ১৫ই মার্চ optical variable ink (ovi) ব্যবহার করে নোট ইস্যু হয়ঃ

২০০২ সালের ৫ই জুন "স্মৃতিসৌধ"-এর ছবি সম্বলিত নোট ইস্যু হয়ঃ

২০০৫ সালের ২৮শে জুলাই পূর্বের ১০০টাকার "100" শব্দটিকে সোনালী রঙে পরিবর্তন করা হয়ঃ

পাঁচশত টাকাঃ
১৯৭৬ সালের ১৫ই ডিসেম্বর প্রথম ৫০০ টাকার নোট ইস্যু হয়ঃ

পরবর্তীতে ডিজাইনে ব্যপক পরিবর্তন এনে ১৯৯৮ সালের ২রা জুলাই আরেকটি নোট ইস্যু হয়ঃ

২০০০ সালের ১০ই আগস্ট "বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান" - এর ছবি সম্বলিত নোট ইস্যু হয়ঃ

২০০২ সালের ১৭ই জুলাই "স্মৃতিসৌধ"-এর ছবি সম্বলিত নোট ইস্যু হয়ঃ

২০০৪ সালের ২৪ই অক্টোবর পূর্বের নোটের "৫০০" এর পরিবর্তে "পাঁচশত টাকা" শব্দে optical variable ink (ovi) ব্যবহার করে নোট ইস্যু হয়ঃ

এক হাজার টাকাঃ
বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় মানের নোট। নোটটি ২০০৮সালের ২৭শে অক্টোবর ইস্যু হয়। এর সামনের অংশে শহীদ মিনার এবং পেছনের অংশে কার্জন হলের ছবি রয়েছে। এতে মোট ১১ টি নিরাপত্তা ব্যবস্থা রয়েছে।
[Read More...]


নিয়ে নিন HD ফেসবুক চ্যাট ইমু । যারা ফেসবুক চালান তারা একবার হলেও এদিকে আসেন
বিল গেটস ::: কম্পিউটার জগতের জীবন্ত কিংবদন্তী
Youtube এর Video দেখুন,শুধু মাত্র নিচের Addon ডাউনলোড এর মাধ্যমে ...
বই ও সফটওয়্যারের জন্য আপনাকে আর কারো কাছে সাহায্য চাওয়া লাগবে না …… আমার সংগ্রহের সবকিছু শেয়ার করলাম
 

Flash Labels by Way2Blogging

Categories

Android (7) Career (10) Design (25) Download (39) Education (71) English Learning (3) Exclusive Posts (55) Freelancing (7) Fun Zone (15) General Knowledge (13) Hacking (19) Health Care (9) Internet (93) Islam (2) jony007ex (42) Mobile Information (51) Programing (7) Review (121) Science and Tecnology (40) Security (7) Social Network (21) Tricks (132) Tutorial (29) Website Design (3)

Translate

free counters

Clock

Return to top of page Copyright © 2010 | Platinum Templates Converted into Blogger Template by SEO Templates
^ Back to Top